খুঁজুন
                               
, ,
           

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, উজিরপুরের জেলেদের দুশ্চিন্তা সংসার চালানো নিয়ে

বরিশাল সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, উজিরপুরের জেলেদের দুশ্চিন্তা সংসার চালানো নিয়ে

মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে নদীতে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। এ সময়ে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও থেমে থাকবে না সংসারের খরচ। চাল-ডাল কেনা, বাজারসদাই, সন্তানদের পড়াশোনা ও পরিবারের অন্যান্য ব্যয় মেটানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার নদীনির্ভর জেলেরা।

গত ৭ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে সন্ধ্যা নদীসহ উজিরপুরের নদ-নদীতে সব ধরনের মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে। নিষেধাজ্ঞার আগে জেলেরা নৌকা তীরে তুলে রেখেছেন। কেউ জাল মেরামত করে গুছিয়ে রেখেছেন, আবার কেউ নৌকায় আলকাতরা লাগিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছেন দীর্ঘ বিরতির জন্য। তবে মাছ ধরা বন্ধ হওয়ায় আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার চিন্তাই এখন তাঁদের প্রধান উদ্বেগ।

২৫ কেজি চালে কত দিন চলবে সংসার?

উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৩ জন। তাঁদের মধ্যে এবার সরকারি খাদ্যসহায়তার জন্য কার্ডধারী জেলের সংখ্যা ৩ হাজার ৪০০। প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল দেওয়ার বরাদ্দ রয়েছে। সে হিসাবে নিবন্ধিত জেলেদের মধ্যে ২৪৩ জন এবার এই সহায়তার তালিকার বাইরে থাকছেন।

জেলেদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন নদীতে মাছ ধরলেও অনেক প্রকৃত জেলে এখনো জেলে কার্ড পাননি। অন্যদিকে, মাছ ধরার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন—এমন ব্যক্তিদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রকৃত জেলেদের একটি অংশ সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

জেলে দুলাল বলেন, “নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদীতে মাছ ধরতে পারব না। কিন্তু সংসারের খরচ তো বন্ধ থাকবে না। মাছ ধরা আমাদের একমাত্র আয়ের পথ। এই সময় পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব, সেটাই বড় চিন্তার বিষয়।”

সহায়তা বাড়ানোর দাবি

জেলে খলিল বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে ২৫ কেজি চাল দেওয়া হয়। কিন্তু এত কম চাল দিয়ে ২২ দিন সংসার চালানো কঠিন। বাজার খরচ, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা ও অন্যান্য প্রয়োজন রয়েছে। আমরা নিষেধাজ্ঞা মানতে চাই, তবে সহায়তা আরও বাড়ানো দরকার।”

জেলে নয়ন বলেন, “আমরা চাই মা ইলিশ রক্ষা হোক। নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরব না। তবে এ সময়ে বিকল্প কাজের ব্যবস্থা থাকলে সংসার চালানো সহজ হতো। প্রকৃত জেলেদের সঠিক তালিকা করে সবাইকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা দরকার।”

জেলেদের মতে, নিষেধাজ্ঞার সময় খাদ্যসহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হলে তাঁদের দুর্ভোগ কমবে। একই সঙ্গে প্রকৃত জেলেদের শনাক্ত করে সহায়তার আওতায় আনারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযান

উজিরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার জানান, মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে নদীতে মাছ ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মৎস্য বিভাগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের জীবন-জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। প্রকৃত জেলেদের তালিকা হালনাগাদ, যথাসময়ে খাদ্যসহায়তা বিতরণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা গেলে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা আরও সহজ হবে।

মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে প্রস্তুত উজিরপুরের জেলেরা। তবে এই ২২ দিন পরিবার নিয়ে টিকে থাকতে পর্যাপ্ত সহায়তা ও বিকল্প আয়ের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি তাঁদের।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

কলকাতা থেকে আসা যাত্রীর ব্যাগে মিলল পৌনে তিন কোটি টাকার অলংকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
কলকাতা থেকে আসা যাত্রীর ব্যাগে মিলল পৌনে তিন কোটি টাকার অলংকার

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের ডায়মন্ড, প্লাটিনাম ও স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান পণ্য জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম। এ ঘটনায় এক যাত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ জানান, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৯৬ ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। স্বর্ণ চোরাচালানের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম ও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তারা নজরদারি শুরু করেন।

এ সময় মো. জনি রহমান নামের এক যাত্রী ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ব্যাগেজ ঘোষণা ছাড়াই গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের চেষ্টা করেন। তার ব্যাগ স্ক্যান করার সময় আচারের বয়ামের ভেতরে ধাতব পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। পরে ব্যাগ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ডায়মন্ডখচিত স্বর্ণালংকার, প্লাটিনামের আংটি ও বিভিন্ন মূল্যবান পাথর পাওয়া যায়।

জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ডায়মন্ডখচিত ১৮ ক্যারেটের সোনার ৩৮৯টি আংটি, যার ওজন ৪৭৮ গ্রাম। এ ছাড়া ডায়মন্ডখচিত প্লাটিনামের ১৫১টি আংটি, সাদা সোনার তিনটি আংটি, রুপার দুটি আংটি, পাঁচটি সোনার লকেট, একটি সোনার চেইন এবং ৪৭২টি সোনার নাকফুল জব্দ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ছোট-বড় মিলিয়ে ৪৫ ক্যারেটের ডায়মন্ড পাথর, পোখরাজ, রুবি ও অন্যান্য মূল্যবান পাথরসহ মোট ৭২০টি পাথর এবং ২৩টি জুয়েলারি সার্টিফিকেট কার্ড পাওয়া যায়।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ব্যাগেজ ঘোষণা না দিয়ে এসব পণ্য আনার কারণে সেগুলো জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম ফৌজদারি মামলা করেছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নিউইয়র্কে শাকিবের সঙ্গে দীঘির ছবি ভাইরাল

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কে শাকিবের সঙ্গে দীঘির ছবি ভাইরাল
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ও অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির একটি ছবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয়েছে আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সহশিল্পী শাকিবের সঙ্গে দেখা হয়েছে দীঘির। সেই মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করার পর স্মৃতিচারণে মেতেছেন ভক্তরা।

শাকিব খান ও দীঘিকে একসঙ্গে দেখে অনেকের মনে পড়েছে ২০০৬ সালের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘চাচ্চু’র কথা। সেই সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছিলেন দীঘি। সময়ের ব্যবধানে ছোট্ট জুঁই এখন বড় হয়েছেন, নিজেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অভিনয়শিল্পী হিসেবে।

নিউইয়র্কে একই অনুষ্ঠানে শাকিব-দীঘি

শনিবার (১০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডস। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন শাকিব খান ও দীঘি। সেখানেই তাদের দেখা হয় এবং একসঙ্গে ছবি তোলেন তারা।

দীঘির প্রকাশ করা ছবিতে শাকিব খানকে কালো শার্ট, ব্লেজার ও সানগ্লাসে দেখা গেছে। অন্যদিকে দীঘির পরনে ছিল নীল ও সোনালি নকশার পোশাক। ছবির ক্যাপশনে শাকিবকে ‘মেগাস্টার’ বলে উল্লেখ করেছেন দীঘি।

ছবিটি প্রকাশের পরপরই ভক্তদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ পুরোনো দিনের সিনেমার স্মৃতি সামনে এনেছেন, কেউ আবার শাকিব ও দীঘিকে নতুন কোনো চলচ্চিত্রে একসঙ্গে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

‘চাচ্চু’ সিনেমায় ছোট্ট জুঁইয়ের চরিত্রে দীঘি

পরিচালক এফ আই মানিকের ‘চাচ্চু’ মুক্তি পেয়েছিল ২০০৬ সালে। ব্যবসাসফল এই চলচ্চিত্রে শাকিব খানের ভাইয়ের মেয়ে জুঁই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দীঘি। শিশুশিল্পী হিসেবে তার অভিনয় দর্শকের নজর কাড়ে এবং তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

সিনেমাটিতে শাকিব খানের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন অপু বিশ্বাস ও ডিপজলসহ অন্য শিল্পীরা। চলচ্চিত্রটি সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের ক্যারিয়ারের স্মরণীয় কাজগুলোর একটি হিসেবেও পরিচিত।

শিশুশিল্পী হিসেবে দীঘির জনপ্রিয়তার পেছনে ‘চাচ্চু’র ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। পরবর্তী সময়ে শাকিব খানের সঙ্গে ‘দাদীমা’, ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’, ‘১ টাকার বউ’ ও ‘তোর কারণে বেঁচে আছি’র মতো চলচ্চিত্রেও তাকে দেখা গেছে।

ভক্তদের স্মৃতিতে পুরোনো জুটি

শাকিব ও দীঘির সাম্প্রতিক ছবিটি ঘিরে ভক্তদের প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে শৈশবের সিনেমার স্মৃতি। কেউ মজা করে দীঘির সঙ্গে শাকিবের সম্পর্ককে ‘চাচা-ভাতিজি’র পর্দার পরিচয়ের সঙ্গে মিলিয়েছেন। আবার কেউ তাদের নতুন করে পর্দায় একসঙ্গে দেখার প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

একসময় শিশুশিল্পী দীঘিকে শাকিব খানের সঙ্গে পর্দায় দেখে অভ্যস্ত ছিলেন দর্শক। এখন দুজনই নিজ নিজ অবস্থানে পরিচিত মুখ। তাই নিউইয়র্কের অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা শুধু একটি ছবি প্রকাশের ঘটনা নয়, বরং পুরোনো ঢালিউডের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার উপলক্ষও হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ২১৯৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়াল, হাসপাতালে ভর্তি ২১৯৩

দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৯৩ জন। তাঁদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৩৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৩ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৫৩০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৫০ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৫০ জন রয়েছেন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৩০৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৮৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৯৯ হাজার ২৭৫ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮০৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন আরও ১ হাজার ৭৯৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। ওই বছর এ রোগে মৃত্যু হয়েছিল ৪১৩ জনের।

এর আগের বছর, ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। সে বছর মারা যান ৫৭৫ জন।

আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। ওই বছর রোগটিতে মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।

চলতি বছরেও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৩ জনে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি