খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

হিটস্ট্রোক এড়াতে যেসব খাবার ও পানীয় জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
হিটস্ট্রোক এড়াতে যেসব খাবার ও পানীয় জরুরি

তাপপ্রবাহ মানে শুধু অস্বস্তি বোধ করা নয়। বরং দীর্ঘ সময় ধরে চরম তাপমাত্রার সংস্পর্শে থাকলে ডিহাইড্রেশন, হিট এক্সহশন, মাসল ক্রাম্পস, জ্ঞান হারানো এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হিটস্ট্রোক হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ কখনই উপেক্ষা করা উচিত নয়। এই গরমে প্রয়োজনীয় পানীয় ও খাবার খেতে হবে সঠিকভাবে। হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে কী খেতে পারেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

. ঘোল ও লাচ্ছি

ঘোল এবং লাচ্ছির মতো জনপ্রিয় পানীয়গুলো এই গরমে আপনার খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন। তবে তা যেন বাড়িতে তৈরি হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রাস্তার পাশের খোলা দোকান থেকে সব ধরনের পানীয় বা শরবত খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ সেগুলো অস্বাস্থ্যকর হওয়ার ভয় থাকে।

২. ডাবের পানি

সবচেয়ে বেশি পরিচিত প্রাকৃতিক শীতলকারকের মধ্যে একটি হলো ডাবের পানি, যা ইলেক্ট্রোলাইট, খনিজ এবং শরীরে পানির জোগান দেয়। এই গরমে আপনি নিশ্চিন্তে ডাবের পানিতে চুমুক দিতে পারেন। এটি আপনাকে সতেজ ও সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

৩. লেবুর শরবত

সাধারণ লেবুর শরবত তাপপ্রবাহের অন্যতম সেরা প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে এক চিমটি লবণ দিয়ে ঘরে তৈরি লেবুর শরবত পান করতে পারেন। এতে বেশি উপকার পাবেন। তবে খুব বেশি চিনি ব্যবহার না করাই ভালো।

৪. তরমুজ

গ্রীষ্মের অন্যতম আকর্ষণীয় ও সুস্বাদু ফল হলো তরমুজ। এটি যেমন সুমিষ্ট তেমনই পুষ্টিকর। রসালো ফল তরমুজ আপনার শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে কাজ করতে পারে। এই গরমে পর্যাপ্ত তরমুজ খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটি হিটস্ট্রোকসহ নানা শারীরিক সমস্যা দূরে রাখতে সাহায্য করবে।

৫. শসা

শসা এমন একটি সবজি যা কাঁচা খাওয়া যায় আবার সারাবছরই পাওয়া যায়। সালাদ রায়তা বা শুধু লবণ দিয়েই খাওয়া হোক না কেন, গ্রীষ্মকালে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য শসা অন্যতম সেরা একটি খাবার। আপনি প্রতিদিনের, এমনকী প্রতিবেলার খাবারের তালিকায় শসা রাখতে পারেন। এতে সুস্থতা ও সতেজতা মিলবে সহজেই।

কালের আলো/এম/এএইচ

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি