খুঁজুন
                               
, ,
           

পুরোনো বগি বদলে যুক্ত হবে ২০০ কোচ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
পুরোনো বগি বদলে যুক্ত হবে ২০০ কোচ

বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে পর্যায়ক্রমে যুক্ত হচ্ছে প্রায় ২০০টি নতুন কোচ। এসব কোচ দিয়ে নতুন ট্রেন চালুর পাশাপাশি পুরোনো ও জরাজীর্ণ কোচ প্রতিস্থাপন করা হবে। এরই মধ্যে দেশে আসা নতুন কোচের একটি অংশ দিয়ে প্রাথমিকভাবে নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে রেলওয়ে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন। এ সময় তিনি রেলওয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং যাত্রীসেবার মান বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

নতুন কোচ দিয়ে চালু হবে ট্রেন
রেলওয়ের মহাপরিচালক জানান, প্রায় ২০০টি নতুন কোচ পর্যায়ক্রমে রেলবহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এর একটি অংশ ইতিমধ্যে দেশে এসেছে। এসব কোচ ব্যবহার করে প্রাথমিক পর্যায়ে একটি নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আরও কোচ দেশে আসার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে নতুন ট্রেন চালু করা হবে। একই সঙ্গে পুরোনো ও জরাজীর্ণ কোচগুলো পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করা হবে।

পঞ্চগড়-কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন নিয়ে পরিকল্পনা
পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন মহাপরিচালক। তিনি জানান, বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। তবে দেশের সব রেলপথ এখনো ব্রডগেজে রূপান্তরিত না হওয়ায় এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, রেলপথগুলো ব্রডগেজে রূপান্তরের বিষয়টি বিবেচনার পাশাপাশি পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত দীর্ঘ পথে পর্যাপ্ত যাত্রী পাওয়া যাবে কি না, সেটিও যাচাই করতে হবে।

বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণে ভারতের সংযোগ জরুরি
পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের বিষয়ে আফজাল হোসেন বলেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হলে ভারতের অংশেও রেলপথের সংযোগ প্রয়োজন। শুধু বাংলাদেশের অংশে রেললাইন নির্মাণ করলে প্রত্যাশিত আঞ্চলিক যোগাযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে না। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে দুই দেশের সম্মতি প্রয়োজন বলে জানান তিনি। বর্তমানে বিষয়টি বিবেচনাধীন থাকলেও কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী বাড়বে সুবিধা
মহাপরিচালক আরও জানান, রেলওয়ের বিভিন্ন স্টেশনে মালামাল ওঠানো-নামানোর সুবিধা এবং যাত্রীদের চাহিদা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেসব স্টেশনে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা বেশি, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী রেললাইন সম্প্রসারণ, লুপ লাইন বৃদ্ধি এবং ট্রেনের কোচের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনকালে স্টেশন মাস্টার জাহিদ হাসানসহ রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

মিরপুর টেস্টে চোট, কনকাশন বদলি পেল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
মিরপুর টেস্টে চোট, কনকাশন বদলি পেল বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনে ফিল্ডিং করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটার মুমিনুল হক। তার কনকাশন বদলি হিসেবে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন জাকের আলী অনিক। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়েও নেমেছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৭৮তম ওভারের প্রথম বলে এ ঘটনা ঘটে। মেহেদী হাসান মিরাজের করা বলটি ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগান ক্যারিবীয় ব্যাটার জশুয়া বিশপ। বলটি চলে যায় শর্ট লেগে দাঁড়িয়ে থাকা মুমিনুলের বাঁ দিকে।

ক্যাচ নিতে গিয়ে মাথায় আঘাত
বলটি তালুবন্দী করতে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুমিনুল। এক হাতে বলটি ধরতে সক্ষম হলেও শেষ পর্যন্ত ক্যাচটি ধরে রাখতে পারেননি তিনি। এরপর হেলমেটসহ মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়ে যান এই বাঁহাতি ব্যাটার। আঘাত পাওয়ার পর মুমিনুলকে ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায়। দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন বাংলাদেশ দলের ফিজিও। সেখানে তার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

বদলি হিসেবে জাকেরের অন্তর্ভুক্তি
মুমিনুল মাঠ ছাড়ার পর প্রথমে বদলি ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নামেন জাকের আলী। পরবর্তী সময়ে মুমিনুলের কনকাশন বদলি হিসেবে তাকে অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করার সুযোগ পান জাকের। ক্রিকেটের নিয়ম অনুযায়ী, কনকাশন বদলি হিসেবে অনুমোদন পেলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় মূল ক্রিকেটারের পরিবর্তে ম্যাচের বাকি অংশে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং করতে পারেন।

বাংলাদেশের ষষ্ঠ কনকাশন বদলি
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এর আগে পাঁচবার কনকাশন বদলির ঘটনা ঘটেছে। ২০১৯ সালে ভারতের বিপক্ষে কলকাতা টেস্টে মোহাম্মদ শামির বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন দাস ও নাঈম হাসান। তাদের পরিবর্তে খেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। ২০২১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বদলি হিসেবে খেলেন তাসকিন আহমেদ। একই বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ইয়াসির আলীর বদলি হন নুরুল হাসান সোহান।

এরপর ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম ওয়ানডেতে সৌম্য সরকারের কনকাশন বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তানজিদ হাসান। মুমিনুল হকের পরিবর্তে জাকের আলীর অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ষষ্ঠবারের মতো কনকাশন বদলির ঘটনা ঘটল।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

ব্যাটিং ধসে চাপে বাংলাদেশ, বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা

ক্রীড়া প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
ব্যাটিং ধসে চাপে বাংলাদেশ, বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা

মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড নিয়েও স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ৩৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিক দল। এর মধ্যে ক্যারিবীয় স্পিনার রোস্টন চেজ একাই তুলে নিয়েছেন চারটি উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বৃষ্টি নামার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৩ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৪ রান। প্রথম ইনিংসের লিডসহ সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ব্যবধান দাঁড়ায় ৬১ রান।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭ রানের লিড
এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭২ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ১০৫ রান করেন সাদমান ইসলাম। এ ছাড়া তাওহীদ হৃদয় ৪২, মুমিনুল হক ২৮ এবং লিটন দাস অপরাজিত ৩৪ রান করেন। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪৫ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। এতে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা। বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাঈম হাসান। ৩৩ রান খরচায় চারটি উইকেট নেন এই অফ স্পিনার। মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে চেজের ঘূর্ণিতে ধস
২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা সাদমান ইসলামকে ১৩ রানে ফিরিয়ে উইকেট শিকারের সূচনা করেন রোস্টন চেজ। এরপর কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০ রান করে চেজের শিকার হন। একই বোলারের বলে শূন্য রানে আউট হন তাওহীদ হৃদয়ও। ফলে মাত্র ১৩ ওভারে ৩৪ রান তুলতেই চার উইকেট হারিয়ে বড় চাপে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করা সাদমানের দ্রুত বিদায়ের পর টপ অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে।

বৃষ্টিতে থামল খেলা, ক্রিজে লিটন-জাকের
বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যেই মিরপুরের আকাশে বৃষ্টি নামে। ফলে সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন আম্পায়াররা। বৃষ্টি নামার সময় ক্রিজে ছিলেন লিটন দাস ও জাকের আলী অনিক। লিটন ৪ এবং জাকের ১ রানে অপরাজিত ছিলেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৩৪ রান, হাতে ছিল ৬ উইকেট। প্রথম ইনিংসের লিড যোগ করে মোট ব্যবধান দাঁড়ায় ৬১ রান। প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় ইনিংসে দ্রুত চার উইকেট হারানোয় ম্যাচে বাংলাদেশের অবস্থান চাপে পড়েছে। বৃষ্টি থামার পর লিটন ও জাকেরের জুটি কতটা দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তুলতে পারে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

পাবনায় প্রকাশ্যে জোড়া খুন, সিসিটিভিতে ছয় হামলাকারী

পাবনা সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ
পাবনায় প্রকাশ্যে জোড়া খুন, সিসিটিভিতে ছয় হামলাকারী

পাবনার আতাইকুলার পুষ্পপাড়া বাজারে প্রকাশ্যে দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজে দেখা গেছে, ছয় মুখোশধারী দুর্বৃত্ত মাত্র এক মিনিটের মধ্যে দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পালিয়ে যাওয়ার সময়ও তারা ফাঁকা গুলি ছোড়ে, যাতে আশপাশের কেউ এগিয়ে আসার সাহস না পায়। নিহত দুজন হলেন আতাইকুলা থানা বিএনপির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন হোসেন (৪০) এবং পুষ্পপাড়া হাটের ইজারাদার আব্দুস সালাম (৫০)।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কসংলগ্ন পুষ্পপাড়া বাজারে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

সিসিটিভি ফুটেজে হামলার দৃশ্য
সিসিটিভি ফুটেজের বর্ণনা অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টা ৪১ মিনিটে পশ্চিম দিক থেকে ছয় মুখোশধারী ব্যক্তি বাজার এলাকায় আসে। এরপর তারা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। মাত্র এক মিনিটের মধ্যে দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার পর যেদিক দিয়ে এসেছিল, সেদিক দিয়েই পালিয়ে যায়। পালানোর সময়ও হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়তে থাকে। এতে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং কেউ তাদের বাধা দেওয়ার সাহস পাননি।

নিহতদের রাজনৈতিক পরিচয়
নিহত রিপন হোসেন ধর্মগ্রাম এলাকার মৃত ওমেদ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে আব্দুস সালাম একই এলাকার মৃত আরজ আলী ব্যাপারীর ছেলে। তিনি পুষ্পপাড়া হাটের ইজারাদার ছিলেন এবং শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ৫ আগস্টের পর আব্দুস সালামকে জামায়াতের বিভিন্ন মিছিল ও সমাবেশে দেখা গেছে।

একই বাজারে আগেও চার খুন
পুষ্পপাড়া বাজারে এর আগেও একই ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় এই বাজারেই প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে চারজনকে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনার রহস্য এখনো উদ্‌ঘাটন হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। প্রায় এক যুগ পর একই বাজারে আবারও প্রকাশ্যে জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। আতাইকুলার বিভিন্ন এলাকায় অতীতেও চরমপন্থি তৎপরতাসহ নানা অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার অভিযোগ
নিহত আব্দুস সালামের ভাই আব্দুল কালাম অভিযোগ করেছেন, তাদের পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ঢাকা মেইলকে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের চারজন হত্যার ঘটনায় তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছিল। ওই ঘটনার সময় তিনি কারাগারে থাকলেও তার নামেও মামলা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। আব্দুল কালামের ভাষ্য, এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার কারণে তাদের পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে তার এই অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস পুলিশের
পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশরাফ ঢাকা মেইলকে বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। তিনি বলেন, আতাইকুলা অঞ্চল আগে থেকেই চরমপন্থি তৎপরতাসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য পরিচিত। তবে আগের তুলনায় বর্তমানে এ অঞ্চলে অপরাধের মাত্রা কমেছে। পুলিশ সুপার আরও বলেন, পাবনায় যোগ দেওয়ার পর গত তিন মাসের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা এই প্রথম ঘটেছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি