খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার আরও একটি ‘চোখ’ নষ্ট করল ইরান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার আরও একটি ‘চোখ’ নষ্ট করল ইরান!

উপসাগরীয় অঞ্চলে আগেই আমেরিকার একটি ‘চোখ’ নষ্ট করেছিল ইরান। এবার তাদের হামলার ওই অঞ্চলেই আমেরিকার আরও একটি শক্তিশালী ‘চোখ’ ধ্বংস করা হয়েছে বলে ফের দাবি করল ইরান।

কাতারে আমেরিকার শক্তিশালী রেডার ব্যবস্থা এফপিএস ১৩২-কে ধ্বংস করার পর এবার জর্ডানে আরও শক্তিশালী ‘থাড’ (টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স) রেডার ব্যবস্থাকেও গুঁড়িয়ে দিল ইরান।

৩০ কোটি ডলার ব্যয় করে নির্মিত এই রেডার ব্যবস্থা জর্ডানের মুয়াফ্‌ফক সাল্টি সেনাঘাঁটিতে মোতায়েন করেছিল আমেরিকা। অত্যাধুনিক এই রেডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেশ।

জর্ডানে আমেরিকার এই সেনাঘাঁটিতে জোরালো হামলা চালিয়েছে ইরান। রেডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয় বলে ইরানের সংবাদমাধ্যমের দাবি। শুধু তা-ই নয়, জর্ডান ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে রেডার ব্যবস্থাকে নিশানা করা হয়েছে।

জর্ডানের মার্কিন সেনাঘাঁটি ইরান থেকে ৮০০ কিলোমিটার দূরে। আর এই সেনাঘাঁটি পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার অন্যতম বড় সেনাঘাঁটিগুলির মধ্যে একটি।

উপগ্রহচিত্রে এই সেনাঘাঁটির ‘থাড’ রেডার ব্যবস্থার কাছে বিশাল বড় আকৃতির দু’টি গর্ত ধরা পড়েছে। উপগ্রহচিত্রকে উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যম সিএনএন আগেই দাবি করেছিল, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরটিএক্স কোর এএন/টিরিওয়াই-২ রেডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে।

যদিও আমেরিকার তরফে এ কথা প্রথমে স্বীকার করা হয়নি। তবে পরে মার্কিন প্রশাসনের একটি সূত্রে রেডার ব্যবস্থা নষ্ট হওয়ার কথা স্বীকার করা হয়।

‘থাড’-এর পুরো নাম ‘টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স’। এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মোতায়েন করা হয়েছিল বায়ুমণ্ডলের ওপর থেকে মহাকাশ ছুঁয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রকে রুখে দেওয়ার জন্য। অর্থাৎ ‘স্পেস মিসাইল’-এর নজরদারির জন্যই এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ৩০ কোটি ডলার খরচ করে তৈরি করেছিল আমেরিকা।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য বলছে, আমেরিকার কাছে এ রকম মোট আটটি ‘থাড’ রেডার ব্যবস্থা রয়েছে। তার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া এবং গুয়ামেও এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।

কোনও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করার আগেই এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে ধ্বংস করে। তবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কোনও বিস্ফোরক থাকে না।

গতিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অত্যন্ত উন্নতমানের রেডার আছে যেটি ১০০০ কিলোমিটার দূর থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র বা হামলাকারী ড্রোনের হদিস পেয়ে যায়।

লকহিড মার্টিন এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাতা। দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইসরায়েল, জর্ডান এবং সৌদি আরবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।

তার মধ্যে জর্ডানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতেই জর্ডানে এই রেডার ব্যবস্থা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা।

দিন কয়েক আগেই কাতারে আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী রেডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ইরান। ইরান সেনাবাহিনীকে উদ্ধৃত করে তেহরান টাইমস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এএন/এফপিএস-১৩২ রেডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। যার পাল্লা ৫০০০ কিলোমিটার। এই রেডার ব্যবস্থাকে পুরোপুরি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এফপিএস ১৩২ রেডার অপরিহার্য। কারণ, অত্যন্ত নিখুঁতভাবে, সময়ের সঙ্গে ‘শত্রু’ পক্ষের কোনো ড্রোন, রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্রকে সহজেই চিহ্নিত করে তৎপরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে পারে। ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া-র প্রতিবেদন বলছে, এফপিএএস-১৩২ রেডারটি কাতারের আল উদেইদে মার্কিন বায়ুসেনাঘাঁটিতে ছিল। ২০১৩ সালে এই সেনাঘাঁটিতে রেডার ব্যবস্থাটিকে বসানো হয়েছিল।

কালের আলো/এএএন

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি