খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

নিরাপদ ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে কাজ করছি : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
নিরাপদ ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে কাজ করছি : ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আনন্দমুখর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। প্রাথমিক শিক্ষা শুধু পাঠদান নয়, বরং একটি শিশুর সামগ্রিক বিকাশের ভিত্তি। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি সংযোজন, খেলাধুলা, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার একটি যুগোপযোগী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্মার্ট প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শহর, গ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য কমিয়ে সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় মৌলিক সাক্ষরতার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে পাঠ অনুধাবন, শ্রবণ দক্ষতা, কথোপকথন, লেখা এবং ভাষাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ নতুনভাবে কাজ করছে। ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বিষয়েও একটি সমন্বিত ও পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল এডুকেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভবিষ্যতের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে প্রযুক্তিনির্ভর। যেখানে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, স্মার্ট অ্যাসেসমেন্ট, স্কুল ম্যানেজমেন্ট, শিক্ষক উপস্থিতি, লেসন প্ল্যান এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সবকিছু একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (পিইডিপি)-৫ প্রকল্প নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পটির বিভিন্ন কম্পোনেন্ট, বাস্তবায়ন কৌশল, মনিটরিং ব্যবস্থা, শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোানা করেন।

উল্লেখ্য, প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে — সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প, বিদ্যমান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১টি সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, জরাজীর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলায় মাঠ উন্নয়ন প্রকল্প, নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ আকর্ষণীয়ভাবে সজ্জিতকরণ প্রকল্প, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিল প্রকল্প (২য় পর্যায়), নেক্সটজেন প্রাইমারি এডুকেশন প্রোগ্রাম, পার্বত্য জেলা গুলোর বিদুৎবিহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎতায়ন প্রকল্প, ঢাকা মহানগরীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, সারাদেশের সব পিটিআই এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প এবং ইউনিয়ন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান এনডিসি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Oplus_131072

ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরেজমিন তদারকি ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে টকশোসহ জনপরিসরে বিষয়টি নিয়ে মতামত দিচ্ছেন অনেকে। এটিকে যেমন ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, আবার অনেকে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই পরিদর্শনে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগে, কো রবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ঈ দের আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশনা কতটা বাস্তবায়ন হচ্ছে, তা দেখতে ঈ দের পরদিন তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন।

একইসঙ্গে, স্থানীয় সরকার বিভাগকে দেওয়া আরেক নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়।

ঈদের দ্বিতীয় দিন রাজধানীতে কো রবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নামেন প্রধানমন্ত্রী। গুলশান থেকে শুরু করে হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইখাল, পুরান ঢাকা, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, মিরপুর রোড, জিগাতলা, মানিক মিয়া এভিনিউ ও মহাখালীসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বা জার এলাকায় কো রবানির বর্জ্য ও জমে থাকা ময়লা দেখতে পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জোন-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জোন-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজিরকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রকাশের পর শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকে হাতিরঝিল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঈ দের সময় সেখানে পশুর বর্জ্য ফেলার কারণে দুর্গ ন্ধ ও পরিবেশদূষণের সৃষ্টি হয়েছিল। বিষয়টি সামনে আসার পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

কো রবানির বর্জ্য অপসারণে প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ ইতিবাচক দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, নগরবাসীর স্বস্তির জন্য পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ভালো কাজের প্রশংসা হওয়া উচিত। তবে এসব উদ্যোগের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সহ সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, পরিচ্ছন্নতা রক্ষা সরকারের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। সাময়িক পদক্ষেপের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, কো রবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ সময়োপযোগী। বিষয়টি নিয়ে মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

সন্ধানী বার্তা/এসএকে

রাজশাহীতে গরুর চামড়া ২০০, ছাগলের ১০ টাকা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে গরুর চামড়া ২০০, ছাগলের ১০ টাকা
রাজশাহীতে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। সরকার নির্ধারিত মূল্যের কথা বলা হলেও বাজারে কাঙ্খিত দাম না পাওয়ার অভিযোগ তাদের।
রাজশাহীতে প্রতি পিস গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে। একটু বড় হলে পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। তবে এবারও দাম নেই ছাগলের চামড়ার। প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা।ঈদের দিন (বৃহস্পতিবার) ২৮ মে বিকেলে রাজশাহী নগরীর রেলগেট ও পরের দিন (শুক্রবার) ২৯ মে পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিক্রেতাদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এবারও বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং দাম আরও কমে এসেছে।

রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ফজলুল করিম বলেন,  গেল বছর ১৫০-২০০ টাকা দামে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি হয়েছে। এবার কেউ কিনতে আসেনি। এতিমখানা থেকেও কাউকে চামড়া সংগ্রহ করতে আসতে দেখা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, এবার ভাবছিলাম সরকার পরিবর্তন হওয়াতে পশুর চামড়ার চাহিদা বাড়বে, ভালো দামও পাওয়া যাবে। কিন্তু যে লাউ, সেই কদু‘। বরং অন্যান্য বছরের তুলনায় অবস্থা আরো খারাপ।

নগরীর রায়পাড়া এলাকার আবু জাফর বলেন, চামড়া কেনা তো দূরের কথা, সকাল গড়িয়ে বিকেল গড়িয়ে গেলেও কোনো ক্রেতার দেখা পাওয়া যায়নি।  প্রতিবছর কোরবানিতে পশু জবাইয়ের পর চামড়া ক্রয়ের জন্য দেখতে আসে, দরদাম করে। শেষে স্থানীয় এক মাদ্রাসায় চামড়া দিয়ে এসেছি।

আমবাগানের বাসিন্দা তরিকুল আলম বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া গরিবের হক। তা বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যেত, তা গরিবদের মাঝে বণ্টন করে দেয়া হয়। কিন্তু চামড়াই বিক্রি করা যাচ্ছে না, তাদের কি দেব?

স্থানীয় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নাজমুল হক বলেন, এক সময় মাদ্রাসার পক্ষ থেকে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হতো। তা সংরক্ষণ করে বিক্রির পর লাভের টাকা এতিম ছাত্রদের জন্য খরচ করা হতো।

কিন্তু এখন চামড়ার যে দাম, চামড়া সংগ্রহ করে আনতে যে পরিমাণ গাড়ি ভাড়া লাগবে, তাই উঠবে না। চামড়া সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা অনেক কষ্টের। অনেক পরিশ্রম করেও লাভ হয় না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী জেলা ও মহানগর মিলিয়ে এবার কোরবানি হয়েছে প্রায় পৌনে চার লাখ পশুর কিন্তু কি পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ হয়েছে তা সংশ্লিষ্ট কেউ জানাতে পারেনি।

নগরীর তেরখাদিয়া এলাকার চামড়া ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি প্রায় ৪০০ চামড়া কিনেছেন। প্রতি পিস চামড়া ১০০-২০০ টাকা দরে কেনা হয়েছে। সবগুলো চামড়াতে শ্রম দিয়ে লবণ যুক্ত করতে হবে। এতে পরিবহন খরচ ও শ্রমিকের পারিশ্রমিকের কারণে চামড়ার ক্রয়মূল্য বেড়ে যাবে।

মৌসুমি চামড়া বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা এলাকায় ঘুরে ঘুরে পশুর চামড়া কিনেছি। পশুর চামড়াগুলো আকার ও প্রকার ভেদে ২০০-৩০০ টাকায় কিনেছি। এছাড়া ছাগলের চামড়া ১০-২০ টাকা দরে কিনেছি। এখানে বিক্রি করে এসে তেমন দাম পাচ্ছি না। দেখি বেলপুকুর মোকামে নিয়ে যাব।

রেলগেট এলাকায় বেশ কয়েকজন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পশুর চামড়া বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন। তারা জানান, তাদের মাদ্রাসায় বিভিন্ন মানুষ দিয়েছে। সেগুলো বিক্রির জন্য এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে দাম বলছে।

চামড়া ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন, রাজশাহী নগরী এবং নগরীর বাইরে বিভিন্ন এলাকা থেকে পশুর চামড়া গুলো আসছে। সেগুলো রেলগেট এলাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। তবে এ বছর চামড়ার তেমন দাম নেই। ছাগলের চামড়া ১০-২০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। এছাড়া গরুর চামড়া ৩০০-৪০০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। তবে এবার ছাগলের চামড়ায় ছুরিকাঘাতের ছিদ্র বেশি।

আদ-দ্বীনে শিশু মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
আদ-দ্বীনে শিশু মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আজ জমা দেয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, আগামী ৩ জুন তদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

শনিবার (৩০ মে) সকালে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে প্রতিবেদন দিতে পারছি না। আরও তিন দিন সময় দিয়েছি কমিটিকে, ৩ জুন দেওয়া হবে প্রতিবেদন। কারণ সেখানে অবস্থানরত সন্তানহারা মায়েদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি, তাই আজ দেওয়া হচ্ছে না। তাদের বক্তব্য নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, জানা গেছে এসি ২ ঘণ্টা বন্ধ ছিল এবং সেটা রাত ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, এসময় কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা ছিল না। প্রতিবেদনের আলোকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

গত বুধবার (২৭ মে) রাতে ময়নাতদন্ত না করাতে পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় নবজাতকের মরদেহ তাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রমনা থানায় একজন নবজাতকের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে