খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট, কার দিকে ঝুঁকছে জনমত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় রেকর্ড ভোট, কার দিকে ঝুঁকছে জনমত?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফাতেই রেকর্ডসংখ্যক ভোট পড়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু- এই দুই রাজ্যে এবারই সর্বোচ্চ ভোটদানের নজির গড়েছে। ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।

প্রথম দফায় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৯২ শতাংশ, যা চূড়ান্ত হিসাবে আরও বাড়তে পারে। এই উচ্চ ভোটহার সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে- এটি কি সরকারবিরোধী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ, নাকি শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে দৃঢ় সমর্থনের ইঙ্গিত?

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছিল ৮২.৩০ শতাংশ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তা ছিল ৭৯.৫৯ শতাংশ। সেই তুলনায় এবারের প্রথম দফাতেই ৯১ শতাংশের বেশি ভোট পড়া নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও এই হার নির্দিষ্ট আসনভিত্তিক, পুরো রাজ্যের গড় নয়, তবুও ভোটারদের আগ্রহ যে বেড়েছে তা স্পষ্ট।

একই দিনে তামিলনাড়ুতেও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল ৮২ শতাংশের বেশি। ফলে সামগ্রিকভাবে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই উচ্চ ভোটের পেছনে সরকারবিরোধী মনোভাব কাজ করতে পারে। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, নাম বাদ পড়া এবং ভোটাধিকার নিয়ে উদ্বেগ—এসব কারণে অনেক ভোটার বুথমুখী হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে বিপরীত মতও রয়েছে। অনেকের মতে, বেশি ভোট পড়া মানেই সবসময় সরকারবিরোধী হাওয়া নয়। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, শক্ত সাংগঠনিক উপস্থিতি এবং ভোটারদের সক্রিয়তা—এসব কারণেও ভোটের হার বাড়তে পারে। তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী রেখেছে, যা তাদের পক্ষেও কাজে আসতে পারে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলেও দেখা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেস ৪৬ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিল, যেখানে বিজেপির ভোট ছিল প্রায় ৩৯ শতাংশ। ফলে বিরোধিতা থাকা সত্ত্বেও শাসকদলের ভিত্তি শক্ত রয়েছে বলেই মনে করা হয়।

সব মিলিয়ে, এই রেকর্ড ভোট সরকারবিরোধী নাকি শাসকপন্থি- এ মুহূর্তে তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এটি উচ্চমাত্রার রাজনৈতিক মেরুকরণেরও ইঙ্গিত হতে পারে, যেখানে উভয় পক্ষই নিজেদের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আনতে সক্ষম হয়েছে।

চূড়ান্ত উত্তর মিলবে ফল ঘোষণার দিন, আগামী ৪ মে। ততদিন পর্যন্ত এই রেকর্ড ভোট নিয়েই চলবে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যার আলোচনা।

কালের আলো/এসাআর/এএএন

জনগণকে সঙ্গে নিয়েই শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হবে : আমীর খসরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
জনগণকে সঙ্গে নিয়েই শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হবে : আমীর খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন এবং তার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে হবে।

জনগণের কল্যাণে নিবেদিত থেকে তাদের সুখ দুঃখের অংশীদার হওয়ার মধ্য দিয়েই শহীদ জিয়ার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে নগরীর কাজীর দেউরী মোড়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুঃস্থ, অসহায় ও পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা আজ এমন একটি স্থানে দাঁড়িয়ে আছি, যার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এই সার্কিট হাউসেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

কিন্তু তাকে হত্যা করেও তার আদর্শ ও দর্শনকে মুছে ফেলা যায়নি। তিনি বাংলাদেশে একদলীয় শাসনের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে তার আদর্শ ধারণ করতে হবে এবং জনগণের পাশে থাকতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের মনে রাখতে হবে, জনগণই দলের মূল শক্তি। তাদের স্বার্থ, চাহিদা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাদের জন্য আমরা রাজনীতি করি, সেই সাধারণ মানুষকে কখনো ভুলে গেলে চলবে না। তাদের সুখ দুঃখ আমাদের ধারণ করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই মানুষগুলোকে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। তাদের পাশে থাকতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

আমীর খসরু বলেন, বিএনপি একা কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই আমরা একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখ সমরে তার বীরোচিত অংশগ্রহণ জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করেছিল। পঁচাত্তর পরবর্তী এক ক্রান্তিকালে যখন জাতি দিশেহারা, ঠিক তখনই তিনি দেশের হাল ধরেছিলেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে গেছেন।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি আজ দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। তার শাসনামলে দেশে অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন।

পোশাক শিল্পকে বিকশিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছিলেন। তার বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের আপামর জনসাধারণকে এক নতুন পরিচয়ে পরিচিত করেছিল।

অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি ও সভাপতি উপস্থিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সদস্য মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় এ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, শাহ আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইসকান্দার মির্জা, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন লিপু, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় রিহ্যাব কমিটির সদস্য ডা. এস এম সারোয়ার আলম, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি

কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আবু ফয়েজ প্রমুখ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ইনিংস ব্যবধানে জিতল নিউজিল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
ইনিংস ব্যবধানে জিতল নিউজিল্যান্ড

বেলফাস্টে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে আয়ারল্যান্ডকে পাত্তাই দিল না নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। কিউই ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ইনিংস এবং ৭৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড।

ম্যাচের শুরুতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত চার উইকেট হারালেও রাচিন রবীন্দ্র ও টম ব্লান্ডেলের ২১৭ রানের জুটিতে পাহাড়সম রান তোলে কিউইরা। এই দুই ব্যাটারই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৯৪ বলে ১১টি চার ও চারটি ছক্কায় ১২১ রান করেন রাচিন। আর ২৯২ বলে ২২টি চার ও তিনটি ছক্কায় ১৮৬ রান করেন ব্লান্ডেল। আর ৯৮ রান করেন ডিয়ান ফক্সক্রফট।

আর নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে ৪৯০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে।

এদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আইরিশ ব্যাটাররা। মাত্র ৩৮ রানেই হারায় ছয়টি উইকেট। এরপর সপ্তম উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়েন দুই লোয়ার অর্ডার ব্যাটার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ও মার্ক আদায়ের। ৪০ রানে থামেন আদায়ের।

আর ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন ম্যাকব্রাইন। তাদের ইনিংস থামে ১৭৯ রানে।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি উইকেট নেন নাথান স্মিথ। এছাড়া বেন সিয়ার্স দুটি উইকেট পেয়েছেন।

৩১১ রানে পিছিয়ে থাকা আয়ারল্যান্ড আবারও ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু এরপর লরকান টাকার ছাড়া ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই।

ফলে তাদের ইনিংস থামে ২৩২ রানেই। সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন স্টেফেন দোহেনি। আর ৫০ রান করেন টাকার।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে পাঁচটি উইকেট নেন ব্লাইর টিকনার। আর ম্যাচসেরা হয়েছেন টম ব্লান্ডেল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

 

ইনিংস ব্যবধানে জিতল নিউজিল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
ইনিংস ব্যবধানে জিতল নিউজিল্যান্ড

বেলফাস্টে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে আয়ারল্যান্ডকে পাত্তাই দিল না নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। কিউই ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ইনিংস এবং ৭৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড।

ম্যাচের শুরুতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত চার উইকেট হারালেও রাচিন রবীন্দ্র ও টম ব্লান্ডেলের ২১৭ রানের জুটিতে পাহাড়সম রান তোলে কিউইরা। এই দুই ব্যাটারই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৯৪ বলে ১১টি চার ও চারটি ছক্কায় ১২১ রান করেন রাচিন। আর ২৯২ বলে ২২টি চার ও তিনটি ছক্কায় ১৮৬ রান করেন ব্লান্ডেল। আর ৯৮ রান করেন ডিয়ান ফক্সক্রফট।

আর নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে ৪৯০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে।

এদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আইরিশ ব্যাটাররা। মাত্র ৩৮ রানেই হারায় ছয়টি উইকেট। এরপর সপ্তম উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়েন দুই লোয়ার অর্ডার ব্যাটার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ও মার্ক আদায়ের। ৪০ রানে থামেন আদায়ের। আর ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন ম্যাকব্রাইন। তাদের ইনিংস থামে ১৭৯ রানে।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি উইকেট নেন নাথান স্মিথ। এছাড়া বেন সিয়ার্স দুটি উইকেট পেয়েছেন।

৩১১ রানে পিছিয়ে থাকা আয়ারল্যান্ড আবারও ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু এরপর লরকান টাকার ছাড়া ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই।

ফলে তাদের ইনিংস থামে ২৩২ রানেই। সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন স্টেফেন দোহেনি। আর ৫০ রান করেন টাকার।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে পাঁচটি উইকেট নেন ব্লাইর টিকনার। আর ম্যাচসেরা হয়েছেন টম ব্লান্ডেল।

(more…)