খুঁজুন
                               
, ,
           

একটি গাণিতিক ধাঁধার সমাধানেই ভেঙে পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে সাইবার নিরাপত্তা!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
একটি গাণিতিক ধাঁধার সমাধানেই ভেঙে পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে সাইবার নিরাপত্তা!
গণিতের জগতে এমন কিছু সমস্যা রয়েছে, যেগুলোর সমাধান খুঁজতে বছরের পর বছর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকেরা। এসব সমস্যার কোনোটি সংখ্যা তত্ত্বের গভীর রহস্য উন্মোচনের সঙ্গে যুক্ত, আবার কোনোটি আধুনিক প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তার ভিত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো বড় সংখ্যাকে তার মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করা। বিষয়টি সাধারণ গাণিতিক হিসাবের মতো মনে হলেও, অনেক বড় সংখ্যার ক্ষেত্রে এর সমাধান খুঁজে বের করা অত্যন্ত কঠিন।

এই সমস্যার সমাধান শুধু গণিতবিদদের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইন্টারনেটে তথ্যের নিরাপত্তা, অনলাইন ব্যাংকিং, ডিজিটাল লেনদেন এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার মতো বিষয়ও।

ছোট সংখ্যা ভাঙা সহজ, বড় সংখ্যায় কেন কঠিন?

ধরা যাক, একটি সংখ্যা ৯১। কোন দুটি মৌলিক সংখ্যার গুণফল ৯১, তা বের করতে খুব বেশি সময় লাগে না। কারণ, ৭ ও ১৩ গুণ করলে পাওয়া যায় ৯১। অর্থাৎ, ৯১-এর মৌলিক উৎপাদক ৭ ও ১৩।

কিন্তু সংখ্যাটি যদি হয় ১২৫৮৯৪৫৮৬২৮৫, তাহলে কাজটি তুলনামূলকভাবে কঠিন হয়ে যায়। সংখ্যাটি কোন কোন মৌলিক সংখ্যার গুণফল, তা খুঁজে বের করতে আরও বেশি হিসাব করতে হতে পারে। আর সংখ্যা যত বড় হয়, উপযুক্ত পদ্ধতি ছাড়া তার মৌলিক উৎপাদক নির্ণয় করা তত জটিল হয়ে উঠতে পারে।

মৌলিক সংখ্যা হলো এমন স্বাভাবিক সংখ্যা, যাকে ১ এবং সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো স্বাভাবিক সংখ্যা দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করা যায় না। যেমন ২, ৩, ৫, ৭, ১১ ও ১৩ মৌলিক সংখ্যা। কোনো সংখ্যাকে মৌলিক সংখ্যার গুণফল হিসেবে প্রকাশ করাকে বলা হয় মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ।

ছোট সংখ্যার ক্ষেত্রে এ কাজ সহজ হলেও কয়েক শ অঙ্কের সংখ্যার মৌলিক উৎপাদক নির্ণয় করা অনেক কঠিন হতে পারে। এ ধরনের সংখ্যার ক্ষেত্রে দ্রুত ও কার্যকর পদ্ধতি ব্যবহার করা জরুরি।

এই সমস্যার সমাধান এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

বড় সংখ্যার মৌলিক উৎপাদক নির্ণয়ের সমস্যা আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। ক্রিপ্টোগ্রাফি হলো তথ্যকে এমনভাবে সুরক্ষিত করার প্রযুক্তি, যাতে অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ সেই তথ্য সহজে বুঝতে বা ব্যবহার করতে না পারে।

ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান, অনলাইন লেনদেন এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবায় তথ্য সুরক্ষার জন্য নানা ধরনের ক্রিপ্টোগ্রাফিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে আরএসএ (RSA) নামের বহুল পরিচিত একটি এনক্রিপশন পদ্ধতির নিরাপত্তা বড় সংখ্যার মৌলিক উৎপাদক নির্ণয়ের জটিলতার ওপর নির্ভর করে।

আরএসএ পদ্ধতিতে দুটি বড় মৌলিক সংখ্যার গুণফল ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট ধরনের গণিতভিত্তিক চাবি তৈরি করা হয়। এই গুণফল জানা থাকলেও, সংশ্লিষ্ট মৌলিক সংখ্যা দুটি দ্রুত বের করা কঠিন হওয়াই পদ্ধতিটির নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

তবে সব এনক্রিপশন পদ্ধতি একই নীতিতে কাজ করে না। তাই বড় সংখ্যার উৎপাদক নির্ণয়ের সমস্যা সমাধান হলেই ইন্টারনেটের সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা একসঙ্গে অকার্যকর হয়ে যাবে—এমন সিদ্ধান্ত ঠিক নয়।

সমাধান মিললে কি অনলাইন ব্যাংকিং ঝুঁকিতে পড়বে?

বড় সংখ্যার মৌলিক উৎপাদক দ্রুত বের করার জন্য যদি এমন কোনো কার্যকর পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়, যা প্রচলিত কম্পিউটারেও বাস্তবে ব্যবহার করা সম্ভব, তাহলে আরএসএর মতো কিছু ক্রিপ্টোগ্রাফিক ব্যবস্থার নিরাপত্তা গুরুতর ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

কারণ, কোনো ব্যবস্থার গোপন চাবি নির্ণয় করা সম্ভব হলে এনক্রিপ্ট করা তথ্যের গোপনীয়তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়তে পারে নিরাপদ ওয়েবসাইটে তথ্য আদান-প্রদান, ডিজিটাল যোগাযোগ এবং আর্থিক লেনদেনের কিছু ব্যবস্থায়।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, একটি গাণিতিক সমস্যার সমাধান হলেই পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতি সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে পড়বে। ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করবে আবিষ্কৃত পদ্ধতিটি কতটা কার্যকর, কোন ধরনের এনক্রিপশন ব্যবহৃত হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প নিরাপত্তাব্যবস্থায় কত দ্রুত যেতে পারছে—এসব বিষয়ের ওপর।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার কি বদলে দিতে পারে পরিস্থিতি?

প্রচলিত কম্পিউটারে বড় সংখ্যার মৌলিক উৎপাদক বের করা কঠিন হতে পারে। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। তাত্ত্বিকভাবে, পর্যাপ্ত শক্তিশালী ও ত্রুটিসংশোধন সক্ষম কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে শোরের অ্যালগরিদমের মাধ্যমে বড় সংখ্যার উৎপাদক নির্ণয় করা সম্ভব।

এই কারণে ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা চলছে। তবে বর্তমানে বাস্তব ব্যবহারের উপযোগী পর্যাপ্ত ক্ষমতাসম্পন্ন কোয়ান্টাম কম্পিউটার দিয়ে প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থায় ব্যবহৃত বড় সংখ্যাগুলোকে ব্যাপকভাবে ভেঙে ফেলার সক্ষমতা অর্জন করা হয়েছে—এমন দাবি করা যায় না।

এ ঝুঁকি মোকাবিলায় গবেষকেরা পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি নিয়ে কাজ করছেন। এসব পদ্ধতির লক্ষ্য হলো এমন নিরাপত্তাব্যবস্থা তৈরি করা, যা ভবিষ্যতে শক্তিশালী কোয়ান্টাম কম্পিউটারের বিরুদ্ধেও নিরাপদ থাকবে।

অমীমাংসিত সমস্যার সমাধানে পুরস্কারও রয়েছে

বড় সংখ্যার মৌলিক উৎপাদক নির্ণয়ের সমস্যা নিয়ে গবেষণা শুধু প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার জন্য নয়, গণিতের অগ্রগতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সমস্যার সমাধানে নতুন গাণিতিক পদ্ধতি, অ্যালগরিদম ও কম্পিউটেশনাল কৌশল আবিষ্কারের সুযোগ রয়েছে।

তবে এই সমস্যার সমাধানের জন্য যে কেউ সরাসরি এক লাখ ডলার পুরস্কার পাবেন, এমন দাবি করার আগে নির্দিষ্ট প্রতিযোগিতা বা পুরস্কার কর্মসূচির শর্ত যাচাই করা প্রয়োজন। সব অমীমাংসিত গাণিতিক সমস্যার জন্য নির্দিষ্ট অর্থমূল্যের পুরস্কার থাকে না।

গণিতের এই ধাঁধা তাই একই সঙ্গে কৌতূহলোদ্দীপক ও গুরুত্বপূর্ণ। ছোট একটি সংখ্যাকে কয়েকটি মৌলিক সংখ্যার গুণফলে ভাঙা সহজ হলেও, বিশাল সংখ্যার ক্ষেত্রে সেই কাজই আধুনিক প্রযুক্তির অন্যতম চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এর সমাধানে অগ্রগতি গণিতের জ্ঞান বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের ডিজিটাল নিরাপত্তাব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানোর প্রয়োজনও তৈরি করতে পারে।

কালের আলো/এসএ

পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দোতলা সড়ক চালু হবে ডিসেম্বরে: মন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দোতলা সড়ক চালু হবে ডিসেম্বরে: মন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটি থেকে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা সড়ক নির্মাণ প্রকল্প আগামী ডিসেম্বর নাগাদ চালু হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রকল্পটির চলমান নির্মাণকাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের নির্মাণ অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের গুণগত মান, স্থায়িত্ব ও নান্দনিকতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় প্রকল্পের সুরক্ষা দেয়াল ও শাটারিংয়ের কাজের মান যথাযথভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেয়ালের ফিনিশিং আরও সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নির্মাণশৈলী একটি দেশের সক্ষমতা ও কারিগরি দক্ষতার পরিচায়ক। অবকাঠামো নির্মাণে শুধু কাজ শেষ করাই যথেষ্ট নয়; এর গুণগত মান, স্থায়িত্ব, সৌন্দর্য ও সামগ্রিক নির্মাণশৈলীও নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত মান অনুসরণ করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নির্দেশনা দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ মন্ত্রীকে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি নির্মাণকাজের বর্তমান অবস্থা এবং বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অগ্রগতির তথ্য তুলে ধরেন।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৯৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। একই সময়ে আর্থিক অগ্রগতি ছিল ৮২ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

প্রকল্পের আওতায় পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি দোতলা সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি চালু হলে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, নির্বিঘ্ন ও সময়সাশ্রয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যানজট কমানো, যাতায়াতের সময় সাশ্রয় এবং শিল্পাঞ্চলের পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্প্রসারণে চীনা ব্যাংকের সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্প্রসারণে চীনা ব্যাংকের সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী

বিদ্যুৎ খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোতে দ্রুত অর্থায়নের জন্য চায়না এক্সিম ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্প্রসারণ, জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) নেটওয়ার্ক উন্নয়নে অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে চায়না এক্সিম ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ওয়াং চুনইংয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের চলমান ও ভবিষ্যৎ প্রকল্পে অর্থায়ন এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, স্থিতিশীল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ জাতীয় উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি। এ জন্য বিদ্যুৎ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সরবরাহব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

তিনি পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্প্রসারণ, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আধুনিকায়ন, স্মার্ট গ্রিড স্থাপন এবং ডিপিডিসির নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে চীনা ব্যাংকের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৬-এর আওতায় পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরের উদ্যোগ তুলে ধরে ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোতেও দ্রুত অর্থায়নের অনুরোধ জানান।

অন্যদিকে, চায়না এক্সিম ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ওয়াং চুনইং বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাংকটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। তিনি সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুশক্তি ও বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন প্রকল্পে অর্থায়নের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিনিময়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ভূমিতে স্থাপিত ও ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি।

বৈঠকে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ভিত্তিতে বিদ্যুৎ গ্রিড শক্তিশালীকরণ এবং ডিপিডিসির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের অর্থায়ন অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত করতে দুই পক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়।

এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান ও বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

জাতীয় সংসদ প্লাজার সৌন্দর্য ও পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। মাঠ ও বাগানের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবুজায়ন এবং বিদ্যমান গাছপালার সঠিক পরিচর্যায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

এ ছাড়া সংসদ প্লাজা ও এর আশপাশের যেসব স্থানে সংস্কার প্রয়োজন, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখতে সংসদ প্লাজা এবং এর সংলগ্ন এলাকার নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি