খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ সংসদে পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ সংসদে পাস

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৬ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। সংসদে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা বিল পাসে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিল পাস সংক্রান্ত প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এরপর জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি সংসদ সদস্যদের ভোটের জন্য দেন। এসময় সংসদ সদস্যরা ‌‘হ্যাঁ’ বলে বিলের পক্ষে সম্মতি দেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। পরে সরকার এই সাত কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের ঘোষণা দেয় এবং অধ্যাদেশ জারি করে। আজ সেই অধ্যাদেশ সংসদে পাস হলো।

কালের আলো/এসআর/এএএন

দেশীয় মাছ টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদন বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
দেশীয় মাছ টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদন বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদন বাড়াতে হবে। মাছের চাহিদা পূরণের লক্ষ্য নিয়ে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এতে যেমন একদিকে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি মাছের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে গাড়াইল বিলে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, মৎস্য শিকারে ব্যবহারে অবৈধ চায়না জালসহ সব প্রকার জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান। এ ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগসহ গণ জনসচেতনতার প্রয়োজন।

তিনি জানান, টেকসই মৎস্য চাষ ও জল ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। এতে করে স্থানীয় অর্থনীতি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এ সময় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আইয়ুব আলী প্রমুখসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

ভারতের ৩১তম সেনাপ্রধান (সিওএএস) হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী ৩০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পুনের খাদকওয়াসলার জাতীয় প্রতিরক্ষা একাডেমির সাবেক ছাত্র। এছাড়া তিনি ফ্রান্সের প্যারিসে মর্যাদাপূর্ণ ‘কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স’ সম্পন্ন করেছেন।

১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে আর্মার্ড কোরে কমিশন লাভ করেন ধীরাজ। বিগত ৩০ বছরের মধ্যে তিনি প্রথম আর্মার্ড কোরের কর্মকর্তা যিনি সেনাপ্রধান হতে যাচ্ছেন।

দীর্ঘ প্রায় চার দশকের সামরিক ক্যারিয়ারে সাউদার্ন কমান্ড ও সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও অপারেশনাল পদের দায়িত্ব সামলেছেন ধীরাজ শেঠ। এছাড়াও ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদী রূপান্তরে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন তিনি।

ধীরাজ শেঠ এমন এক সময়ে সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন যখন বৈশ্বিক ভূ-কৌশলগত পরিবেশ ছিল গতিশীল এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও আধুনিক যুদ্ধের সদা পরিবর্তনশীল চরিত্রের কারণে নিরাপত্তা ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জগুলো আরও প্রকট হয়ে উঠছিল।

এদিকে আগামী ৩০ জুন অবসরে যাচ্ছেন জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। ২০২৪ সালের জুন মাসে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডের কাছ থেকে ৩০তম সেনাপ্রধান (সিওএএস) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি, চলতি মাসে তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের সামরিক ক্যারিয়ারে জেনারেল দ্বিবেদীর মেয়াদে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিন্দুর’।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পাঁচ মাসে ধর্ষণের শিকার ২৫০ নারী ও শিশু: মহিলা পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
পাঁচ মাসে ধর্ষণের শিকার ২৫০ নারী ও শিশু: মহিলা পরিষদ

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশে ১ হাজার ৩৫ নারী ও মেয়ে শিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ২৫০ জন ধর্ষণ, ৬৫ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ১৮ জন ধর্ষণের পর হত্যা এবং ৫৩ জন ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মহিলা পরিষদের আনোয়ারা বেগম–মুনিরা খান মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংলাপে অংশ নিয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি এ ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করারও সুপারিশ করেন।

সাবেক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত বা ভাইরাল হওয়া ঘটনার বাইরে সব ধরনের নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দেশে নারী ও শিশু সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আইন রয়েছে। তবে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন। তিনি নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষায় সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সংলাপে বক্তারা নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এবং প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ