খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি কীভাবে উন্নতি করেছেন, জানালেন জেনারেল আজিজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি কীভাবে উন্নতি করেছেন, জানালেন জেনারেল আজিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে সীমান্তে হত্যা বন্ধে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সঙ্গে বৈঠকসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন ওই সময়কার মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।

নিজের চার বছরের মেয়াদে মাদকদ্রব্য ও চোরাই পণ্য আটক, চোরাচালানকারী গ্রেপ্তার, বিজিবির সদস্য ও কর্মকর্তাদের জীবনমান উন্নয়নে গ্রহণ করেন ইতিবাচক পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন: ইন্দো-প্রশান্ত সেনাপ্রধানদের রোহিঙ্গা সমস্যা ও ভবিষ্যত পরিণতি সম্পর্কে বললেন জেনারেল আজিজ

বিজিবি’র ডিজি থাকাকালীন সীমান্তবর্তী দেশগুলোর স্থলবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নেও নজর কাড়েন বর্তমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ প্রধান। রয়েল থাই আর্মির কমান্ডার ইন চিফের আমন্ত্রণে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে গত সোমবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ১৯ টি দেশের সেনাপ্রধানের অংশগ্রহণে ইন্দো-প্রশান্ত সেনাপ্রধান সম্মেলনে নিজের সেই অভিজ্ঞতার চিত্রই বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করেন জেনারেল আজিজ আহমেদ।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানালেন সেনাপ্রধান

প্রায় চার বছর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, স্থলবাহিনী, বিশেষভাবে সীমান্তসংলগ্ন দেশগুলোর বাহিনীর মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলা সহজ; কিন্তু সীমান্তবিরোধ, রাষ্ট্রবহির্ভূত সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ড, আন্তদেশীয় অপতৎপরতা, ফৌজদারি অপরাধসহ নানা বাস্তব কারণে তা অত্যন্ত কঠিন।

তিনি বলেন, সহযোগিতা বা তথ্য বিনিময়ের ঘাটতির কারণে সৃষ্ট সামাজিক নৈরাজ্য, সহিংসতা ও সন্ত্রাসের প্রভাব এক দেশের সীমানা পেরিয়ে সন্নিহিত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।’

আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’

রাজনৈতিক, সামরিক, পরিবেশগত ও মানবিক নিরাপত্তার সবকিছুই সম্পর্কিত ও পরস্পর নির্ভরশীল বলেও মনে করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘প্রথাগত বা অপ্রথাগত যা-ই হোক না কেন, একবিংশ শতাব্দীর প্রধান নিরাপত্তা হুমকিকে বিচ্ছিন্ন করে দেখার সুযোগ নেই। এর রাষ্ট্রীয় সীমানা নেই।

এ সমস্যার সমাধান কেউ একা করতেও পারবে না। আগে কখনো এ-জাতীয় সংকট নিরসনে বৃহত্তর সহযোগিতার প্রয়োজন পড়েনি। সামরিক বাহিনী জাতীয় ক্ষমতার অন্যতম মৌলিক উপাদান বলে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সামরিক বাহিনীর ভূমিকাই প্রধান। একে অন্যের বিরুদ্ধে সমরশক্তি প্রয়োগ করে তা অর্জন করা যাবে না; বরং প্রয়োজন হবে পারস্পরিক সহায়তা, জ্ঞানের ও দক্ষতা বিনিময় এবং সমঝোতা’ যোগ করেন তিনি।

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে বাংলাদেশের চমৎকার যোগাযোগের সম্পর্ক থাকলেও মিয়ানমারের সঙ্গে তা ছিল না বলেও জানান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বিজিবির দায়িত্ব নেওয়ার পর অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আমি অবিলম্বে মিয়ানমার সফর করি এবং একাত্তরে স্বাধীনতা লাভের পর প্রথমবারের মতো মিয়ানমার বিজিপির প্রধানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানাই।

আমার মিয়ানমার সফর দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী প্রধানদ্বয়ের সভার পর উভয় দেশের বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্বিবার্ষিক বৈঠক এখনো অব্যাহত আছে। সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে ত্রৈমাসিক বৈঠক ছাড়াও প্রয়োজন পড়লেই বৈঠক হচ্ছে।’

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের প্রায়োগিক ক্ষেত্রে সুফল বয়ে এনেছে বলেও মনে করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘সীমান্তরক্ষীদের বিভিন্ন কমান্ড পর্যায়ে তথ্য বিনিময়, চোরাচালান রোধ, মানব পাচার, বিদ্রোহী, জঙ্গি ও অপরাধী দমনে সাফল্য নিশ্চিত করেছে; সীমান্ত উত্তেজনা হ্রাস, ভুল-বোঝাবুঝির অবসান এবং আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমরা ভারতের অভ্যন্তরে চোরাচালান ও মানব পাচারের কোনো তথ্য পেলে তা বিএসএফকে জানাই। এতে তারা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। আমরা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের বিএসএফের সহায়তায় ভারতের অভ্যন্তর থেকে উদ্ধারও করে থাকি। এটা দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের পারস্পরিক আস্থা বাড়িয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গেও আমরা এ ধরনের তথ্য বিনিময় করার চেষ্টা করে চলেছি।’

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যে স্টাফ টকের কথা জানিয়ে এ সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, ‘পারস্পরিক বিশ্বাস, সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ২০১৭ সালের জুন মাসে প্রথম স্টাফ টক অনুষ্ঠিত হয়। আমরা এখন মিয়ানমারে দ্বিতীয় স্টাফ টকের জন্য আলোচনা করছি।’

ডিসেম্বরে মিয়ানমার সফরের আমন্ত্রণ
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান আমাকে আগামী ডিসেম্বরে মিয়ানমার সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, বলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমিও মিয়ানমার কমান্ডার ইন চিফ ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’

প্রতিবেশী দেশের সীমান্তরক্ষীদের সঙ্গে পুনঃপুন বৈঠক অনুষ্ঠানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলোর সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়মিত বা প্রয়োজনীয় সীমান্ত সম্মেলন অথবা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ ধরনের বৈঠক সীমান্ত সমস্যা নিরসনের জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কার্যকর পর্যায়ে সমঝোতা ও আস্থা তৈরি করছে।’

চার বছর আগে রচিত হয়েছিল যে ইতিহাস
কোনো ইস্যু ছাড়াই ব্যাটালিয়ন ও কোম্পানি পর্যায়ে পুনঃপুন সৌজন্য সভা ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে কাঙ্খিত মাত্রার আস্থা সৃষ্টি করছে বলে মনে করেন সেনাপ্রধান। জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ বিনিময়, শুটিং প্রতিযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা-সম্পর্কিত সেমিনার এবং পরিবারকল্যাণ সমিতি, স্কুলের ছাত্রছাত্রীসহ বিভিন্ন প্রতিনিধিদলের সফরের আয়োজন করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে বিজিবির জটিল রোগী ভারতে বিএসএফের হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে। বিজিবির মহাপরিচালক থাকাকালে প্রধান অতিথি হিসেবে আমি বিএসএফের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০১৫ সালের ৮ আগস্ট ভারতের মধ্যপ্রদেশের টেকানপুর বিএসএফ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করি। ভারত-বাংলাদেশ মডেল অনুসরণ করে আস্থা সৃষ্টির পদক্ষেপ হিসেবে আমরা মিয়ানমারের বিজিপির সঙ্গেও সফর বিনিময় ও খেলাধুলার আয়োজন করছি।’

কালের আলো/এএ/এমএএএমকে

কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

ভাগ্য কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তা যেন আরও একবার মানব জাতিকে ভাবতে বসালো নারায়ণগঞ্জের খামারের আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পে’র ঘটনা। কোরবানির দুয়ার থেকে পশুটির ঠিকানা এখন মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা।

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নাম রাখায় রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিল অ্যালবিনো জাতের এই মহিষটি। চেহারা এবং চুলের ঢং অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় সেটির নামই রেখে দেওয়া হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্যাপক আলোচনায় আসার ফলে দ্রুতই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মহিষটি। কিনেছিলেন কেরাণীগঞ্জের এক ক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিনে কোরবানি দেওয়ার জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চড়া দামে কিনেছিলেন ওই ক্রেতা।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে মহিষটি ফিরিয়ে নিয়ে বুধবার (২৭ মে) কেরানীগঞ্জের জিনজিরার ইসলামপুর থেকে মহিষটি বিকেল সাড়ে ৫টার সময় কেরানীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে থেকে নেওয়া হয়েছে চিড়িয়াখানায়।

বুধবার (২৭ মে) রাতে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ট্রাম্প নামের মহিষটাকে রাতেই চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে। আমরা একটা শেডে ওটাকে রাখার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তার খাওয়ার সব ব্যবস্থা করেছে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।’

সূত্রে জানা যায়, মহিষটিকে ঘিরে অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় কেরানীগঞ্জের ক্রেতাকে টাকা ফেরত দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে আগের মতোই লালন-পালন করা হবে।

মূলত সম্ভাব্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে ক্রেতার কাছ থেকে সেটি ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত মহিষটিকে আগের মতোই নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন-পালন করা হবে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, মহিষটিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও নাকি সেটিকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। কিন্তু পরে জানা যায়, পোস্ট দেওয়ার খবর ভুয়া।

তবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়, এবারের কোরবানির হাটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামেও একটি মহিষ আছে। এছাড়া বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের নামে রয়েছে একটি গরুও।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের একটি প্রাথমিক খসড়া নথি পেয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার। এর বিনিময়ে ইরান ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অনুমতি দেবে।

তবে খসড়ায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না। ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ইরান ও ওমানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কাঠামো এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বাস্তব যাচাই ছাড়া ইরান কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে না।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এম/এএইচ