খুঁজুন
                               
, ,
           

‘আমাকে ট্রল করার মতো কোনো কাজই করিনি’

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
‘আমাকে ট্রল করার মতো কোনো কাজই করিনি’

নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই নানা ধরনের ট্রল ও মন্তব্য দেখা যায়। তবে এসব নিয়ে খুব একটা ভাবেন না এই অভিনেতা। তাঁর দাবি, জীবনে এমন কোনো কাজ করেননি, যা নিয়ে তাঁকে ট্রল করা যায়। বরং তাঁর সরাসরি ও প্রতিবাদী স্বভাবকেই অনেকে নিজেদের মতো করে ট্রলের বিষয় বানিয়ে ফেলেন।

সম্প্রতি প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওমর সানী বলেন, তাঁকে নিয়ে ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ তিনি জীবনে করেননি। তাঁর কর্মকাণ্ডকে কেউ কেউ নিজেরাই ট্রলের মতো করে উপস্থাপন করেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের স্বভাবের কথা তুলে ধরে অভিনেতা বলেন, তিনি সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করেন এবং কিছু বিষয়ে প্রতিবাদী। তাঁর এই সরাসরি কথা বলা অনেকের পছন্দ হয় না বলেও মনে করেন তিনি। তবে এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেন না বলে জানান ওমর সানী।

সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যবহৃত একটি ঘড়ির প্রসঙ্গও তোলেন এই অভিনেতা। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর হাতের ঘড়ি নিয়ে কেউ কেউ সেটির দাম প্রায় ২৯ লাখ টাকা বলে প্রচার করেছেন। অথচ তাঁর দাবি, ঘড়িটির প্রকৃত দাম মাত্র ১১০০ টাকা।

নিজের সামর্থ্য কিংবা সম্পদ নিয়ে কখনো বাড়াবাড়ি করেন না বলেও দাবি করেন ওমর সানী। তাঁর ভাষ্য, মার্সিডিজ গাড়ি থাকলেও সেটি নিয়ে তিনি কখনো ফুটানি করেন না। কোনো সম্পদ থাকা নিয়ে বড় করে কথা বলারও প্রয়োজন দেখেন না তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট কখনো মুছে ফেলেছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওমর সানী বলেন, এ ধরনের ঘটনা তাঁর ক্ষেত্রে খুব কমই ঘটেছে। একবার বা দুবার কোনো পোস্ট মুছে থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি। তবে কাউকে ছোট করে কখনো পোস্ট করেননি বলে দাবি করেন এই অভিনেতা।

শিল্পীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা নিয়েও নিজের মতামত জানান ওমর সানী। তাঁর মন্তব্য, অনেক শিল্পীই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম কথা বলেন, অথচ যাঁরা শিল্পী নন, তাঁরাই বেশি কথা বলেন।

কালের আলো/এসএ

হামের উপসর্গে এক দিনে ৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৩০৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে এক দিনে ৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৩০৫

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৩০৫ শিশু। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে দুজন করে এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে একজন করে রয়েছে।

এ সময়ে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল ঢাকা বিভাগে। সেখানে ৪২৯ জন সন্দেহজনক এবং ৫৯ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৩০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, রংপুর বিভাগে হাম রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে কম। এ বিভাগে ২৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং তাদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৬২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ১০১ শিশু। সব মিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ১ হাজার ৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়া দেশে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ৬৪৬ জন। আর সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৫ জন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

নদীগর্ভে যাচ্ছে লেবুতলা-ডুমরিয়া সড়ক, ঝুঁকিতে ৫০ বসতবাড়ি

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
নদীগর্ভে যাচ্ছে লেবুতলা-ডুমরিয়া সড়ক, ঝুঁকিতে ৫০ বসতবাড়ি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শৈলদাহ নদীর ভাঙনে লেবুতলা-ডুমরিয়া সড়কের বিভিন্ন অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। নদীর তিনটি পয়েন্টে প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ১০ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বালুর বস্তা ফেলে অস্থায়ী প্রতিরোধের কাজ করছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, অস্থায়ীভাবে বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন বন্ধ করা সম্ভব নয়। তারা দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শৈলদাহ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় আট কিলোমিটার এবং গড় প্রস্থ ৩৪০ মিটার। নদীটির গতিপথ আঁকাবাঁকা ও ভাঙনপ্রবণ। চলতি বর্ষা মৌসুমে পানির তীব্র স্রোতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমরিয়া ইউনিয়নের সড়াবাড়ী, চিথলিয়া ও ছোট ডুমরিয়া এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

ভাঙনের কারণে স্থানীয়দের ৯ থেকে ১০ কিলোমিটার ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। একই সঙ্গে হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ৫০টি বসতবাড়ি, ফসলি জমি, ইউনিয়ন পানি সরবরাহের পানির ট্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা।

স্থানীয়রা জানান, সড়কের কোথাও ভেঙে গেছে, আবার কোথাও দেবে গেছে। ফলে ভ্যানসহ ছোট যানবাহন চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হচ্ছে। এতে যানবাহনের টায়ার, চেইন, বিয়ারিং ও মোটর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি যানবাহন চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় কলেজছাত্র হৃদয় শেখ বলেন, প্রতিদিন তিন থেকে চার হাজার মানুষ সড়কটি ব্যবহার করেন। দ্রুত স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ করা না হলে সড়কটি পুরোপুরি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এতে যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনেও বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হবে।

চিথলিয়া গ্রামের বাসিন্দা বাসন্তী মিস্ত্রি বলেন, নদীভাঙনে তাদের বসতঘর আগেই বিলীন হয়েছে। এখন জমিও ভাঙনের মুখে। বালুর বস্তা ফেলা হলেও ভাঙন থামছে না। সম্পত্তি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জাকারিয়া ফেরদৌস বলেন, ডুমরিয়া ইউনিয়নের তিনটি পয়েন্টে প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন রয়েছে। সেখানে বালুর বস্তা ফেলে অস্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, সাউথ ইস্ট প্রকল্পের আওতায় শৈলদাহ নদীর ভাঙন প্রতিরোধে একটি স্থায়ী প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

হাসপাতালে তাসনুভা তিশার মা, দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
হাসপাতালে তাসনুভা তিশার মা, দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী

গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনুভা তিশার মা। চার দিন আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।

মায়ের অসুস্থতায় উদ্বিগ্ন তাসনুভা তিশা। মায়ের দ্রুত সুস্থতার জন্য ভক্ত-অনুরাগীসহ সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মায়ের অসুস্থতার খবর জানান তিশা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মায়ের একটি ছবি প্রকাশ করে দেওয়া পোস্টে তিনি জানান, চার দিন আগে তাঁর মা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।

মায়ের অসুস্থতাকে পরিবারের জন্য কঠিন সময় হিসেবে উল্লেখ করে তিশা সবার কাছে আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।

পোস্টে মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে অভিনেত্রী বলেন, সবাই যেন তাঁর মায়ের জন্য প্রার্থনা করেন, যাতে আল্লাহ তাঁকে ‘শেফা-ই-কামেলা’ দান করেন, শক্তি দেন এবং হৃদযন্ত্র হেফাজত করেন। একই সঙ্গে দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে মাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যও প্রার্থনা করেন তিনি।

তিশার এই আবেগঘন পোস্টের পর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তাঁর ভক্ত-অনুরাগীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যের ঘরে অনেকে অভিনেত্রীর মায়ের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

পরিবারের এই কঠিন সময়ে তাসনুভা তিশার পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তাঁর ভক্তরা। মায়ের সুস্থতার জন্য তাঁদের প্রার্থনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন অনেকে।

কালের আলো/এসএ