খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমের স্টেনারগার্ডের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ বৈঠক হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও সুইডেনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এর আগে তারেক রহমানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়। সেই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশন উপলক্ষে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অধিবেশনে ভাষণ দেন।

এছাড়া তারেক রহমান গত কয়েকদিন ধরে সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং নানা সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

গানে-কবিতায় নজরুল বন্দনা, সাম্যের চেতনা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
গানে-কবিতায় নজরুল বন্দনা, সাম্যের চেতনা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

কবিতা, গান আর নৃত্যের ছন্দে মুখরিত নান্দাইল। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও সাম্যের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে উঠে এলো মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার বার্তা। অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের মাঝে নজরুলের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।

  • নান্দাইলে নজরুল বর্ষের বর্ণাঢ্য আয়োজন
  • শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা
  • পুরস্কার পেলেন বিজয়ীরা

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম বাঙালি জাতির চেতনা, মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার অন্যতম অনুপ্রেরণার উৎস। এটি নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

নজরুলের সাহিত্য, সংগীত ও সাম্যের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। কবিতা আবৃত্তি, নজরুলসংগীত, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রতিযোগীরা তাদের প্রতিভা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর আবহ
শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর আবহ। নজরুলের বিদ্রোহ, মানবতা, দেশপ্রেম, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনা উঠে আসে তাদের পরিবেশনায়। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি। পুরস্কার পেয়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস।

নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম তারেক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাইমা সুলতানা, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এনামুল কাদির, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী সাদ্দাম হোসেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
এর আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী নান্দাইল উপজেলার সুন্দাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন এবং রাজগাতী ইউনিয়নের উলহাটি বাজার সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি/এমকে

শি জিনপিংকে লালগালিচার আড়ালে দর-কষাকষি

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
শি জিনপিংকে লালগালিচার আড়ালে দর-কষাকষি

এক দশকেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে নিজেই হাজির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামরিক ঘাঁটিতে লালগালিচা, সামরিক আনুষ্ঠানিকতা, রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ—শির সফরকে ঘিরে ওয়াশিংটনের আয়োজন যেন বলে দিচ্ছে, অতিথি এবার সাধারণ কোনো রাষ্ট্রপ্রধান নন।

  • বিমানবন্দরে ট্রাম্পের অভ্যর্থনা
  • রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ—জাঁকজমকের আড়ালে বাণিজ্য
  • তাইওয়ান ও প্রযুক্তির সংঘাত

কিন্তু লালগালিচার নিচেই জমে আছে কঠিন হিসাব। বাণিজ্যযুদ্ধ থেকে বিরল খনিজ, তাইওয়ান থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও বেইজিং মুখোমুখি। ফলে এই সফরের আসল পরীক্ষা অভ্যর্থনার জাঁকজমকে নয়; দুই নেতা কতটা সংঘাত সামলে সম্পর্ককে স্থিতিশীল রাখতে পারেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

লালগালিচার আড়ালে ট্রাম্পের হিসাব
শির সফরে ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকারের জায়গায় বাণিজ্য। পাল্টাপাল্টি শুল্কে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক একসময় ভয়াবহ উত্তেজনায় পৌঁছেছিল। পরে দুই দেশ যুদ্ধবিরতির পথে যায়। এখন সেই সমঝোতা আরও কিছু সময় বহাল রাখার পাশাপাশি বড় বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। ট্রাম্পের জন্য এর গুরুত্ব শুধু অর্থনীতিতে সীমিত নয়। বাণিজ্যে নতুন উত্তেজনা মার্কিন ভোক্তা ও শিল্প খাতে চাপ বাড়াতে পারে। বিপরীতে চীনের সঙ্গে সমঝোতার দৃশ্যমান অগ্রগতি ওয়াশিংটনের জন্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বার্তা তৈরি করতে পারে।তবে শুল্ক কমানোই সব নয়। চীনের বাজারে মার্কিন কৃষিপণ্যের প্রবেশ, বিরল খনিজ, প্রযুক্তি এবং রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ—সবগুলো প্রশ্নই আলোচনার টেবিলে আলাদা হিসাব তৈরি করবে।

এবার শির হাতেও চাপের অস্ত্র
শি ওয়াশিংটনে এসেছেন আগের তুলনায় শক্তিশালী দর-কষাকষির অবস্থান নিয়ে। চীন এখন শুধু সস্তা পণ্যের উৎপাদক নয়; বৈদ্যুতিক গাড়ি, ব্যাটারি, শিল্প প্রযুক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহব্যবস্থায় দেশটির প্রভাব বেড়েছে।

বিশেষ করে বিরল খনিজের ক্ষেত্রে চীনের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। স্মার্টফোন, বৈদ্যুতিক গাড়ি থেকে সামরিক প্রযুক্তি—বিভিন্ন শিল্পেই এসব উপাদানের প্রয়োজন। ফলে ওয়াশিংটন যেমন চীনের ওপর শুল্ক ও প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের চাপ দিতে পারে, বেইজিংয়ের হাতেও রয়েছে পাল্টা চাপ সৃষ্টির বাস্তব সক্ষমতা। এই পরিবর্তিত ভারসাম্যই এবারের বৈঠককে আগের অনেক আলোচনার চেয়ে আলাদা করে তুলেছে।

তাইওয়ানে মিলবে না সহজ সমাধান
বাণিজ্যে সমঝোতার রাস্তা থাকলেও সবচেয়ে কঠিন দেয়াল তাইওয়ান। বেইজিংয়ের কাছে এটি সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। ওয়াশিংটনের কাছে তাইওয়ান আবার ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি শির আলোচনার অন্যতম কঠিন বিষয় হতে পারে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রও চীনের চাপের মুখে তাইওয়ান প্রশ্নে বড় কোনো ছাড় দিতে চাইবে না। অর্থাৎ, বাণিজ্যে ‘দেনা-পাওনা’র হিসাব মিললেও তাইওয়ান প্রশ্নে সমঝোতার জায়গা অনেক সংকীর্ণ।

বাণিজ্য পেরিয়ে যুদ্ধ এখন প্রযুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিযোগিতার নতুন ফ্রন্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। উন্নত চিপ, এআই মডেল, প্রযুক্তি রপ্তানি এবং সামরিক প্রয়োগ—সব ক্ষেত্রেই দুই দেশ এগিয়ে যেতে চাইছে। শির সফরে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে সাক্ষাতের আয়োজন তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এতে একদিকে চীনের প্রযুক্তি বাজারের গুরুত্ব ফুটে উঠছে, অন্যদিকে ওয়াশিংটনের প্রযুক্তি-নিরাপত্তা উদ্বেগও স্পষ্ট হচ্ছে। বড় কোনো প্রযুক্তিগত ছাড়ের চেয়ে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের কাঠামো তৈরিই বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হতে পারে।

ইরানেও মুখোমুখি ভিন্ন স্বার্থ
ইরান ইস্যু আলোচনায় এলে দুই দেশের স্বার্থের পার্থক্যও সামনে আসবে। যুক্তরাষ্ট্র যেখানে সংঘাতের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে ব্যস্ত, চীনের প্রধান উদ্বেগ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি সরবরাহ। ট্রাম্প চাইতে পারেন, ইরান নিয়ে বেইজিং কোনো কূটনৈতিক ভূমিকা নিক। কিন্তু চীন যে ওয়াশিংটনের অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি একমত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

সংঘাত ঠেকানোই লক্ষ্য
শিকে ঘিরে এত আয়োজন তাই দুই দেশের বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায়ের চেয়ে নিয়ন্ত্রিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রয়োজনীয়তাই বেশি তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্র চীনের উত্থান ঠেকাতে চাপ অব্যাহত রাখতে চায়। চীনও সেই চাপ মেনে নেওয়ার অবস্থানে নেই। ফলে এবারের বৈঠকে বড় ঐতিহাসিক চুক্তির চেয়ে বাণিজ্যযুদ্ধ ফের তীব্র না হওয়া, যোগাযোগের পথ খোলা রাখা এবং সংঘাতের সীমা নির্ধারণ—এই তিনটি বিষয়ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। শির জন্য লালগালিচা যতই বিছানো হোক, বৈঠকের টেবিলে বসবে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি—বন্ধু নয়, হিসাবের অংশীদার।

কালের আলো/জেএন/এমকে

তারেক রহমানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে উভয় নেতা বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ