খুঁজুন
                               
, ,
           

ঐতিহ্য আঁকড়ে ধরে টিকে থাকার লড়াই

সিরাজদীখান (মুন্সীগঞ্জ)প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ
ঐতিহ্য আঁকড়ে ধরে টিকে থাকার লড়াই

আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্যবাহী পেশা হারিয়ে যেতে বসেছে। প্রযুক্তিনির্ভর ও প্লাস্টিকের পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে অনেকেই পেশা বদল করছেন। তবে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বংশপরম্পরায় বাঁশ-বেত শিল্প ধরে রেখেছেন মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের মধুপুর মনিপাড়ার প্রায় একশ পরিবার।

প্রতিদিন ভোর থেকেই শুরু হয় কারিগরদের কর্মব্যস্ততা। বাড়ির উঠান কিংবা ঘরের এক কোণে বসে বাঁশ ও বেত কেটে, চিরে এবং বুনে তৈরি করা হয় নানা ধরনের পণ্য। ঝুড়ি, ডালা, মোড়া, দোলনা, ফুলের টব, পাখা, ঝাড়সহ বিভিন্ন শৌখিন ও গৃহসজ্জার সামগ্রী তৈরি করছেন কারিগররা।

এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত অনেক পরিবারের কয়েক প্রজন্ম ধরে একই পেশা। দাদা ছিলেন কারিগর, বাবা ছিলেন কারিগর—এখন সন্তানরাও সেই কাজ করছেন। আয় কম হলেও পূর্বপুরুষের পেশা, ঐতিহ্য ও পরিচয়ের প্রতি টান থেকেই তারা এ শিল্প ধরে রেখেছেন।

কারিগর যতিন কুমার দাস বলেন, বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্যের দেশ-বিদেশে চাহিদা রয়েছে। সরকারি সহযোগিতা ও সহজ শর্তে পুঁজি পাওয়া গেলে কম খরচে এসব পণ্য বিদেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। এতে কারিগররা আরও লাভবান হতে পারবেন।

কারিগরদের অন্যতম বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে কাঁচামালের সংকট। দূর-দূরান্তের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাঁশ ও বেত সংগ্রহ করতে হয়। কুষ্টিয়া, সিলেট ও বরিশালসহ বিভিন্ন স্থান থেকে কাঁচামাল কিনে আনায় এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয়।

কাঁচামালের দাম ও উৎপাদন খরচ বাড়লেও সে অনুযায়ী বাড়ছে না পণ্যের দাম। পাশাপাশি প্লাস্টিক ও ধাতব পণ্যের ব্যবহার বাড়ায় বাঁশ-বেতের তৈরি সামগ্রীর বাজারও আগের তুলনায় সংকুচিত হয়েছে। ফলে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলো অর্থনৈতিকভাবে চাপে পড়েছে।

কারিগর নিরঞ্জন দাস বলেন, সহজ শর্তে ঋণ, কাঁচামাল সংগ্রহে সহযোগিতা, আধুনিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ এবং উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। এসব সহায়তা পেলে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

কারিগরদের ভাষ্য, বাঁশ-বেত শিল্প তাদের কাছে শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়; এটি পূর্বপুরুষের স্মৃতি, পারিবারিক পরিচয় ও দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের অংশ। তাই নানা সংকটের মধ্যেও তারা এ পেশা ছাড়তে চান না। তবে শিল্পটি টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন সরকারি সহায়তা, নতুন বাজার সৃষ্টি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজাইনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদনের সুযোগ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম প্রতিবেদক)
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজন কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, গুরুতর আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতের ঘটনায় জ্বালানিমন্ত্রীর বাসায় অগ্নিকাণ্ড

সিরাজগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতের ঘটনায় জ্বালানিমন্ত্রীর বাসায় অগ্নিকাণ্ড

সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতের ঘটনায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের হোসেনপুর মহল্লার আল মাহমুদ এভিনিউ এলাকায় মন্ত্রীর বাসার গেটের পাশে থাকা গ্যাসের রাইজারে এ আগুন লাগে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে সিরাজগঞ্জে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ মন্ত্রীর বাসার সামনে গ্যাসের রাইজার এলাকায় আগুনের শিখা দেখা যায়। পরে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে মন্ত্রীর বাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

তিনি বলেন, বাড়ির গেটম্যানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বজ্রপাতের কারণে গ্যাসের রাইজারে আগুন ধরে যায়। আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হওয়ায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

উত্তরায় শপিং মলের রেস্টুরেন্টে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
উত্তরায় শপিং মলের রেস্টুরেন্টে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

রাজধানীর উত্তরায় বিমানবন্দরের পাশে একটি শপিং মলের ছয়তলা ভবনের পাঁচতলায় থাকা একটি রেস্টুরেন্টে আগুন লেগেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উত্তরা ও বিমানবন্দর ফায়ার স্টেশনের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

দুপুর ১টা ৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের প্রচেষ্টায় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের কর্মকর্তা আনারুল ইসলাম দোলন এ তথ্য নিশ্চিত করেন

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি