কৃষক-শ্রমিকের প্রতিনিধিত্বে ফিরছে গ্রাম সরকার
দেশে আবারও ফিরছে ‘গ্রাম সরকার’। গ্রামীণ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রতি ওয়ার্ডে এ সরকার গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রস্তাব অনুযায়ী, একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে প্রতিটি গ্রাম সরকার। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তার পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাস, চুরি, মাদক ও জুয়ার মতো অপরাধ প্রতিরোধেও দায়িত্ব পালন করবে সংস্থাটি।
সম্প্রতি তৈরি করা খসড়াটির বিষয়ে মতামত চেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এতে গ্রাম সরকারকে ইউনিয়ন পরিষদের সহায়ক সংগঠন হিসেবে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, সরকারি কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় ইউনিয়ন পরিষদকে সহায়তা করবে এ সংস্থা। তবে দায়িত্বের বিস্তৃতি বিবেচনায় এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে পর্যাপ্ত অর্থায়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর।
- প্রতি ওয়ার্ডে ১৫ সদস্যের কাঠামোর প্রস্তাব
- ইউপি সদস্য হবেন প্রধান, সংরক্ষিত নারী সদস্য উপদেষ্টা
- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা
- সদস্য নির্বাচনে হ্যাঁ-না ভোটের প্রস্তাব
প্রধান হবেন ইউপি সদস্য, উপদেষ্টা সংরক্ষিত নারী সদস্য
খসড়া অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য গ্রাম সরকারের প্রধান হবেন। সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য থাকবেন উপদেষ্টা হিসেবে। সদস্যদের মধ্যে থাকবেন দুজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবক, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দুজন সদস্য—একজন পুরুষ ও একজন নারী, দুজন কৃষক, একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার, একজন সমবায় সমিতির সদস্য, একজন পল্লিচিকিৎসক, একজন শিক্ষক, একজন ব্যবসায়ী, একজন পেশাজীবী, একজন শ্রমিক, একজন যুব প্রতিনিধি এবং একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য, যদি সংশ্লিষ্ট এলাকায় থাকেন। কোনো এক বা একাধিক শ্রেণির প্রতিনিধি পাওয়া না গেলে গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবকের সংখ্যা বাড়িয়ে সেই ঘাটতি পূরণের প্রস্তাব রয়েছে।
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিত করা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনগণের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো। কৃষক কৃষি উপকরণের সংকট, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, ব্যবসায়ী স্থানীয় অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত ব্যক্তিরা প্রাথমিক চিকিৎসার সমস্যা তুলে ধরতে পারবেন। তবে এসব প্রতিনিধির অংশগ্রহণ কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁদের ভূমিকা ও জবাবদিহির ব্যবস্থার ওপর।
সদস্য নির্বাচনে হ্যাঁ-না ভোট, মেয়াদ পাঁচ বছর
প্রস্তাবিত আইনে গ্রাম সরকারের সদস্য নির্বাচনে হ্যাঁ-না ভোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের কমপক্ষে ১০ শতাংশের উপস্থিতিতে পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথমবার গ্রাম সরকার গঠনের তারিখ সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়ে নির্ধারণ করবে। পরবর্তী সময়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নতুন গ্রাম সরকার গঠন করতে হবে। ধারা ২৪ অনুযায়ী কোনো গ্রাম সরকার বাতিল হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব রয়েছে।
গ্রাম সরকারের মেয়াদ হবে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর। প্রধান, উপদেষ্টা ও সদস্যদের দায়িত্ব নেওয়ার আগে শপথ নিতে হবে। গ্রাম সরকার গঠনের ৩০ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে।
তবে হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থী নির্ধারণ, ভোটারদের অংশগ্রহণ এবং নির্বাচন পরিচালনার স্বচ্ছতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ভোটের ফল নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে তা নিষ্পত্তির পদ্ধতি এবং সদস্যদের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও কার্যকর ব্যবস্থার অংশ হওয়া প্রয়োজন।
নারী-শিশু নির্যাতন, মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে ভূমিকা
প্রস্তাবিত আইনে গ্রাম পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাস, চুরি, মাদক এবং যেকোনো ধরনের জুয়ার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেবে গ্রাম সরকার। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধসংক্রান্ত প্রতিবেদন ইউনিয়ন পরিষদে দেওয়ার দায়িত্বও থাকবে।
স্থানীয় বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে। গ্রাম সরকারের লিখিত সিদ্ধান্ত আইনানুগ কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করতে পারবে বলে খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।
গ্রামীণ পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা কার্যকর হতে পারে। অপরাধের ঝুঁকি সম্পর্কে আগাম তথ্য সংগ্রহ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তা পাওয়ার পথ সহজ করতেও এ ধরনের কাঠামো ভূমিকা রাখতে পারে। তবে গ্রাম সরকারের দায়িত্ব ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এখতিয়ারের মধ্যে স্পষ্ট সীমারেখা থাকা জরুরি। স্থানীয় বিরোধ মীমাংসার নামে যেন কারও অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়, তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
রাস্তা-ঘাট থেকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা
গ্রামের রাস্তা, কালভার্ট ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে গ্রাম সরকার। চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি ও আর্থিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিবেদন দেওয়ার দায়িত্বও থাকবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করবে সংস্থাটি। পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি, টিকাদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার প্রস্তাব রয়েছে। এসব কর্মসূচিতে মাঠপর্যায়ে কর্মরত ব্যক্তিদের কার্যক্রম সম্পর্কেও ইউনিয়ন পরিষদকে প্রতিবেদন দিতে হবে।
বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে গ্রাম সরকার। প্রয়োজনে নিজস্ব তত্ত্বাবধানেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
এ ক্ষেত্রে গ্রাম সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হতে পারে স্থানীয় চাহিদা দ্রুত শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো। তবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো খাতে কার্যকর ফল পেতে সরকারি দপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় এবং প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনার বাস্তব ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে।
কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে নজরদারি
কৃষি উন্নয়নে স্থানীয় পর্যায়ে সার, উন্নতমানের বীজ ও কীটনাশকের সরবরাহ সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখবে গ্রাম সরকার। কোনো সংকট দেখা দিলে ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করতে হবে।
গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে সমবায় সমিতি গঠন, ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন, হাঁস-মুরগির খামার, মৎস্য চাষ ও পশুপালনে মানুষকে উৎসাহিত করার দায়িত্বও থাকবে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, পরিবেশ ও প্রাণী সংরক্ষণে জনসম্পৃক্ততা বাড়াবে সংস্থাটি।
নারী, যুবক, তরুণ, প্রবীণ ও শিশুদের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম গ্রহণের সুযোগও রাখা হয়েছে। ফলে গ্রাম সরকার কেবল অবকাঠামো উন্নয়ন বা অপরাধ প্রতিরোধে সীমাবদ্ধ থাকবে না; গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখার কথা রয়েছে।
তবে এসব দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় অর্থ, জনবল ও কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। শুধু দায়িত্ব নির্ধারণ করলেই হবে না, কোন কাজের জন্য কী পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ থাকবে এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
অযোগ্যতা ও অনিয়মে সদস্য অপসারণ
খসড়ায় গ্রাম সরকারের সদস্য হওয়ার যোগ্যতা এবং পদ থেকে অপসারণের শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব হারালে, আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত হলে কিংবা সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে কেউ সদস্য হতে পারবেন না।
নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে কমপক্ষে এক বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর মুক্তিলাভের পাঁচ বছর অতিবাহিত না হলেও সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকবে না। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বাইরে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চলে যাওয়া, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়া বা থাকা এবং ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ অনাদায়ী থাকার ক্ষেত্রেও অযোগ্যতার বিধান রাখা হয়েছে।
যথাযথ তদন্তের পর কোনো সদস্যকে অপসারণ করা যাবে। উপযুক্ত কারণ ছাড়া পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিতি, শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্য, দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার বা নৈতিক স্খলন অপসারণের কারণ হতে পারে।
গ্রাম সরকার বাতিল করতে পারবেন জেলা প্রশাসক
প্রস্তাবিত আইনে গ্রাম সরকারের কার্যক্রম তদন্তের ক্ষমতা জেলা প্রশাসককে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তিনি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অথবা পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা কিংবা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তদন্তের ব্যবস্থা করতে পারবেন।
তদন্তে দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিক ব্যর্থতা, প্রশাসনিক বা আর্থিক দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা, জনস্বার্থবিরোধী কার্যক্রম কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে জেলা প্রশাসক গ্রাম সরকার বাতিল ঘোষণা করতে পারবেন। তবে সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে। বাতিলের পর নতুন গ্রাম সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের গঠিত এডহক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
প্রতিটি গ্রাম সরকারের জন্য ‘গ্রাম সরকার তহবিল’ গঠনের প্রস্তাবও রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাওয়া অর্থ এবং অন্যান্য উৎসের অর্থ এ তহবিলে জমা হবে। কার্যালয় স্থাপনের জন্য ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থান, হাটবাজার কিংবা গ্রোথ সেন্টার এলাকা বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে ১৫ করার প্রস্তাব
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় গ্রাম সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। পরে ২০০৩ সালে এ-সংক্রান্ত আইন করা হলেও পরবর্তী সময়ে তা বাতিল হয়। রহিত হওয়া আইনেও প্রতি ওয়ার্ডে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৩ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম সরকার গঠনের কথা ছিল। নতুন খসড়ায় সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে ১৫ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, আগামী ৭ নভেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে গ্রাম পুলিশ সমাবেশ আয়োজনের কথা রয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের নোটিশ অনুযায়ী, সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার সম্মতি রয়েছে। সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে আগামী ১৩ অক্টোবর সচিবালয়ে সভা ডাকার কথাও জানানো হয়েছে।
গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা, জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি, রেশন, চিকিৎসা ও ঝুঁকি ভাতা এবং অবসরকালীন সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। গ্রামীণ নিরাপত্তায় তাঁদের ভূমিকা বিবেচনায় এসব দাবির নিষ্পত্তিও স্থানীয় প্রশাসনকে কার্যকর করার বৃহত্তর আলোচনার অংশ।
কালের আলো/এমএএএমকে

আপনার মতামত লিখুন
Array