খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ধীরে ধীরে সরু হচ্ছে রক্তনালি, ঝুঁকিতে হার্ট থেকে মস্তিষ্ক

লাইফ স্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
ধীরে ধীরে সরু হচ্ছে রক্তনালি, ঝুঁকিতে হার্ট থেকে মস্তিষ্ক

ভ্যাসকুলার রোগ আসলে কী?

গত এক দশকে ডায়াবেটিস, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের মতো অসংক্রামক রোগের (NCDs) প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সাধারণত মানুষ জানেন, এসব রোগ হার্ট, লিভার, চোখ এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে চিকিৎসকদের মতে, এর আরেকটি গুরুতর পরিণতি ক্রমেই সামনে আসছে—রক্তনালির রোগ বা ভ্যাসকুলার ডিজ়িজের দ্রুত বৃদ্ধি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রক্তনালিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে ভ্যাসকুলার রোগের ঘটনা প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ডায়াবেটিস, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি।

ভ্যাসকুলার রোগ আসলে কী?

ভ্যাসকুলার রোগ বলতে ধমনী ও শিরার এমন সব সমস্যাকে বোঝায়, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত সঞ্চালনকে বাধাগ্রস্ত করে। হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক এর সবচেয়ে পরিচিত জটিলতা হলেও, এই রোগ কিডনি, চোখ, মস্তিষ্ক এবং পায়ের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

রক্তনালি সংকুচিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে পর্যাপ্ত রক্ত পৌঁছায় না। এর ফলে শরীরজুড়ে নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে শুরু করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪০ থেকে ৫৫ বছর বয়সী ভ্যাসকুলার রোগীদের বড় একটি অংশের এক বা একাধিক অসংক্রামক রোগ থাকে। দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ রক্তনালির ক্ষতি করে, রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কিংবা পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?

ভ্যাসকুলার রোগের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো এর প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা, পা ফুলে যাওয়া, অবশ ভাব, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া, মাথা ঘোরা কিংবা হঠাৎ দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তনের মতো উপসর্গকে অনেকেই সাধারণ বার্ধক্যের লক্ষণ ভেবে এড়িয়ে যান।

ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগটি গুরুতর আকার ধারণ করার পর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়।

কেন বাড়ছে এই সমস্যা?

চিকিৎসকদের মতে, আধুনিক জীবনযাত্রার নানা অভ্যাসও রক্তনালির ক্ষতির জন্য অনেকাংশে দায়ী। দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, ধূমপান এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার প্রবণতা রক্তনালির স্বাভাবিক কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

কীভাবে কমবে ঝুঁকি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে অধিকাংশ ভ্যাসকুলার রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা, ধূমপান ত্যাগ, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো—এসব অভ্যাস ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।

সময়মতো সতর্কতা ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে রক্তনালির রোগের মতো গুরুতর সমস্যার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে এড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হচ্ছে পাঁচটি রিভারাইন পেট্রোল ভেসেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হচ্ছে পাঁচটি রিভারাইন পেট্রোল ভেসেল

দেশীয় প্রযুক্তিতে জাহাজ নির্মাণে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড ও শিপইয়ার্ডসমূহ সাফল্যের ধারাবাহিকতায় অগ্রযাত্রার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ ও নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বুধবার (১৭ জুন) এ ধারাবাহিকতায় ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস (ডিইডব্লিউ) লিমিটেড কর্তৃক বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জন্য ৫টি রিভারাইন পেট্রোল ভেসেল (আরপিভি) নির্মাণের লক্ষ্যে ‘কিল-লেয়িং’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রধান অতিথি এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আরপিভিসমূহের ‘কিল-লেয়িং’ এর সূচনা করেন।

এ ছাড়াও, অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং ডিইডব্লিউ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের আধুনিকায়ন এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনী পরিচালিত ডিইডব্লিউতে দেশীয় প্রযুক্তিতে ৫টি আরপিভি নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ৩৮.৫ মিটার দৈর্ঘ্য, ৭.৯০ মিটার প্রস্থ, ২.৪৫ মিটার গভীরতা এবং ২৩২ টন ডিসপ্লেসমেন্ট ক্ষমতাবিশিষ্ট নির্মিতব্য প্রতিটি নৌযান ঘণ্টায় ২৫ মাইল বেগে চলাচল করতে সক্ষম হবে। প্রতিটি নৌযানে নেভিগেশন র‍্যাডার, জিপিএস, যোগাযোগ প্রযুক্তি, নাইট ভিশন ও বিভিন্ন ধরনের আধুনিক সরঞ্জামাদি সংযোজিত থাকবে।

কম গভীরতায় চলাচলের উপযোগী ও উচ্চ গতি সম্পন্ন এ নৌযানসমূহ বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বহরে সংযোজনের মধ্য দিয়ে দেশের নদী, মোহনা এবং উপকূলীয় এলাকার সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে অধিক দক্ষতা ও কার্যকারিতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নজরদারি জোরদারকরণ, সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও নদীপথ ব্যবস্থাপনায় কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

একইসাথে এ সকল এলাকায় নিয়মিত টহল, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং উদ্ধার কাজে আরপিভিসমূহ ব্যবহৃত হবে।

উল্লেখ্য, ডিইডব্লিউ লিঃ-এর নিজস্ব সক্ষমতায় আরপিভি নির্মাণ প্রতিরক্ষা শিল্পে আত্মনির্ভরতা, দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উন্নত প্রযুক্তি ও দেশীয় নির্মাণ সক্ষমতার সমন্বয়ে ভবিষ্যতে অধুনিক জাহাজ এবং প্ল্যাটফর্ম নির্মাণের ক্ষেত্রে ডিইডব্লিউ লিঃ এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

তিন মাসে মাদক মামলায় গ্রেফতার ৯৬৮৫: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
তিন মাসে মাদক মামলায় গ্রেফতার ৯৬৮৫: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদক নির্মূলে তিন মাসে দেশব্যাপী নয় হাজার ২৫১টি মামলায় নয় হাজার ৬৮৫ জন মাদক চোরাকারবারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে ৩০ হাজার ৭৪৪টি অভিযানে দতাদের গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার(১৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস‌্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক কিশোরগঞ্জ জেলাসহ দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজে মাদকের ভয়াবহতা হ্রাসকল্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বৃহত্তর পরিসরে মাদকের সরবরাহ হ্রাস, চাহিদা হ্রাস এবং ক্ষতি হ্রাস এই তিনটি কর্মকৌশল নিয়ে সারাদেশে কাজ করা হচ্ছে।

এছাড়া বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী জনগণের কল্যাণের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলাসহ সারাদেশে ১৮০ দিন, আগামী ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর এবং আগামী ০৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলাসহ কিশোরগঞ্জ জেলায় অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী ও স্পটগুলোর তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। চিহ্নিত স্পটগুলোতে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। মাদক ও সন্ত্রাস ধীরে ধীরে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দেয়। কেবল পুলিশি অভিযানের মাধ্যমে মাদক ও সন্ত্রাস এর মূলোৎপাটন করা পুরোপুরি সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র সবার সম্মিলিত সহযোগিতা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

দেশে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ (জাতীয় কর্মপরিকল্পনা) তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার (১৭ জুন) মন্ত্রণালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে, রাষ্ট্রদূতকে তিনি এ বিষয়ে জানান।

সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

বৈঠকে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ তা কাজে লাগাতে পারে।

রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তবে স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, এই দুই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে।

তথ্যমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যম খাতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে একটি ‘ড্রাফট কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি একটি ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। পরবর্তীতে এই ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের ওপর ভিত্তি করেই স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।

কালের আলো/এসএকে