খুঁজুন
                               
, ,
           

সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

জাতীয় ঐক্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অগ্রগতি রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।”

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উগ্রতার মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার হওয়ার পরামর্শ দেন রাষ্ট্রপতি।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ, সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত চললেও বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন। দেশের এই সম্প্রীতি জাতীয় শক্তি ও অস্তিত্বের অংশ, যা যেকোনো মূল্যে অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠীগত পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক বৈষম্য কিংবা নিপীড়নের শিকার হবেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়। মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সবাই এ দেশের নাগরিক। সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে সমান অধিকার, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা দিয়েছে। সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বানও জানান তিনি।

সবাই যেন নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে ধর্ম পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।

অনুষ্ঠানে হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতারা রাষ্ট্রপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিকিনি পরতে নারাজ রাশমিকা, পাশে দাঁড়িয়ে যা বললেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
বিকিনি পরতে নারাজ রাশমিকা, পাশে দাঁড়িয়ে যা বললেন বিজয়

চলচ্চিত্রে খোলামেলা পোশাক, বিকিনি কিংবা অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে তারকাদের নানা সময় প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। বাণিজ্যিক সিনেমার চাহিদা আর ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে ভারসাম্য রাখা নিয়েও রয়েছে নানা আলোচনা। এবার সেই বিষয়েই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। জানালেন, কোনো চরিত্রের প্রয়োজনে বিকিনি পরা কিংবা অতিরিক্ত শরীর প্রদর্শনের প্রয়োজন হলেও নিজের স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যক্তিগত সীমারেখার সঙ্গে আপস করতে চান না তিনি।

সম্প্রতি করণ জোহরের জনপ্রিয় টক শো ‘কফি উইথ করণ সিজন ৯’-এ অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে এ বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন রাশমিকা। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা বিজয় দেবরাকোন্ডা। শুটিং সেটে কোনো দৃশ্য বা পোশাক নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হলে অভিনেতাদের কীভাবে নিজেদের অবস্থান জানানো উচিত, সেই আলোচনাতেও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন বিজয়।

‘আমি ওই ধরনের মানুষ নই’, স্পষ্ট রাশমিকা
রাশমিকার ভাষ্য, বাণিজ্যিক সিনেমার প্রচলিত ফর্মুলার কারণে অনেক সময় অভিনেতাদের এমন পোশাক পরতে হয়, যা ব্যক্তিগত পছন্দের সঙ্গে মেলে না। তবে সিনেমার চাহিদা থাকলেই নিজের স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিতে হবে, এমনটা মনে করেন না তিনি।

অভিনেত্রীর বক্তব্য, কোনো চরিত্রে বিকিনি পরা কিংবা শরীর প্রদর্শনের প্রয়োজন থাকতে পারে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিতে তিনি দ্বিধা করেন না। নিজের জন্য কিছু সীমারেখা নির্ধারণ করে রেখেছেন রাশমিকা। যেসব পরিচালক তার সেই সীমারেখাকে সম্মান করেন, তাদের সঙ্গে কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তিনি।

রাশমিকার এই বক্তব্যে উঠে এসেছে অভিনয়ের পেশাগত চাহিদা এবং ব্যক্তিগত পছন্দের মধ্যকার পার্থক্য। একজন অভিনেত্রী হিসেবে চরিত্রের প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত থাকলেও নিজের শরীর ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

শুটিং সেটে ‘না’ বলা কেন কঠিন?
রাশমিকা আরও জানান, শুটিং সেটে কোনো পরিচালক বা নির্মাতার সামনে সরাসরি ‘না’ বলা সব সময় সহজ হয় না। বিশেষ করে কাজের পরিবেশে যখন নির্মাতার সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন নিজের অস্বস্তির কথা প্রকাশ করাটা অনেক অভিনেতার জন্য কঠিন হতে পারে।

একটি সিনেমায় যুক্ত হওয়ার পর প্রত্যাশা, পেশাগত দায়িত্ব এবং কাজ হারানোর আশঙ্কার মতো বিষয়ও অভিনেতাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে কোনো দৃশ্য বা পোশাক নিয়ে আপত্তি থাকলেও অনেক সময় তা প্রকাশ করা সহজ হয় না। রাশমিকার বক্তব্যে সেই বাস্তবতার দিকটিই উঠে এসেছে। তার মতে, নিজের সীমারেখা সম্পর্কে পরিষ্কার থাকা এবং সেই সীমাকে সম্মান করে এমন নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ।

অভিনেতাদের পাশে দাঁড়ালেন বিজয় দেবরাকোন্ডা
আলোচনায় রাশমিকার পাশে দাঁড়িয়ে বিজয় দেবরাকোন্ডাও অভিনেতাদের পেশাগত চাপের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার মতে, সিনেমার চুক্তিতে সই করার পর অনেক সময় অভিনেতাদের ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি হয়। তখন কোনো দৃশ্য নিয়ে আপত্তি জানালে তাদের পেশাদারত্ব নিয়েই প্রশ্ন তোলা হতে পারে।

বিজয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, কেউ প্রশ্ন করতে পারেন—একজন পেশাদার অভিনেতা হয়েও কোনো নির্দিষ্ট দৃশ্য করতে আপত্তি কেন? কিন্তু একজন অভিনেতা পেশাদার হলেই যে সব ধরনের দৃশ্য বা পোশাকে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

তার মতে, কোনো দৃশ্য নিয়ে অস্বস্তি থাকলে অভিনেতার সেই কথা নির্ভয়ে জানানোর সুযোগ থাকা উচিত। আপত্তি প্রকাশ করলেই কাউকে ‘অপেশাদার’ হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। বরং শুটিং সেটে এমন পরিবেশ থাকা প্রয়োজন, যেখানে শিল্পীরা নিজেদের সীমাবদ্ধতা ও অস্বস্তির কথা বলতে পারেন।

মানসিক ভরসা পান বিজয়ের কাছ থেকে
রাশমিকা স্বীকার করেছেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক সময় বিজয় দেবরাকোন্ডার কাছ থেকে মানসিক ভরসা ও সাহস পান তিনি। শুটিং সেটে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা কিংবা অস্বস্তির কথা জানানো কঠিন হয়ে উঠলে কাছের মানুষের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিজয়ের বক্তব্যেও সেই সমর্থনের প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। তার মতে, একজন অভিনেতাকে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এ জন্য নির্মাতা, সহশিল্পী ও প্রযোজনা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব থাকা জরুরি।

ব্যক্তিগত সীমারেখা ও পেশাদারত্বের প্রশ্ন
চলচ্চিত্রে চরিত্রের প্রয়োজনে পোশাক ও অভিনয়ের ধরন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে কোনো দৃশ্যে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে শিল্পীর সম্মতি ও স্বাচ্ছন্দ্যও গুরুত্বপূর্ণ। রাশমিকা ও বিজয়ের বক্তব্য সেই বিষয়টিকেই সামনে এনেছে।

একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রী কোনো নির্দিষ্ট পোশাক কিংবা দৃশ্য করতে না চাইলে সেটিকে পেশাগত অযোগ্যতা হিসেবে দেখা উচিত নয়—এমনটাই মনে করেন বিজয়। অন্যদিকে, রাশমিকার বক্তব্য হলো, নিজের সীমারেখা আগে থেকেই স্পষ্ট করে রাখলে কাজের ক্ষেত্রেও প্রত্যাশা পরিষ্কার থাকে। তারকাদের এই আলোচনা তাই শুধু বিকিনি বা খোলামেলা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং চলচ্চিত্রের কর্মপরিবেশে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, পারস্পরিক সম্মান এবং মানসিক নিরাপত্তার বিষয়টিও সামনে নিয়ে এসেছে।

কালের আলো/এসএ/টিসি

লেভানদোভস্কি-নিস্তলরয়কে ছাড়িয়ে রোনালদোর রেকর্ডের দুয়ারে কেইন

ক্রীড়া ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
লেভানদোভস্কি-নিস্তলরয়কে ছাড়িয়ে রোনালদোর রেকর্ডের দুয়ারে কেইন

গোলের পর গোল করে নতুন ইতিহাসের দিকে এগিয়ে চলেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এবার আর্সেনালের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ১০ ম্যাচে জালের দেখা পাওয়ার কীর্তি গড়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই তারকা স্ট্রাইকার। এর মধ্য দিয়ে পেছনে ফেলেছেন রবের্ত লেভানদোভস্কি ও রুড ফন নিস্তলরয়ের মতো দুই অভিজ্ঞ গোলদাতাকে। এখন কেইনের সামনে কেবল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ১১ ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তি রয়েছে পর্তুগিজ মহাতারকার। সেই রেকর্ড স্পর্শ করতে কেইনের প্রয়োজন আর মাত্র একটি ম্যাচে গোল। আরেকটি ম্যাচে গোলের ধারা ধরে রাখতে পারলে রোনালদোকে ছাড়িয়ে এককভাবে রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়ার সুযোগও পাবেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

আর্সেনালের বিপক্ষে গোল, তবু জয় পেল না বায়ার্ন
বুধবার রাতে মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বের ম্যাচে আর্সেনালের মুখোমুখি হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি শেষ হয় ২-২ গোলের সমতায়। দলের জয় হাতছাড়া হলেও ব্যক্তিগত অর্জনে স্মরণীয় একটি রাত কাটিয়েছেন কেইন। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে এবেরেচি এজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। তবে ১০ মিনিট পর কেইনের দারুণ পাস থেকে আলফোনসো ডেভিস গোল করলে সমতায় ফেরে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।

বিরতির পর ইউরিয়েন টিম্বারের হাতে বল লাগলে পেনাল্টি পায় বায়ার্ন। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কেইন। সেই গোলেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ১০ ম্যাচে গোল করার নতুন কীর্তি গড়েন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত এই গোল বায়ার্নকে জয় এনে দিতে পারেনি। ম্যাচের ৮২তম মিনিটে ভিক্টর ইয়োকেরেসের পাস থেকে ডেকলান রাইস গোল করে আর্সেনালকে সমতায় ফেরান। ফলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।

লেভানদোভস্কি ও নিস্তলরয়কে ছাড়িয়ে কেইন
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে টানা ম্যাচে গোল করার ধারাবাহিকতায় এবার নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন কেইন। এর আগে এই প্রতিযোগিতায় টানা নয় ম্যাচে গোল করার কীর্তি ছিল রুড ফন নিস্তলরয় ও রবের্ত লেভানদোভস্কির।

২০০২-০৩ মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে টানা নয় ম্যাচে গোল করেছিলেন ডাচ স্ট্রাইকার নিস্তলরয়। অন্যদিকে, পোলিশ ফরোয়ার্ড লেভানদোভস্কি বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২০১৯-২০ মৌসুমে টানা নয় ম্যাচে গোল করার পর ২০২০-২১ মৌসুমেও একই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন। এবার তাদের দুজনকে ছাড়িয়ে টানা ১০ ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়লেন কেইন। তার এই সাফল্য ইউরোপীয় ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্লাব প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক গোল করার ক্ষেত্রে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এখন সামনে শুধু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ম্যাচে গোল করার রেকর্ডের শীর্ষে রয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে টানা ১১ ম্যাচে গোল করেছিলেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। রোনালদোর সেই গোলযাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে। জুভেন্টাসের বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের ৪-১ গোলের জয়ে দুটি গোল করেছিলেন তিনি। পরের মৌসুমে গ্রুপ পর্বের ছয় ম্যাচের সবকটিতেই গোল করেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

এরপর শেষ ষোলোয় প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) বিপক্ষে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে জুভেন্টাসের বিপক্ষে দুই লেগেই গোল করেন রোনালদো। সব মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ছিল ১৭। ২০১৭ সালের জুন থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত গড়া সেই রেকর্ড এখনো অক্ষত। এবার সেই কীর্তির কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন কেইন। আর একটি ম্যাচে গোল করতে পারলেই রোনালদোর রেকর্ড স্পর্শ করবেন তিনি।

আর্সেনালের বিপক্ষেও কেইনের গোলের ধারাবাহিকতা
আর্সেনালের বিপক্ষে কেইনের গোলটি শুধু চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রেকর্ডের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, ইংলিশ ক্লাবটির বিপক্ষেও তার দুর্দান্ত গোল করার ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। সাবেক টটেনহ্যাম হটস্পার স্ট্রাইকারের আর্সেনালের বিপক্ষে এটি ১৬তম গোল।

টটেনহ্যামের হয়ে খেলার সময় থেকেই উত্তর লন্ডনের প্রতিদ্বন্দ্বী আর্সেনালের বিপক্ষে কেইনের গোল করার অভ্যাস ছিল। এবার বায়ার্নের জার্সিতেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন তিনি। যদিও তার গোল দলকে জেতাতে পারেনি, ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে ম্যাচটি হয়ে থাকল বিশেষ।

রোনালদোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ সামনে
আগামী ৩ নভেম্বর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠে খেলবে বায়ার্ন মিউনিখ। সেই ম্যাচে গোল করতে পারলেই রোনালদোর টানা ১১ ম্যাচে গোল করার রেকর্ড স্পর্শ করবেন কেইন। এরপরও গোলের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ম্যাচে গোল করার ক্ষেত্রে নতুন একক রেকর্ড গড়বেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও ধারাবাহিকতার যে ছাপ তিনি রেখে চলেছেন, তাতে এখন ফুটবলপ্রেমীদের নজর তার পরবর্তী ম্যাচের দিকে।

দলের ফলাফল সব সময় অনুকূলে না থাকলেও গোলের ধারাবাহিকতায় কেইন যে ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন, তার সর্বশেষ প্রমাণ আর্সেনালের বিপক্ষে এই গোল। এখন দেখার বিষয়, পরের ম্যাচেই কি রোনালদোর রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারেন বায়ার্নের এই গোলমেশিন।

কালের আলো/এসএ/আরআইকে

 

নীল চা পান করলে শরীরে কী হয়, জানুন উপকারিতা ও সতর্কতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
নীল চা পান করলে শরীরে কী হয়, জানুন উপকারিতা ও সতর্কতা

চায়ের প্রতি বাঙালির ভালোবাসা দীর্ঘদিনের। তবে লাল চা কিংবা দুধ চায়ের বাইরে এখন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে নানা ধরনের ভেষজ পানীয়। এর মধ্যে অন্যতম অপরাজিতা ফুলের নীল চা। উজ্জ্বল নীল রং, সহজে রং বদলে যাওয়ার বৈশিষ্ট্য এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগুণের কারণে পানীয়টি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। কিন্তু এই চা কি সত্যিই শরীরের নানা উপকার করে, নাকি এর গুণাগুণ নিয়ে রয়েছে অতিরঞ্জিত প্রচারণা?

অপরাজিতা ফুল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পরিচিত উদ্ভিদ। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অঞ্চলে লোকজ চিকিৎসায় এর ব্যবহার হয়ে আসছে। আধুনিক গবেষণাতেও ফুলটির বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। প্রাথমিক কিছু গবেষণায় জারণরোধী কার্যকারিতা, রক্তে শর্করার পরিবর্তন, প্রদাহ এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতার সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে মনে রাখতে হবে, অপরাজিতা চা কোনো রোগের নিশ্চিত চিকিৎসা নয়।

নীল রঙের পেছনে রয়েছে বিশেষ উপাদান
অপরাজিতা ফুলের আকর্ষণীয় নীল রঙের অন্যতম কারণ অ্যান্থোসায়ানিন। এটি উদ্ভিদে থাকা এক ধরনের প্রাকৃতিক রঞ্জক, যার জারণরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ফুলটিতে কুয়ারসেটিন, ক্যামফেরল ও মাইরিসেটিনের মতো আরও কিছু উদ্ভিজ্জ যৌগের উপস্থিতিও পাওয়া গেছে।

নীল চায়ের বিশেষত্ব হলো, এতে লেবুর রস মেশালে রং বদলে বেগুনি কিংবা গোলাপি হয়ে যেতে পারে। লেবুর অম্লীয় উপাদানের প্রভাবে ফুলের রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আসায় এমনটা ঘটে।

তবে শুধু রং কিংবা প্রাকৃতিক উপাদানের উপস্থিতি থেকেই কোনো পানীয়ের স্বাস্থ্যগত কার্যকারিতা নিশ্চিত করা যায় না। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন মানুষের ওপর পরিচালিত নির্ভরযোগ্য গবেষণা।

শরীরের কোষের সুরক্ষায় কতটা কার্যকর?
শরীরে বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় অস্থিতিশীল অণু তৈরি হয়। এগুলো অতিরিক্ত জমলে কোষের ক্ষতি করতে পারে। এ ধরনের ক্ষতিকর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা জারণরোধী উপাদান।

২০১৮ সালে ১৫ জন সুস্থ পুরুষের ওপর পরিচালিত একটি ছোট গবেষণায় অপরাজিতা ফুলের নির্যাস পরীক্ষা করা হয়। এতে রক্তের জারণরোধী ক্ষমতার কয়েকটি সূচকে উন্নতির পাশাপাশি কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সূচকে হ্রাস দেখা যায়।

গবেষণাটি আশাব্যঞ্জক হলেও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল খুবই কম এবং পরীক্ষার সময়কালও ছিল সীমিত। তাই নিয়মিত নীল চা পান করলে দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে কি ভূমিকা আছে?
অপরাজিতা চায়ের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে গবেষণার আরেকটি ক্ষেত্র হলো রক্তে শর্করার মাত্রা। ছোট একটি মানব গবেষণায় চিনি গ্রহণের সঙ্গে অপরাজিতা ফুলের নির্যাস নেওয়ার পর খাবার-পরবর্তী রক্তে শর্করা ও ইনসুলিনের বৃদ্ধিতে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়।

তবে এই ফলকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না। গবেষণাটি সীমিতসংখ্যক সুস্থ মানুষের ওপর করা হয়েছিল। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পানীয়টি কতটা কার্যকর বা নিরাপদ, তা জানতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্রহণকারীদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধের পরিবর্তে অপরাজিতা চা পান করা উচিত নয়।

প্রদাহ কমানোর সম্ভাবনা
শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধব্যবস্থার একটি অংশ হলো প্রদাহ। আঘাত বা সংক্রমণের ক্ষেত্রে এটি প্রয়োজনীয় হলেও দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

অপরাজিতা উদ্ভিদের নির্যাস নিয়ে প্রাণীর ওপর পরিচালিত কিছু গবেষণায় প্রদাহ কমানোর সম্ভাব্য প্রভাব দেখা গেছে। তবে প্রাণীর শরীরে পাওয়া ফল মানুষের ক্ষেত্রেও একইভাবে কার্যকর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই অপরাজিতা চা বাত, সন্ধির ব্যথা কিংবা অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগ সারাতে পারে—এমন দাবি করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ এখনো নেই।

স্মৃতিশক্তি ও মানসিক প্রশান্তিতে উপকার?
লোকজ চিকিৎসায় অপরাজিতা ফুলের ব্যবহার নিয়ে স্মৃতিশক্তি, উদ্বেগ এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতার মতো বিষয়েও আগ্রহ রয়েছে। ২০০৮ সালে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনামূলক গবেষণায় উদ্ভিদটির প্রচলিত ব্যবহার ও এ-সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণা বিশ্লেষণ করা হয়।

পরবর্তী কিছু পরীক্ষাগার ও প্রাণীভিত্তিক গবেষণাতেও অপরাজিতার সম্ভাব্য স্নায়ুরক্ষাকারী বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু মানুষের স্মৃতিশক্তি বাড়ানো, মন শান্ত রাখা কিংবা উদ্বেগ কমানোর ক্ষেত্রে নীল চা কতটা কার্যকর, তা নিশ্চিত করার মতো বড় পরিসরের গবেষণা এখনো সীমিত।

অর্থাৎ, সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা চলছে; কিন্তু একে মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী?
অপরাজিতা ফুলে থাকা অ্যান্থোসায়ানিনসহ বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ও বিপাকক্রিয়ার ক্ষেত্রেও গবেষণা হয়েছে। কিছু পরীক্ষাগার ও প্রাণীভিত্তিক গবেষণায় রক্তের চর্বি, রক্তে শর্করা এবং জারণপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত সূচকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

তবে এসব ফল মানুষের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে প্রযোজ্য কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তাই নীল চা হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করে বা হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখার নিশ্চয়তা দেয়—এমন দাবি করা যাবে না।

শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভেষজ পানীয়কে শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করার উপায় হিসেবে তুলে ধরা হয়। অপরাজিতা চা নিয়েও এমন দাবি দেখা যায়। কিন্তু শরীর থেকে সব ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই চায়ের কার্যকারিতার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

মানবদেহে যকৃৎ ও বৃক্কসহ বিভিন্ন অঙ্গ স্বাভাবিকভাবেই বর্জ্য ও বিপাকজাত পদার্থ অপসারণে কাজ করে। তাই শরীর পরিষ্কার করার অলৌকিক পানীয় হিসেবে নীল চাকে দেখার পরিবর্তে এর প্রাকৃতিক উপাদান ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে বাস্তবসম্মত ধারণা রাখা জরুরি।

চিনি ছাড়া পান করাই ভালো
অপরাজিতা ফুলের চা স্বাভাবিকভাবেই ক্যাফেইনমুক্ত ভেষজ পানীয় হিসেবে গ্রহণ করা যায়। ফলে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলতে চান এমন ব্যক্তিদের জন্য এটি একটি বিকল্প হতে পারে। তবে অতিরিক্ত চিনি যোগ করলে পানীয়টির ক্যালরি বেড়ে যায়। তাই স্বাদ ও খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চিনি ছাড়া বা অল্প চিনি দিয়ে পান করা যেতে পারে। লেবুর রস যোগ করলে স্বাদের পাশাপাশি পানীয়টির রঙেও পরিবর্তন আসে।

যেকোনো ভেষজ পানীয়ের ক্ষেত্রেই ব্যক্তিভেদে সহনশীলতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ কোনো রোগ থাকলে, নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করলে কিংবা গর্ভাবস্থায় এটি নিয়মিত বা ঘন নির্যাস আকারে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। অপরাজিতা চায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চমানের মানব গবেষণাও এখনো সীমিত।

সম্ভাবনা আছে, তবে প্রমাণের অপেক্ষা
নীল অপরাজিতা চায়ের আকর্ষণ শুধু এর দৃষ্টিনন্দন রঙে সীমাবদ্ধ নয়। এতে থাকা অ্যান্থোসায়ানিনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক যৌগ বিজ্ঞানীদের আগ্রহ তৈরি করেছে। প্রাথমিক গবেষণায় কয়েকটি সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারের ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।

তবে এখন পর্যন্ত প্রমাণের বড় অংশই সীমিতসংখ্যক মানুষের ওপর পরিচালিত গবেষণা, পরীক্ষাগার কিংবা প্রাণীভিত্তিক পরীক্ষা থেকে এসেছে। তাই নীল চাকে অলৌকিক ওষুধ হিসেবে না দেখে ক্যাফেইনমুক্ত একটি ভেষজ পানীয় হিসেবে গ্রহণ করাই যুক্তিযুক্ত। এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন।

কালের আলো/এসএ/জেএন