খুঁজুন
                               
, ,
           

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার আরও একটি ‘চোখ’ নষ্ট করল ইরান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার আরও একটি ‘চোখ’ নষ্ট করল ইরান!

উপসাগরীয় অঞ্চলে আগেই আমেরিকার একটি ‘চোখ’ নষ্ট করেছিল ইরান। এবার তাদের হামলার ওই অঞ্চলেই আমেরিকার আরও একটি শক্তিশালী ‘চোখ’ ধ্বংস করা হয়েছে বলে ফের দাবি করল ইরান।

কাতারে আমেরিকার শক্তিশালী রেডার ব্যবস্থা এফপিএস ১৩২-কে ধ্বংস করার পর এবার জর্ডানে আরও শক্তিশালী ‘থাড’ (টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স) রেডার ব্যবস্থাকেও গুঁড়িয়ে দিল ইরান।

৩০ কোটি ডলার ব্যয় করে নির্মিত এই রেডার ব্যবস্থা জর্ডানের মুয়াফ্‌ফক সাল্টি সেনাঘাঁটিতে মোতায়েন করেছিল আমেরিকা। অত্যাধুনিক এই রেডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেশ।

জর্ডানে আমেরিকার এই সেনাঘাঁটিতে জোরালো হামলা চালিয়েছে ইরান। রেডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয় বলে ইরানের সংবাদমাধ্যমের দাবি। শুধু তা-ই নয়, জর্ডান ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে রেডার ব্যবস্থাকে নিশানা করা হয়েছে।

জর্ডানের মার্কিন সেনাঘাঁটি ইরান থেকে ৮০০ কিলোমিটার দূরে। আর এই সেনাঘাঁটি পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার অন্যতম বড় সেনাঘাঁটিগুলির মধ্যে একটি।

উপগ্রহচিত্রে এই সেনাঘাঁটির ‘থাড’ রেডার ব্যবস্থার কাছে বিশাল বড় আকৃতির দু’টি গর্ত ধরা পড়েছে। উপগ্রহচিত্রকে উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যম সিএনএন আগেই দাবি করেছিল, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরটিএক্স কোর এএন/টিরিওয়াই-২ রেডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে।

যদিও আমেরিকার তরফে এ কথা প্রথমে স্বীকার করা হয়নি। তবে পরে মার্কিন প্রশাসনের একটি সূত্রে রেডার ব্যবস্থা নষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করা হয়।

‘থাড’-এর পুরো নাম ‘টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স’। এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মোতায়েন করা হয়েছিল বায়ুমণ্ডলের ওপর থেকে মহাকাশ ছুঁয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রকে রুখে দেওয়ার জন্য। অর্থাৎ ‘স্পেস মিসাইল’-এর নজরদারির জন্যই এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ৩০ কোটি ডলার খরচ করে তৈরি করেছিল আমেরিকা।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য বলছে, আমেরিকার কাছে এ রকম মোট আটটি ‘থাড’ রেডার ব্যবস্থা রয়েছে। তার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া এবং গুয়ামেও এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।

কোনও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করার আগেই এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে ধ্বংস করে। তবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কোনও বিস্ফোরক থাকে না।

গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অত্যন্ত উন্নতমানের রেডার আছে যেটি ১০০০ কিলোমিটার দূর থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র বা হামলাকারী ড্রোনের হদিস পেয়ে যায়।

লকহিড মার্টিন এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাতা। দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইসরায়েল, জর্ডান এবং সৌদি আরবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।

তার মধ্যে জর্ডানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতেই জর্ডানে এই রেডার ব্যবস্থা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা।

দিন কয়েক আগেই কাতারে আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী রেডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ইরান। ইরান সেনাবাহিনীকে উদ্ধৃত করে তেহরান টাইমস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এএন/এফপিএস-১৩২ রেডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। যার পাল্লা ৫০০০ কিলোমিটার। এই রেডার ব্যবস্থাকে পুরোপুরি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এফপিএস ১৩২ রেডার অপরিহার্য। কারণ, অত্যন্ত নিখুঁতভাবে, সময়ের সঙ্গে ‘শত্রু’ পক্ষের কোনো ড্রোন, রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্রকে সহজেই চিহ্নিত করে তৎপরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে পারে। ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া-র প্রতিবেদন বলছে, এফপিএএস-১৩২ রেডারটি কাতারের আল উদেইদে মার্কিন বায়ুসেনাঘাঁটিতে ছিল। ২০১৩ সালে এই সেনাঘাঁটিতে রেডার ব্যবস্থাটিকে বসানো হয়েছিল।

কালের আলো/এএএন

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা, বাসাবাড়িতে পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা, বাসাবাড়িতে পানি

টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, পতেঙ্গা ও কুয়াইশসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী, বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে নগরীর অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ভারী বৃষ্টির পর নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমতে শুরু করে। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও আবার এর চেয়েও বেশি পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, কাজির হাট, হালিশহর, চান্দগাঁও, সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড, আকমল আলী রোড, পতেঙ্গা ও কুয়াইশ এলাকার বাসিন্দারা। এসব এলাকার অনেক বাসা ও দোকানে পানি ঢুকে গৃহস্থালির জিনিসপত্র ও ব্যবসায়িক মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়। চকবাজারের বিভিন্ন অলিগলিও পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়।

জলাবদ্ধতার কারণে অফিসগামী মানুষের দুর্ভোগ ছিল সবচেয়ে বেশি। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন মোড়ে যানজট দেখা দেয়। অনেককে প্যান্ট গুটিয়ে, জুতা হাতে নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। গণপরিবহন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংকটও দেখা দেয়। ফলে অনেক কর্মজীবী নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেননি।

চান্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, সকালে অফিসে বের হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকতে হয়েছে। প্রতিবছর বর্ষা এলেই একই দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বাকলিয়ার বাসিন্দা নাসরিন আক্তার বলেন, সকালে বৃষ্টির পর বাসার নিচতলায় পানি ঢুকে যায়। আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখতে হয়েছে। এত প্রকল্পের পরও জলাবদ্ধতার কোনো স্থায়ী সমাধান দেখছি না।

আগ্রাবাদের ব্যবসায়ী আবদুল কাদের বলেন, দোকানে পানি ঢুকে কিছু মালামাল নষ্ট হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ব্যবসায় লোকসান গুনতে হয়।

আকমল আলী রোড এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে অলিগলিতে পানি আর পানি। অনেকে ঘরবন্দী হয়ে পড়েছেন। অনেক বাসায় পানি ঢুকেছে। মানুষের ভোগান্তি কখন শেষ হবে জানি না।

মুরাদপুর সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকালের বৃষ্টিতে বাসার নিচতলায় পানি। এখন ঘরবন্দি হয়ে পড়েছি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে শুধু চলাচলই ব্যাহত হয় না, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নগরীর পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন, গতকাল সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

আমবাগান আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ বিজন রায়  বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী দুই থেকে তিনদিন বৃষ্টিপাত হতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সময়ের জন্য জেলার সব ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি