খুঁজুন
                               
, ,
           

খাদ্য ব্যবসায় নতুন নিয়ম, নিবন্ধন ছাড়া চলবে না প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
খাদ্য ব্যবসায় নতুন নিয়ম, নিবন্ধন ছাড়া চলবে না প্রতিষ্ঠান

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় দেশের নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্যপণ্যের জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। আগামী ১ নভেম্বর থেকে এ বিধান কার্যকর করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

গত ১৬ জুলাই ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়। নতুন প্রবিধান অনুযায়ী, নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, উৎপাদিত ও আমদানিকৃত পণ্যের লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার জন্য নিবন্ধনের বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন নিয়মের আওতায় পথের ধারের ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান, ছোট রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী এবং প্যাকেটজাত খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন নিতে হবে। এ ছাড়া রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবার বিক্রি করেন, এমন ব্যবসায়ীদেরও নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

খাদ্য আমদানি, পাইকারি মুদি ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজ, ভোজ্যতেল ও লবণ উৎপাদনসহ খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণনের বিভিন্ন ক্ষেত্রও এ প্রবিধানের আওতায় আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে লাইসেন্স গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালজাতীয় পণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি ও বিপণন অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং স্বাস্থ্য সহায়ক বা রোগের ঝুঁকি হ্রাসের দাবি-সংবলিত খাদ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী নিবন্ধন ও লাইসেন্স নিতে হবে।

বিএফএসএ জানিয়েছে, প্রবিধানমালার তফসিল-১০ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি পরিশোধ এবং সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে। বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ৬.১, ৭.১, ৮.১ ও ৯.১ নম্বর ফরম এবং নিবন্ধনের জন্য ৫.১ নম্বর ফরমে আবেদন জমা দিতে হবে।

প্রবিধান অনুযায়ী, নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে। নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির প্রচলিত খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করার বিধান রাখা হয়েছে। বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেস লাইসেন্স ফি প্রতিষ্ঠানের আয়তনের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য ফি ১০ হাজার টাকা এবং ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্সের জন্য ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এর মাধ্যমে ভোক্তারা পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে পারবেন এবং অভিযোগের ক্ষেত্রেও নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে পারবেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে বিএফএসএর সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন করা যাবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন এ প্রবিধান কার্যকর হলে খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে। পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক হওয়া সত্ত্বেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করলে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডের মুখে পড়তে হতে পারে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে খাদ্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

উত্তরা হামলা মামলা: দিলীপ আগরওয়ালাকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

আদালত প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
উত্তরা হামলা মামলা: দিলীপ আগরওয়ালাকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলা এবং আব্দুল জব্বারকে গুলি করে গুরুতর জখম করার মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালতে এ রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া এ আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন জানান, বুধবার দুপুর ২টায় রিমান্ড আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিএনএস সেন্টারের পাশে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেন ছাত্র-জনতা। এ সময় এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামিসহ অন্য আসামিদের নির্দেশে আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং এলোপাতাড়ি গুলি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আন্দোলনকারী আব্দুল জব্বার গুলিবিদ্ধ হয়ে মেরুদণ্ডের নিচের অংশে গুরুতর জখম হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয়। চিকিৎসা শেষে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ তিনি উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ঘটনার সময় দিলীপ কুমার আগরওয়ালা সশরীরে উপস্থিত থেকে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে হামলায় অংশ নেন বলে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ মামলায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ৩১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার সোনা ও হীরা কেনাবেচা এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই মামলায় গত ১৯ অক্টোবর রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

দুর্গাপূজায় বাঙালি সাজে নজর কাড়লেন আলিয়া ভাট

বিনোদন ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজায় বাঙালি সাজে নজর কাড়লেন আলিয়া ভাট

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট এবার দুর্গাপূজার সাজে মুগ্ধ করেছেন ভক্তদের। গাঢ় গোলাপি শাড়ি, নীল ব্লাউজ ও সোনালি গয়নায় বাঙালি নারীর ঐতিহ্যবাহী সাজে হাজির হয়ে নজর কেড়েছেন তিনি। ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধনে অভিনেত্রীর এই উৎসবের সাজ সামাজিক মাধ্যমে ও বিনোদন অঙ্গনে আলোচনায় এসেছে। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী ও মহানবমী উদ্‌যাপন উপলক্ষে মুম্বাইয়ের ৮০তম নর্থ বম্বে সর্বজনীন দুর্গাপূজার মণ্ডপে যান আলিয়া। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অয়ন মুখার্জি। পূজার আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি অভিনেত্রীর পোশাক ও সাজসজ্জা ছিল সবার আকর্ষণের কেন্দ্রে।

গোলাপি শাড়িতে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া


এদিন আলিয়ার পরনে ছিল উজ্জ্বল ফুশিয়া গোলাপি রঙের শাড়ি। শাড়িতে সোনালি গোটাপট্টির কাজ তার সাজে যোগ করেছে আভিজাত্য। বাঙালি কায়দায় শাড়ি পরেছিলেন অভিনেত্রী। কাঁধে সুন্দরভাবে সাজানো আঁচলে ফুটে উঠেছিল শাড়ির নকশা ও পোশাকের সৌন্দর্য। গোলাপি শাড়ির সঙ্গে বৈপরীত্য তৈরি করে ফিরোজা-নীল রঙের ব্লাউজ বেছে নেন আলিয়া। ব্লাউজের গোলাকার গলার নকশা ও ছোট পাফ স্লিভ তার সাজে এনেছে ভিন্নমাত্রা। পেছনের সোনালি কারুকাজও ছিল নজরকাড়া।

সোনালি গয়না ও ফুলের খোঁপায় পূর্ণতা
শাড়ির সঙ্গে আলিয়া পরেছিলেন সোনালি ঝুমকা, হাতে একাধিক সোনালি চুড়ি এবং আঙুলে নকশাদার আংটি। কানের গয়নার সঙ্গে মানানসই ইয়ার চেইন তার সাজে যোগ করেছে বাড়তি আকর্ষণ। চুলে মাঝখানে সিঁথি করে পরিপাটি খোঁপা বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী। সেই খোঁপায় ছিল রঙিন ফুলের সাজ। কপালে ছোট্ট টিপ, হালকা চোখের মেকআপ, স্বাভাবিক ত্বকের সাজ এবং মৃদু রঙের লিপস্টিকে পূর্ণতা পেয়েছে তার উৎসবের লুক। ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সাজের সঙ্গে আধুনিক রঙের সমন্বয় আলিয়ার উপস্থিতিকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা। সব মিলিয়ে পূজামণ্ডপে তার এই সাজ ভক্তদের নজর কেড়েছে।

নতুন সিনেমা নিয়েও ব্যস্ত আলিয়া
উৎসবের আমেজের পাশাপাশি অভিনয় নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন আলিয়া ভাট। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন রণবীর কাপুর ও ভিকি কৌশল। বহুল প্রতীক্ষিত এই চলচ্চিত্রটি ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। সিনেমাটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহের মধ্যেই দুর্গাপূজায় আলিয়ার বাঙালি সাজ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

কালের আলো/এসএআর/এসএ

নেটফ্লিক্সের চলচ্চিত্র বিভাগের প্রধান ড্যান লিন বরখাস্ত

বিনোদন ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
নেটফ্লিক্সের চলচ্চিত্র বিভাগের প্রধান ড্যান লিন বরখাস্ত

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের চলচ্চিত্র বিভাগে নেতৃত্বের পরিবর্তন এসেছে। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় তিন বছরের মাথায় বিভাগটির প্রধান ড্যান লিনকে বরখাস্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সাম্প্রতিক কর্মী ছাঁটাই ও শীর্ষ পর্যায়ে রদবদলের ধারাবাহিকতায় তার বিদায়ের খবর সামনে এসেছে। বিনোদনবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ভ্যারাইটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, একাধিক সূত্র ড্যান লিনের দায়িত্ব হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সপ্তাহান্তের শুরুতে তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সোমবার নিজের দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার কথা ছিল তার।

এক সপ্তাহে বড় পরিবর্তন নেটফ্লিক্সে
নেটফ্লিক্সে সম্প্রতি বড় পরিসরে কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারান। একই সময়ে নেটফ্লিক্সের প্রধান কনটেন্ট কর্মকর্তা বেলা বাজরিয়াকে বরখাস্ত করার খবরও আলোচনায় আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একের পর এক কর্মী ছাঁটাই ও শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তনের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির সাংগঠনিক পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে চলচ্চিত্র বিভাগের নেতৃত্বে পরিবর্তনের পেছনে নির্দিষ্ট কী কারণ রয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ড্যান লিনের স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন?
ড্যান লিনের জায়গায় কে দায়িত্ব নেবেন, সে বিষয়ে নেটফ্লিক্স এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে ওয়ার্নার ব্রাদার্সের চলচ্চিত্র বিভাগের সাবেক প্রধান মাইক ডি লুকা ও পাম অ্যাবডির নেটফ্লিক্সে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে তাদের যোগদানের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রযোজক হিসেবে সফল ক্যারিয়ার ড্যান লিনের
২০২৪ সালে নেটফ্লিক্সের চলচ্চিত্র বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ড্যান লিন। এর আগে তিনি নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রাইডব্যাক পরিচালনা করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে ‘লেগো’ চলচ্চিত্র সিরিজ, স্টিফেন কিংয়ের উপন্যাস অবলম্বনে ‘ইট’ এবং ‘শার্লক হোমস’-এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্র। নেটফ্লিক্সে দায়িত্ব পালনকালে ৮৮টি চলচ্চিত্রের অনুমোদন দেওয়া কিংবা স্বত্ব সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ড্যান লিন। গত জুনে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানিয়েছিলেন। তার দায়িত্ব পালনকালে প্ল্যাটফর্মটিতে যুক্ত হওয়া উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘এমিলিয়া পেরেজ’, ‘এপেক্স’, ‘হিয়ার কামস দ্য ফ্লাড’ এবং ‘দ্য ফার্দার মিস-অ্যাডভেঞ্চারস অব ক্লিফ বুথ’।

চলচ্চিত্র বিভাগের ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আগ্রহ
ড্যান লিনের বিদায়ের পর নেটফ্লিক্সের চলচ্চিত্র বিভাগে কনটেন্ট নির্বাচন, চলচ্চিত্র নির্মাণে বিনিয়োগ এবং নতুন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসে কি না, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে নেটফ্লিক্সের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। নতুন নেতৃত্বের নাম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রকাশের পরই চলচ্চিত্র বিভাগে পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। সূত্র: এনপিবি নিউজ; ভ্যারাইটি; নিউইয়র্ক টাইমস

কালের আলো/জেএন/এসএ