খুঁজুন
                               
, ,
           

ডিএমপির অভিযানে ৫৮ মামলা, গ্রেপ্তার ৪৪৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ৫৮ মামলা, গ্রেপ্তার ৪৪৭

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৭ জন, লালবাগে ৪৭, ওয়ারীতে ৫৬, মতিঝিলে ৬৭, তেজগাঁওয়ে ৭০, মিরপুরে ১০১, গুলশানে ২৯, উত্তরা বিভাগে ৪৭ এবং গোয়েন্দা বিভাগে তিনজন রয়েছেন।

অভিযানকালে দুটি রামদা, তিনটি চাকু, ৫১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা, এক হাজার পিস ইয়াবা, ৫১ পুরিয়া হেরোইন ও ১৯ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া নগদ ১৬ হাজার ২০০ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে মন্টেনিগ্রোকে অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে মন্টেনিগ্রোকে অনুরোধ

পর্যটন, নির্মাণ, হসপিটালিটি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মী নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা

মন্টেনিগ্রোতে বছরে ৫০ হাজারেরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। দেশটির এই শ্রমবাজারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার জন্য মন্টেনিগ্রোকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্য গর্ডান স্টোজোভিচ। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

দক্ষ কর্মী পাঠানোর সুযোগ

বৈঠকে পর্যটন, নির্মাণ, আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) কর্মী নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সহজতর ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থা চালু এবং শ্রম অভিবাসনসংক্রান্ত চুক্তি করার বিষয়েও উভয় পক্ষ গুরুত্ব দেয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মন্টেনিগ্রোর শ্রমবাজারে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করতে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

সংসদীয় যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় কূটনীতি আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য একটি ‘বাংলাদেশ-মন্টেনিগ্রো সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

বাণিজ্য বহুমুখীকরণে গুরুত্ব

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বহুমুখী ও সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক এবং পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মন্টেনিগ্রো।

অন্যদিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিভিন্ন সুযোগ তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বিশেষ করে কৃষি, কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সামুদ্রিক খাদ্য, পরিবেশবান্ধব পর্যটন বা ইকো-ট্যুরিজম, তৈরি পোশাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।

মন্টেনিগ্রোও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পর্যটন খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ভিসা ও অভিবাসন নিয়েও আলোচনা

এ ছাড়া বৈঠকে শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, কর্মসংস্থান, অভিবাসন এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে।

দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও জনসম্পদভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদারের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

ইরান থেকে সৌদি—মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক হিসাব যুক্তরাষ্ট্রের

কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
ইরান থেকে সৌদি—মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক হিসাব যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান যুদ্ধের মধ্যেই বড় সামরিক ঘাঁটি থেকে বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রায় এক ডজন বি-১ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে ইরানে দ্রুত ও ধারাবাহিক বিমান হামলা চালানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হারিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে সামরিক সক্ষমতা বন্ধ হয়নি—বরং এখন প্রশ্ন, ইরানে পরবর্তী হামলার জন্য মার্কিন বোমারু বিমানগুলো কোথায় যাবে এবং কতটা ঝুঁকি নিয়ে সেগুলো ব্যবহার করা হবে।

  • ফেয়ারফোর্ড থেকে বি-১ সরিয়ে দ্রুত হামলার সুবিধা কমাল ওয়াশিংটন
  • ইয়েমেন সংঘাতে সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বার্তা রুবিওর

হামলার আশঙ্কা, তারপরই প্রত্যাহারগত সপ্তাহে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির আশপাশে ব্রিটিশ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট টহল দেয়। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ৮৫টি বাড়ির বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে পাঁচ সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়নি। এক ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিককেও ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘাঁটিতে হামলার কথিত ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে তেহরান। এর কয়েক দিনের মধ্যেই বি-১গুলো প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকদের ধারণা, বিমান, ক্রু কিংবা ঘাঁটিকে ঘিরে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা-ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল বলেই এমন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

হারাল দ্রুত আঘাতের সুবিধা

ফেয়ারফোর্ড ইরানের কাছাকাছি কোনো ঘাঁটি নয়। তবু ইউরোপে অবস্থান করায় এটি মার্কিন বোমারু বিমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী ঘাঁটি হিসেবে কাজ করছিল। সেখান থেকে তুলনামূলক কম সময়ে ইরানের দিকে বড় আকারের মিশন পরিচালনা করা সম্ভব ছিল।

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক ক্রিস্টফ বার্গসের মতে, বি-১ সরিয়ে নেওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে দ্রুত বিমান হামলার সংখ্যা বাড়ানোর সক্ষমতা কমবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক হামলা চালানোর ক্ষমতা এতে শেষ হচ্ছে না। গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের নির্বাহী পরিচালক দানিয়া থাফেরের ভাষায়, ওয়াশিংটন ‘একটি সুবিধাজনক হামলার ঘাঁটি’ হারিয়েছে, মূল হামলা চালানোর সক্ষমতা নয়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ বি-১?

বি-১-এর সবচেয়ে বড় শক্তি এর বিপুল প্রচলিত অস্ত্র বহনের ক্ষমতা। কিংস কলেজ লন্ডনের গবেষক অরুণ ডসনের মতে, একটি বি-১ প্রায় ৩৪ টন অস্ত্র বহন করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি অভিযানে একসঙ্গে বহু লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল অস্ত্র নিক্ষেপে তাই বিমানটি বিশেষভাবে কার্যকর।

ইরান যুদ্ধে এমন লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে থাকতে পারে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাঁটি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের স্থাপনা। ফেয়ারফোর্ড হারানোর ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে এখন আরও দূরবর্তী ঘাঁটি থেকে দীর্ঘপাল্লার মিশনে যেতে হতে পারে। এতে বাড়বে উড্ডয়ন সময়, ক্রুদের ক্লান্তি এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজন।

সামনে ডিয়েগো গার্সিয়া, নাকি উপসাগর?

বি-১ কোথায় যাবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সম্ভাব্য দুটি বিকল্প হলো ভারত মহাসাগরের ডিয়েগো গার্সিয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো। ডিয়েগো গার্সিয়া তুলনামূলক নিরাপদ এবং বড় সামরিক অভিযানের অবকাঠামো রয়েছে। কিন্তু ইরান থেকে দূরত্ব অনেক বেশি। অন্যদিকে উপসাগরীয় ঘাঁটি থেকে দ্রুত হামলা চালানো সম্ভব হলেও ইরানি পাল্টা আঘাতের ঝুঁকি সেখানে বেশি।

ফেয়ারফোর্ড এত দিন এই দুই বিকল্পের মাঝামাঝি একটি কার্যকর অবস্থান দিচ্ছিল। সেটি না থাকায় ডিয়েগো গার্সিয়ার গুরুত্ব বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সৌদিকে পাশে রাখছে ওয়াশিংটন

এদিকে, ইয়েমেনে হুতিদের ঘিরে নতুন সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা চুক্তি রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র সেটি মেনে চলবে।

হুতিদের হামলার মুখে সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সময়ে ইয়েমেনের প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি সানা পুনর্দখলের সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন অভিযানে সরাসরি হামলায় অংশ নেওয়ার বদলে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত গোয়েন্দা তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তার অবস্থানে রয়েছে।

ঘাঁটি বদল, কৌশল নয়

ফেয়ারফোর্ড থেকে বি-১ সরিয়ে নেওয়া তাই ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পিছু হটার সরাসরি সংকেত নয়। বরং ঝুঁকিপূর্ণ একটি ঘাঁটির বদলে নিরাপদ ও কার্যকর বিকল্প খোঁজার কৌশল এটি।

তবে এই পরিবর্তনের একটি মূল্য আছে—দ্রুত হামলার সুবিধা কমবে, দীর্ঘপাল্লার মিশনের চাপ বাড়বে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ইরান ও ইয়েমেন—দুই দিকেই সংঘাতের পরিধি বাড়তে থাকলে সেই চাপ আরও তীব্র হতে পারে। তথ্যসূত্র: আলজাজিরা ও আনাদোলু এজেন্সি।

কালের আলো/এসবি/এমকে

মৌসুমি বায়ুর বিদায়বেলায় কয়েক দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
মৌসুমি বায়ুর বিদায়বেলায় কয়েক দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিতে পারে। তবে এর মধ্যেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ও দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। এ দিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শুক্রবারও রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শনিবার দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি