খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রায় সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আমি আজকে আমার সরকার চা বাগানের নারী শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি।

আমরা হয়তো সবাইকে দিতে পারিনি। কিন্তু ইনশাল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা প্রায় সকল চা শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচিত করেছিল। কারণ, আমরা তাদের বলেছিলাম—আপনারা যদি আমাদের নির্বাচিত করেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করবো।

আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কথা বলেছিলাম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটির মতো পরিবার রয়েছে। আমরা বলেছিলাম, সরকার গঠন করতে পারলে পর্যায়ক্রমে সব পরিবারের কাছে, বিশেষ করে নারীপ্রধানদের কাছে, ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার—বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। সে কারণেই আজ শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জন্য আবাসন নির্মাণে ৫০ জনকে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আমি মঞ্চে তিনজনের হাতে দুই লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছি। বাকি অর্থ প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তৃতীয় ধাপে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিধাবঞ্চিত ১৫৫টি পরিবারের সদস্যদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে অনুষ্ঠানে ১০ জনের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা পাবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে ৫০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পাঁচজনকে ১০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচ শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে, চা শ্রমিকদের টেকসই আবাসন নির্মাণে পাঁচজনকে দুই লাখ টাকা এবং দুঃস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীনদের জন্য বিশেষ অনুদান হিসেবে ১০০ জনকে ১০ হাজার টাকা করে চেক বিতরণ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল
আশপাশে কান পাতলেই মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে প্রথম হ্যাটট্রিকের প্রশংসা শোনা যাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে অন্য আরেকটা আলোচনাও আছে। প্রশ্ন উঠেছে মেসির করা একটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে। তাঁকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল? লাল কার্ড তো আর চাইলেই রেফারি কাউকে দিতে পারেন না! সে জন্য সেই খেলোয়াড়ের কিছু করতে হয়। মেসি কি তেমন কিছু করেছেন? ম্যাচের ৩১ মিনিটে মেসি একটা ঘটনা মেসি ছিলেন তাঁর পেছনে, ওই পজিশন থেকে মেসির পক্ষে বল কেড়ে নেওয়ার সুযোগও তেমন ছিল না। এমন সময়ে মেসির পেছন থেকে করা চ্যালেঞ্জ মান্দির ডান পায়ের কাফ ও অ্যাকিলিস টেন্ডনে গিয়ে লাগে। লুটিয়ে পড়েন আলজেরিয়ার অধিনায়ক! এর জন্য মেসিকে হলুদ কার্ডও দেখাননি পোলিশ রেফারি সাইমন মার্চিনিয়াক।

কেউ কেউ বলছেন, এ ঘটনায় মেসিকে লাল কার্ড দেখানো দরকার ছিল। এই যেমন ভেনেজুয়েলার আলেহান্দ্রো মরেনো ইএসপিএনে বলেছেন, মেসিকে লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেছেন এভাবে, ‘এটা লাল কার্ড ছিল। মেসিকে অবশ্যই কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। আর এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।’

এমন ফাউল কেউ করলে তাঁর মাঠ থেকে বের হয়ে যাওয়া উচিত বলেও মনে করেন মরেনো, ‘আপনি যদি ঘটনাটি সরাসরি দেখেন, তবে সঙ্গে সঙ্গেই এটিকে ফাউল মনে হবে। এরপর যখন রিপ্লে দেখলেও মনে হবে, এটি নিশ্চিত ফাউল। এটাকে ভিএআর দিয়ে পুনরায় দেখার মতো ঘটনা ছিল। সাইমন মার্চিনিয়াককে কেন রিপ্লে দেখার জন্য মনিটরের কাছে ডাকা হলো না? মেসির এটি লাল কার্ড পাওয়া উচিত ছিল। আমি মেসিকে যতই ভালোবাসি না কেন, সত্যি বলতে, ওটা খুব মারাত্মক এবং বাজে একটি ট্যাকল ছিল। আপনি যখন পেছন থেকে কারও হাঁটুর নিচ থেকে শুরু করে গোড়ালি পর্যন্ত কাফের ওপর ওভাবে বুট চালিয়ে দেবেন, তখন আপনাকে অবশ্যই মাঠ থেকে বের করে দেওয়া উচিত।’

একই অনুষ্ঠানে ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক ফুটবলার নেদুম ওনুওহা বলেছেন, ‘আমার মতে, ওটি সম্ভবত একটি লাল কার্ড হওয়া উচিত ছিল। যখন আলজেরিয়ার খেলোয়াড়টি মাঠে পড়ে গেলেন, তখন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল মেসি বেশ চিন্তিত। তিনি নিজেই বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি এমন কিছু করে ফেলেছেন যা তাঁকে বিপদে ফেলতে পারত।’

নেদুম ওনুওহা আরও বলেছেন, ‘আমি ধরে নিচ্ছি রেফারি ঘটনাটি খেয়াল করেননি। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি ঘটনাটি পুনরায় দেখে যখন বললেন, “না, সব ঠিক আছে, সেখানে তেমন কিছুই হয়নি”… ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশ্বাস করি, ওই ফাউলটি লাল কার্ড পাওয়ার মতোই ছিল।’

কালের আলো/এসআর/এএএন

আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

সিলেটের চা বাগানের নারী শ্রমিকদের ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ব্যাপারে নিজের দেওয়া কথা রাখতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত জনসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সিলেট অঞ্চলে ভোটের প্রচারে গিয়ে সব নারী চা শ্রমিককে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সে কথা মনে করে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেছেন, ‌‘আমি আমার কথা আজকে রাখতে পেরেছি। চা-বাগানের যারা নারী শ্রমিক আছেন, তাদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি। হ্যাঁ, হয়তো আজকে সবাইকে দিতে পারিনি, কিন্তু ইনশাআল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা প্রায় সকল নারী শ্রমিকের কাছে, চা-বাগানের সকলের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।’

অনুষ্ঠানে ১০টি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কম্পিউটারের বোতাম চেপে ফ্যামিলি কার্ড তৃতীয় পর্যায় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। সেইসঙ্গে চা শ্রমিক আবাসন সমস্যা সমাধানে শ্রমিকদের দুই লক্ষ টাকার করে অনুদান, চা শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি প্রদান, প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক অনুদানের চেক দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সাহায্য করা না গেলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট—বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। সে কারণেই আজকে শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, এই যে চা-বাগানের শ্রমিক নারী শ্রমিক যারা, তাদের ৫০ জন শ্রমিককে ঘর বানানোর জন্য ২ লক্ষ টাকা আমরা দিয়েছি। চা-শ্রমিকরা অত্যন্ত কষ্টে থাকে আমরা জানি, ধীরে ধীরে তাদেরকে একটু ভালো অবস্থায় যাতে আনা যায়, সেই জন্য আমরা ২ লক্ষ টাকা করে দিয়েছি। এর বাইরেও চা-শ্রমিকদের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে কয়েকজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেশের কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে বাজেট অর্থ বরাদ্দ রাখার কথা, আগামী এক বছরে দেশের ৪০ লাখ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা, বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা। আমাদের একটাই কাজ, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। আসুন, এদেশ আমাদেরকেই গড়তে হবে। এ দেশ আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তরিত করতে হবে। তাহলেই আমরা এই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবো।

সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফরজানা শারমিন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের অতিরিক্তি সচিব কামাল উদ্দিন বিশ্বাস এবং ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া নারীদের মধ্যে শিউলী রানী দাস ও ওয়াজেদা বেগম প্রমুখ।

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহীতে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর এলাকায় ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দু’জন। বুধবার (১৭ জুন)  সকাল ১১টার দিকে বানেশ্বর বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দু’জন হলেন- পুঠিয়ার নকুলবাড়িয়া ধোপাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাসেন প্রামাণিক (৭০) ও তার ছোট ভাই আব্দুল খালেক প্রামাণিক (৬৫)। দুর্ঘটনার পর মো. লালন ও মো. লাল্টু নামের দু’জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় থাকা চার যাত্রী নকুলবাড়িয়া এলাকার একটি মসজিদের জন্য মাইক কেনার উদ্দেশ্যে রাজশাহীর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় ক্যারেট বহনকারী একটি ট্রাক নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। বানেশ্বর বাজারে ট্রাক ও অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুল খালেক প্রামাণিকের মৃত্যু হয়। আর আহত তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তখন চিকিৎসক হাসেন প্রামাণিককেও মৃত ঘোষণা করেন।

পবা হাইওয়ে থানার (ভারপ্রাপ্ত) ওসি মাহাবুর রহমান জানান, নিহত খালেক প্রামাণিকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার ভাই হাসেন প্রামাণিকের মরদেহও হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক পালিয়েছেন। এ ব্যাপারে থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি