খুঁজুন
                               
, ,
           

কানাডার ব্যবসা-সম্পদ ও লেনদেন নিয়ে শেখ নুর পরিবারের তথ্য সংগ্রহ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
কানাডার ব্যবসা-সম্পদ ও লেনদেন নিয়ে শেখ নুর পরিবারের তথ্য সংগ্রহ

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলাম ও তার পরিবারের কানাডার ব্যবসা, সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের বিভিন্ন তথ্য পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ও আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট। সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত শেখ নুর ইসলাম ও তার পরিবারের আর্থিক কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত ১৬৩টি প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি সন্দেহজনক লেনদেন, সন্দেহজনক লেনদেনের চেষ্টার দুটি ঘটনা, বড় অঙ্কের নগদ লেনদেনের ১১৮টি প্রতিবেদন, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের ২৬টি নথি এবং আন্তদেশীয় লেনদেনের দুটি প্রতিবেদন রয়েছে।

নথিতে শেখ নুর ইসলাম, তার স্ত্রী শীলা ইসলাম এবং দুই মেয়ে দিশা ইসলাম ও তাসনিম ইসলামের নাম রয়েছে। কানাডায় তাদের নাগরিকত্ব এবং একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্যও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যরা ‘শেখ নুর ম্যানেজমেন্ট ইনকর্পোরেটেড’-এর পরিচালক। শেখ নুর ইসলামকে ‘১৭৭১০৬৯ অন্টারিও ইনকর্পোরেটেড’-এর পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। তার ব্যবসার মধ্যে রিয়েল এস্টেট ব্যবস্থাপনা ও ‘জুম জুম পিৎজা’র মালিকানার তথ্য রয়েছে। শীলা ইসলামের ডমিনোজ পিৎজা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্যও নথিতে রয়েছে।

তদন্ত নথিতে পরিবারের সদস্যদের সম্মিলিত আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ ৮৯ হাজার ৬২৯ কানাডিয়ান ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে ব্রিটিশ পাউন্ড, সিঙ্গাপুর ডলার, থাই বাথ ও মার্কিন ডলারে লেনদেনের তথ্যও রয়েছে। কানাডায় পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত, যৌথ ও কোম্পানির নামে একাধিক ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশের কর নথিতে ২০২৩-২৪ করবর্ষে শেখ নুর ইসলামের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি টাকা এবং পরের করবর্ষে তা প্রায় ১০৪ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স হিসেবে দেখানো হয়েছে।

তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের কর নথিতে কানাডার ‘শেখ নুর ম্যানেজমেন্ট’, ‘১৭৭১০৬৯ অন্টারিও ইনকর্পোরেটেড’ কিংবা ঢাকার ‘টস বন্ড’-এর নাম পাওয়া যায়নি। বিদেশি নাগরিকত্ব ও সম্পদের তথ্য কর নথিতে যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এরই মধ্যে শুল্কমুক্ত পণ্য অননুমোদিত গুদামে রাখার অভিযোগে দক্ষিণ গুলশানের ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এর চারটি ওয়্যারহাউস সিলগালা করেছে এনবিআর। প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত গুদাম দুটি হলেও অভিযানে মোট চারটি গুদামে পণ্য মজুতের তথ্য পাওয়া যায় বলে এনবিআর জানিয়েছে। তদন্ত ও যাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কানাডায় শেখ নুর ইসলাম ও তার পরিবারের আর্থিক কর্মকাণ্ডের অনুসন্ধান এবং সাম্প্রতিক ওয়্যারহাউস সিলগালা করার বিষয়টি আলাদাভাবে যাচাই করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনার সঙ্গেও এসব অনুসন্ধানের সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সূত্র: কালবেলা

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

শাহজালালে সোনা পাচারের অভিযোগে বিমানকর্মীসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
শাহজালালে সোনা পাচারের অভিযোগে বিমানকর্মীসহ আটক ২

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের সোনার বারসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের এয়ারপোর্ট ইউনিট। পরে ওই কর্মীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও এক যাত্রীকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

কাস্টমস সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এভসেক ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মী ওবায়দুর রহমানের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হয়।

পরে তার দেহ তল্লাশি করে শার্টের পকেট ও কোমরের বেল্টে বিশেষভাবে টিস্যুতে মোড়ানো অবস্থায় ৯টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ১ কেজি ৫ গ্রাম। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা।

আটক ওবায়দুর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় সম্পৃক্ত সন্দেহে আরও এক যাত্রীকে আটক করা হয়।

এনবিআর জানিয়েছে, উদ্ধার করা সোনা ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন-২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনের বিধান অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

আইএলটি২০ পঞ্চম আসরের খেলোয়াড় নিলামে নতুন ইতিহাস ফারুকির

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
আইএলটি২০ পঞ্চম আসরের খেলোয়াড় নিলামে নতুন ইতিহাস ফারুকির

ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টির (আইএলটি২০) পঞ্চম আসরের খেলোয়াড় নিলামে নতুন ইতিহাস গড়েছেন আফগানিস্তানের পেসার ফজলহক ফারুকি। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত নিলামে ৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলারে তাকে দলে ভিড়িয়েছে এমআই এমিরেটস।

আইএলটি২০ নিলামের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মূল্যের চুক্তি। এর মাধ্যমে আগের রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছেন ফারুকি। এর আগে ২ লাখ ৬০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়ে সর্বোচ্চ মূল্যের খেলোয়াড় ছিলেন অ্যান্দ্রে ফ্লেচার।

লিভিংস্টোন-গুরবাজ-ডু প্লেসিরও বড় চুক্তি

এবারের নিলামে শুধু ফারুকিই নয়, আগের নিলামমূল্যের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন আরও তিন ক্রিকেটার।

ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার লিয়াম লিভিংস্টোনকে ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারে দলে নিয়েছে গালফ জায়ান্টস। একই ফ্র্যাঞ্চাইজি রাইট-টু-ম্যাচ (আরটিএম) কার্ড ব্যবহার করে ৩ লাখ ১০ হাজার ডলারে আফগানিস্তানের রহমানউল্লাহ গুরবাজকেও ধরে রেখেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি ৩ লাখ ডলারে যোগ দিয়েছেন দুবাই ক্যাপিটালসে।

চার পাকিস্তানি তারকা ডেসার্ট ভাইপার্সে

আইএলটি২০-এর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ডেসার্ট ভাইপার্সও নিলামে বড় চমক দেখিয়েছে। পাকিস্তানের চার তারকা ক্রিকেটার বাবর আজম, নাসিম শাহ, ফখর জামান ও শাদাব খানকে দলে নিয়েছে তারা।

চারজনকেই ৮০ হাজার মার্কিন ডলারের ভিত্তিমূল্যে দলে ভিড়িয়েছে ভাইপার্স। এর মাধ্যমে আইএলটি২০-এর পঞ্চম আসরে প্রথমবারের মতো খেলতে যাচ্ছেন বাবর আজম। অন্যদিকে নাসিম শাহ ও ফখর জামান ফিরছেন তাদের পুরোনো দলে।

ইউএই ক্রিকেটারদেরও বড় দর

নিলামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়েও ছিল বেশ আগ্রহ। দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া ক্রিকেটার হয়েছেন অলরাউন্ডার মুহাম্মদ ওয়াসিম।

আরটিএম কার্ড ব্যবহার করে ২ লাখ ১০ হাজার ডলারে তাকে ধরে রেখেছে এমআই এমিরেটস।

এ ছাড়া আলিশান শারাফুকে ১ লাখ ১০ হাজার ডলারে দলে নিয়েছে আবুধাবি নাইট রাইডার্স। মুহাম্মদ রোহিদ ও আয়ান খান পেয়েছেন ৯৫ হাজার ডলার করে। রোহিদ যোগ দিয়েছেন নাইট রাইডার্সে, আর আয়ান খান নাম লিখিয়েছেন দুবাই ক্যাপিটালসে।

এবারের নিলামে ফারুকির রেকর্ডমূল্যের চুক্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তারকাদের বড় অঙ্কে দলে ভেড়ানো এবং স্থানীয় ক্রিকেটারদের প্রতি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আগ্রহ—সব মিলিয়ে আইএলটি২০-এর পঞ্চম আসরের দল গঠনে দেখা গেছে বেশ জমজমাট লড়াই।

কালের আলো/এসএ

মানুষের প্রেমে ঝামেলা, রোবটেই মন মাহির!

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ
মানুষের প্রেমে ঝামেলা, রোবটেই মন মাহির!

মানুষের প্রেমে নানা ঝামেলা ও জটিলতার কথা উল্লেখ করে এবার রোবটের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি রোবটের ভিডিও শেয়ার করে দেওয়া তার একটি পোস্ট ঘিরে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও নানা আলোচনা।

মানুষের প্রেমে নানা ঝামেলা ও জটিলতার কথা উল্লেখ করে এবার রোবটের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি রোবটের ভিডিও শেয়ার করে দেওয়া তার একটি পোস্ট ঘিরে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও নানা আলোচনা।

ফেসবুক পোস্টে মাহি লিখেছেন, ‘মানুষের প্রেমে যখন এত ঝামেলা, তখন রোবটের দিকেই একটু মন দেওয়া যাক।’

পোস্ট ঘিরে ভক্তদের কৌতূহল

মাহির ছোট্ট ও রসিকতাপূর্ণ এই মন্তব্যটি প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর কাড়ে। তবে তিনি কথাটি নিছক মজার ছলে বলেছেন, নাকি এর পেছনে কোনো বিশেষ ইঙ্গিত রয়েছে—তা স্পষ্ট করেননি।

পোস্টে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা নিজের কোনো সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেননি এই অভিনেত্রী। ফলে মাহির এমন মন্তব্যের কারণ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।

মন্তব্যের বন্যায় মজার আবহ

মাহির পোস্টের কমেন্ট বক্সেও দেখা গেছে ভক্তদের নানা মজার প্রতিক্রিয়া। একজন লিখেছেন, ‘রোবট ঠিক আছে, অন্তত চিট করবে না।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘রোবট ঠিক আছে, অন্তত বেইমানি করবে না।’

নেটিজেনদের এমন সব মন্তব্যে পোস্টটির কমেন্ট বক্সে তৈরি হয়েছে বেশ হাস্যরসাত্মক পরিবেশ।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সক্রিয় মাহি

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় সামিরা খান মাহি। নিজের নানা অনুভূতি, ভাবনা ও কাজের খবর নিয়মিতই অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।

২০১৪ সালে একটি রিয়ালিটি শোর মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন মাহি। পরে ‘তরুণ তুর্কী’ ধারাবাহিক নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন। এরপর ‘পারিবারিক গোলযোগ’, ‘নীড় খোঁজে গাঙচিল’, ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’, ‘শুভ্রার ওয়্যারড্রব’, ‘আকাশ বাড়িয়ে দাও’, ‘ম্যাচিং ব্রাদার’ ও ‘এক পা দু’পা’সহ বিভিন্ন নাটক ও ওয়েব নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান তিনি।

তবে রোবট নিয়ে মাহির সাম্প্রতিক এই মন্তব্য যে নিছক রসিকতা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো গল্প রয়েছে—সে বিষয়ে এখনো কিছু জানাননি অভিনেত্রী।

পোস্ট ঘিরে ভক্তদের কৌতূহল

মাহির ছোট্ট ও রসিকতাপূর্ণ এই মন্তব্যটি প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর কাড়ে। তবে তিনি কথাটি নিছক মজার ছলে বলেছেন, নাকি এর পেছনে কোনো বিশেষ ইঙ্গিত রয়েছে—তা স্পষ্ট করেননি।

পোস্টে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা নিজের কোনো সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেননি এই অভিনেত্রী। ফলে মাহির এমন মন্তব্যের কারণ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।

মন্তব্যের বন্যায় মজার আবহ

মাহির পোস্টের কমেন্ট বক্সেও দেখা গেছে ভক্তদের নানা মজার প্রতিক্রিয়া। একজন লিখেছেন, ‘রোবট ঠিক আছে, অন্তত চিট করবে না।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘রোবট ঠিক আছে, অন্তত বেইমানি করবে না।’

নেটিজেনদের এমন সব মন্তব্যে পোস্টটির কমেন্ট বক্সে তৈরি হয়েছে বেশ হাস্যরসাত্মক পরিবেশ।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সক্রিয় মাহি

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় সামিরা খান মাহি। নিজের নানা অনুভূতি, ভাবনা ও কাজের খবর নিয়মিতই অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।

২০১৪ সালে একটি রিয়ালিটি শোর মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন মাহি। পরে ‘তরুণ তুর্কী’ ধারাবাহিক নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন। এরপর ‘পারিবারিক গোলযোগ’, ‘নীড় খোঁজে গাঙচিল’, ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’, ‘শুভ্রার ওয়্যারড্রব’, ‘আকাশ বাড়িয়ে দাও’, ‘ম্যাচিং ব্রাদার’ ও ‘এক পা দু’পা’সহ বিভিন্ন নাটক ও ওয়েব নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান তিনি।

তবে রোবট নিয়ে মাহির সাম্প্রতিক এই মন্তব্য যে নিছক রসিকতা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো গল্প রয়েছে—সে বিষয়ে এখনো কিছু জানাননি অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ