খুঁজুন
                               
, ,
           

আবাসন না থাকলে চাকরি হবে না—কোন সংবিধানে লেখা: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
আবাসন না থাকলে চাকরি হবে না—কোন সংবিধানে লেখা: শিক্ষামন্ত্রী

স্থায়ী ঠিকানা বা নিজস্ব ভিটেবাড়ি না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে যাওয়া মিশন আচার্য অবশেষে নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দুই দিনের সফর শেষে মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে তার নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করেন মন্ত্রী।

নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ‘মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পেতে যাচ্ছেন।’ একই সঙ্গে বিষয়টি চূড়ান্ত করায় শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

ঝিনাইদহের প্রার্থী মিশন আচার্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হলেও স্থায়ী ঠিকানা বা নিজস্ব ভিটেবাড়ি না থাকার কারণে তার নিয়োগ আটকে যায়। পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগের পর তার নিয়োগের জটিলতা নিরসন হয়েছে।

এখন মিশন আচার্যকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোবে।

সন্ধানী বার্তা/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ডি থ্রি নিলামে সাকিবের নাম না ওঠার কারণ

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
ডি থ্রি নিলামে সাকিবের নাম না ওঠার কারণ

আগামী ডিসেম্বরে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আয়োজনে নতুন ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ‘ডমেস্টিক থ্রি’ (ডি থ্রি)। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে শুরু হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে সোমবার (২৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ক্রিকেটারদের নিলাম। তিন বছরের জন্য আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের নিলামে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের ২৮১ জন ক্রিকেটার। তবে চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকলেও নিলামের টেবিলে ওঠেনি পেসার তানজিম হাসান সাকিবের নাম।

ডি থ্রি টুর্নামেন্টের নিলামে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছিল ডানহাতি পেসার তানজিম হাসান সাকিবকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার নাম নিলামে তোলা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকা এই পেসার বর্তমানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সংস্করণে তার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

সাকিবের শারীরিক অবস্থা এবং মাঠে ফেরার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নিলামে তার নাম না তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মূলত চোটের কারণে তিনি কবে পুরোপুরি খেলার উপযোগী হয়ে উঠবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরবর্তী দুই সংস্করণে খেলার সুযোগ
জানা গেছে, ডি থ্রি টুর্নামেন্টের প্রথম সংস্করণে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলতে পারবেন না তানজিম হাসান সাকিব। তবে টুর্নামেন্টের পরবর্তী দুটি সংস্করণে তাকে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণে নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় ‘বি’ ক্যাটাগরিতে তার নাম রাখা হলেও প্রথম সংস্করণে খেলার অনিশ্চয়তার কারণে নিলামের টেবিলে তার নাম তোলা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দুই ফরম্যাটে খেলার জন্য সাকিবকে পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় পরবর্তী সময়ে আবারও তার নাম নিলামে তোলা হতে পারে। অর্থাৎ, এবারের নিলামে নাম না উঠলেও ডি থ্রি টুর্নামেন্টের পরবর্তী সংস্করণগুলোতে তার খেলার সুযোগ রয়েছে।

বিসিবির নতুন ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ডমেস্টিক থ্রি দেশের ক্রিকেটারদের জন্য নতুন একটি প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চ হিসেবে আসছে। পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ২৮১ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে নিলামের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে টুর্নামেন্টটির যাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে চোটের কারণে তানজিম হাসান সাকিবের প্রথম সংস্করণে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করে কবে তিনি মাঠে ফিরতে পারবেন, তার ওপর নির্ভর করছে টুর্নামেন্টের পরবর্তী সংস্করণগুলোতে তার অংশগ্রহণের বিষয়টি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মোদির বাবাকে নিয়ে খাড়গের মন্তব্যে উত্তাল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
মোদির বাবাকে নিয়ে খাড়গের মন্তব্যে উত্তাল ভারত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাবাকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভ করেছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। খাড়গের নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি তার পদত্যাগও দাবি করেছে দলটি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল রোববার (২৫ অক্টোবর) বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণ সিংয়ের ১৩৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী পাটনায় আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) বক্তব্য দেন খাড়গে। এ সময় দর্শকদের মধ্য থেকে সন্তোষ কুমার নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘জনগণ বিদ্রোহ না করলে মোদি যাবেন না’।

তার জবাবে খার্গে বলেন, ‘মোদি কা বাপ ভি জায়েগা’ (মোদি নয়, তার বাবাকে যেতে হবে)। কংগ্রেস সভাপতির এই বক্তব্যকে মোদির প্রয়াত বাবাকে লক্ষ্য করে অবমাননাকর মন্তব্য হিসেবে ব্যাখ্যা করে বিজেপি।

দলটির অভিযোগ, রাজনৈতিক মতবিরোধের কারণে কোনো নেতার প্রয়াত বাবাকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা অনুচিত এবং এটি রাজনৈতিক শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন করেছে।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং খাড়গের মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ‘এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক… এই পুরো ঘটনাটির সবচেয়ে হতবাক করার মতো বিষয় হলো, এই মন্তব্যগুলো কোনো সাধারণ কংগ্রেস কর্মী বা যুব নেতা করেননি, বরং করেছেন এমন একটি দলের জাতীয় সভাপতি, যে দলটি নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘কংগ্রেস ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করার পরিবর্তে বক্তব্যটির পক্ষে যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করছে’।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী খাড়গের পাশাপাশি কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘বিজেপি রাহুল গান্ধীর অপরিণত আচরণের কথা জানত, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে খারাপ সঙ্গ রাখার কারণে দলের অন্যরাও সংক্রমিত হয়েছেন’।

কংগ্রেসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রসঙ্গ টেনে আনা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য উচিত নয়।

অন্যদিকে সোমবার নয়াদিল্লি, মুম্বাই, পাটনা, রাঁচি, কলকাতা, জম্মু ও বেঙ্গালুরুর মতো দেশটির প্রধান শহর ও বিভিন্ন রাজ্যে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

এনডিটিভি জানিয়েছে, রাজধানী নয়াদিল্লিতে খার্গের বাসভবনের কাছে বিক্ষোভ করেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। তারা তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। বিহারের পাটনায় বিজেপির নেতাকর্মীরা ‘জন আক্রোশ মার্চ’ বের করেন এবং খার্গের কুশপুত্তলিকা পোড়ান। বেঙ্গালুরু, লখনৌ ও জম্মুতেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।

এছাড়াও বিজেপির এক কর্মী খাড়গের বিরুদ্ধে পাটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছেন। অভিযোগকারী খার্গের কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।

এদিকে কংগ্রেস বিজেপির অভিযোগের পাল্টা জবাবে বলছে, পাটনার অনুষ্ঠানে খাড়গে বক্তব্য দেওয়ার সময় এক ব্যক্তি তার প্রয়াত বাবাকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন।

কংগ্রেসের মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান পবন খেরা দাবি করেন, ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাড়গে মন্তব্যটি করেছিলেন এবং তিনি মোদির ‘আদর্শিক পিতা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএসকে) বোঝাতে চেয়েছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কালের আলো/এসআর/এএ্রএন

পোশাক শ্রমিকদের চার গ্রেডে নতুন মজুরি কাঠামোর প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
পোশাক শ্রমিকদের চার গ্রেডে নতুন মজুরি কাঠামোর প্রস্তাব

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩৭ হাজার ১২৫ টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে পোশাকশিল্পের চারটি শ্রমিক সংগঠন ও জোট। একই সঙ্গে শিল্প খাতে নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মজুরি কাঠামো প্রণয়ন এবং বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে তারা।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য পরিষদ (জি-স্কপ), বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চ, গার্মেন্টস শ্রমিক পরিষদ এবং এশিয়া ফ্লোর ওয়েজ অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নেতারা ২০২৬ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত তিন বছরের জন্য একটি নতুন মজুরি কাঠামোর প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে বিদ্যমান গ্রেড পদ্ধতি পুনর্বিন্যাস করে চারটি গ্রেড নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি মূল মজুরির ওপর ৫০ শতাংশ বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, খাদ্য ও শিক্ষা সহায়ক ভাতা এবং ১৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম গ্রেডের শ্রমিকদের মূল মজুরি ৩৫ হাজার টাকা এবং ভাতাসহ মোট মাসিক মজুরি ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় গ্রেডে মূল মজুরি ৩০ হাজার টাকা এবং মোট মজুরি ৫১ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। তৃতীয় গ্রেডের শ্রমিকদের মূল মজুরি ২৫ হাজার টাকা এবং ভাতাসহ মোট মজুরি ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। আর সর্বনিম্ন চতুর্থ গ্রেডে মূল মজুরি ২০ হাজার ৭৫০ টাকা এবং ভাতাসহ মোট মাসিক মজুরি ৩৭ হাজার ১২৫ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে। শ্রমিক নেতাদের মতে, নতুন কাঠামোতে মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়, পরিবারের প্রয়োজন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নেতারা পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের দৈনিক প্রায় ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। সেই চাহিদা পূরণে চাল, ডাল, তেল, ডিম, মাছ, শাকসবজি ও রান্নার খরচ মিলিয়ে দৈনিক খাবারের ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ২৯৬ টাকা ৫০ পয়সা। তাদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, চার সদস্যের একটি পরিবারের ন্যূনতম খাদ্য ব্যয় মাসে প্রায় ৩৫ হাজার ৫৮০ টাকা। ফলে পরিবারের খাদ্য চাহিদা পূরণ করতেই বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন হয়। এর বাইরে বাসাভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, শিক্ষা ও অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যয় রয়েছে।

শ্রমিক নেতারা আরও বলেন, পুষ্টিবিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, একটি সুষম খাদ্যতালিকায় কার্বোহাইড্রেট, চর্বি ও প্রোটিনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকা জরুরি। চার সদস্যের পরিবারের জন্য পুষ্টিমানসম্পন্ন খাবারের প্রকৃত ব্যয় আরও বেশি হতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩৭ হাজার ১২৫ টাকা বা ৩০০ ডলারের নিচে হওয়া উচিত নয় বলে দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে গার্মেন্টস শিল্প খাতের জন্য ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানানো হয়। শ্রমিক নেতারা বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও পে-স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণা করা প্রয়োজন। প্রস্তাবিত কাঠামো বাস্তবায়িত হলে শ্রমিকদের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে বলে তারা মনে করেন।

শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্যজোটের জ্যেষ্ঠ নেতা শাহ মো. আবু জাফরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের অন্যতম নেতা খালেকুজ্জামান লিপন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নাহিদুল ইসলাম নয়ন। এ সময় প্রবীণ শ্রমিক নেতা আবুল হোসাইন, নাঈমুল আহসান জুয়েল, লাভলী ইয়াসমিন ও বাচ্চু মিয়াসহ অন্য নেতারা বক্তব্য দেন। তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত মজুরি কাঠামোটি শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রস্তাব। এটি সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নতুন মজুরি কাঠামো হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি