খুঁজুন
                               
, ,
           

হার্টের রিং নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, হৃদরোগ হাসপাতালে দুদকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
হার্টের রিং নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, হৃদরোগ হাসপাতালে দুদকের অভিযান

ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের নির্ধারিত নতুন মূল্য কার্যকর না করে করোনারি স্টেন্ট (হার্টের রিং) বেশি দামে বিক্রি এবং রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট এ অভিযান পরিচালনা করে। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজীর আহমেদ বিষয়টি জানিয়েছেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে করোনারি স্টেন্ট বিক্রি এবং সেবা নিতে আসা রোগীদের হয়রানিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে হাসপাতালের স্টেন্ট বিক্রিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে দুদকের টিম। পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে হার্টে রিং পরানো রোগীদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা হয়রানি করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য নেওয়া হয়।

এ সময় সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক। সংগৃহীত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

দুদক বলছে, অভিযানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বড় পরিবর্তন, অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যে কড়াকড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বড় পরিবর্তন, অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যে কড়াকড়ি

বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য বদলে যাচ্ছে জনপ্রিয় তিন গন্তব্য—অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থা। নতুন বিধিনিষেধের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় নির্বাচনের পাশাপাশি ভিসার শর্ত, আর্থিক সক্ষমতা, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদে থাকার নিয়মও এখন আগেভাগে বিবেচনা করতে হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় পরিবার নেওয়ার সুযোগে পরিবর্তন

অস্ট্রেলিয়া অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন নীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সরকারের লক্ষ্য, চলতি অর্থবছরে নেট ওভারসিজ মাইগ্রেশন ২ লাখ ৪৫ হাজার এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা।

নতুন ব্যবস্থায় অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আগের মতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবারের সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যেতে পারবেন না। তবে দেশটিতে ইতিমধ্যে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও আসিয়ানভুক্ত কিছু দেশের শিক্ষার্থী এবং পিএইচডির মতো নির্দিষ্ট কোর্সে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রম থাকবে।

এ ছাড়া এক ভিসা থেকে অন্য ভিসায় যাওয়ার প্রবণতা বা ‘ভিসা হপিং’ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। শিক্ষার্থী ভিসার অপব্যবহার ঠেকাতেই এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট সময়ের ভিসার প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা ব্যবস্থায় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, এফ-১ ও জে-১ ভিসাধারীদের জন্য আগের ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ ব্যবস্থার পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময়ের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রস্তাবে এফ-১ শিক্ষার্থীদের জন্য সাধারণভাবে সর্বোচ্চ চার বছরের সময়সীমার কথা বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্স শেষ করতে না পারলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে হতে পারে।

এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, পিএইচডি বা অন্যান্য উচ্চশিক্ষা কর্মসূচিতে থাকা শিক্ষার্থীদের কোর্সের সময়সীমা ও ভিসার মেয়াদ নিয়ে আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে।

যুক্তরাজ্যে কমছে গ্র্যাজুয়েট ভিসার সময়

যুক্তরাজ্যেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সাধারণ গ্র্যাজুয়েট ভিসায় পড়াশোনা শেষে থাকার সময় দুই বছর থেকে কমে ১৮ মাস হবে।

তবে পিএইচডি ও অন্যান্য ডক্টরাল ডিগ্রিধারীদের জন্য তিন বছরের সময়সীমা বহাল থাকবে।

অর্থাৎ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করা শিক্ষার্থীরা বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী দুই বছরের সুযোগ পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে আবেদন করলে সাধারণ গ্র্যাজুয়েট ভিসার মেয়াদ হবে ১৮ মাস।

ফলে পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজা এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মভিসায় যাওয়ার প্রস্তুতির জন্য সাধারণ গ্র্যাজুয়েটদের হাতে আগের তুলনায় কম সময় থাকবে।

বাড়ছে যুক্তরাজ্যে প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ

যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী ভিসায় জীবনযাত্রার খরচ বহনের সক্ষমতা দেখানোর শর্তও পরিবর্তিত হচ্ছে। নতুন বিধি অনুযায়ী, লন্ডনে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মাসে ১ হাজার ৫৭০ পাউন্ড এবং লন্ডনের বাইরে ১ হাজার ২০৩ পাউন্ড অর্থের সক্ষমতা দেখাতে হবে।

বর্তমানে এই পরিমাণ যথাক্রমে ১ হাজার ৫২৯ পাউন্ড ও ১ হাজার ১৭১ পাউন্ড। শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন ফি বর্তমানে ৫৫৮ পাউন্ড।

শিক্ষার্থীদের জন্য বদলে যাচ্ছে পরিকল্পনার হিসাব

তিন দেশের নিয়মে পার্থক্য থাকলেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অভিবাসন ব্যবস্থায় সরকারি নজরদারি বাড়ছে। তাই বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যেতে আগ্রহীদের এখন শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং বা কোর্সের মান বিবেচনা করলেই হচ্ছে না।

মোট পড়াশোনার খরচ, ভিসার মেয়াদ, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ, প্রয়োজনীয় অর্থের প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট দেশের শ্রমবাজার এবং ভবিষ্যতে অন্য ভিসায় যাওয়ার নিয়ম—সবকিছু মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে পিএইচডি, গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে যেতে আগ্রহীদের জন্য ভিসার সময়সীমা এবং অতিরিক্ত অনুমতির নিয়ম আগে থেকেই যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

ফলে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থাকলেও পরিবর্তিত ভিসা ও অভিবাসন নীতির কারণে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিও আগের চেয়ে বেশি পরিকল্পিত হতে হবে।

সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, এনডিটিভি

কালের আলো/এসএ

জাল সনদে চাকরি করে ১৯ বছরে নিলেন ৪২ লাখ, ফেরতের নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
জাল সনদে চাকরি করে ১৯ বছরে নিলেন ৪২ লাখ, ফেরতের নির্দেশ

জাল শিক্ষাগত সনদ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাবেক অফিস সহকারী মোহাম্মদ গোলাম মাওলাকে চাকরিকালীন উত্তোলন করা ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাধারণ ও সংস্থাপন শাখা।

আদেশ সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর হাতিরপুলের বাসিন্দা মোহাম্মদ গোলাম মাওলা ২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে অফিস সহকারী পদে চাকরিতে যোগ দেন। দীর্ঘদিন চাকরি করার পর তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল ও জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। মামলা নম্বর ০৯/২০২১। বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, জাল ও জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ভিত্তিতে তিনি অফিস সহকারী পদে চাকরি নিয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার চাকরি শুরু থেকেই বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।

আদেশে আরও বলা হয়, চাকরি শুরু থেকেই বাতিল হিসেবে গণ্য হওয়ায় চাকরিকালে তিনি কোনো বেতন-ভাতা পাওয়ার অধিকারী নন। কিন্তু ২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বেতন-ভাতা বাবদ মোট ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা উত্তোলন করেছেন।

এ কারণে উত্তোলন করা ওই অর্থ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অটোমেটেড চালান সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সন্তান জন্মের পর ক্যাটরিনাকে ট্রোলিং, ক্ষোভ ঝাড়লেন সালমান

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
সন্তান জন্মের পর ক্যাটরিনাকে ট্রোলিং, ক্ষোভ ঝাড়লেন সালমান

সন্তান জন্মের কয়েক মাস পর সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। এরপর থেকেই তাঁর চেহারা ও শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা মন্তব্য ও ট্রোলিং। এবার বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন অভিনেতা সালমান খান।

রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’-এর মঞ্চে ক্যাটরিনা ও বয়সী তারকাদের নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে করা কটূক্তির প্রসঙ্গ ওঠে। তখন তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনলাইন আক্রমণের তীব্র প্রতিবাদ জানান সালমান।

সালমান বলেন, কোনো নারী মা হওয়ার পর তাঁর শরীরে পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। কিন্তু সমাজের একাংশ বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে না দেখে ‘মোটা হয়ে গেছে’ বলে কটাক্ষ শুরু করে। একজন মাকে নিয়ে কেন এভাবে ট্রোল করা হবে—এ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অভিনেতার মতে, সন্তান জন্মের পর অভিনেত্রীরা নিজেদের সময় নিয়ে শারীরিকভাবে প্রস্তুত হয়ে আবার পর্দায় ফিরতে পারেন। তাই তাঁদের ওপর দ্রুত আগের চেহারায় ফেরার অযথা চাপ তৈরি করা উচিত নয়।

নিজের ট্রোলিংয়েরও জবাব সালমানের

শুধু নারীদের নিয়ে করা মন্তব্য নয়, নিজের বয়স ও ওজন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে চলা ট্রোলিংয়ের জবাব দেন সালমান। তিনি বলেন, তিনি আর ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ সিনেমার সময়কার বয়সে নেই। বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে পরিবর্তন আসাটাই স্বাভাবিক।

সমালোচকদের জবাব দিতে মঞ্চেই নিজের কাউবয় টুপি, জ্যাকেট ও টি-শার্ট খুলে ফেলেন সালমান। এরপর মেকআপও মুছে ফেলেন। ট্রোলারদের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘ভাই মোটা হয়ে গেছে! ট্রল করো ভাইকে নিয়ে।’

‘সমালোচনা করুন, ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়’

দর্শকদের উদ্দেশে সালমান বলেন, কোনো সিনেমা ভালো না লাগলে বা অভিনয় পছন্দ না হলে দর্শকের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে। এতে তাঁর আপত্তি নেই। তবে সেই সমালোচনা যখন ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটূক্তি ও অনলাইন গালাগালিতে পরিণত হয়, তখনই সমস্যা তৈরি হয়।

তাঁর বক্তব্যের মূল কথা, সিনেমার টিকিট কিনে দেখার অর্থ এই নয় যে পর্দার পেছনে থাকা শিল্পীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আক্রমণ করার অধিকারও পাওয়া গেল।

কালের আলো/এসএ