খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

চোখ রাঙাতে শুরু করেছে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু সংক্রমণ। বিশেষজ্ঞরা গত বছরের তুলনায় এবার সারা দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও বেশি ভয়াবহ হবে বলে আশঙ্কা করছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলও বলছেন, হামের টিকার ব্যবস্থা হলেও এখনও ডেঙ্গু, পোলিও, হান্টাসহ অনেক রোগ চোখ রাঙাচ্ছে। এগুলো মোকাবিলা করা সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১২ মে পর্যন্ত ডেঙ্গুতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। জানুয়ারিতে দুজন, ফেব্রুয়ারিতে দুজন এবং মে মাসে একজন। ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই হাজার ৭৫৪ জন। এর মধ্যে জানুয়ারিতে এক হাজার ৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০ এবং মে মাসের ১২ দিনে ২৭১ জন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, এবার সারা দেশে ডেঙ্গু বাড়বে। ডেঙ্গু ছড়ানোর জন্য এডিস মশার ঘনত্ব যে মাত্রায় থাকা দরকার, তার থেকেও বেশি আছে। এখনই যদি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি, তাহলে ডেঙ্গু বাড়বে। ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে। সে জন্য এখনোই বিজ্ঞানভিত্তিক সমন্বিত মশকনিধন কার্যক্রম চালাতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে হলে এডিস মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু প্রশাসন নয়, নাগরিকদেরও সচেতনতা জরুরি। নিজের বাসা ও আশপাশে দুদিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় মশারি টানানো আবশ্যক। সিটি করপোরেশনগুলোর এখনই সতর্ক হওয়া উচিত। না হলে এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে ডেঙ্গু সংক্রমণ কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই ডেঙ্গু বাড়ে। এবার ইতোমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ডেঙ্গু থেকে বাঁচার প্রধান উপায় হলো এডিস মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা। কেউ বহুতল ভবনে বসবাস করলে সেখানেও পানি জমে থাকলে ফেলে দিতে হবে। ঘরের ভেতরেও যেন পানি না জমে। অনেকেই প্লাস্টিকের ড্রাম বা মাটির মটকিতে পানি সংরক্ষণ করেন— এগুলো তিনদিনের বেশি রাখা যাবে না। রাখলেও ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে, না হলে এডিস মশা ডিম পাড়বে। এডিস মশা ভোরে ও সন্ধ্যায় কামড়ায়, তাই তখন সাবধান থাকতে হবে।’

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে এর আগে গত ১২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিডিওবার্তা দেন। প্রতিটি এলাকার সংসদ সদস্যসহ সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান জানান, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যেক সপ্তাহের শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনানুযায়ী, গত ১৪ মার্চ শনিবার থেকে সারা দেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়। কিন্তু দুই সপ্তাহ পর তার আর তেমন ধারাবাহিকতা রাখতে দেখা যায়নি।

কালের আলো/এম/এএইচ

সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন উচ্চতায় নিতে বর্তমান সরকার ইনডোর ও আউটডোর সব ধরনের খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীতে ‘প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লীগ-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিশেষ দু-একটি খেলার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও বর্তমান সরকার সব খেলাকে সমানভাবে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ২৮টি ফেডারেশনের ৩০০ জন খেলোয়াড়কে মাসিক এক লাখ টাকা হারে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গত মে মাস থেকে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচিতে ব্যাডমিন্টনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ শাটলার তৈরি সম্ভব হবে।

দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরেই ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণকাজ শুরু হবে। এসব ভিলেজে আধুনিক ইনডোর স্টেডিয়ামের সুবিধাও থাকবে।

এ সময় ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়াম দ্রুত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি মানসম্মত প্রশিক্ষণের জন্য দুই বছরের মেয়াদে বিদেশি কোচ নিয়োগের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ফেডারেশনকে আহ্বান জানান তিনি।

যুব সমাজকে মাদক ও অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাই পারে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক জাতি গড়ে তুলতে।

ব্যাডমিন্টন লীগের উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী নিকটস্থ রোলার স্কেটিং গ্রাউন্ডে ‘স্বাধীনতা দিবস বয়সভিত্তিক রোলার স্কেটিং হিট-২০২৬’ এরও উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাবেন সৈয়দ অমি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাবেন সৈয়দ অমি

আগামী ১৬ মে খাল খননসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনে চাঁদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রস্তুতিতে এখন সরগরম উয়ারুক জনপদ। অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তুলতে আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনারও।

জানা গেছে, এদিন সকাল থেকেই অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন দেশবরেণ্য বাউলশিল্পী কুদ্দুস বয়াতি ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ অমি।

এমন আয়োজনের অংশ হতে পেরে আনন্দিত সৈয়দ অমি। তিনি বলেন, ‘এমন দারুণ একটি উদ্যোগের সঙ্গী হতে পেরে নিজের কাছে ভীষণ ভালো লাগছে। নব্বই দশকের জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতি। তাঁর সঙ্গে একই মঞ্চে গাইব, এটাও অন্যরকম ভালো লাগা। সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ আমাকে এই আয়োজনে অতিথি করার জন্য।’

দেশের এ সময়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সৈয়দ অমি। এ গায়ক ইতিমধ্যে ফোক ও আধুনিক ঘরানার গান করে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর গাওয়া ‘দুই চাকার সাইকেল’ গানটি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। শুধু দেশেই নয়, এপার বাংলা পেরিয়ে ওপার বাংলার দর্শক, প্রযোজক ও নির্মাতাদের মন ছুঁয়েছে অমির গান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আরো আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও দর্শনার্থীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একই সঙ্গে পশুপাখির নিরাপদ আবাস, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে তিনি চিড়িয়াখানার সার্বিক পরিবেশ, পশুপাখির পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা, খাদ্য সরবরাহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, জাতীয় চিড়িয়াখানা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন ও শিক্ষা কেন্দ্র। তাই পশুপাখির জন্য প্রাকৃতিক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও পশুপাখির কল্যাণ নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পরিদর্শনকালে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ