খুঁজুন
                               
, ,
           

নেপালে বন্যা-ভূমিধস,কেমন আছেন অপু বিশ্বাস ও ‘শিকার’ টিম?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
নেপালে বন্যা-ভূমিধস,কেমন আছেন অপু বিশ্বাস ও ‘শিকার’ টিম?

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও নিখোঁজের সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই স্বস্তির খবর দিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। তিনি জানিয়েছেন, নতুন সিনেমা ‘শিকার’-এর পুরো শুটিং টিম বর্তমানে নেপালে অবস্থান করলেও সবাই নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এ তথ্য জানান অপু বিশ্বাস।

পোস্টে অভিনেত্রী লেখেন, নেপালে আকস্মিক ভূমিকম্প ও বন্যায় শত শত বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ‘শিকার’ সিনেমার টিম নেপালে অবস্থান করায় অনেকেই তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ফোন ও মেসেজ করে খোঁজ নিয়েছেন।

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘সবার এই ভালোবাসা, উদ্বেগ ও আন্তরিকতার জন্য হৃদয় থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।’

এরপর তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর রহমতে আমরা ‘শিকার’ সিনেমার পুরো টিম নিরাপদ স্থানে আছি এবং সবাই সুস্থ ও ভালো আছি।’

নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশের অনেক দর্শক, ভক্ত, সাংবাদিক, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী অপু বিশ্বাস ও তাঁর টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিশেষ করে তাঁরা জানতে চান, শুটিং ইউনিটের সবাই নিরাপদ আছেন কি না।

সবার সেই উদ্বেগের জবাব দিতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার খবরটি জানান অভিনেত্রী।

বুধবার নেপালের বাগমতী প্রদেশের রাসুয়া ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রবল স্রোত ও ভূমিধসে বহু বাড়িঘর ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে নতুন করে সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

দুর্যোগের পর উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা জোরদার করেছে নেপাল সরকার। নেপাল সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ও বিশেষ দুর্যোগ মোকাবিলা দল দুর্গত এলাকায় কাজ করছে।

এদিকে দুর্যোগের কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ নিখোঁজ থাকায় নেপালে অবস্থানরত বিদেশি পর্যটকদের নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নতুন সিনেমা ‘শিকার’-এর শুটিংয়ের জন্য অপু বিশ্বাসসহ পুরো টিম নেপালে অবস্থান করছেন। দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বিভিন্ন লোকেশনে সিনেমাটির কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে ভয়াবহ দুর্যোগের কারণে শুটিংয়ের বর্তমান পরিস্থিতি কী, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অপু বিশ্বাস। তিনি শুধু জানিয়েছেন, পুরো টিম নিরাপদ স্থানে রয়েছে এবং সবাই সুস্থ আছেন।

দুর্যোগের খবরের মধ্যে অপুর এই বার্তা তাই তাঁর ভক্তদের জন্য আপাতত স্বস্তির খবর হয়ে এসেছে।

কালের আলো/এসএ

‘ভুল থেকে শিখব, নেতিবাচকতা পেছনে ফেলব’-অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে নাফিস ইকবাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
‘ভুল থেকে শিখব, নেতিবাচকতা পেছনে ফেলব’-অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে নাফিস ইকবাল

অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করে দেশে ফেরার আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টিম ম্যানেজার ও সাবেক ক্রিকেটার নাফিস ইকবাল খান। পুরো সিরিজের অভিজ্ঞতা, দলের পারফরম্যান্স এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সমর্থকদের ভালোবাসার কথা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে প্রথম ম্যাচে দারুণ জয় পেলেও দ্বিতীয় টেস্টে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেনি বাংলাদেশ। সিরিজ শেষের সেই আক্ষেপের কথাও নিজের পোস্টে তুলে ধরেছেন নাফিস।

নাফিস ইকবাল লিখেছেন, সিরিজটি আরও ভালোভাবে শেষ করতে পারলে ভালো লাগত। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে যেভাবে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট শুরু করেছিল, সেই তুলনায় দ্বিতীয় ম্যাচে আরও ভালো করার সুযোগ ছিল বলে মনে করেন তিনি।

তবে প্রথম টেস্টে দলের অসাধারণ পারফরম্যান্সের কৃতিত্বও স্মরণ করেছেন নাফিস। বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে সেই জয়কে তিনি দলের জন্য বিশেষ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সফরের ফলাফল থেকে ইতিবাচক শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চান নাফিস। তাঁর মতে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাওয়া সাফল্য বাংলাদেশ দলকে বড় মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।

তিনি বলেন, এই সফর থেকে দল ইতিবাচক বিষয়গুলোই নিতে চায়। নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নেতিবাচক বিষয়গুলো পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

নাফিসের ভাষায়, ‘আমরা নিজেদের ভুল থেকে শিখব, নেতিবাচক বিষয়গুলো পেছনে ফেলে কেবল ইতিবাচকতা নিয়েই সামনের পথচলা বজায় রাখব।’

অস্ট্রেলিয়া সফরে ডারউইন ও ম্যাকাইয়ে মাঠে এসে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন করা প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নাফিস।

তিনি জানান, বিদেশের মাটিতে সমর্থকদের উপস্থিতি ও উৎসাহ দলের জন্য ছিল বিশেষ অনুপ্রেরণার। সমর্থকদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলোও দল উপভোগ করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজের শুরুতে পাওয়া বড় জয় যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে, তেমনি শেষ ম্যাচের ভুলগুলো থেকেও শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তী সিরিজগুলোতে আরও শক্তিশালীভাবে ফেরার প্রত্যাশাই বাংলাদেশ দলের।

কালের আলো/এসএ

বেতন পাওয়ার পরই টাকা শেষ? মাসের শুরুতে করা এই ৭ ভুল বন্ধ করুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
বেতন পাওয়ার পরই টাকা শেষ? মাসের শুরুতে করা এই ৭ ভুল বন্ধ করুন

বেতন পাওয়ার দিনটিই যেন মাসের সবচেয়ে আনন্দের দিন। কিন্তু মাস শেষ হওয়ার আগেই যদি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স কমতে শুরু করে, তাহলে সমস্যা শুধু আয় কম হওয়ার নয়—খরচের ধরন ও টাকা ব্যবস্থাপনার ভুলও বড় কারণ হতে পারে।

আর্থিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, মাসের শুরুতেই আয় ও খরচের একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা করা এবং প্রতিদিনের খরচের হিসাব রাখা জরুরি। কারণ ছোট ছোট অনিয়ন্ত্রিত খরচও মাস শেষে বড় অঙ্কে পরিণত হতে পারে।

তাই বেতন হাতে পাওয়ার পর এই ৭টি ভুল এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

১. বেতন পেয়েই বড় কেনাকাটা

বেতন ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে নতুন পোশাক, গ্যাজেট, রেস্টুরেন্টে খাওয়া বা অনলাইনে শপিং—এগুলোতে বেশি খরচ করে ফেললে মাসের বাকি সময়টা চাপের হয়ে উঠতে পারে।

বেতন পাওয়ার দিনই পুরো টাকা ‘খরচযোগ্য’ মনে না করে আগে মাসের প্রয়োজনীয় খরচগুলো আলাদা করে রাখুন।

২. বাজেট না করেই খরচ শুরু

‘দেখা যাবে’ ভেবে মাস শুরু করলে কোথায় কত টাকা যাচ্ছে, তা বোঝা কঠিন হয়ে যায়।

মাসের শুরুতেই বাসা ভাড়া, বাজার, বিল, যাতায়াত, ঋণের কিস্তি, সঞ্চয় ও অন্যান্য খরচ লিখে একটি বাজেট তৈরি করুন। মাসের প্রতিদিনের খরচও নোট করলে কোথায় বেশি টাকা চলে যাচ্ছে তা সহজে ধরা পড়ে।

৩. ছোট খরচকে গুরুত্ব না দেওয়া

এক কাপ কফি, রাইড শেয়ার, অনলাইন ফুড অর্ডার, অপ্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন কিংবা প্রতিদিনের ছোটখাটো কেনাকাটা—একেকবারে অল্প মনে হলেও মাস শেষে এগুলো বড় অঙ্ক হতে পারে।

তাই ‘মাত্র ১০০-২০০ টাকা’ ভেবে কোনো খরচকে একেবারে হিসাবের বাইরে রাখবেন না।

৪. বেতন থেকে সঞ্চয় না করে যা থাকে তা জমাবেন ভাবা

অনেকেই ভাবেন, মাস শেষে টাকা থাকলে সঞ্চয় করবেন। বাস্তবে মাস শেষ হওয়ার আগেই সেই টাকা খরচ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বরং বেতন পাওয়ার পরই সামর্থ্য অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট অংশ আলাদা করে রাখুন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঞ্চয়ী হিসাবে টাকা স্থানান্তরের ব্যবস্থাও করা যায়।

৫. ‘নিজেকে একটু ট্রিট’ দিতে গিয়ে বাজেট ভেঙে ফেলা

বেতন পেয়েছেন—তাই বন্ধুদের সঙ্গে দামি রেস্টুরেন্টে খাওয়া, ঘুরতে যাওয়া বা শপিং করতেই পারেন। কিন্তু এর জন্য আগে থেকে নির্দিষ্ট বাজেট না থাকলে আনন্দের সেই খরচই পরে আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিনোদনের জন্য আলাদা বাজেট রাখুন, কিন্তু সেই সীমা অতিক্রম না করার চেষ্টা করুন।

৬. মাসের বড় খরচগুলো আগে থেকে না ভাবা

মাসের শুরুতে শুধু নিয়মিত খরচ হিসাব করলেই হবে না। চিকিৎসা, বাড়ির মেরামত, শিক্ষার খরচ, উপহার, ভ্রমণ বা বার্ষিক কোনো বিলের মতো অনিয়মিত খরচও মাথায় রাখতে হবে।

কয়েক মাসের খরচের হিসাব দেখলে এ ধরনের কম ঘনঘন আসা খরচও বাজেটে রাখা সহজ হয়।

৭. জরুরি সঞ্চয় না রাখা

হঠাৎ অসুস্থতা, চাকরিতে সমস্যা, বাড়ির জরুরি মেরামত কিংবা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত খরচ—যেকোনো সময় আসতে পারে। জরুরি সঞ্চয় না থাকলে তখন ধার বা ক্রেডিটের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।

তাই নিয়মিত আয়ের পাশাপাশি জরুরি তহবিল তৈরির অভ্যাস করা গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য পরিমাণ দিয়েও শুরু করা যায়।

মাসের শুরুতেই করুন এই ছোট্ট পরিকল্পনা

বেতন হাতে পাওয়ার পর প্রথমেই—

প্রয়োজনীয় খরচ → সঞ্চয় → জরুরি তহবিল → ঋণ/কিস্তি → দৈনন্দিন খরচ → বিনোদন

এভাবে অগ্রাধিকার ঠিক করে নিন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কত টাকা আয় করছেন তার পাশাপাশি কত টাকা কোথায় খরচ করছেন—সেটিও জানা। নিয়মিত খরচের হিসাব রাখা ও বাস্তবসম্মত বাজেট তৈরি করলে মাসের শেষের আর্থিক চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব।

বেতন পাওয়ার পর টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যা তাই শুধু ‘কম আয়’-এর বিষয় নয়; অনেক সময় ভুল অভ্যাস বদলালেও আর্থিক পরিস্থিতিতে বড় পার্থক্য আনা সম্ভব।

কালের আলো/এসএ

ট্রাম্পের দাবি, ‘মোজতবা খামেনি মারা যাননি, গুরুতর আহত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
ট্রাম্পের দাবি, ‘মোজতবা খামেনি মারা যাননি, গুরুতর আহত’

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি মারা যাননি, তবে সামরিক হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন-এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump।

বুধবার (২৬ আগস্ট) মার্কিন ভাষ্যকার গ্লেন বেককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মোজতবা খামেনির শরীরের বাম পাশ, বিশেষ করে হাত ও পা, মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। তবে তিনি জীবিত আছেন বলেই মনে করেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন কয়েক মাস ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছে না। ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থা ও অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা চলছে।

মোজতবা খামেনি মারা গেছেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি তা মনে করেন না। তবে যদি তিনি মারা গিয়ে থাকেন, তাহলে ইরানের কর্মকর্তারা বিষয়টি গোপন রেখে ‘বেশ ভালো অভিনয়’ করছেন।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানি কর্মকর্তারা এখনো বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিষয়ে সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে পরামর্শ করার কথা বলছেন। তবে মোজতবা খামেনির বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যের পক্ষে কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ দেননি।

রয়টার্সের আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখের মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মোজতবা খামেনি আহত হন। ওই হামলাতেই তাঁর বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।

পরবর্তী সময়ে মোজতবা খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা করা হয়। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পরও তিনি দীর্ঘ সময় জনসমক্ষে অনুপস্থিত থাকায় তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়। রয়টার্সের সূত্রগুলো এর আগে জানিয়েছিল, তাঁর মুখ ও পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছিল এবং তিনি উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুক্ত থাকলেও প্রকাশ্যে আসেননি।

তেহরান অবশ্য মোজতবা খামেনির গুরুতর অসুস্থতা বা অক্ষমতার বিভিন্ন খবর প্রত্যাখ্যান করে আসছে। এর আগে ইরানি কর্মকর্তারা তাঁকে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছিলেন। মার্চে এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছিলেন, তিনি আহত হলেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফলে বর্তমানে মোজতবা খামেনির প্রকৃত শারীরিক অবস্থা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ও ইরানের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়েও কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করছে এবং যুদ্ধ ‘খুব শিগগির’ শেষ হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন নৌবাহিনীর অভিযানের প্রশংসা করেন।

তবে মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যকে আপাতত নিশ্চিত তথ্যের বদলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে, কারণ তাঁর বর্তমান অবস্থার স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সুত্রঃ রয়টার্স

কালের আলো/এসএ