খুঁজুন
                               
, ,
           

অপারেশন ছাড়াই থাইরয়েডের গোটা কমানোর উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
অপারেশন ছাড়াই থাইরয়েডের গোটা কমানোর উপায়

গলায় থাইরয়েডের নডিউল বা গোটা ধরা পড়লে অনেকের মধ্যেই ক্যানসারের ভয় তৈরি হয়। একই সঙ্গে মনে হয়, হয়তো অস্ত্রোপচার করেই সেটি অপসারণ করতে হবে। তবে চিকিৎসকদের মতে, সব থাইরয়েড নডিউল ক্যানসার নয় এবং সব নডিউলের জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনও পড়ে না।

ছোট আকারের অনেক নডিউল কোনো ধরনের উপসর্গ তৈরি না করলে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণে রাখাই যথেষ্ট। তবে কোনো নডিউল ধীরে ধীরে বড় হলে কিংবা গলায় চাপ, অস্বস্তি, গিলতে সমস্যা, শ্বাসকষ্ট বা বাহ্যিক সৌন্দর্যে সমস্যা তৈরি করলে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতিতে গলায় বড় করে কাটাছেঁড়া না করেও কিছু থাইরয়েড নডিউলের আকার কমানো সম্ভব। এ পদ্ধতিকে বলা হয় থার্মাল অ্যাব্লেশন বা তাপপ্রয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসা। বাংলাদেশেও নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এ চিকিৎসা করা হচ্ছে।

কীভাবে কাজ করে থার্মাল অ্যাব্লেশন

থার্মাল অ্যাব্লেশনে আলট্রাসনোগ্রামের সাহায্যে খুব সরু একটি সুচের মতো যন্ত্র থাইরয়েডের নডিউলের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। এরপর নিয়ন্ত্রিত তাপ প্রয়োগ করে নডিউলের নির্দিষ্ট অংশ চিকিৎসা করা হয়।

চিকিৎসা করা অংশ ধীরে ধীরে শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শোষিত হতে থাকে। ফলে সময়ের সঙ্গে নডিউলের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

থার্মাল অ্যাব্লেশনের কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাব্লেশন (RFA)-এ রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে তাপ তৈরি করা হয়। অন্যদিকে মাইক্রোওয়েভ অ্যাব্লেশন (MWA)-এ মাইক্রোওয়েভ শক্তি ব্যবহার করে তাপ উৎপন্ন করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে লেজার দিয়েও একই ধরনের চিকিৎসা করা যায়।

সবার জন্য এই চিকিৎসা নয়

থার্মাল অ্যাব্লেশন সব ধরনের থাইরয়েড নডিউলের জন্য উপযুক্ত নয়। সাধারণত যেসব নডিউল পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যানসার নয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, কিন্তু সেগুলোর কারণে রোগীর উপসর্গ, অস্বস্তি বা সৌন্দর্যগত সমস্যা তৈরি হচ্ছে—সেসব ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি বিবেচনা করা হয়।

কিছু নির্দিষ্ট রোগীর অতিরিক্ত হরমোন তৈরি করা থাইরয়েড নডিউলের ক্ষেত্রেও অ্যাব্লেশন ব্যবহার করা যেতে পারে।

তবে চিকিৎসা শুরুর আগে নডিউলের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এজন্য আলট্রাসনোগ্রাম, প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা এবং সুচের মাধ্যমে কোষ বা টিস্যু পরীক্ষা করে ক্যানসারের ঝুঁকি যাচাই করা হয়।

কোনো নডিউলে ক্যানসারের ঝুঁকি থাকলে শুধু অ্যাব্লেশন যথেষ্ট নয়। সে ক্ষেত্রে রোগীর জন্য অস্ত্রোপচারসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।

বড় কাটাছেঁড়া নেই, দ্রুত ফিরতে পারেন স্বাভাবিক কাজে

থার্মাল অ্যাব্লেশনের অন্যতম সুবিধা হলো, সাধারণত গলায় বড় করে কাটতে হয় না। ফলে দৃশ্যমান দাগ হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম।

এ পদ্ধতিতে থাইরয়েডের সুস্থ অংশও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সংরক্ষণ করা যায়। সম্পূর্ণ থাইরয়েড অপসারণ না করে শুধু নডিউলকে লক্ষ্য করে চিকিৎসা করা সম্ভব হওয়ায় স্বাভাবিক থাইরয়েড কার্যক্রম বজায় রাখার সুযোগ থাকে।

অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে সম্পূর্ণ অজ্ঞান না করে স্থানীয়ভাবে অবশ করেই চিকিৎসাটি করা যায়। হাসপাতালে থাকার সময়ও তুলনামূলক কম এবং রোগী দ্রুত স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো, থাইরয়েডের বাকি অংশ স্বাভাবিকভাবে কাজ করলে চিকিৎসার পর আজীবন থাইরয়েড হরমোনের ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নাও হতে পারে।

জটিলতা একেবারে নেই, তা নয়

রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বা মাইক্রোওয়েভ অ্যাব্লেশন সাধারণত নিরাপদ হলেও এর কিছু জটিলতা হতে পারে। চিকিৎসার পর সাময়িকভাবে গলাব্যথা, ফুলে যাওয়া, কালচে দাগ বা রক্ত জমাটের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

খুব কম ক্ষেত্রে কণ্ঠস্বর পরিবর্তন, রক্তপাত, সংক্রমণ, ত্বকে পোড়া কিংবা আশপাশের স্নায়ু ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো জটিলতাও হতে পারে।

তাই এ চিকিৎসা অবশ্যই আলট্রাসনোগ্রামের সাহায্যে এবং যথাযথ প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা থাকা চিকিৎসকের মাধ্যমে করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে চিকিৎসা

থাইরয়েড নডিউলের চিকিৎসায় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ও মাইক্রোওয়েভ অ্যাব্লেশন বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু চিকিৎসাকেন্দ্রে এ ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

তবে রোগীর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি উপযুক্ত কি না, তা নির্ধারণের আগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি চিকিৎসকের প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা এবং চিকিৎসাকেন্দ্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তির মান সম্পর্কেও নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গলায় গোটা বা নডিউল ধরা পড়লেই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। আবার নিজে থেকে এটিকে সাধারণ সমস্যা ধরে নেওয়াও ঠিক নয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নডিউলের প্রকৃতি ও ঝুঁকি নির্ধারণের পরই চিকিৎসার পদ্ধতি ঠিক করা উচিত।

লেখক: ডা. মুহাম্মদ আবু বকর, সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ

কালের আলো/এসএ

ভিএফএক্সে ছাড় নয়, পিছিয়ে গেল ‘আন্ধার’

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
ভিএফএক্সে ছাড় নয়, পিছিয়ে গেল ‘আন্ধার’

রায়হান রাফী পরিচালিত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘আন্ধার’ নির্ধারিত সময়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে না। অক্টোবরে সিনেমাটি মুক্তির ঘোষণা দেওয়া হলেও পোস্ট প্রডাকশনের কাজ শেষ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মুক্তি পিছিয়ে দিয়েছেন নির্মাতা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ‘আন্ধার’-এর নতুন মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়। এর আগে প্রকাশিত টিজারে আগামী অক্টোবরে সিনেমাটি মুক্তির কথা জানানো হয়েছিল। তবে পোস্ট প্রডাকশনের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়া নিয়ে এরই মধ্যে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল।

ভিএফএক্সের মানে কোনো আপস নয়

মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার কারণও জানিয়েছেন নির্মাতা রায়হান রাফী। তার ভাষ্য, চাইলে আগামী ১৬ অক্টোবরই ‘আন্ধার’ প্রেক্ষাগৃহে আনা সম্ভব। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে মুক্তি দিলে সিনেমাটির ভিএফএক্সের মান প্রত্যাশিত পর্যায়ে নাও থাকতে পারে। আর সিনেমার ভিজ্যুয়াল মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করতে চান না তিনি।

রায়হান রাফী বলেন, ১৬ অক্টোবর সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া সম্ভব হলেও সে ক্ষেত্রে হয়তো ভিএফএক্সের মান খারাপ হতে পারে। তাই অক্টোবর কিংবা ডিসেম্বর—কোনো সময়েই তাড়াহুড়ো করে মুক্তি না দিয়ে আরও সময় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদকে কেন্দ্র করে মুক্তির পরিকল্পনাও করা হয়নি। বরং আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসেই দর্শকদের সামনে ‘আন্ধার’ নিয়ে আসতে চান তিনি।

তারকাবহুল অভিনয়শিল্পী

‘আন্ধার’ নির্মিত হচ্ছে ২২১বি ফিল্মসের প্রযোজনায়। সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী ও নাজিফা তুষি। তাদের সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনোয়ার, ফারুক রেহানসহ অনেকে।

সিনেমাটির টিজার প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে এটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নির্মাণের ধরন, অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতি এবং ভিজ্যুয়াল নির্মাণের কারণে সিনেমাটি নিয়ে প্রত্যাশাও তৈরি হয়েছে। এখন সেই প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে নতুন মুক্তির তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ মার্চ।

পোস্ট প্রডাকশনের কাজ শেষ করে ভিএফএক্সসহ সিনেমার কারিগরি দিকগুলোকে আরও নিখুঁত করতেই এই বাড়তি সময় নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। ফলে অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী বছরের স্বাধীনতা দিবসে ‘আন্ধার’ বড় পর্দায় দেখা যাবে।

কালের আলো/এসএ

৫০৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল

আবাসিক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিটে বিল ৫০৬ কোটি টাকা!

শালিখা(মাগুরা) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
আবাসিক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিটে বিল ৫০৬ কোটি টাকা!

মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল তৈরির ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম ও বিলিং অ্যাসিস্ট্যান্ট সোমা রানী ঘোষকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় ভুক্তভোগী গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সম্প্রতি মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মোছা. আলেয়া খাতুন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। তার নামে সেপ্টেম্বর মাসের ওই বিল ইস্যু করে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিস।

বিলের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। ফলে এক মাসে তার বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩৫ ইউনিট।

কিন্তু ওই ২৩৫ ইউনিটের বিপরীতে বিলটিতে ডিমান্ড চার্জ দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট ও ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ বিলের পরিমাণ ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের প্রকৃত বিল ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ তা হওয়ার কথা ২ হাজার ৫৬ টাকা।

গত ১০ সেপ্টেম্বর বিলটি ইস্যু করা হয় এবং পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলটিতে গ্রাহকের শ্রেণি হিসেবে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’ উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের আরও যেসব কর্মকর্তা জড়িত, তাদের চাকরিচ্যুত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় গ্রাহকরা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে আসিফের প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে আসিফের প্রতিক্রিয়া

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘ভিক্টিম ভিক্টিমের মতো থাকবা, তুমি প্রতিবাদ করবা কেন? তাও ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে!’

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘আমি ক্রনোলজিটা বলে দিচ্ছি : বিএফআইইউ-দুদক,মামলা-ন্যারেটিভ-পারসেপশন-হয়রানি।’

সবশেষে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘একটা বার্তা দেওয়া হলো সকল ভবিষ্যৎ ভিক্টিমদের প্রতি, প্রতিবাদ করা যাবে না।’

সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তিনি এসব মন্তব্য করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি