খুঁজুন
                               
, ,
           

নানাবাড়ির স্মৃতি মনে করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
নানাবাড়ির স্মৃতি মনে করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীতে সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে নিজের নানাবাড়িতে যাওয়ার স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বহু বছর পর নানাবাড়ি আসলাম। খুব সম্ভবত ১৯৮৪ সালে এসেছিলাম। এরপর ১৯৯১ সালে এসেছিলাম।’

তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, একই সঙ্গে নানাবাড়ির জন্যও কাজ করতে হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীর মানুষকে বন্যার হাত থেকে রক্ষায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প এবং নদী খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উন্নয়ন কর্মসূচি উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোটের আগে তিনি নদীটি খননের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতেই এখন কাজ শুরু করা হচ্ছে।

ফেনীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এসব দল কয়েকটি আসনে জয়ী হয়ে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করছে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম ফেনী সফর। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবন থেকে বাসে করে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দুপুর ২টার দিকে পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

মেট্রোরেলের দুই লাইনে বড় নির্মাণকাজ, অনুমোদন ৪৬ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
মেট্রোরেলের দুই লাইনে বড় নির্মাণকাজ, অনুমোদন ৪৬ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব

ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের লাইন-১ ও লাইন-৫-এর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে মেট্রোরেলের দুই লাইনের আটটি ক্রয় প্রস্তাব বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে পাঁচটি প্রস্তাব অনুমোদন এবং তিনটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

অনুমোদিত কাজের মধ্যে রয়েছে লাইন-১-এর ডিপো, ভূগর্ভস্থ পথ ও স্টেশন, ট্র্যাক, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং লাইন-৫-এর উড়ালপথ ও স্টেশন নির্মাণ।

লাইন-১-এর সিপি-০২ প্যাকেজে ডিপোর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হবে ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫৮ টাকা। সিপি-০৬ প্যাকেজে নাড্ডা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ ও তিনটি স্টেশন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার ২৯৯ টাকা।

এ ছাড়া সিপি-০৯ প্যাকেজে ট্র্যাক, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা নির্মাণে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা। সিপি-১০ প্যাকেজে সংকেত, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্মের দরজা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপনে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩১ হাজার ৭১৬ টাকা।

লাইন-৫-এর সিপি-০৩ প্যাকেজে হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার এবং নতুন বাজারের পর থেকে ভাটারা পর্যন্ত মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি পাঁচটি উড়াল স্টেশন নির্মাণে ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৬০ টাকা।

বৈঠকে লাইন-১-এর আরও দুটি এবং লাইন-৫ উত্তর রুটের একটি প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রামপুরা থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণে সিপি-০৪ প্যাকেজের মূল চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। সিপি-০৭ প্যাকেজে ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ২৪১ টাকা।

লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-০২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণকাজে মূল চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৮ টাকা।

জানা গেছে, লাইন-১ ও লাইন-৫-এর প্রথম সংশোধিত প্রকল্প গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। উভয় প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথভাবে প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন করছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ছয় মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
ছয় মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো

ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পর্তুগালের জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ায় শাস্তির ঝুঁকিতে পড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের (এফপিএফ) শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, যথাযথ কারণ ছাড়া জাতীয় দলের ক্যাম্প, অনুশীলন, ম্যাচ কিংবা দলীয় কোনো কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকলে খেলোয়াড়কে এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হতে পারে। পেশাদার খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে এর সঙ্গে ৫০০ থেকে ১০০০ ইউরো জরিমানার বিধানও রয়েছে।

তবে রোনালদোর বিরুদ্ধে এখনো কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এমন ঘোষণা দেয়নি এফপিএফ। ফলে তাঁর ক্যাম্প ছাড়ার ঘটনায় শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আসে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

ডেনমার্ক ম্যাচের আগে ক্যাম্প ছাড়লেন রোনালদো

ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের প্রায় দুই দিন আগে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যান ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। এর আগে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁকে বেঞ্চে রাখা হয়েছিল। এরপর ডেনমার্কের বিপক্ষেও তাঁকে শুরু থেকে খেলানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছিলেন কোচ জর্জে জেসুস। রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার পেছনে কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি আলোচনায় এলেও জেসুস দুজনের মধ্যে কোনো বিরোধের কথা অস্বীকার করেছেন।

নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রোনালদো

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্যাম্প ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রোনালদো নিজেই। তিনি জানান, জাতীয় দলের কোচের সংবাদ সম্মেলন এবং পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনার পরই তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা এখনই বিস্তারিত জানাননি পর্তুগিজ অধিনায়ক। উপযুক্ত সময়ে পর্তুগালের জনগণকে বিষয়টি জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোনালদো আরও বলেন, জাতীয় দলের প্রতি তাঁর নিবেদন সবসময়ই অটুট ছিল। একই সঙ্গে পর্তুগাল এবং জাতীয় দলের সতীর্থদের জন্য শুভকামনাও জানান তিনি।

জেসুসের বক্তব্যে ছিল অন্য ইঙ্গিত

ডেনমার্ক ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে জর্জে জেসুস বলেন, একাদশ ও কৌশল নির্ধারণের সিদ্ধান্ত কোচেরই। তাঁর পরিকল্পনায় আক্রমণভাগে গঞ্জালো রামোসকে খেলানোর ইঙ্গিতও ছিল। রোনালদোকে বেঞ্চে রাখার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেসুস জানান, দলের প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁকে মাঠে নামানো হবে। প্রয়োজন না হলে বেঞ্চেই থাকতে পারেন তিনি। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরেও প্রায় এক বছর রোনালদোর সঙ্গে কাজ করা জেসুস দাবি করেন, রোনালদোকে বেঞ্চে রাখার পর তিনি অনুশীলন করতে অস্বীকৃতি জানাননি এবং দুজনের মধ্যে কোনো সমস্যা হয়নি।

এখন নজর এফপিএফের সিদ্ধান্তে

পর্তুগালের জাতীয় দলের ক্যাম্প থেকে রোনালদোর হঠাৎ চলে যাওয়া নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। এফপিএফের বিধিতে যথাযথ কারণ ছাড়া জাতীয় দলের কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকার ক্ষেত্রে শাস্তির সুযোগ রয়েছে। তবে রোনালদোর ক্ষেত্রে সেই বিধি প্রয়োগ করা হবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

পর্তুগালের ২০২৬-২৭ উয়েফা নেশনস লিগের সূচি অনুযায়ী, ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচটি ১ অক্টোবর এবং এরপর ৪ অক্টোবর নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে। ফলে রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার ঘটনায় ফেডারেশনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তাঁর নিজের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যার দিকেই এখন নজর ফুটবল মহলের।

কালের আলো/জেএন

ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ভোলা জেলা শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি দেশের ৬৪ জেলা থেকে ৬ হাজার ৪০০ প্রশিক্ষণার্থীসহ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক, জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যুক্ত হন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় অষ্টম ব্যাচে ৪ হাজার ৮০০ জন এবং ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ব্যাচে ১ হাজার ৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য তরুণদের কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলা। প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থানের বিষয়েও নজর দেওয়া হবে।

ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে কাজ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও মেন্টরিংয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সার এবং এআই প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচের ছয়জন প্রশিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এছাড়া বরিশাল বিভাগের কয়েকজন সর্বোচ্চ ডলার আয়কারী ফ্রিল্যান্সারকে ল্যাপটপ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি