খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার স্ত্রী খুনের প্রধান আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার স্ত্রী খুনের প্রধান আসামি গ্রেফতার

রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্ত্রীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের পৌনে দুই বছর পর আত্মগোপনে থাকা প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) কুষ্টিয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি জানান, এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর দুপুরে ডিওএইচএসের ১০ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে ফারাহ দীবা (৬০) নামের ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ তখন জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর সকালের দিকে ওই নারীকে হত্যা করা হয়। তবে তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।

ঘটনার সময় ফারাহ দীবা বাসায় একাই ছিলেন। দুপুরে তার মেয়ে বাসায় এসে মায়ের মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। বাসা থেকে বেশকিছু মালামাল লুট হয়েছে বলেও পরিবারের সদস্যরা পুলিশের কাছে দাবি করেছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

চার বাস টার্মিনাল ঢাকার বাইরে নিতে লাগবে আড়াই বছর: সড়কমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
চার বাস টার্মিনাল ঢাকার বাইরে নিতে লাগবে আড়াই বছর: সড়কমন্ত্রী

আড়াই বছরের মধ্যে রাজধানী ঢাকা থেকে চারটি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ অংশ নিয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

রবিউল আলম জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী সায়েদাবাদ টার্মিনাল ধাপে ধাপে কাঁচপুরে স্থানান্তর করা হবে। ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল যাবে কেরানীগঞ্জে, জেলখানার বিপরীত পাশে। গাবতলীর টার্মিনাল যাবে হেমায়েতপুরে। ৩০০ ফিট এলাকায় একটি ডিপো এবং কাঁচপুরে আরেকটি ডিপো করা হচ্ছে। কাঁচপুরের ডিপোটি পরে টার্মিনাল হিসেবেই ব্যবহার হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি বাস টার্মিনালগুলোতে সারাদিন বাস দাঁড়িয়ে থাকে, সেখানে ওয়ার্কশপের মতো কাজও চলে। একটি বাস আট-দশ দিন ধরে সেখানে রং করা, ডেন্টিং, ইঞ্জিন মেরামতের মতো কাজ করা হয়, যা টার্মিনালের স্বাভাবিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণে এসব টার্মিনালকে আলাদা ডিপো ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, টার্মিনাল শিফটের কাজ এখনই পুরোপুরি শুরু হয়নি। আপাতত এগুলো ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বাসগুলো নির্দিষ্ট সময়ের আগে টার্মিনালে এসে দাঁড়াবে এবং সময় অনুযায়ী যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে ছেড়ে যাবে। গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া টার্মিনালকে ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা হবে, স্থায়ী ওয়ার্কশপ হিসেবে নয়। পর্যায়ক্রমে আলাদা ডিপো তৈরি করে দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে এসব টার্মিনাল স্থানান্তর সম্পন্ন করা হবে।

মহাখালী টার্মিনালের জন্য উত্তরা বা আব্দুল্লাহপুরের কাছাকাছি এলাকায় প্রায় ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি। এর আগ পর্যন্ত ৩০০ ফিট এলাকায় ডিপো ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। কলাবাগান, কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় যেসব বেসরকারি বাস কাউন্টার রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়া হবে। রাস্তার পাশে যত্রতত্র বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো বন্ধ করা হবে।

রবিউল আলম বলেন, ঢাকার বাস ব্যবস্থা রুটভিত্তিক কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই রুটে একাধিক মালিকানাধীন বাস আলাদা আলাদাভাবে না চালিয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির অধীনে পরিচালনা করা হবে। এতে নির্দিষ্ট রঙ, মান ও ফিটনেস অনুযায়ী বাস চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া ইলেকট্রিক বাস ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে টার্মিনালগুলোতে টয়লেট, ফ্যান, অপেক্ষাগারসহ মৌলিক সুবিধা বাড়ানো হবে। এ কাজ সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন করবে। পরিস্থিতি উন্নত হলে বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোও টার্মিনাল উন্নয়নে অংশ নেবে। তিনি বলেন, যাত্রীদের জন্য পরিবেশ উন্নত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে টার্মিনাল ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে, তবে পুরো স্থানান্তর শেষ হতে আড়াই বছর সময় লাগবে।

বিএসআরএফ-এর সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে সংলাপে আরও ছিলেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদলসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচv

৩২ হাজার টাকা আয় করলে কি মধ্যবিত্ত বলা যায়, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
৩২ হাজার টাকা আয় করলে কি মধ্যবিত্ত বলা যায়, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার

বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে মাসে ৩২ হাজার টাকা আয়কারী একজন মানুষকে মধ্যবিত্ত বলা যায় কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনেরর সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘বাস্তবে এই সীমা এখনও অনেক সাধারণ আয়ের মানুষকে করের আওতায় নিয়ে আসছে।’

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এই প্রশ্ন তুলেন। তিনি বলেন, সরকার করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত করেছে। এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় তা যথেষ্ট নয়।

রমিন বলেন, ‘যার মাসিক আয় ৩২ হাজার টাকা, তার বার্ষিক আয় দাঁড়ায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। অর্থাৎ তিনিও করযোগ্য আয়ের আওতায় চলে আসেন। প্রশ্ন হলো, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে ৩২ হাজার টাকা মাসিক আয়কারী একজন মানুষকে কি মধ্যবিত্তও বলা যায়?’

রুমিন ফারহানা বলেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি, বাসাভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। এই বাস্তবতায় করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

আয় বৈষম্যের প্রসঙ্গ তুলে রুমিন বলেন, দেশের মোট সম্পদের ৫৮ শতাংশ রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ মানুষের হাতে। অন্যদিকে শীর্ষ ১ শতাংশ মানুষের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মোট সম্পদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

কর ব্যবস্থার ফাঁক-ফোকর নিয়ে রুমিন ফারাহানা বলেন, কর ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় চাপ পড়ে সেইসব মানুষের ওপর, যাদের আয় সহজে শনাক্ত করা যায় এবং যারা নিয়মিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার মধ্যে থাকে। কিন্তু যাদের প্রকৃত আয় অনেক বেশি, তাদের একটি বড় অংশ এখনও কার্যকরভাবে করের আওতায় আসছে না। তিনি বলেন, আয়করের সবচেয়ে বড় চাপ পড়ে সেইসব মানুষের ওপর, যাদের আয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সহজে শনাক্ত করা যায়। কিন্তু যাদের প্রকৃত আয় কর ব্যবস্থার বাইরে থেকে যায়, তাদের বড় অংশ এখনও কার্যত করের আওতার বাইরে।

কর কাঠামোর সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, অন্যান্য বছরের মতো এবারও প্রত্যক্ষ করের তুলনায় পরোক্ষ করের ওপর বেশি নির্ভরতা বজায় রাখা হয়েছে। বাজেটে প্রত্যক্ষ করের অংশ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হলেও পরোক্ষ করের অংশ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ।

তার মতে, পরোক্ষ কর ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার ওপর সমান প্রভাব ফেলে, যা কর ন্যায্যতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো সাধারণত প্রত্যক্ষ করের ভিত্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর ব্যবস্থাকে আরও ন্যায়সঙ্গত করার চেষ্টা করে।

বাজেট আলোচনায় রুমিন সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগের স্থবিরতা, ব্যাংক খাতের তারল্য সংকট, কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ এবং কমে আসা প্রবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব সূচক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে না।

তবে বক্তব্যের শুরুতে রুমিন কৃষিপণ্যের উৎসে কর কমানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তার মতে, চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাতে এই উদ্যোগ কিছুটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

করমুক্ত আয়সীমা ও কর কাঠামো নিয়ে বক্তব্যের মাধ্যমে রুমিন ফারহানা মূলত মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের ওপর করের প্রভাব পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ভিএফজিবি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
জামায়াত আমিরের সঙ্গে ভিএফজিবি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছে ‘ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ’ (ভিএফজিবি) প্রতিনিধি দল। বৈঠকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধী দলীয় নেতার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

ভিএফজিবির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. হাসানাত এম. হুসাইন, এমবিই-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বৈঠকে অংশ নেয়।

প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ভিএফজিবি’র আইনবিষয়ক নির্বাহী পরিচালক ও ট্রাইব্যুনাল জজ ব্যারিস্টার নজরুল খাসরু (লন্ডন), অস্ট্রেলিয়ার নির্বাহী পরিচালক ড. হুমায়ের চৌধুরী (সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়), নির্বাহী সদস্য হুমায়ুন পাটোয়ারী (অটোয়া), শাহিদা এইচ. হুসাইন (লন্ডন), ড. শওকত আলী (নিউইয়র্ক) এবং বাংলাদেশ সমন্বয়ক ড. হান্নান মির্জা (ঢাকা)।

বৈঠকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং নীতিগত সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিনিধি দল প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আসন্ন জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানায় এবং এ বিষয়ে বিরোধী দলের সহযোগিতা কামনা করে।

এছাড়া প্রবাসীদের জন্য সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি প্রবাসীদের কল্যাণ, অধিকার সংরক্ষণ এবং তাদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আশ্বাস দেন।

বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপিও উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ