খুঁজুন
                               
, ,
           

অতীতের কষ্ট পেরিয়ে নতুন সংসারে শবনম ফারিয়ার এক বছর

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
অতীতের কষ্ট পেরিয়ে নতুন সংসারে শবনম ফারিয়ার এক বছর

প্রথম সংসারের তিক্ততা, নানা টানাপোড়েন ও মানসিক সংগ্রাম পেরিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ব্যাংক কর্মকর্তা তানজিম তৈয়বের সঙ্গে তাঁর দাম্পত্য জীবনের এক বছর পূর্ণ হয়েছে।

দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীর প্রথম প্রহরে ঘরোয়াভাবে কেক কেটে উদযাপন করেন ফারিয়া ও তানজিম। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে স্বামীর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানান অভিনেত্রী।

নিজের জীবনের নানা ভুলের কথা স্মরণ করে ফারিয়া জানান, সামাজিকতা রক্ষার জন্য অনেক সময় নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে অন্যায় সহ্য করেছেন। এসব অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে গভীর মানসিক চাপ তৈরি করেছিল।

অতীতের সেই সময় কাটিয়ে উঠতে কাউন্সেলিং ও থেরাপির সহায়তাও নিয়েছেন বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, জীবনের বেশ কয়েকটি বছর সেই জমে থাকা কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টায় কেটে গেছে।

তবে দীর্ঘ সেই সময়ের পর তানজিমকে জীবনে পাওয়া এবং নতুন একটি পরিবারের অংশ হতে পারাকে বড় উপহার হিসেবে দেখছেন ফারিয়া। স্বামীর পাশাপাশি শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদের কাছ থেকেও ভালোবাসা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে স্বামীকে নিয়ে মিষ্টি খুনসুটিও করেছেন অভিনেত্রী। তানজিমের জন্য তাঁর ‘নতুন বছরের’ পরামর্শ—ঘর থেকে বের হওয়ার সময় লাইট, ফ্যান ও এসি বন্ধ করা এবং ফ্রিজ থেকে পানি নেওয়ার পর দরজা বন্ধ করা!

ফারিয়ার বার্তায় উঠে এসেছে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা, মানসিক লড়াই পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং নতুন সংসারে পাওয়া ভালোবাসা ও পারিবারিক বন্ধনের গল্প।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে প্রথম স্বামী হারুনুর রশীদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ব্যাংক কর্মকর্তা তানজিম তৈয়বকে বিয়ে করেন ফারিয়া। তানজিম অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে ফিন্যান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত।

কালের আলো/এসএ

সঞ্চয়পত্রে বিক্রির জোয়ার, সরকারের হাতে ৪৩৬ কোটি

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
সঞ্চয়পত্রে বিক্রির জোয়ার,  সরকারের হাতে ৪৩৬ কোটি

দীর্ঘদিনের ঋণাত্মক ধারা পেরিয়ে আবারও ইতিবাচক অবস্থানে ফিরেছে সঞ্চয়পত্র। সদ্যঃসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি দাঁড়িয়েছে ৪৩৬ কোটি ৬ লাখ টাকা। অথচ এর আগের অর্থবছরে নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে এই পরিবর্তনকে সঞ্চয়পত্র খাতের বড় ধরনের ঘুরে দাঁড়ানো হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৯২ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে ৩৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। তবে বিক্রি বাড়লেও সরকারের নতুন ঋণ পাওয়ার পরিমাণ খুব বেশি বাড়েনি। কারণ নতুন করে যে অর্থ এসেছে, তার প্রায় পুরোটাই চলে গেছে আগের বিনিয়োগকারীদের মূল টাকা ফেরত দিতে।

বিক্রি ৯২ হাজার কোটি, হাতে থাকল ৪৩৬ কোটি
সদ্যঃসমাপ্ত অর্থবছরে নতুন সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে সরকারের আয় হয়েছে ৯২ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা। একই সময়ে পুরনো সঞ্চয়পত্রের আসল বাবদ গ্রাহকদের ফেরত দেওয়া হয়েছে ৯২ হাজার ৭৭ কোটি টাকা। ফলে দুই অঙ্কের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৩৬ কোটি টাকা।

অর্থাৎ বাজারে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বাড়লেও সরকারের কোষাগারে নতুন অর্থ হিসেবে যুক্ত হয়েছে তুলনামূলক সামান্য অংশ। নতুন বিনিয়োগকারীদের অর্থের বড় অংশই পুরনো বিনিয়োগকারীদের দায় পরিশোধে ব্যয় হয়েছে।

লক্ষ্যের ধারেকাছেও নেই
সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ছিল এর চেয়ে অনেক বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে এ খাত থেকে ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ১১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষে নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৩৬ কোটি টাকা।

ফলে বাজেট ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্রের ওপর সরকারের নির্ভরতা আগের তুলনায় কমেছে। প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহে ব্যাংকঋণ ও সরকারি সিকিউরিটিজের মতো বিকল্প উৎসের গুরুত্ব বেড়েছে।

৪২ হাজার কোটি থেকে কয়েক শ কোটি
একসময় সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের অন্যতম বড় উৎস ছিল সঞ্চয়পত্র। ২০২০-২১ অর্থবছরে এ খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা। এরপর ধীরে ধীরে কমেছে নতুন ঋণের পরিমাণ। সর্বশেষ অর্থবছরে তা নেমে এসেছে ৪৩৬ কোটি টাকায়।

এর পেছনে বড় কারণ পুরনো
সঞ্চয়পত্রের মূলধন ও মুনাফা পরিশোধের চাপ। গ্রাহকদের মূল ও মুনাফা বাবদ মোট পরিশোধও বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আগের বছরের তুলনায় এই পরিশোধ বেড়েছে ২৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ বা ১৭ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।

ঋণাত্মক থেকে ইতিবাচক কেন
সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রির হিসাব থেকেই বোঝা যায় সরকারের প্রকৃত নতুন অর্থপ্রাপ্তির চিত্র। মোট বিক্রির অর্থ থেকে গ্রাহকদের মূল ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ বাদ দেওয়ার পর যে অর্থ থাকে, সেটিই নিট বিক্রি।

এই হিসাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ নতুন বিক্রির চেয়ে পুরনো বিনিয়োগকারীদের পরিশোধের পরিমাণ বেশি ছিল। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিক্রি বাড়ায় এবং পরিশোধের তুলনায় সামান্য বেশি হওয়ায় নিট বিক্রি আবার ইতিবাচক হয়েছে। তবে ইতিবাচক হলেও ৪৩৬ কোটি টাকা সরকারের জন্য বড় নতুন অর্থের উৎস হয়ে ওঠেনি।

সঞ্চয়পত্র বিক্রির ঊর্ধ্বগতি
বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ফেরার ইঙ্গিত দিলেও সরকারের জন্য এ খাতের ভূমিকা বদলে গেছে। একসময় সঞ্চয়পত্র থেকে বিপুল অঙ্কের নতুন ঋণ মিললেও এখন নতুন বিক্রির অর্থের প্রায় পুরোটাই পুরনো দায় পরিশোধে চলে যাচ্ছে। ফলে বিক্রি বাড়ার ইতিবাচক প্রবণতার পাশাপাশি সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ব্যবস্থাপনায় সঞ্চয়পত্রের সক্ষমতা কতটা বাড়ে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এম/এএইচ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৪ জনের

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৪ জনের

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাইভেটকারের চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটের দিকে উপজেলার জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—মজিবুর রহমান (৫৫), মোছা. শামীমা আক্তার (৪৫), সাবিহা চৌধুরী (৪৩) ও প্রাইভেটকারের চালক সোহেল। নিহতদের বাড়ি ঢাকার গেন্ডারিয়ায় বলে জানা গেছে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, চট্টগ্রামগামী নিউ বলেশ্বর পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ঢাকাগামী প্রাইভেটকারটির সংঘর্ষ হয়। প্রাইভেটকারটিতে চালকসহ পাঁচজন ছিলেন। তারা মায়ামি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন।

দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা প্রাইভেটকারের চালককে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। আহত চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

খান জাহান আলীর স্মৃতিবিজড়িত ষাটগম্বুজ মসজিদে পর্যটকের ভিড়

বাগেরহাট সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
খান জাহান আলীর স্মৃতিবিজড়িত ষাটগম্বুজ মসজিদে পর্যটকের ভিড়

বাংলাদেশের মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম অনন্য নিদর্শন বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ। প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী, বিশাল আয়তন ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে মসজিদটি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।

ঐতিহাসিক সূত্র ও প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, মসজিদটি নির্মাণে প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর সময় লেগেছিল। তবে মসজিদটির নামকরণ কীভাবে ‘ষাটগম্বুজ’ হলো, তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে রয়েছে মতভেদ।

বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর মধ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ অন্যতম। ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের কারণে ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরীকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

মসজিদটির নির্মাণের সঙ্গে সুফি সাধক ও শাসক খান জাহান আলী (রহ.)-এর নাম জড়িয়ে রয়েছে। তিনি এ অঞ্চলে ইসলামের প্রচার ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

৭৭ গম্বুজ, তবু নাম ষাটগম্বুজ

নাম ষাটগম্বুজ হলেও মসজিদটির মূল ছাদে রয়েছে ৭৭টি গম্বুজ। এর চার কোণের চারটি বুরুজ যুক্ত করলে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টি। মসজিদের ভেতরে রয়েছে সারিবদ্ধ স্তম্ভ ও অসংখ্য খিলান। এসব স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য মসজিদটির স্বাতন্ত্র্য ও প্রাচীন নির্মাণশৈলীর পরিচয় বহন করে।

মসজিদের নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত রয়েছে। কোনো কোনো ইতিহাসবিদের মতে, মসজিদের স্থাপত্য ও গম্বুজের বিন্যাসের সঙ্গে ‘ষাটগম্বুজ’ নামটির সম্পর্ক রয়েছে। আবার অন্যদের মতে, স্থানীয় উচ্চারণ, প্রচলন ও ঐতিহাসিক বিবর্তনের মাধ্যমে নামটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে নামকরণের নির্ভুল ইতিহাস নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।

পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র

ঐতিহাসিক এই মসজিদ দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাগেরহাটে আসেন পর্যটক ও দর্শনার্থীরা। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতিতে মসজিদ প্রাঙ্গণে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

দর্শনার্থীরা মসজিদের প্রাচীন স্থাপত্য, অভ্যন্তরের কারুকার্য, স্তম্ভ ও খিলান ঘুরে দেখেন। ইতিহাস ও স্থাপত্যের অনন্য সমন্বয় হওয়ায় ষাটগম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটের অন্যতম প্রধান দর্শনীয় স্থান হিসেবে এখনও মানুষের আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে আছে।

কালের আলো/এম/এসআইপি