খুঁজুন
                               
, ,
           

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে কোয়েল মল্লিক

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে কোয়েল মল্লিক

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। সোমবার (৫ অক্টোবর) কলকাতার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে গিয়ে দলে যোগ দেন তিনি। এর পর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় রাজ্যসভা উপনির্বাচনের জন্য বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল মূলত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত করার লক্ষ্যেই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

‘পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নযাত্রায় যুক্ত হতে চাই’

বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ায় দলের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কোয়েল মল্লিক বলেন, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নযাত্রায় নিজেকে যুক্ত করতেই তার এই সিদ্ধান্ত।

তিনি বলেন, রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে তাকে মনোনীত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

কোয়েল আরও বলেন, গত কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নমূলক কাজের একটি ধারা চলছে। তিনি চান রাজ্যে আরও কাজ ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ আসুক।

পুরোনো দলকে নিয়ে মন্তব্য করতে নারাজ

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেও পুরোনো দলকে সরাসরি আক্রমণ করেননি কোয়েল। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই নিজেদের মতো করে কাজ করার চেষ্টা করে।

কাউকে ছোট না করে তিনি এমন একটি রাজনৈতিক ভাবধারার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, যেখানে ইতিবাচক কাজের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় বলেও জানান অভিনেত্রী।

কয়েক মাসেই তৃণমূল থেকে বিজেপি

চলতি বছরের ৬ এপ্রিল তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনয়নে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। তবে কয়েক মাসের মধ্যেই ১৬ জুলাই রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।

এরপর পশ্চিমবঙ্গের ওই শূন্য আসনে উপনির্বাচনের জন্য কোয়েলকেই প্রার্থী করে বিজেপি। ৪ অক্টোবর তার নাম ঘোষণা করা হয়। পরদিন বিজেপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের ওই রাজ্যসভা আসনে উপনির্বাচন আগামী ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের এই রাজনৈতিক দলবদল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

 

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক ফোরামে সোচ্চার থাকবে যুক্তরাজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক ফোরামে সোচ্চার থাকবে যুক্তরাজ্য

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে রোহিঙ্গাদের পক্ষে সোচ্চার থাকার কথা জানিয়েছে দেশটির সংসদীয় প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশবিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপের (এপিপিজি) একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

এপিপিজি চেয়ার ও এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বৈঠকে অংশ নেয়। এতে এমপি শওকত আদম ও হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, সংসদীয় সহযোগিতা, গণতান্ত্রিক সংহতি ও সংস্কার, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা এ সংকট এখন শুধু মানবিক সমস্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অনিয়মিত অভিবাসনের মতো বিষয়ও যুক্ত হয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিনিধি দলটি বুধবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি সংকট সমাধানে সমর্থন অব্যাহত রাখার এবং যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছে তারা।

বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে টোকিও যাচ্ছেন তারেক রহমান

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে টোকিও যাচ্ছেন তারেক রহমান

দ্বিপক্ষীয় সফরে আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের সফরে তিনি ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থান করবেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে টোকিও সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। এ ছাড়া জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে জ্বালানি সহযোগিতা, জনশক্তি রপ্তানি, বিনিয়োগ, বাণিজ্যসহ দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

সফরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে জনশক্তি রপ্তানি সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক প্রায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আজকের সঞ্চয়ে আগামী দিনের নিশ্চয়তা, সর্বজনীন পেনশনে প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের জোর

নিজস্ব ও ময়মনসিংহ প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
আজকের সঞ্চয়ে আগামী দিনের নিশ্চয়তা, সর্বজনীন পেনশনে প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের জোর

অবসরের পর কী হবে—এই অনিশ্চয়তাকে কর্মজীবনের শেষ প্রান্তে গিয়ে নয়, কর্মক্ষম থাকতেই মোকাবিলার বার্তা দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি। তাঁর বক্তব্যে সর্বজনীন পেনশন উঠে এসেছে কেবলমাত্র মাসিক আর্থিক সুবিধার কাঠামো হিসেবে নয়, বরং কর্মজীবনের সঞ্চয়কে জীবনের পরবর্তী নিরাপত্তায় রূপ দেওয়ার একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক বিনিয়োগ হিসেবে। অর্থাৎ আজকের নিয়মিত অবদানই হতে পারে আগামী দিনের আর্থিক ভরসা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় আয়োজিত ময়মনসিংহ বিভাগীয় সর্বজনীন পেনশন মেলা ২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। একই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মর্যাদাপূর্ণ ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেছেন, কর্মজীবন শেষে অধিকাংশ চাকরিজীবী ও পেশাজীবীর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তায় রাষ্ট্রীয়ভাবে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই।

  • কর্মজীবনেই ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার প্রস্তুতির আহ্বান ইয়াসের খান চৌধুরীর
  • রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বজনীন পেনশনকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা বললেন আবু ওয়াহাব আকন্দ

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী যেখানে কর্মক্ষম সময়ে নিয়মিত অবদানের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সুরক্ষার কথা বলেছেন তেমনি সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ সর্বজনীন পেনশনকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। দুই বক্তব্যের মধ্যে একটি অভিন্ন জায়গা রয়েছে—ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কোনো আকস্মিক সুবিধা নয়। এটি পরিকল্পিতভাবে তৈরি করতে হয়। আর সেই পরিকল্পনায় ব্যক্তি, পরিবার এবং রাষ্ট্র—তিন পক্ষের অংশগ্রহণ যত সুসংহত হবে, সর্বজনীন পেনশনের সামাজিক গুরুত্বও তত গভীর হবে।

অবসর নয়, ভবিষ্যৎকে ঘিরেই পরিকল্পনা

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা শুধু অবসরকালীন একটি আর্থিক সুবিধা নয়; এটি মানুষের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করার একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। কর্মক্ষম থাকা অবস্থায় একজন নাগরিক নিয়মিত অবদান রাখবেন এবং জীবনের পরবর্তী সময়ে সেই সঞ্চয়ের ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা পাবেন। এই বক্তব্যের তাৎপর্য এখানেই—পেনশনকে তিনি কর্মজীবন-পরবর্তী প্রাপ্তি হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং কর্মজীবনের পরিকল্পনার সঙ্গেই যুক্ত করেছেন। ফলে সর্বজনীন পেনশনের মূল দর্শন দাঁড়াচ্ছে আগাম প্রস্তুতি, নিয়মিত অবদান এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তার সমন্বয়ে।

চার স্কিমে অংশগ্রহণের সুযোগ

ইয়াসের খান চৌধুরী জানান, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় রয়েছে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা—চারটি স্কিম। যে নাগরিকের জন্য যে স্কিম প্রযোজ্য, তিনি সে অনুযায়ী তা বেছে নিতে পারবেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এই ব্যবস্থার সুবিধা কেবল ব্যক্তিকে ঘিরে নয়। এর মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যতের পাশাপাশি সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার সুযোগও রয়েছে। অর্থাৎ পেনশনকে তিনি ব্যক্তি থেকে পরিবার এবং পরিবার থেকে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক নিরাপত্তার বৃহত্তর পরিসরে দেখেছেন।

‘নিজের জন্য’ থেকে ‘পরিবারের জন্য’

সর্বজনীন পেনশনের পরিধি বাড়াতে পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদেরও সরকারি পেনশন স্কিমে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি সুন্দর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এবং নিজের পরিবারের নিরাপত্তার জন্য এটি খুব জরুরি। এই আহ্বানের মধ্যে কেবল সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য নয়, বরং আর্থিক নিরাপত্তার সংস্কৃতি গড়ে তোলার একটি বার্তা রয়েছে। কর্মজীবনে নিয়মিত সঞ্চয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে পারিবারিক সিদ্ধান্তে পরিণত করতে পারলে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব ব্যক্তিগত গণ্ডি ছাড়িয়ে সামাজিক পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে।

পেনশন ব্যবস্থার ‘রাষ্ট্রীয়’ গুরুত্ব

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ সর্বজনীন পেনশনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আনেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে অধিকাংশ চাকরিজীবী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের কর্মজীবন শেষে পেনশনসহ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কিছু ক্ষেত্রে কর্মী ও প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে অংশগ্রহণ করলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বজনীন পেনশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থা—এমন মন্তব্য করেন তিনি। এ বক্তব্য মূলত সর্বজনীন পেনশনের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বকে সামনে এনেছে। কারণ কর্মজীবন শেষে আয় কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বাস্তবতায় একটি প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা কাঠামো নাগরিকের আর্থিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আবু ওয়াহাব আকন্দের বক্তব্যে সেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের বিষয়টিই স্পষ্ট হয়েছে।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আজাদ জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব শরীফ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার নির্বাহী পরিচালক আরিফুজ্জামান। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোঃ সুরাতুজ্জামান। অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এ আয়োজনকে শুধু প্রচারমূলক কর্মসূচি নয়, নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত একটি সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবেও সামনে এনেছে।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ব্যাংক ও জাতীয় পেনশন স্কিমের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আলোচনা সভার আগে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বের করা হয় বর্ণাঢ্য র‌্যালি। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‌্যালিটি সার্কিট হাউজ মাঠে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি ও মেলার আয়োজনের মধ্য দিয়ে সর্বজনীন পেনশন সম্পর্কে মাঠপর্যায়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি নাগরিকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার উদ্যোগও দৃশ্যমান হয়েছে।

কালের আলো/আরআই/এমকে