খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশের পরিচয় কোনো কৃত্রিমভাবে তৈরি রাষ্ট্রের নয়: এম জে আকবর

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের পরিচয় কোনো কৃত্রিমভাবে তৈরি রাষ্ট্রের নয়: এম জে আকবর

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে সাময়িক ঝড় বা মেঘ এলেও দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন মুছে যাবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

এম জে আকবর বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই সভ্যতাগত রাষ্ট্র। বাংলাদেশের পরিচয় কোনো কৃত্রিমভাবে তৈরি রাষ্ট্রের পরিচয় নয়। ভাষার শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি সভ্যতাগত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কে উত্থান-পতন থাকবেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের যেসব প্রশ্ন ও সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানে শুধু ‘কী সম্ভব’—এ প্রশ্ন করলেই হবে না। বরং ‘কেন এটি অসম্ভব’—এ প্রশ্নও করতে হবে। এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে দিতে পারে।

সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতের সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান না থাকলে বিশ্ব ক্রমেই আরও বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ ও সংঘাত প্রসঙ্গে এম জে আকবর বলেন, কোনো যুদ্ধকে অবৈধ বলার আগে এর উৎস ও পটভূমি খুঁজে দেখা জরুরি। বিংশ শতাব্দীকে তিনি তিনটি বিশ্বযুদ্ধের শতাব্দী হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ঠান্ডা যুদ্ধকেও এক ধরনের বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, ইউরোপে ঠান্ডা যুদ্ধ হলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকায় এর প্রভাব মোটেও ঠান্ডা ছিল না। বিশ্ব নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে পরাশক্তি ও সাম্রাজ্যগুলোর সংঘাতের কারণেই এসব সংঘাতকে বিশ্বযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে দেখা হয়।

একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে উল্লেখ করে এম জে আকবর বলেন, বর্তমান সংঘাতকে একটি একক বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে দেখা যায় না। বরং এটি বিশ্বব্যাপী চলমান ধারাবাহিক সংঘাত, যা পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হলেও পুরোপুরি থেমে যায় না।

সিজিএস আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এ শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ জন বক্তা, ৩০০ জন প্রতিনিধি এবং এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দিয়েছেন। সম্মেলনে সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, কূটনীতিক, গবেষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উদ্ভাবক ও তরুণ নেতৃত্ব অংশ নিয়েছেন। সোমবার সম্মেলনটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সুইডেনের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সুইডেনের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য সুইডেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ প্রযুক্তি, ওষুধ, প্রকৌশল ও টেলিযোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস। এ সময় দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে সুইডেনকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে সুইডেনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি।

হুমায়ুন কবির বলেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ প্রযুক্তি, ওষুধ, প্রকৌশল ও টেলিযোগাযোগ খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সম্ভাব্য বাণিজ্য ব্যবস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও কারিগরি প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অন্যদিকে সুইডিশ রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস বাংলাদেশ-সুইডেন সম্পর্ক আরও জোরদারে তার দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কারের উদ্যোগ এবং রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন।

বহুপাক্ষিক ফোরামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন সুইডিশ রাষ্ট্রদূত।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফের বাড়ল এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
ফের বাড়ল এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বেশি

দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি। ঘোষিত দাম একই দিন থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। তার আগে আগস্ট মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।

ফলে সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২৫২ টাকা বেড়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে ছিল নিয়োগ, অবশেষে নিয়োগপত্র পাচ্ছেন মিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে ছিল নিয়োগ, অবশেষে নিয়োগপত্র পাচ্ছেন মিশন

স্থায়ী ঠিকানা বা নিজস্ব ভিটেবাড়ি না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে যাওয়া মিশন আচার্য অবশেষে নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দুই দিনের সফর শেষে মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে তার নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করেন মন্ত্রী।

নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ‘মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পেতে যাচ্ছেন।’ একই সঙ্গে বিষয়টি চূড়ান্ত করায় শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

ঝিনাইদহের প্রার্থী মিশন আচার্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হলেও স্থায়ী ঠিকানা বা নিজস্ব ভিটেবাড়ি না থাকার কারণে তার নিয়োগ আটকে যায়। পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগের পর তার নিয়োগের জটিলতা নিরসন হয়েছে।

এখন মিশন আচার্যকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোবে।

সন্ধানী বার্তা/ডিএইচ/এমএসআইপি