খুঁজুন
                               
, ,
           

সহায়তায় আর্মি এভিয়েশন; আকাশপথে সেনা সদস্যদের হাতে যাচ্ছে মেডিকেল সরঞ্জামাদি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২০, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
সহায়তায় আর্মি এভিয়েশন; আকাশপথে সেনা সদস্যদের হাতে যাচ্ছে মেডিকেল সরঞ্জামাদি

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

কোনভাবেই থামছে না ভয়ঙ্কর ঘাতক করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবা। সংক্রমণ থামাতে পুরো দুনিয়া এখন ‘লক ডাউন’। গোটা বিশ্বের মতোই করোনা মোকাবেলার যুদ্ধে শামিল হয়েছে বাংলাদেশ। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবল থেকে দেশবাসীকে সুরক্ষায় সাধ্যমতো কাজ করছে সরকার।

আরও পড়ুন: সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বেচাবিক্রি, অনুসরণ হচ্ছে ‘সেনাবাহিনী মডেল’ (ভিডিও)

সরকারি ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি সড়ক-রেলওয়ে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বন্ধ রয়েছে দেশের সব সুপার মার্কেট-মার্কেট। মানুষে মানুষে দূরত্ব বজায় রাখতে একগুচ্ছ সিদ্ধান্তের অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সরকারি প্রশাসনকে সহায়তার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব ও হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতে দেশজুড়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

দেশের ৬২ টি জেলায় সেনাবাহিনীর ৫৪৬ টি দল টহলের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা, জনসমাগমের পয়েন্টগুলোতে মাইকিংসহ জনসচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা বা বিভাগীয় শহরে কোন ক্যাম্প স্থাপন না করে প্রতিটি এলাকার ক্যান্টনমেন্ট থেকেই ছুটছেন সেনা সদস্যরা।

আরও পড়ুন: সামাজিক দূরত্ব বজায়ে কঠোর সেনাবাহিনী, বদলে গেছে দৃশ্যপট (ভিডিও)

এমন কঠিন পরিস্থিতিতে সীমিত যান চলাচলের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাইকমান্ড নিজেদের আর্মি এভিয়েশন গ্রুপকে পুরোমাত্রায় কাজে লাগাচ্ছে।

দুর্যোগকালীন সময়ে সড়কপথ ব্যবহার না করে প্রতিটি জেলার সেনাবাহিনীর টিমের জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল সরঞ্জামাদি পৌঁছে দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে এভিয়েশন গ্রুপের একাধিক হেলিকপ্টার ও কাসা বিমান।

দিন দিন আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যের ওপর নির্ভরতাও কমিয়ে আনছে সেনাবাহিনী। উদ্ভুত পরিস্থিতির আশঙ্কা থেকেই দেশের প্রতিটি ক্যান্টনমেন্টের সামরিক হাসপাতালসমূহকেও (সিএমএইচ) প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্বে এক মোহনায় দেশ, মানুষকে ‘সুরক্ষার যুদ্ধে’ সেনাবাহিনী

আবার প্রতিটি জেলাতেই মেডিকেল সহায়তার বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যেই সাভার, কুমিল্লা, যশোরসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পাশাপাশি ওষুধও বিতরণ করছেন সেনা সদস্যরা। খবর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রের।

জানা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে করোনায় প্রতি মিনিটে নতুন করে ৫৫ জন আক্রান্ত হচ্ছে এবং প্রতিটি মিনিটে মরণঘাতী এই ভাইরাস কেড়ে নিচ্ছে চারটির বেশি প্রাণ। গত ২৪ ঘন্টায় বিশ্বজুড়ে রেকর্ড ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জ্যামিতিক হারে বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যাও।

আরও পড়ুন: করোনার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত যুদ্ধে সেনাবাহিনী, সেনাপ্রধানের বক্তব্যে আশার সঞ্চার

ভাইরাসটি প্রতিনিয়ত রূপ পাল্টানোয় প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণ ও কিশোররাও ঝুঁকিতে রয়েছে, বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আরও ৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে।

এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ জন। ২৪ ঘন্টায় ৫১৩ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নতুন করে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ১৪ জনকে।

আরও পড়ুন: প্রকৃতিতে ফিরেছে প্রাণ, আতঙ্ক নয় প্রতিরোধের ডাক সেনা সদস্যদের (ভিডিও)

প্রতি মুহুর্তে রূপ বদল করছে ভয়ঙ্কর এ ছোঁয়াচে রোগ। ফলে দেশে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় ১১ দিন আগে থেকেই সরকারের নির্দেশে জেলা শহরগুলোতে সামাজিক দূরত্ব, হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুবিধার্থে মাঠে নামে সেনাবাহিনী।

করোনার প্রভাব ঠেকাতে সবাইকে ঘরবন্দি থাকতে উৎসাহিত করতে সেই থেকেই দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলো চষে বেড়াচ্ছেন সেনা সদস্যরা। তারা নিজেরা সড়কে সড়কে ও যানবাহনে জীবাণু নাশক ছিটিয়ে মানুষকে নিরাপদ করছেন।

আরও পড়ুন: বৃত্তের মাধ্যমে দূরত্ব চিহ্নিত; সেনাবাহিনীর কর্মযজ্ঞে দেশজুড়ে স্বস্তির সুবাতাস (ভিডিও)

বাজারে বাজারে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে কড়া নজরদারিও করছেন। এতো সব কর্মযজ্ঞ সেনা সদস্যরা করছেন নিজ নিজ জেলার ক্যান্টনমেন্টে অবস্থান করেই।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সূত্র জানায়, দেশজুড়ে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক কর্মকান্ডের বিষয়টি মনিটরিং করছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

জেলা প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে কীভাবে কার্যক্রম জোরদার করতে হবে তিনি এ বিষয়েও দায়িত্বশীলদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করছেন। আবার প্রতিদিনের কর্মকান্ডের সারসংক্ষেপ পৌঁছে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছেও।

একই সূত্র নিশ্চিত করছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ রেখেছে সরকার। ফলে সড়কে সড়কে শুধুমাত্র সেনাবাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহলের গাড়ি রয়েছে।

এমন অবস্থায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দায়িত্ব পালন করা সেনা সদস্যদের কাছে কাঙ্খিত মেডিকেল সরঞ্জামাদি পৌঁছে দিতে নিজেদের যান ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেয় সেনাবাহিনী।  

এক্ষেত্রে নিজ নিজ এলাকায় অবস্থানরত সেনা সদস্যদের হাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মাস্ক, হ্যান্ড-স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন মেডিকেল সরঞ্জামাদি পৌঁছে দিতে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের হেলিকপ্টার ও কাসা বিমান ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের হেলিকপ্টার ও কাসা বিমানে এসব সরঞ্জামাদি পৌঁছে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত যুদ্ধে কার্যকর সহায়তা দিচ্ছে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ। মাঠ পর্যায়ে জীবনবাজি রাখা সেনা সদস্যরা নিজেদের সুরক্ষায় এসব মাস্ক, হ্যান্ড-স্যানিটাইজার ব্যবহারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের হাতেও তুলে দিচ্ছেন।

আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাধারণত শান্তিকালীন সময়ে আর্মি এভিয়েশন সেনা বৈমানিকদের প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন অনুশীলন ও মহড়ায় অংশহণ, জরুরী চিকিৎসার জন্য রোগী স্থানান্তর, সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন ও প্রশাসনিক কর্মকান্ডে জরুরি প্রয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করে থাকে।

এসব কর্মকান্ডের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন সময়ে আকাশ পর্যবেক্ষক হিসেবে গোলা নিয়ন্ত্রণ, জরুরি রিইনফোর্সমেন্ট সহায়তা, কমান্ডো অপারেশনে সহায়তা, জরুরি রশদ সরবরাহ ও যুদ্ধক্ষেত্রে রোগী স্থানান্তরসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধকালীন দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা রয়েছে ১৯৭৮ সাল থেকে তেজগাঁও পুরাতন বিমান বন্দর এলাকা থেকে কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসা আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ।

সূত্রটির মতে, আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বিমান বহরে সেসনা-১৫২ এ্যারোব্যাট, সেসনা গ্রান্ড ক্যারাভান সিই-২০৮বি বিমান, বেল-২০৬ এল ৪ হেলিকপ্টার, ইউরোকপ্টার ডফিন এএস ৩৬৫ এন৩+, এমআই ১৭১ এস এইচ হেলিকপ্টার এবং কাসা সি-২৯৫ ডব্লিউ বিমান ও ৪ টি ডায়মন্ড ডিএ৪০এনজি প্রশিক্ষণ বিমান। সম্প্রতি লালমনিরহাটে আর্মি এভিয়েশন স্কুল স্থানান্তরিত হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ প্রায় সময়েই নিজের বক্তব্যে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের সক্ষমতা ক্রমশ বৃদ্ধির বিষয়টি উচ্ছ্বাস নিয়েই উপস্থাপন করেছেন। বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদৌলতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। একদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের অ্যাটাক হেলিকপ্টার হবে। ইতোমধ্যেই সরকার আরও ৬ টি হেলিকপ্টারের অনুমোদন দিয়েছে।’

মাস দেড়েক আগে লালমনিরহাটে আর্মি এভিয়েশন স্কুলের উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, ‘চিটাগাং হিল ট্রাকসে আমাদের প্রচুর কাউন্টার ইনসারজেন্সি অপারেশন পরিচালিত হয়। সেই ক্যাম্পগুলোতে রেশন সাপোর্ট দেওয়া ও অন্যান্য অ্যাডমিনিস্ট্রিটিভ সাপোর্ট দেওয়া শুরু করেছে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ।

এক সময় এ কাজগুলো করতে আমরা এয়ার ফোর্সের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। এখন আমাদের এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রিটিভ ও অন্যান্য অপারেশনাল সাপোর্ট দিচ্ছে।’

কালের আলো/এমএএএমকে

বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন যুগোপযোগী করে প্রেস কাউন্সিলকে অধিকতর তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন শক্তিশালী, কার্যকর ও গণমাধ্যমবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, এই সংশোধনীতে সাংবাদিকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ এবং বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হবে।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, পেশাদারত্ব ও জবাবদিহি এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মোবাইল জার্নালিজমের নামে অনুমোদনহীন, অপেশাদার বা অনৈতিক কার্যক্রম সরকার সমর্থন করে না।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন যুগোপযোগী করে প্রেস কাউন্সিলকে অধিকতর শক্তিশালী, কার্যকর ও গণমাধ্যমবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সংশোধনীতে সাংবাদিকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ; বার

কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা; মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও নীতিনৈতিকতাবিরোধী সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানাসহ কার্যকর বিধান এবং গুজব, ভুয়া খবর, ঘৃণামূলক বক্তব্য বা জাতীয় স্বার্থবিরোধী সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় প্রেস কাউন্সিলের স্বতঃপ্রণোদিত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, পরিবর্তিত প্রযুক্তিগত পরিবেশ, ডিজিটাল সম্প্রচার ব্যবস্থার বিকাশ, অনলাইন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন প্রচারসংক্রান্ত নীতিমালা পর্যালোচনাসহ প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধনের বিষয়টি সরকার বিবেচনায় রেখেছে।

সংরক্ষিত আসনের সদস্য আরিফা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে জহির উদ্দিন বলেন, পডকাস্ট, ব্লগিং এবং ইনফ্লুয়েন্সারভিত্তিক ডিজিটাল কনটেন্টসমূহের বিষয়বস্তু, প্রচার ও প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধিবিধান এবং নীতিমালার আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। ডিজিটাল মাধ্যমের দ্রুত বিকাশ, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে একটি যুগোপযোগী নীতিগত কাঠামো প্রণয়নের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-১৬ আসনের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, নবম সংবদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদারের গেজেট প্রকাশের দিন থেকে বাসসে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সাংবাদিক ও সংবাদপত্র মালিকপক্ষের আয়কর প্রদান নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দেয়ায়, নবম সংবদপত্র মজুরি বোর্ড পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোক্তার আলীর প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে মোট ৩ হাজার ৩৩৮টি নিবন্ধিত পত্রিকা রয়েছে। এর মধ্যে দৈনিক পত্রিকা ১ হাজার ৪৩৬টি, সাপ্তাহিক পত্রিকা ১ হাজার ২৩১টি, মাসিক পত্রিকা ৪৫২টি, পাক্ষিক পত্রিকা ২১৫টি এবং অর্ধসাপ্তাহিক, দ্বিমাসিক, ত্রৈমাসিক, ষাণ্মাসিক ও বার্ষিক পত্রিকার সংখ্যা ৫৪।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

দাবি আদায়ে বৃষ্টি উপেক্ষায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
দাবি আদায়ে বৃষ্টি উপেক্ষায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ মিছিল

টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানীতে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা। ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠনসহ প্রকৃত মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়াসহ সাত দফা দাবি আদায়ে সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পল্টন মোড়ে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন বিক্ষোভকারীরা।

মিছিলে অংশ নেওয়া গ্রাহকদের হাতে বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবি ছিল, এস আলমসহ ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন, ফ্যাসিস্ট আমলে বন্দুকের নলের মুখে কেড়ে নেওয়া মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া, বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে ইসলামী ব্যাংকের দায় মেটানো ও ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, ব্যাংকটির স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে ব্যাংকখাতে অনিয়ম ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান তারা।

এছাড়া, পূর্বঘোষিত সাত দফা দাবি না মানলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দেশের ১৯ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
দেশের ১৯ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের ১৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার দেওয়া অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে এই বৈরী আবহাওয়া অতিক্রম করতে পারে। এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ঝোড়ো আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং নৌযান ও যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার নৌযানকে সাবধানে চলাচল করতে এবং পরবর্তী নির্দেশনা পর্যবেক্ষণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি