খুঁজুন
                               
, ,
           

নতুন প্রজন্মকে পেশায় রাখতে সরকারি সহায়তা চান মৃৎশিল্পীরা

ঈশ্বরদী (পাবনা)সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
নতুন প্রজন্মকে পেশায় রাখতে সরকারি সহায়তা চান মৃৎশিল্পীরা

দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলোর অন্যতম মৃৎশিল্প। একসময় গ্রামবাংলার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে মাটির তৈরি নানা সামগ্রীর ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিকতার প্রভাবে এ শিল্প এখন নানা সংকটে পড়েছে। কাজের অভাব, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং পণ্যের বাজার সংকুচিত হওয়ায় অনেক মৃৎশিল্পী পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।

স্থানীয় মৃৎশিল্পীরা জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে সহায়তা পেলে তারা নতুন করে আশাবাদী হতে পারেন। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকেও এ পেশায় ধরে রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা।

মৃৎশিল্পীদের ভাষ্য, বর্তমানে অনেকেই নিয়মিত কাজ পান না। ফলে মাটির তৈরি পণ্য উৎপাদন করে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা না থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি মৃৎপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব জানিয়েছেন, মৃৎশিল্পীদের জন্য সরাসরি সরকারি সহযোগিতার সুযোগ নেই। তবে বিভিন্ন সমিতি ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।

স্থানীয় মৃৎশিল্পীদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিত উদ্যোগ নিলে হারিয়ে যেতে বসা এ ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে আবারও ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ: সিসিটিভি বিশ্লেষণে গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ: সিসিটিভি বিশ্লেষণে গ্রেপ্তার ৪

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালবাগের একটি বাসা থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. রায়হান উদ্দিন (৩৫), রাসেল খান (৩২), আলা উদ্দিন (২৮) ও আব্দুল্লাহ (২৮)।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোল্লা মো. শাহীন।

ডিবি জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে এক অটোরিকশাচালক আহত হন। পরে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একজনকে শনাক্ত করা হয়।

এর ভিত্তিতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বংশাল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রায়হান উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে লালবাগের জেন সাহা রোডের একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলার পার্কিংয়ে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে পার্কিংয়ের একটি পিলারের পাশে ইটের সুরকির বস্তার ভেতর থেকে লাল রঙের কসটেপে মোড়ানো চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

পরবর্তী সময়ে রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল খান, আলা উদ্দিন ও আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবির দাবি, গ্রেপ্তাররা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মোল্লা মো. শাহীন বলেন, রায়হান নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঢাকা দক্ষিণের বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে সে পাঁচ মাস কারাগারে ছিল এবং সম্প্রতি জামিনে বের হয়।

ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই তারা ককটেল বিস্ফোরণের মতো কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এসব ঘটনার পেছনে আরও কারা জড়িত এবং তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা জানতে গ্রেপ্তারদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।

এ ছাড়া গ্রেপ্তারদের মোবাইল ফোনে পলাতক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোবিজে শোক-ক্ষোভ, দ্রুত বিচারের দাবি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোবিজে শোক-ক্ষোভ, দ্রুত বিচারের দাবি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোক ও ক্ষোভে ফুঁসছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। শিশুটির মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও।

অভিনেতা রওনক হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রতিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে লেখেন, ‘আহা! অপ্রতিম! হায়! কোনোভাবেই মানা যায় না! ভাষা নেই! শিউরে শিউরে উঠছি বারবার!’

চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদও অপ্রতিমের মৃত্যুতে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, অপ্রতিমের ছবির দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারছেন না। বাবা হওয়ার পর কোনো শিশুর এমন খবর দেখলে নিজের সন্তানের মুখই বারবার চোখের সামনে ভেসে ওঠে।

সিয়াম আরও বলেন, বিকেলে ছবি তুলতে বাসা থেকে বের হওয়া একটি সন্তান আর ফিরে না আসা—একজন বাবা-মায়ের জন্য এর চেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা আর কী হতে পারে। তিনি ঘটনার প্রকৃত কারণ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সামনে আনার পাশাপাশি কোনোভাবেই সত্য চাপা না দেওয়ার আহ্বান জানান।

ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে এই অভিনেতা বলেন, সর্বোচ্চ সততার সঙ্গে অপ্রতিমের মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটন ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব সবার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি দেশের শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

চিত্রনায়িকা পূজা চেরী অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে লেখেন, একজন মায়ের একমাত্র সন্তান ও একটি পরিবারের স্বপ্ন এভাবে অকালে ঝরে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। তিনি ঘটনার সঠিক তদন্ত এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

সংগীতশিল্পী কোনালও ক্ষোভ প্রকাশ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শিশু নির্যাতন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নির্মাতা আশফাক নিপুন শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির দাবি করেন। আইনি জটিলতা বা আইনের ফাঁকফোকরের অজুহাত না দিয়ে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

‘বড়ছেলে’খ্যাত নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ানও অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার মন্তব্যেও উঠে এসেছে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের গভীর উদ্বেগের বিষয়টি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। এরপর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালান। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। পরিবার ও শোবিজ অঙ্গনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ দ্রুত উদ্‌ঘাটনের দাবি জানাচ্ছেন।

কালের আলো/এসএ

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে অপূর্ব: ‘শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সমাজের অস্তিত্ব অর্থহীন’

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে অপূর্ব: ‘শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সমাজের অস্তিত্ব অর্থহীন’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডে শোক ও ক্ষোভে স্তব্ধ দেশের মানুষ। নৃশংস এ ঘটনার বিচার দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এবার শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।

নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে অপূর্ব বলেন, একটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠা তার মৌলিক অধিকার। অথচ বারবার শিশুদের ওপর এমন নৃশংসতার ঘটনা সমাজ ও মানুষের বিবেক নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করছে।

অভিনেতা লেখেন, ‘একটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার কথা যেখানে সবচেয়ে স্বাভাবিক অধিকার, সেখানে বারবার শিশুদের ওপর এমন নৃশংসতা আমাদের সমাজ ও বিবেকের চরম পতনের ইঙ্গিত দেয়।’

সাম্প্রতিক শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো একজন বাবা ও দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান অপূর্ব।

তিনি বলেন, ‘এই পশুবৃত্তি ও অমানুষিকতার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে আজ এক হতে হবে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে এই সমাজের অস্তিত্ব অর্থহীন।’

শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদেরও আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেতা। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্তানদের প্রতি বাড়তি নজরদারি ও সচেতনতা অনেক বড় বিপদ এড়াতে সহায়তা করতে পারে।

অপূর্ব লেখেন, ‘আমাদের নিজেদের জায়গা থেকেও অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। আজকের এই বাস্তবতায় আমাদের প্রত্যেককে আমাদের শিশু ও অভিভাবকদের আরও বেশি সতর্ক ও সাবধান থাকতে হবে।’

ঘরের বাইরে কিংবা ভেতরে—সব জায়গাতেই শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, তাদের সুরক্ষায় যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে।

এদিকে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অপূর্ব। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের জন্য দেশকে নিরাপদ করে তোলার চেয়ে বড় দায়িত্ব আর কিছু হতে পারে না।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে সব শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশয়ের প্রত্যাশা জানিয়ে অপূর্ব লেখেন, ‘সব শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব চাই। বিচার চাই।’

অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের একাধিক তারকাও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসএ