খুঁজুন
                               
, ,
           

দিগন্তজুড়ে কাশফুল, শরতের সৌন্দর্যে মুগ্ধ কুড়িগ্রামের চর

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
দিগন্তজুড়ে কাশফুল, শরতের সৌন্দর্যে মুগ্ধ কুড়িগ্রামের চর

চারদিকে ব্রহ্মপুত্রের বিপুল জলরাশি। মাঝখানে জেগে থাকা দ্বীপচর। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর চরজুড়ে দিগন্ত বিস্তৃত কাশফুল। বাতাসে দুলতে থাকা সাদা কাশ আর নদীর জলরাশি মিলে কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্রের চরগুলোতে এখন যেন শরতের উৎসব চলছে।

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন চর ঘুরে দেখা গেছে, নদীর বুকে জেগে ওঠা দ্বীপচরগুলো সেজেছে সাদা কাশফুলে। বিশেষ করে ভারতীয় সীমান্তবর্তী চিড়াখাওয়া, নারায়ণপুর, গোয়াইলপুরী, পোড়ারচর, অষ্ট্রআশির চর, জাহাজের আলগা ও ঘুঘুমারিসহ বেশ কয়েকটি চরে দিগন্তজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে কাশফুলের শুভ্রতা।

এ ছাড়া চিলমারীর শাখাহাতি, কড়াই বরিশাল ও মনতলাসহ বিভিন্ন চরেও দেখা মিলছে বিস্তীর্ণ কাশবনের। কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী, উলিপুর, চিলমারী ও রৌমারীর অন্তত অর্ধশত চরে শরতের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা যাচ্ছে।

প্রকৃতির এই সৌন্দর্য দেখতে চিলমারী, জোড়গাছ, যাত্রাপুর, আয়নালের ঘাট, মোঘলবাসা ও ফকিরের চরসহ বিভিন্ন ঘাট থেকে নৌকা নিয়ে চরে যাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। যাত্রাপুর ঘাট থেকে শ্যালো নৌকায় প্রায় এক ঘণ্টা পথ পেরিয়ে চিড়াখাওয়া চরে পৌঁছালে দেখা যায়, ছোট একটি নালার দুই পাশে ঘন কাশবন। মাঝেমধ্যে ঢেউ খেলিয়ে চলে যাচ্ছে ডিঙি নৌকা।

স্থানীয়দের কাছে এই দৃশ্য পরিচিত হলেও শহর ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের কাছে তা ভিন্ন এক আনন্দের উৎস। রাজারহাটের জয়কুমর গ্রাম থেকে আসা সোহাগ হোসেন বলেন, ব্রহ্মপুত্রের চরে কাশফুলের সৌন্দর্যের কথা শুনে এসেছিলেন। এসে যা দেখেছেন, তা তাঁর কাছে অপূর্ব মনে হয়েছে।

মাঝিয়ালির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এরশাদুল হক বলেন, প্রতিবছর শরৎকালে কাশফুলের সৌন্দর্য দেখতে শহর থেকে অনেক মানুষ আসে। সময় ও খরচ বেশি হলেও সৌন্দর্যের টানে তারা ছুটে আসেন।

তবে পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা না থাকায় সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগছে না বলে মনে করেন স্থানীয়রা। কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী লিটন মিয়া বলেন, কাশফুলের পাশাপাশি চরাঞ্চলের জীবনযাপন, নানা প্রজাতির পাখি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে মানুষ আসে। কিন্তু পর্যটকদের খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয় শাহজামাল মিয়া জানান, যাত্রাপুর ঘাট থেকে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় ছোট নৌকা রিজার্ভ করে অনেকেই কাশফুল দেখতে চরে আসছেন। প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো কাশফুল শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, চরবাসীর জীবনেও এর ব্যবহার রয়েছে। পরে বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে কাশের আঁটি নিয়ে যান, যা পানবরজে ব্যবহার করা হয়।

লেখক নাহিদ নলেজ বলেন, ব্রহ্মপুত্রের বিরল প্রজাতির মাছ, অতিথি পাখি, গরু-মহিষের বাথানসহ নানা বৈচিত্র্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারে। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মীর্জা নাসির উদ্দিনের মতে, কাশফুলের পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা, আবাসন ও যাতায়াতব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে ব্রহ্মপুত্রের চরগুলোতে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

হুইলচেয়ারে স্কুলে যান, শিক্ষার্থীদেরই ভরসা শিক্ষক অপূর্ব

ফরিদপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
হুইলচেয়ারে স্কুলে যান, শিক্ষার্থীদেরই ভরসা শিক্ষক অপূর্ব

দুই পায়ের শক্তি হারিয়েছেন এক দশক আগে। স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার সক্ষমতা না থাকলেও শিক্ষার আলো ছড়ানোর কাজে থেমে যাননি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বামুন্দী বালিয়াকান্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অপূর্ব লাল মণ্ডল। হুইলচেয়ারই এখন তার চলাচলের একমাত্র বাহন। বিদ্যালয়ে যাতায়াত থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান—সব ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

জানা গেছে, জন্মের পর সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন অপূর্ব লাল মণ্ডল। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার পায়ে সামান্য সমস্যা দেখা দেয়। সেই সমস্যা নিয়েই স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করেন। ১৯৯৯ সালে নিজ এলাকার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি।

এর কয়েক বছর পর ধীরে ধীরে তার দুই পায়ের শক্তি কমতে থাকে। একপর্যায়ে দুই পায়ে ভর করে হাঁটার সক্ষমতা হারান। গত ১০ বছর ধরে হুইলচেয়ারই তার একমাত্র চলাচলের মাধ্যম।

অপূর্ব লাল মণ্ডল বলেন, প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যেতে শিক্ষার্থীরাই তার চলার সঙ্গী। কখনো কারও কাঁধে ভর করে, আবার কখনো একাধিক শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় তিনি স্কুলে যান। নানা কষ্ট ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও শিক্ষকতাকে শুধু পেশা হিসেবে দেখেন না তিনি; শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়াকেই জীবনের নেশা হিসেবে নিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিব উল্লাহ বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই তিনি অপূর্ব স্যারের কাছে পড়ছেন। আগে বড় ক্লাসের শিক্ষার্থীরা স্যারকে হুইলচেয়ারে করে স্কুলে নিয়ে আসতেন। এখন তারা নিজেরাই সেই দায়িত্ব পালন করছেন। শারীরিক কষ্টের মধ্যেও স্যার খুব সুন্দরভাবে ক্লাস নেন এবং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগান।

সহকারী শিক্ষক ফরিদ শেখ বলেন, অপূর্ব লাল মণ্ডল তার বাল্যবন্ধু। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছেন এবং কাছাকাছি সময়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। বন্ধুর শারীরিক অসুস্থতার কষ্ট থাকলেও শেষ দিন পর্যন্ত তার পাশে থাকতে চান তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, শুধু বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া নয়, শ্রেণিকক্ষেও অপূর্ব লালের দায়িত্ব পালনে কোনো ক্লান্তি দেখা যায় না। তিনি যত্ন নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ বুঝিয়ে দেন। তবে একটি আধুনিক হুইলচেয়ার পেলে তার যাতায়াত ও পাঠদান আরও সহজ হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (৪ অক্টোবর) দেশের দুই শেয়ারবাজারে সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। দিনের শুরুতে নিম্নমুখী থাকলেও পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক সামান্য ঊর্ধ্বমুখী হয়।

ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে অবস্থান করে। এ সময় ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১০০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। তবে ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১০০ পয়েন্টে অবস্থান করে।

সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিএসইতে ৮২ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এ সময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৫৯টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১২০টির কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

এর আগে লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিটে ডিএসইএক্স ৫ পয়েন্ট কমে যায়। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আরও ৬ পয়েন্ট কমে যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। পরে সূচক ঘুরে দাঁড়ায়।

এদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮২৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। তবে এরপর সিএসইর সূচকও ঊর্ধ্বমুখী হতে দেখা যায়।

সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এ সময় ১০টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৩টির কমেছে এবং চারটির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

এশিয়ান হাইওয়েতে মরণফাঁদ, বৃষ্টির দায় দিচ্ছেন প্রকল্প পরিচালক

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ
এশিয়ান হাইওয়েতে মরণফাঁদ, বৃষ্টির দায় দিচ্ছেন প্রকল্প পরিচালক

গাজীপুর-জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর সড়কের (ঢাকা বাইপাস এশিয়ান হাইওয়ে) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ভয়াবহ ধস ও ফাটল দেখা দিয়েছে। সিংলাব-পাকুন্দা এলাকার আন্ডারপাসের পূর্ব পাশে প্রায় ২৫০ মিটারজুড়ে সড়ক দেবে গিয়ে তৈরি হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি।

রোববার (৪ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে দীর্ঘ ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে ভেতরের মাটি ও সুরকি বেরিয়ে পড়েছে। এতে সড়কের একটি অংশ নিচের দিকে দেবে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার প্রথম বড় ধরনের ফাটল দেখতে পান তারা। দুর্ঘটনা এড়াতে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে মহাসড়কে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকেরা।

পরিস্থিতি দেখতে দুপুরে ঘটনাস্থলে যান ঢাকা বাইপাস সড়ক চারলেন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) সৈয়দ আসলাম আলী। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণকাজ, সড়কের পাশ থেকে মাটি কেটে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা না রাখার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সড়ক নির্মাণের সময়ই নিম্নমানের কাজ নিয়ে তারা আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্মাণ শেষ হওয়ার এক বছরের মধ্যেই সড়কে বড় ধরনের ফাটল ও ধস দেখা দেওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আরেক বাসিন্দা আল আমিনের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশ থেকে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে রাস্তার পাশের অংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রয়োজনীয় গাইডওয়াল নির্মাণ না করেই দ্রুত সড়কের কাজ শেষ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে নির্মাণকাজের মান ও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ আসলাম আলী। তিনি বলেন, টানা দুই থেকে তিন দিনের বৃষ্টিতে সড়কের নিচের মাটি নরম হয়ে যায়। এর ওপর দিয়ে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে মাটি সরে গিয়ে সড়ক দেবে ফাটল তৈরি হয়েছে।

তিনি জানান, নির্মাণকারী বেসরকারি অংশীদার ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ডাইভারশন সড়ক তৈরি করে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যেখানে মাটি সরে গেছে, সেখানে ড্রিল করে দ্রুত সড়ক সংস্কার করা হবে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, শুধু সাময়িক মেরামত না করে সড়ক ধসের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি