খুঁজুন
                               
, ,
           

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ

সাঁকো পেরিয়ে বিদ্যালয়ে, দুর্ঘটনার শঙ্কায় শিক্ষার্থী-অভিভাবক

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সাঁকো পেরিয়ে বিদ্যালয়ে, দুর্ঘটনার শঙ্কায় শিক্ষার্থী-অভিভাবক

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার খিলা ইউনিয়নের পূর্ব বাতাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা কাঠের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের পাশের গভীর খালের ওপর থাকা জরাজীর্ণ সাঁকোটিই শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র ভরসা।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের পূর্ব ও দক্ষিণ পাশে খাল। খালের পানিতে জমে আছে ঘন কচুরিপানা। উত্তর পাশে বড় পুকুর এবং পশ্চিম পাশে রয়েছে মাটির সড়ক। বিদ্যালয়ের চারপাশে কোনো পাকা সড়ক না থাকায় বর্ষাকালে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃষ্টি হলে মাটির সড়ক কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। তখন বাঁশ-কাঠের জীর্ণ সাঁকোটি পার হওয়া শিশুদের জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। অসাবধানতাবশত কেউ সাঁকো থেকে পড়ে গেলে খালের পানিতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বেলাল হোসেন জানান, খালের দক্ষিণ পাশে শতাধিক পরিবারের বসবাস। এসব পরিবারের শিশুরা প্রতিদিন সাঁকোটি ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে যায়। সাঁকোর নিচে কচুরিপানা থাকায় পানির গভীরতাও সহজে বোঝা যায় না।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আহছানউল্লা বলেন, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যায় রয়েছে। বিশেষ করে খালের ওপরের সাঁকো দিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রথম শ্রেণির ছোট শিশুরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে। অনেকে ভয়ে বিদ্যালয়ে আসতেও চায় না।

প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক বলেন, সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে আসার সময় পা পিছলে অনেক শিশু আহত হয়েছে। অনেক সময় তাদের জামাকাপড় ও বই-খাতা পানিতে পড়ে যায়। এখানে একটি সেতু নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নিরাপদ হবে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে পূর্ব বাতাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী এবং ছয়জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। বিদ্যালয়ের নির্ধারিত জায়গার একাংশ পুকুর ও খালের পাশে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা রয়েছে।

এ ছাড়া ২০১৮ সালের শেষদিকে পুকুরের পাড় ঘেঁষে বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে ভবনের নিচের মাটির কিছু অংশ পুকুরে ধসে ফাঁকা হয়ে গেছে বলেও জানা গেছে।

শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের নিরাপদ চলাচলের জন্য জরাজীর্ণ সাঁকোর পরিবর্তে পাকা সেতু নির্মাণ, বিদ্যালয়ের চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী এবং চলাচলের উপযোগী সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল হোসেন বলেন, সেতু নির্মাণের জন্য প্রথমে সড়কটি আইডিভুক্ত করতে হবে। সড়টির অবস্থান, দৈর্ঘ্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্যের ভিত্তিতে নম্বর বা কোড নির্ধারণ করে তা কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে জমা থাকবে। এ জন্য দ্রুত খালটি পরিদর্শন করে সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর, ওসি প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর, ওসি প্রত্যাহার

রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও পুলিশের যোগসাজশের অভিযোগে শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) হেডকোয়ার্টার থেকে জারি করা এক কার্যালয় আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, শাহ আলী থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরের সদর সপ্তর ও প্রশাসন বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে প্রবেশ করে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করেন।

পরে হামলাকারীরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, টিকা, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

১৯৭৪ সালে মিরপুরের সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাতৃ ও শিশুসেবা নিশ্চিত করতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের টিকাদান, শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছিল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মার্কিন পোশাক বাজারে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখল বাংলাদেশ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ
মার্কিন পোশাক বাজারে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখল বাংলাদেশ

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পোশাক আমদানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনকে পেছনে ফেলে তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) মার্কিন পোশাক আমদানির বাজার সংকুচিত হলেও মে মাসে বাংলাদেশের রফতানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

ইউএস অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ২৮ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমে ৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। গত বছরের একই সময়ে এ রফতানির পরিমাণ ছিল ৩ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার।

তবে মে মাসে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। ওই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৫৮২ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পাঁচ মাসে বাংলাদেশ মোট ১ দশমিক ০৯ বিলিয়ন স্কয়ার মিটার ইক্যুইভ্যালেন্ট (এসএমই) পোশাক রফতানি করেছে।

এদিকে মার্কিন শুল্কনীতি ও সোর্সিং বহুমুখীকরণের কারণে চীনের পোশাক রফতানিতে বড় ধরনের পতন হয়েছে। জানুয়ারি-মে সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে চীনের পোশাক রফতানি প্রায় ৪৩ শতাংশ কমে ২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ফলে চীনকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

মার্কিন বাজারে শীর্ষ সরবরাহকারী হিসেবে ভিয়েতনামও নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। দেশটির পোশাক রফতানি ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে কম্বোডিয়ার রফতানি প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে। ভারতের পোশাক রফতানি কমেছে ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের পোশাকের প্রতি এসএমই গড় মূল্য ২ শতাংশ কমে ২ দশমিক ৯৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই ইউনিট মূল্যের দিক থেকে বাংলাদেশ চীন, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়ার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তবে ভিয়েতনাম, ভারত ও মেক্সিকোর তুলনায় বাংলাদেশের ইউনিট মূল্য কিছুটা কম।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীন থেকে সরে যাওয়া ক্রয়াদেশের একটি অংশ বাংলাদেশ পেলেও প্রতিযোগী দেশগুলোও দ্রুত বাজার দখল করছে। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা ও মূল্যচাপ এখনো বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী মহিউদ্দিন রুবেলের মতে, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট, দীর্ঘ লিড টাইম ও অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান করা গেলে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি আরও বাড়তে পারে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মে মাসের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখা এবং অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানির অবস্থান আরও শক্ত হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জীবনের ১২৩ বসন্ত পেরিয়েও চশমা ছাড়াই কোরআন পাঠ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
জীবনের ১২৩ বসন্ত পেরিয়েও চশমা ছাড়াই কোরআন পাঠ

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার যোগেন্দ্রনগর গ্রামের প্রবীণ আব্বাস প্রামাণিক। ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী তার বয়স ১২৩ বছর। তবে পরিবারের দাবি, প্রকৃত বয়স আরও বেশি। এ বয়সের পক্ষে স্বাধীন কোনো প্রমাণ না থাকলেও দীর্ঘ জীবনে তিনি ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান আমল ও ভাষা আন্দোলনের মতো ঐতিহাসিক সময় প্রত্যক্ষ করেছেন।

বয়সের ভারে শরীর অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়লেও এখনও তার দৃষ্টিশক্তি ভালো। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ১২৩ বছর বয়সেও তিনি চশমা ছাড়াই খালি চোখে কোরআন শরীফ পড়তে পারেন। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের কাছেও বিস্ময়ের।

আব্বাস প্রামাণিকের বাড়ি উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্রনগর গ্রামে। কর্মজীবনে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। দুই মেয়ে ও ছয় ছেলের বাবা আব্বাস একসময় মাত্র ৬০ টাকা বেতনে শিক্ষকতা করেছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি এলাকার ছেলে-মেয়েদের বিনামূল্যে কোরআন শিক্ষা দিতেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আব্বাস প্রামাণিক বরাবরই সাদাসিধে জীবনযাপন করেছেন। বিলাসিতা তার পছন্দ ছিল না। দীর্ঘ জীবনে তিনি বেশিরভাগ সময় পায়ে হেঁটেই চলাচল করেছেন। গাড়ি বা অন্য কোনো যানবাহনে চড়াকে তিনি বিলাসিতা মনে করতেন। তার পছন্দের খাবারের মধ্যে রয়েছে বাতাসা, গরুর দুধ ও মসুর ডাল।

বর্তমানে বয়সের কারণে তার চলাফেরা সীমিত। একটি ভাঙা ঘরে বসবাস করলেও নাতি ও নাতি-বউয়েরা নিয়মিত তার দেখাশোনা করেন। চোখে ভালো দেখলেও কানে কম শোনেন তিনি। শত বছরের পুরোনো অনেক স্মৃতিও এখন আর স্পষ্টভাবে মনে করতে পারেন না।

নাতি শিফকুল ইসলাম বলেন, ভোটার আইডি কার্ডে দাদার বয়স ১২৩ বছর উল্লেখ থাকলেও প্রকৃত বয়স আরও বেশি বলে তারা মনে করেন। তার ভাষ্য, দাদা কখনো বিলাসিতা পছন্দ করেননি এবং সবসময় সৎ ও সাধারণ জীবনযাপন করেছেন।

মেয়ে আলিমা বেগম জানান, পাঁচ বছর বয়সে তিনি মাকে হারান এবং বাবার কাছেই বড় হয়েছেন। বাবাকে কখনো কারও প্রতি অন্যায় করতে দেখেননি। বর্তমানে ভাইয়ের ছেলেদের কাছেই তার বাবা থাকেন। সুযোগ পেলেই তিনি বাবাকে দেখতে যান এবং পছন্দের খাবার নিয়ে যান। তার দাবি, এত বয়সেও বাবা চশমা ছাড়াই কোরআন শরীফ পড়েন।

গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমদা আফেরাজ জানান, আব্বাস প্রামাণিক উপজেলার একজন প্রবীণ বাসিন্দা। বয়সের কারণে তার চলাফেরা সীমিত হয়ে পড়েছে। তার চলাচলের সুবিধার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ির সামনে সিঁড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খুবিজপুর প্রবীণ সেবা কেন্দ্র তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সময় তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি