খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে মন্টেনিগ্রোকে অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে মন্টেনিগ্রোকে অনুরোধ

পর্যটন, নির্মাণ, হসপিটালিটি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মী নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা

মন্টেনিগ্রোতে বছরে ৫০ হাজারেরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। দেশটির এই শ্রমবাজারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার জন্য মন্টেনিগ্রোকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্য গর্ডান স্টোজোভিচ। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

দক্ষ কর্মী পাঠানোর সুযোগ

বৈঠকে পর্যটন, নির্মাণ, আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) কর্মী নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সহজতর ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থা চালু এবং শ্রম অভিবাসনসংক্রান্ত চুক্তি করার বিষয়েও উভয় পক্ষ গুরুত্ব দেয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মন্টেনিগ্রোর শ্রমবাজারে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করতে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

সংসদীয় যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় কূটনীতি আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য একটি ‘বাংলাদেশ-মন্টেনিগ্রো সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

বাণিজ্য বহুমুখীকরণে গুরুত্ব

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বহুমুখী ও সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক এবং পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মন্টেনিগ্রো।

অন্যদিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিভিন্ন সুযোগ তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বিশেষ করে কৃষি, কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সামুদ্রিক খাদ্য, পরিবেশবান্ধব পর্যটন বা ইকো-ট্যুরিজম, তৈরি পোশাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।

মন্টেনিগ্রোও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পর্যটন খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ভিসা ও অভিবাসন নিয়েও আলোচনা

এ ছাড়া বৈঠকে শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, কর্মসংস্থান, অভিবাসন এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে।

দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও জনসম্পদভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদারের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যে কাজটি করেন রাশমিকা

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যে কাজটি করেন রাশমিকা

ভালোবাসার সম্পর্ক দীর্ঘদিন সুন্দর রাখতে হলে নিয়মিত যত্ন ও অনুভূতির প্রকাশ জরুরি—এমনটাই মনে করেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। তার মতে, সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোনো হলেও ভালোবাসা প্রকাশের ছোট ছোট অভ্যাসগুলো কখনো হারিয়ে যাওয়া উচিত নয়।

প্রখর গুপ্তার পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্পর্ক ও দাম্পত্য জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন রাশমিকা। সেখানে তিনি জানান, ভালোবাসার মানুষকে প্রতিদিন অনুভূতির কথা বলা এবং তার খোঁজ নেওয়ার মধ্যেই সম্পর্কের সৌন্দর্য অনেকটা লুকিয়ে থাকে।

‘শুধু একজনকে সম্পর্ক টেনে নেওয়া উচিত নয়’

রাশমিকার মতে, একটি সম্পর্ক কখনোই শুধু একজনের প্রচেষ্টায় টিকে থাকা উচিত নয়। দুজনকেই সম্পর্কটিকে সুন্দর রাখার জন্য নিয়মিত ছোট ছোট চেষ্টা করে যেতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক কিংবা বিয়ের পর অনেক সময় মানুষ ধরে নেন, সঙ্গী তো সবকিছু জানেন। ফলে ‘শুভ সকাল’, ‘কেমন আছ?’ কিংবা ‘তোমার দিন কেমন গেল?’—এ ধরনের সাধারণ কথাগুলোও ধীরে ধীরে কমে যায়।

কিন্তু রাশমিকার মতে, সম্পর্ক যত পুরোনোই হোক না কেন, ভালোবাসার এসব ছোট ছোট প্রকাশ চালু রাখা প্রয়োজন।

দিনে ১০-১৫ বার বলেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’

রাশমিকার ভালোবাসা প্রকাশের ধরনও বেশ সরল। তিনি জানান, নিজের সঙ্গীকে দিনে অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ বলেন।

শুধু মুখে ভালোবাসার কথা বলাই নয়, সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনুভূতি প্রকাশ করাকেও তিনি সমান গুরুত্ব দেন। তার মতে, মনের মধ্যে ভালোবাসা থাকলেই সবসময় যথেষ্ট নয়; কখনো কখনো সেই অনুভূতিটা প্রিয় মানুষটির কাছে প্রকাশ করাও প্রয়োজন।

‘এটাই ভালোবাসা’

সময় যতই গড়াক, সম্পর্কের মধ্যে যতই পরিচিতি আসুক—ভালোবাসার প্রকাশ যেন অভ্যাস থেকে হারিয়ে না যায়, সেটিই রাশমিকার বক্তব্যের মূল বিষয়।

তার মতে, সঙ্গীর খোঁজ নেওয়া, তার দিন কেমন কাটল তা জানতে চাওয়া কিংবা হঠাৎ করে ভালোবাসার কথা বলা—এসব খুব ছোট বিষয় মনে হলেও সম্পর্কের জন্য এগুলোই গুরুত্বপূর্ণ।

রাশমিকার ভাষায়, ‘এটাই ভালোবাসা।’

সম্পর্কে নিয়মিত যত্ন ও অনুভূতির প্রকাশকে গুরুত্ব দেওয়া রাশমিকার এই ভাবনা এরই মধ্যে ভক্তদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে। তার কথায় উঠে এসেছে, ভালোবাসা শুধু বড় কোনো আয়োজন নয়; প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে ওঠে।

কালের আলো/জেএন

ট্র্যাকে কুকুর, ফায়ার সার্ভিসে স্বাভাবিক মেট্রো

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
ট্র্যাকে কুকুর, ফায়ার সার্ভিসে স্বাভাবিক মেট্রো

রাজধানীর কারওয়ান বাজার মেট্রোরেল স্টেশনের ট্র্যাক লাইনে কুকুর ঢুকে পড়ায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল মেট্রোরেল চলাচল। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কুকুরটিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পর ফের স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টা ৫২ মিনিটের দিকে কারওয়ান বাজার মেট্রোরেল স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় উদ্ধার

এমআরটি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টা ৫২ মিনিটে স্টেশনের ট্র্যাক লাইনে একটি কুকুর ঢুকে পড়ে। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে ওই সময় মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তারা ট্র্যাক থেকে কুকুরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে সরিয়ে নেন।

এমআরটি পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) মো. মহসীন শেখ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

কুকুরটি ট্র্যাক থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সকাল ১১টা ৫৭ মিনিটে পুনরায় মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়।

এমআরটি পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ঢাকার সড়কে এবার ‘জট কাটার’ অভিযান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
ঢাকার সড়কে এবার ‘জট কাটার’ অভিযান

মালিবাগ থেকে বাংলামোটর—১০ থেকে ১৫ মিনিটের পথ। অথচ যানজটে আটকে সেই পথ পাড়ি দিতে কখনো গুনতে হয় ঘণ্টা। রাজধানীর এই চিরচেনা দুর্ভোগ কাটাতে এবার সড়ক বাড়ানোর চেয়ে সড়কের ওপর চাপ কমানোর পরিকল্পনায় জোর দিচ্ছে সরকার। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, রাস্তার পাশের বাস পার্কিং সরানো, কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট স্থানান্তর, উন্নয়নকাজে সমন্বয় এবং মহাখালী টার্মিনালের বাস পূর্বাচলে সরিয়ে নেওয়ার মতো একাধিক পদক্ষেপ সামনে এসেছে। এখন বড় প্রশ্ন—বারবার নেওয়া পরিকল্পনার মতো এবারও কি আটকে যাবে বাস্তবায়ন, নাকি সত্যিই গতি ফিরবে ঢাকার সড়কে?

  • ফুটপাত দখলমুক্ত থেকে বাস পার্কিং সরানো—যানজট কমাতে একসঙ্গে একাধিক পদক্ষেপ
  • রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িতে লাগাম দিয়ে ফেরানো হবে নগরীর গতি

ফুটপাত ফিরবে পথচারীর
ঢাকার যানজটের একটি বড় কারণ সড়কের কার্যকর জায়গা কমে যাওয়া। ফুটপাত দখল হয়ে গেলে পথচারীরা মূল সড়কে নেমে আসেন। এতে যানবাহন ও পথচারী একই জায়গা ব্যবহার করায় গতি কমে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে। এ কারণে ফুটপাত হকারমুক্ত রাখাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মিরপুর-১০ এলাকায় হকার উচ্ছেদের পর সড়কের চিত্রে যে পরিবর্তন দেখা গেছে, সেটিকে এই উদ্যোগের প্রাথমিক ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে শুধু উচ্ছেদ নয়, ফুটপাত যাতে আবার দখল না হয়, সেটিই হবে বড় পরীক্ষা।

সড়ক থেকে সরবে বাস

রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে যত্রতত্র বাস দাঁড়িয়ে থাকা যানজটকে আরও তীব্র করে। এ সমস্যা কমাতে বঙ্গবাজার থেকে গুলিস্তান মোড় পর্যন্ত প্রায় ৭০০ মিটার সড়কের দুই পাশে বাস পার্কিং সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মহাখালী বাস টার্মিনালে অপেক্ষমাণ বাসগুলো পূর্বাচল ডিপোতে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে টার্মিনাল ও আশপাশের সড়কে বাসের চাপ কমানোর পাশাপাশি পার্কিংয়ের জন্য ব্যবহৃত সড়কের অংশও যান চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব হবে।

রাস্তা কাটাকাটিতে লাগাম

প্রতি বছর বর্ষাকালে ঢাকার যানজট বাড়ানোর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি। বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীন উন্নয়নকাজে একই সড়ক বারবার কাটা হয়। ফলে সংকুচিত হয়ে পড়ে যান চলাচলের জায়গা। অর্থবছর পরিবর্তনের কারণে আগামী বর্ষায় ঢাকায় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি না করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলমান উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনাও রয়েছে। পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে বর্ষায় যানজটের একটি বড় উৎস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতে পারে।

সরানোর তালিকায় কারওয়ান বাজার

রাজধানীর যানজটের চাপ কমাতে কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ। এই এলাকায় ব্যবসা, পণ্যবাহী যান, ক্রেতা ও পথচারীর সমন্বিত চাপ তৈরি হয়। ফলে বাজারের কার্যক্রম অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারলে ওই এলাকার সড়কে চাপ কমার সুযোগ তৈরি হবে। তবে স্থানান্তরের পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও পার্কিংয়ের বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে যানজট এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় স্থানান্তরিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

সাত নির্দেশনা, নজরে বাস্তবায়ন
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী গত ৩০ আগস্ট এক বৈঠকে সাতটি নির্দেশনা দেন। সেগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আবারও বৈঠক হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনাও এসেছে, যাতে রাজধানীর প্রবেশপথে যানবাহনের দীর্ঘ সারি কমানো যায়। তবে যানজট নিয়ন্ত্রণে অতীতের অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়নের অভাবে থেমে গেছে। স্কুল বাস চালু, ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো কিংবা জোড়-বিজোড় নম্বরের গাড়ি চলাচলের মতো পরিকল্পনাও শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি।

অটোরিকশায় নতুন চাপ

এর বাইরে রাজধানীর সড়কে অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচলও নতুন সমস্যা তৈরি করছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব যানবাহন ট্রাফিক আইন না মেনে চলাচল করে এবং মোড় বা ব্যস্ত সড়কে হঠাৎ গতি পরিবর্তন করে। এতে যান চলাচলে বিঘ্নের পাশাপাশি পথচারীদের নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়ে। তাই যানজট নিরসনের পরিকল্পনায় শুধু অবকাঠামো নয়, গণপরিবহন ও ছোট যানবাহনের চলাচলও নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা প্রয়োজন।

কালের আলো/টিইকে/এমকে