খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সাংবাদিক গ্রেফতারে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ উচিত নয়: চিফ প্রসিকিউটর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক গ্রেফতারে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ উচিত নয়: চিফ প্রসিকিউটর

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধে দুই সাংবাদিক (সাংবাদিক ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল হক বাবু) গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস্থ নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, দুই সাংবাদিককে (ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়েছে। তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এ মামলার তদন্ত করছে। তাদের কাজ করতে দেওয়া উচিত। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বা অন্য কোনো মানবাধিকার সংগঠন কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, তা আমরা দেখিনি। আমাদের একটি চলমান বিচারপ্রক্রিয়ায় তাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত হবে না। আইনগত সুযোগও নেই।

এ মামলায় আরও কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার দেখানো হবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের তদন্ত চলমান। যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদেরই বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে অহেতুক কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে হয়রানির জন্য বিচারের মুখোমুখি করা হবে না।

দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়ে জানতে চেয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো ধারণা নেই।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩১ মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এত বছরেও সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত শেষ না হওয়া দুঃখজনক।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমি ট্রাইব্যুনালে যোগ দেওয়ার পর ৭টি মামলা পুনরায় তদন্তে পাঠিয়েছি। সেগুলো ঈদের পর চার্জশিট দাখিল করা হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

দেশের প্রথম ‘ক্যাশলেস কারাগার’ চালু মুন্সিগঞ্জে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
দেশের প্রথম ‘ক্যাশলেস কারাগার’ চালু মুন্সিগঞ্জে

রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় কারা অধিদপ্তর।

কারা অধিদপ্তর জানায়, ক্যাশলেস কারা ব্যবস্থাপনায় আরএফআইডি (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন) প্রযুক্তির মাধ্যমে কারাগারে বন্দিদের অবস্থান শনাক্ত করা হচ্ছে। একইসঙ্গে RFID ব্যবস্থার মাধ্যমে বন্দি ওয়ার্ডে বন্দিদের গণনা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এ ব্যবস্থায় বন্দিদের আত্মীয়-স্বজন কর্তৃক প্রদান করা অর্থ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বন্দির হিসাবে জমা হবে। পরে আরএফআইডি প্রযুক্তির মাধ্যমে কারা ক্যান্টিন থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটায় ওই অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন বন্দিরা।

কারা অধিদপ্তর আরও জানায়, নতুন এ ব্যবস্থার ফলে কারাগারে কোনো ধরনের নগদ অর্থের লেনদেন হচ্ছে না। এতে বন্দিদের অবস্থান সহজে নিশ্চিত করার পাশাপাশি লেনদেন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কারা ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তা বৃদ্ধি, বন্দিদের তথ্য ব্যবস্থাপনা সহজীকরণ এবং সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর। মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে চালু হওয়া এ কার্যক্রম দেশের কারা ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মুক্তির দ্বিতীয় দিনে কত আয় করল ‘ককটেল ২’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
মুক্তির দ্বিতীয় দিনে কত আয় করল ‘ককটেল ২’

বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে শাহিদ কাপুর, কৃতি শ্যানন ও রাশমিকা মান্দানা অভিনীত রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার সিনেমা ‘ককটেল ২’। হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে সাড়া ফেলেছে। ‘টয় স্টোরি ৫’ এবং সামান্থা রুথ প্রভুর ‘মা ইনটি বাঙ্গারাম’-এর মতো বড় বাজেটের সিনেমার সঙ্গে একই দিনে মুক্তি পায় সিনেমাটি। তবে সিনেমা দুইটিকে পাশ কাটিয়ে বক্স অফিসে রমরমা ব্যবসা করেছে ‘ককটেল ২’।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম দিনে ভারতে ১৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করে। দ্বিতীয় দিনে সিনেমাটি ব্যবসা করেছে ১৬ কোটি ২৫ লাখ রুপি। দুই দিনে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ৭৫ লাখ রুপি (গ্রস হিসেবে ৩৫ কোটি ৭০ লাখ রুপি)।

শুধু ভারত নয়, বিশ্বজুড়েও সিনেমাটির আয় বাড়ছে। প্রথম দিনে বিশ্বব্যাপী ২০ কোটি ২০ লাখ রুপি আয়ের করেছিল। দ্বিতীয় দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে আয় করেছে ১৫ কোটি ২৫ লাখ রুপি। মুক্তির দুই দিনে বিশ্বব্যাপী ‘ককটেল ২’-এর মোট বক্স অফিস কালেকশন দাঁড়িয়েছে ৫০ কোটি ৯৫ লাখ রুপি।

লভ রঞ্জন ও তরুণ জৈনের লেখা সিনেমাটি দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেলেও বক্স অফিসের আয়ে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। ২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সাইফ আলী খান, দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টির ব্লকবাস্টার ‘ককটেল’ সিনেমার ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি।

তবে আগের গল্পের সিক্যুয়েল নয় বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘তুলনা হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এটি কোনো সিক্যুয়েল নয়; এটি একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। এর গল্প ও চরিত্রগুলো সম্পূর্ণ আলাদা। ’

কী আছে ‘ককটেল ২’-এর গল্পে?
সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে দুই ছোটবেলার বন্ধু ক্রুনাল ও দিয়াকে কেন্দ্র করে। ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে ইতালির সিসিলিতে ১০ বছর পর দিয়ার দেখা হয় তার পুরোনো বান্ধবী অ্যালির সাথে। সেখানে নিজের স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য দিয়া একটি পরিকল্পনা করে। বান্ধবীর পরিকল্পনায় অ্যালিও যোগ দেয়। কিন্তু মজার ছলে করা পরিকল্পনা এক সময় তাঁদের সবার জীবনে বিশাল বিপর্যয় ডেকে আনে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

গুম-খুনের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা

গুম-খুনের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
গুম-খুনের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘঠিত গুম ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আজ পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। মামলায় একমাত্র আসামি হিসেবে রয়েছেন জিয়াউল আহসান।

এর আগে গত ৯ জুন পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের দিন নির্ধারিত থাকলেও নতুন আইনজীবী নিয়োগের আবেদন জানিয়ে সময় চান আসামিপক্ষ। পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করে আজকের দিন ধার্য করেন।

মামলার সর্বশেষ অগ্রগতিতে গত ২৩ এপ্রিল চতুর্থ সাক্ষী হাবিবুর রহমান মল্লিকের জেরা সম্পন্ন হয়। এর আগের দিন ২২ এপ্রিল তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছিল।

চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি তিনটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু করার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের পুবাইলে তিনজনকে হত্যার পাশাপাশি ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনাসহ বিভিন্ন স্থানে শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

আজকের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ