খুঁজুন
                               
, ,
           

সকালের শুভেচ্ছায় হাসিমুখে নজর কাড়লেন জয়া আহসান

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
সকালের শুভেচ্ছায় হাসিমুখে নজর কাড়লেন জয়া আহসান

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনয়দক্ষতার পাশাপাশি সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও নিজস্ব ফ্যাশন-সচেতনতার কারণে বরাবরই ভক্তদের কাছে আলাদা আকর্ষণ তিনি। বয়স বাড়লেও তার সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাস যেন আরও পরিণত হয়েছে। কখনো পশ্চিমা পোশাকে, কখনো ঐতিহ্যবাহী শাড়িতে—প্রতিটি সাজেই নিজের স্বতন্ত্র রুচি ও ব্যক্তিত্বের ছাপ রাখেন এই অভিনেত্রী। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন একটি ছবি শেয়ার করে আবারও ভক্তদের নজর কেড়েছেন জয়া আহসান। ছবিতে খয়েরি রঙের শাড়িতে দেখা গেছে তাকে। সাদামাটা অথচ আভিজাত্যপূর্ণ সাজে তার উপস্থিতিতে ফুটে উঠেছে স্নিগ্ধতা ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধন।

খয়েরি শাড়িতে আভিজাত্যপূর্ণ সাজ
শেয়ার করা ছবিতে খয়েরি রঙের শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ পরেছেন জয়া। কানে ঝোলানো দুল আর খোলা চুলে তার সাজে যোগ হয়েছে বাড়তি সৌন্দর্য। অতিরিক্ত সাজসজ্জার চাকচিক্য ছাড়াই সাবলীল উপস্থিতি ও মিষ্টি হাসিতে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন তিনি। বারান্দার রেলিংয়ে হাত রেখে দাঁড়িয়ে থাকা অভিনেত্রীর হাসিমাখা মুখ ছবিটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ঐতিহ্যবাহী শাড়ির সঙ্গে তার স্বাভাবিক অভিব্যক্তি ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি যেন নতুন করে তুলে ধরেছে জয়ার নিজস্ব স্টাইল।

ক্যাপশনে দিলেন সুন্দর সকালের বার্তা
ছবিটির ক্যাপশনে জয়া আহসান লিখেছেন, ‘সকালটা সুন্দর হোক, মনটা ভালো থাকুক আর সারাদিন মুখে হাসি থাকুক; শুভ সকাল।’ অভিনেত্রীর এই শুভেচ্ছাবার্তা ও হাসিমাখা ছবি ভক্তদের কাছে ভালো লাগার উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। তার সৌন্দর্য, সাবলীল অভিব্যক্তি এবং পোশাক নির্বাচনের রুচি বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন ছবি প্রকাশের মধ্য দিয়ে ভক্তদের সঙ্গে নিজের মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেন জয়া। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

লাল বেনারসিতেও মুগ্ধ করেছিলেন ভক্তদের
এর আগে লাল বেনারসি শাড়িতে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে আলোচনায় এসেছিলেন জয়া আহসান। সেসব ছবিতে পূজার প্যান্ডেলে সাজসজ্জার ব্যস্ততার মধ্যে দেখা যায় তাকে। বাঁশের কাঠামো, কাঠের গুঁড়ো আর কারিগরদের কাজের পরিবেশের মধ্যেই নজরকাড়া সাজে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিনেত্রী। টকটকে লাল বেনারসি, সোনালি জরির নকশা এবং আধুনিক ড্রেপিংয়ে তার সাজে ফুটে উঠেছিল উৎসবের আভিজাত্য ও নতুনত্ব। ঐতিহ্যবাহী পোশাককে নিজস্ব স্টাইলে উপস্থাপনের দক্ষতা আবারও প্রকাশ পেয়েছিল সেই ছবিগুলোতে। সেই ছবিগুলোর ক্যাপশনে জয়া লিখেছিলেন, ‘দেবী সত্তা কোনো অলংকার নয়, এক অন্তর্নিহিত শক্তি… আমার ভেতরের আলোয়..আমার ভেতরের দুর্গা…।’ তার এই বক্তব্যে দেবী দুর্গার শক্তি ও নারীর অন্তর্নিহিত ক্ষমতার ভাবনা উঠে এসেছিল। একই সঙ্গে লাল বেনারসিতে তার উপস্থিতি পূজার আবহে যোগ করেছিল ভিন্ন মাত্রা।

সিনেমা ও নতুন কাজ নিয়ে ব্যস্ততা
অভিনয়ের ক্ষেত্রেও ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়া আহসান। সবশেষ তাকে দেখা গেছে ভারতীয় বাংলা সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে। এটি ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া আলোচিত সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’র পরবর্তী অধ্যায়। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। এতে জয়া আহসানের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন কৌশিক সেন, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, অম্বরীশ ভট্টাচার্যসহ আরও অনেকে। দুই বাংলায় নিয়মিত কাজের মধ্য দিয়ে নিজের অভিনয়জীবনকে বৈচিত্র্যময় করে তুলেছেন এই অভিনেত্রী।

প্রথমবার রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক
অভিনয়ের পাশাপাশি এবার নতুন একটি ভূমিকায় দেখা যাবে জয়া আহসানকে। শিগগিরই রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী’র বিচারকের আসনে বসবেন তিনি। এর আগে বিভিন্ন রিয়েলিটি শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করলেও রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠানে এবারই প্রথম বিচারক হিসেবে দেখা যাবে তাকে। ফলে অভিনয়ের বাইরেও নতুন অভিজ্ঞতা যুক্ত হতে যাচ্ছে তার কর্মজীবনে। একদিকে সিনেমার কাজ, অন্যদিকে টেলিভিশনের রিয়েলিটি শো—সব মিলিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি ধরে রেখেছেন জয়া আহসান। খয়েরি শাড়িতে সকালের শুভেচ্ছা জানানো নতুন ছবিটি তাই শুধু তার ফ্যাশন ও সৌন্দর্যের প্রকাশ নয়; বরং ভক্তদের সঙ্গে তার স্বাভাবিক ও আন্তরিক মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ারও একটি উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএআর/এসএ

পূজার ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী, নিরাপত্তায় বাড়তি নজরদারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ
পূজার ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী, নিরাপত্তায় বাড়তি নজরদারি

দুর্গাপূজা ও সরকারি ছুটিতে অনেক মানুষ রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একদিকে পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার, অন্যদিকে আবাসিক এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কে চলছে নিয়মিত টহল। চুরি, ডাকাতি ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্গাপূজার ছুটিতে অনেক মানুষ ঢাকা ছেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তার চাপ বেড়েছে। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনে পুলিশ অভ্যস্ত।

তিনি বলেন, রমনা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান বলেন, প্রতিটি থানাকে এ সময়ে কঠোর নজরদারি বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত টহল কার্যক্রমও চলছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ছুটিতে রাজধানীর অনেক বাসিন্দা গ্রামের বাড়িতে গেছেন। এ সুযোগে বাসাবাড়িতে চুরি, ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধ যাতে না ঘটে, সে বিষয়েও পুলিশ কাজ করছে।

আবাসিক এলাকায় বিশেষ নজরদারি

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পূজার ছুটিতে রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও, মগবাজার, মালিবাগ, মিরপুর, বাড্ডা, উত্তরা ও ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। অনেক বাসিন্দা পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় এসব এলাকার নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকেও নজরদারি চলছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, আবাসিক এলাকা ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

রাজধানীর মেরাদিয়া পূজামণ্ডপে টহলরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) বলেন, পূজার সময়ে তাদের নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। একটি ডিউটি শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই আবার দায়িত্ব শুরু হচ্ছে। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে কাজ করতে তারা অভ্যস্ত।

তিনি জানান, খিলগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা ভাগ করে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে কেউ কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে।

পূজামণ্ডপ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় টহল

পুলিশের পাশাপাশি এসআরবির পক্ষ থেকেও পূজা ও ফাঁকা রাজধানীর নিরাপত্তায় টহল কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পূজামণ্ডপের পাশাপাশি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এসআরবি-৩-এর মিডিয়া অফিসার মেহেদি ইমরান সিদ্দিকী বলেন, নিয়মিত টহলের পাশাপাশি দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন ও মানুষের চলাচলও তুলনামূলক কম। এ পরিস্থিতিতে পূজামণ্ডপে নির্বিঘ্নে উৎসব উদ্‌যাপন নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফাঁকা বাসাবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

দেবী দুর্গার বিদায়, সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেন নারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
দেবী দুর্গার বিদায়, সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেন নারীরা

দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর বেদনা, আবার এক বছর পর ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশা—এ দুই অনুভূতিকে সঙ্গে নিয়ে বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীরা। লাল সিঁদুরের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ। নাচ, গান ও মিষ্টিমুখের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি চলছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, লাল শাড়ি ও সাদা শাড়িতে লাল পাড় পরা নারীদের উপস্থিতিতে মুখর পূজামণ্ডপ। দেবীকে সিঁদুর ছোঁয়াতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছেন ভক্তরা। বাদ্যের তালে তালে চলছে সিঁদুর খেলা ও বিদায়ের আয়োজন।

দুর্গাপূজার শেষ পর্বের অন্যতম রীতি ‘দেবী বরণ’। এই রীতির অংশ হিসেবে বিবাহিত নারীরা সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিয়ে প্রথমে দেবী দুর্গার কপাল ও চরণে সিঁদুর স্পর্শ করান। এরপর একে অপরের কপাল ও মুখে সিঁদুর মাখিয়ে দেন। মিষ্টিমুখ, নাচ ও গানের মধ্য দিয়ে তারা দেবীকে হাসিমুখে বিদায় জানান।

ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, বিবাহিত নারীরা স্বামীর মঙ্গল ও সংসারের কল্যাণ কামনায় সিঁদুর খেলায় অংশ নেন। তাদের বিশ্বাস, দেবী দুর্গা আগামী বছর আবার ফিরে আসবেন। সেই প্রত্যাশা ও আনন্দের মধ্য দিয়েই দশমীর এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। যদিও সিঁদুর খেলা মূলত বিবাহিত নারীদের রীতি, তবু পূজামণ্ডপে অবিবাহিত তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিও দেখা যায়। অনেকে গালে ও হাতে সিঁদুর মেখে উৎসবে অংশ নেন।

পূজা দিতে আসা এক তরুণী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিয়ে ছাড়া মাথায় সিঁদুর দেওয়া যায় না। আমাদের একদিন বিয়ে হবে, তখন ভালো স্বামী ও সুখের সংসারের কামনায় আমরা সিঁদুর খেলায় আসি। বিয়ে হলে আমরাও সিঁথিতে সিঁদুর পরব।’

রঞ্জনা দাস বলেন, স্বামীর মঙ্গল কামনায় এই রীতি পালন করা হয়। মা দুর্গা আগামী বছর আবার শাঁখা-সিঁদুর নিয়ে ফিরে আসবেন—এমন বিশ্বাস থেকেই তারা সিঁদুর খেলায় অংশ নেন। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি জানিয়েছে, বুধবার বিকেল ৩টায় বিজয়া শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর রাজধানীর সদরঘাটের ওয়াইজঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

দেবীর বিদায়ের বিষাদকে আনন্দে রূপ দিয়ে সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে ভক্তরা একদিকে যেমন দুর্গাকে বিদায় জানান, অন্যদিকে তেমনি আগামী বছর আবারও তাঁর আগমনের প্রত্যাশায় অপেক্ষা শুরু করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিজয়া দশমীতে বুড়িগঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জন, বাড়তি সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
বিজয়া দশমীতে বুড়িগঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জন, বাড়তি সতর্কতা

বিজয়া দশমী উপলক্ষে রাজধানীর সদরঘাট-সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল থেকে বিভিন্ন মণ্ডপের প্রতিমা নৌকায় করে বিসর্জনস্থলে নেওয়া হচ্ছে। এ উপলক্ষে নদী ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে নৌ পুলিশ ও থানা পুলিশ।

সদরঘাট নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব জানান, পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে ওয়াটার বোর্ড ও স্পিডবোট নিয়ে নৌ পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। বিসর্জন কার্যক্রম চলা পর্যন্ত দিন-রাত বাড়তি নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

তিনি জানান, বুধবার বিকেল ৩টার মধ্যে কয়েকটি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। পরে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে ভক্তরা নৌকায় করে বুড়িগঙ্গা নদীতে আসতে থাকেন।

পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল জানান, কোতোয়ালি থানা-সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে একটি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে থানা পুলিশের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানা এলাকা দিয়ে অধিকাংশ প্রতিমা বিসর্জনের জন্য বুড়িগঙ্গা নদীর দিকে নেওয়া হচ্ছে। বিসর্জনস্থলগুলোতে নিরাপত্তার পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিমা বহনকারী যান ও নৌকার চলাচল নির্বিঘ্ন করতে সড়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশও সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করছে।

প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি