খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার আরও একটি ‘চোখ’ নষ্ট করল ইরান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার আরও একটি ‘চোখ’ নষ্ট করল ইরান!

উপসাগরীয় অঞ্চলে আগেই আমেরিকার একটি ‘চোখ’ নষ্ট করেছিল ইরান। এবার তাদের হামলার ওই অঞ্চলেই আমেরিকার আরও একটি শক্তিশালী ‘চোখ’ ধ্বংস করা হয়েছে বলে ফের দাবি করল ইরান।

কাতারে আমেরিকার শক্তিশালী রেডার ব্যবস্থা এফপিএস ১৩২-কে ধ্বংস করার পর এবার জর্ডানে আরও শক্তিশালী ‘থাড’ (টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স) রেডার ব্যবস্থাকেও গুঁড়িয়ে দিল ইরান।

৩০ কোটি ডলার ব্যয় করে নির্মিত এই রেডার ব্যবস্থা জর্ডানের মুয়াফ্‌ফক সাল্টি সেনাঘাঁটিতে মোতায়েন করেছিল আমেরিকা। অত্যাধুনিক এই রেডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেশ।

জর্ডানে আমেরিকার এই সেনাঘাঁটিতে জোরালো হামলা চালিয়েছে ইরান। রেডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয় বলে ইরানের সংবাদমাধ্যমের দাবি। শুধু তা-ই নয়, জর্ডান ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে রেডার ব্যবস্থাকে নিশানা করা হয়েছে।

জর্ডানের মার্কিন সেনাঘাঁটি ইরান থেকে ৮০০ কিলোমিটার দূরে। আর এই সেনাঘাঁটি পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার অন্যতম বড় সেনাঘাঁটিগুলির মধ্যে একটি।

উপগ্রহচিত্রে এই সেনাঘাঁটির ‘থাড’ রেডার ব্যবস্থার কাছে বিশাল বড় আকৃতির দু’টি গর্ত ধরা পড়েছে। উপগ্রহচিত্রকে উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যম সিএনএন আগেই দাবি করেছিল, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরটিএক্স কোর এএন/টিরিওয়াই-২ রেডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে।

যদিও আমেরিকার তরফে এ কথা প্রথমে স্বীকার করা হয়নি। তবে পরে মার্কিন প্রশাসনের একটি সূত্রে রেডার ব্যবস্থা নষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করা হয়।

‘থাড’-এর পুরো নাম ‘টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স’। এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মোতায়েন করা হয়েছিল বায়ুমণ্ডলের ওপর থেকে মহাকাশ ছুঁয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রকে রুখে দেওয়ার জন্য। অর্থাৎ ‘স্পেস মিসাইল’-এর নজরদারির জন্যই এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ৩০ কোটি ডলার খরচ করে তৈরি করেছিল আমেরিকা।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য বলছে, আমেরিকার কাছে এ রকম মোট আটটি ‘থাড’ রেডার ব্যবস্থা রয়েছে। তার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া এবং গুয়ামেও এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।

কোনও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করার আগেই এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে ধ্বংস করে। তবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কোনও বিস্ফোরক থাকে না।

গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অত্যন্ত উন্নতমানের রেডার আছে যেটি ১০০০ কিলোমিটার দূর থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র বা হামলাকারী ড্রোনের হদিস পেয়ে যায়।

লকহিড মার্টিন এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাতা। দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইসরায়েল, জর্ডান এবং সৌদি আরবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।

তার মধ্যে জর্ডানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতেই জর্ডানে এই রেডার ব্যবস্থা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা।

দিন কয়েক আগেই কাতারে আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী রেডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ইরান। ইরান সেনাবাহিনীকে উদ্ধৃত করে তেহরান টাইমস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এএন/এফপিএস-১৩২ রেডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। যার পাল্লা ৫০০০ কিলোমিটার। এই রেডার ব্যবস্থাকে পুরোপুরি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এফপিএস ১৩২ রেডার অপরিহার্য। কারণ, অত্যন্ত নিখুঁতভাবে, সময়ের সঙ্গে ‘শত্রু’ পক্ষের কোনো ড্রোন, রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্রকে সহজেই চিহ্নিত করে তৎপরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে পারে। ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া-র প্রতিবেদন বলছে, এফপিএএস-১৩২ রেডারটি কাতারের আল উদেইদে মার্কিন বায়ুসেনাঘাঁটিতে ছিল। ২০১৩ সালে এই সেনাঘাঁটিতে রেডার ব্যবস্থাটিকে বসানো হয়েছিল।

কালের আলো/এএএন

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৭:০১ পূর্বাহ্ণ
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৬ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। বিবৃতিটি বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন স্বাক্ষর করে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশসহ দুনিয়াজুড়ে মুসলমানদের আমি পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি হলো ঈদুল আজহা, যা ‘ত্যাগের উৎসব’ নামেও পরিচিত। ঈদুল আজহার তাৎপর্য হলো আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা। এ কারণে বিশ্ব মুসলিম ঈদুল আজহার উৎসবে মিলিত হয়।

মনের অশুভ অন্ধকার দূর করে সহজ-সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জনের মূল শিক্ষার উৎসই হলো পশু কুরবানি। কুরবানির মহিমান্বিত শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আল্লাহর নিকট নিজেকে সমর্পণ করা এবং মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, আমি কামনা করি তাদের অবিরাম সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। ঈদুল আজহা সকলের জীবনকে করে তুলুক আনন্দময়… মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে আমি এ প্রার্থনা জানাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিঃশর্ত আনুগত্য প্রদর্শন। এটি ত্যাগের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য অর্জনের উৎসব। এর মাধ্যমে মুসলমানেরা মহান আল্লাহ পাকের প্রতি নিবেদিত বান্দা হওয়ার প্রেরণা পায়। প্রতিটি উৎসবই ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের চিত্তবৃত্তি ও ঔদার্য প্রসারিত করে। উৎসব মানবজাতিকে সম্প্রীতির অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং সামাজিক অন্ধকারের গহন থেকে মানবিক আলোর ভূমিতে সমবেত করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইসরায়েলকে অবশ্যই উৎখাত করা হবে: মোজতবা খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ইসরায়েলকে অবশ্যই উৎখাত করা হবে: মোজতবা খামেনি

ইসরায়েলকে উৎখাতের হুঁশিয়ারি দিয়ে পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাতে সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তায় ইসরায়েলকে এই অঞ্চলের জন্য ‘বিপজ্জনক ও প্রাণঘাতী ক্যানসারযুক্ত টিউমার’ আখ্যা দিয়ে খামেনি বলেন, অবশ্যই ইসরায়েলকে উৎখাত করা হবে।

তিনি বলেন, ইরানের ধ্বংসাত্মক আঘাতে ইসরায়েলের শাসনব্যবস্থা এখন অসহায় হয়ে পড়েছে।

একে যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ‘চরম আঘাত’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। বার্তায় এ বছর হজে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বর্জন করার আহ্বান জানিয়েছেন মোজতবা খামেনি। একইসঙ্গে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নিপাত যাক’ স্লোগানকে ‘ইসলামি উম্মাহর প্রধান স্লোগান’ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বিবৃতির বরাতে আল অ্যারাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির জন্য ঢাল হিসেবে কাজ করবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

খামেনি বলেছেন, এই অঞ্চলে আগ্রাসন চালানো বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আর কোনো নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। বরং প্রতিদিনই তারা তাদের আগের অবস্থান থেকে আরও দূরে সরে যাচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তেজগাঁওয়ে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
তেজগাঁওয়ে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩২

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগে অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানান।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. শরীফুল ইসলাম ওরফে রনি (৩৮), উম্মে খুলসুম রানী, মো. রাব্বি (২৫), মো. জনি গাজী (২৪), মো. শাকিল (২৩), মো. সাগর, মো. বাদশা মিয়া, মো. জুয়েল, কৃষ্ণচন্দ্র, মো. শাকিল (১০), মো. সজল ভূঞা (২২), মো. এরশাদ হোসেন (২৬), মো. বাপ্পী (২০), মো. আব্দুর রহিম রাজীব (২১), মো. সোহেল মিয়া (১৯), মো. আফছার মোল্লা (২৪), মো. মহসিন (২৫), মনজুর এলাহি সজীব (৪২), মিরাজ হোসেন (২০), মো. রাকিবুল ইসলাম (২৮), মো. রবিন ইসলাম আলিফ (২০), মো. ফাহাদ হোসেন (৩২), মো. জাহাঙ্গীর (২০), মো. মাসুদ খান রনি (৩০), মো. সোহেল (২৬), মো. মিলন (২২), মো. সুমন মিয়া (৪৫), মো. জয়নাল আবেদিন (৪৪), মো. ফজলে রাব্বী (৩৬), আ. মজিদ (২৩), মো. সুমন (৪২) ও মো. টোকেন মিয়া ওরফে মো. রোকেন মোল্যা (২৮)।

ডিএমপি তেজগাঁও বিভাগের বরাত দিয়ে এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, সোমবার (২৫ মে) বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এ ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ২ জন, শেরেবাংলানগর থানায় ২ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ১৪ জন, আদাবর থানায় ৮ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৪ জন ও হাতিরঝিল থানায় ২ জন।

গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি