খুঁজুন
                               
, ,
           

সেনাবাহিনীর ত্রাণে ফিরলো প্রাণশক্তি, ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
সেনাবাহিনীর ত্রাণে ফিরলো প্রাণশক্তি, ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন সেনাপ্রধান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

লকডাউনে কোন কাজ নেই। আয়-রোজগারও নেই। জীবনযাত্রা থমকে গেছে একেবারেই। সংসারেও নেমেছে আঁধার। কখনো খাবার জোটে, কখনো উপোস থাকতে হয়। কেউ কেউ আবার ধারদেনা করে এক বা দু’বেলা করে খাচ্ছেন। পুরোপুরি দিগভ্রান্ত এক জীবন।

আরও পড়ুন: কেমন টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী, খুলনায় মাঠের তৎপরতা দেখলেন সেনাপ্রধান

কিন্তু ভাগ্যবিড়ম্বিত এসব গরিব, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষ আবারও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবেই তাদের পাশে পেয়েছে দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। যেকোন দুর্যোগে-দুর্বিপাকের মতোই করোনার বিপর্যস্ত সময়েও সারা দেশের মতোন শিল্প নগরী খুলনার নিরন্ন ও বিপন্ন মানুষের মলিন মুখেও হাসি ফুটিয়েছে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম।

নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের মুখে অন্ন জুটানোর খাবারে স্বাভাবিকভাবেই যেন অফুরন্ত এক প্রাণশক্তিও ফিরে পেয়েছেন তাঁরা। সঙ্কটময় সময়ে এমন মানবিক সহায়তায় অনেকেই আবার পেয়েছেন দ্বিগুণ খুশির বারতা।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) সকালে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রায় তিন হাজার দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে একটি করে খাবারের বাক্স তুলে দিয়েছেন সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন। এদিন সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আমাদের খুলনা সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে বিতরণ করা খাবারের প্রতিটি বাক্সে ছিল ৫ কেজি চাল, ডাল, আটা ও আলু ৩ কেজি করে, চিনি ও তেল ২ কেজি করে এবং ১ কেজি লবণ।

নিজেদের রেশনের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা থেকে গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য সেনা সদস্যদের এই উপহার হাসির দোল খেলেছে খুলনার অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের মুখে মুখে।

এ সময় ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ার, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন, খুলনা জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাসুদুর রহমান ভূঞাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

সেনাবাহিনীর সদস্যরা খুলনা ও ঢাকা বিভাগের ১১টি জেলায় সাধারণ জনগণের মাঝে কোভিড প্রটোকল নিশ্চিতকল্পে নিয়মিত টহল ও লকডাউন সম্পর্কিত নির্দেশনা যখাযথভাবে প্রয়োগে অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ইতোমধ্যে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন পাঁচটি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার মাধ্যমে ১ হাজার ৩৪৩ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ প্রদান করেছে। সামনের দিনগুলোতেও এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/জিকেএম/এমএএএমকে

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একটি আংশিক কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে।

আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্য সচিব হিসেবে ফাতিমা তাসনিম জুমা নির্বাচিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত ইনকিলাব মঞ্চের সাধারণ সভায় সব সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ শরিক ওসমান হাদিকে আজীবনের জন্য সংগঠনের মুখপাত্র ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন।

ঘোষিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রকিবুল ইসলাম (রাফসান রাকিব), সহসাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শোয়াইব বিন আহসান সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রায়হান আহমেদ, অর্থ সম্পাদক হিসেবে মুহাম্মদ ওমায়ের, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে নাঈম ইবনে জহির এবং সহ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে হাবিবুল্লাহ মিসবাহ দায়িত্ব পেয়েছেন।

এ ছাড়া সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং যোগ্য ও সিনিয়র সদস্যদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জি এ সাবিরকে এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাসুদুর রহমান আদনান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন– আসাদুজ্জামান আসাদ, হিশাম ইব্রাহিম, শান্ত আক্তার ও শাফিন শাররাজ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত নেতৃত্ব সংগঠনটিকে একটি আদর্শিক, গণমুখী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সব সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর দোয়া, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক পরামর্শ কামনা করেছেন।

পাশাপাশি সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘোষিত আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ যুগ্মসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ যুগ্মসচিব

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি)সহ ৩২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের আমলে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে দায়িথ্ব পালন করা এসব কর্মকর্তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে ছিলেন।

তারা হলেন- গোপাল চন্দ্র দাশ, এসএম ফেরদৌস, এসএম আব্দুল কাদের, মো. আলী আকবর, মাহমুদুল কবীর মুরাদ, মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, মো. হেলাল হোসেন, আনার কলি মাহবুব, মোছা. সুলতানা পারভীন, নাজিয়া শিরিন, মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ মাসুদ আজম ছিদ্দিক, এসএম অজিয়ার রহমান, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, মো. শহিদুল ইসলাম, সরোজ কুমার নাথ, মো. জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, মো. কামাল হোসেন।

এছাড়াও, তালিকায় আছেন- মো. মাজেদুর রহমান খান, একেএম মামুনুর রশিদ, অঞ্জন চন্দ্র পাল, মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এ জেড এম নুরুল হক, কাজী আবু তাহের, মো. শাহরিয়ার, মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, মঈনইল ইসলাম, মো. আসলাম হোসেন, মো. আবুল ফজল মীর।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা কামনা

সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সহযোগিতা চেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সোমবার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো এইচ উশিয়ামা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এ সহযোগিতা চান।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য ডব্লিউএফপির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সংস্থাটির চলমান সহায়তার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, সম্পদের সংকটের মধ্যেও রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা অব্যাহত রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টেকসই সহযোগিতা প্রয়োজন।

শামা ওবায়েদ বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির স্কুল মিল কর্মসূচির অবদানেরও প্রশংসা করেন। তিনি জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, সরকার পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

এ সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

ডব্লিউএফপির প্রতিনিধি উশিয়ামা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ক্ষেত্রে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলায় ডব্লিউএফপি কাজ করছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ক্ষুধা ও ঝুঁকি কমাতে সংস্থাটির বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

খুলনা বিভাগ ও হবিগঞ্জে ডব্লিউএফপির কার্যক্রম, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জলবায়ু সহনশীলতা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ভূমিকম্প প্রস্তুতি কার্যক্রমের বিষয়েও তুলে ধরেন তিনি।

কালের আলো/এসএকে