খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

আ.লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
আ.লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

আওয়ামী লীগের নাশকতা প্রতিরোধে রাজধানীর গুলিস্তানস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে যুবদল। ছবি: ঢাকা মেইল
কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নাশকতা প্রতিরোধে রাজধানীর গুলিস্তানস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাহবাগ থানা যুবদল।

‎মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ বিরোধী বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, গুলিস্তান মাজার রোড থেকে মিছিলটি এসে শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউয়ে প্রবেশ করে।

‎এসময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন মিছিলকারীরা। পরে মিছিলটি সেখান থেকে জিরো পয়েন্ট হয়ে সচিবালয়ের দিকে চলে যায়।

‎আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে যুবদলের নেতারা বলেন, আমরা রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্ব রাজপথ রয়েছি। আমরা আওয়ামী লীগের যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেব।

‎নেতারা আরও বলেন, সকাল থেকে আওয়ামী লীগের কেউ রাজপথে নামার সাহস পায়নি। এমনি কি তাদের যেসব ভালো লোকজন আছেন, তারাও নামেননি। ১৭ বছরের অপকর্মের কারণে আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করেছে সর্বস্তরের জনগণ।

কালের আলো/এসআর/এএএন

স্কুল-কলেজের অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু ১ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
স্কুল-কলেজের অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু ১ জুলাই

সরকারি ও বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ১৬ জুলাই।‎

মঙ্গলবার (২৩ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।‎

‎এতে বলা হয়, অনিবার্য কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ২০ মে তারিখের প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা ছিল।‎

তবে সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরীক্ষা আগামী ১ জুলাই (বুধবার) শুরু হবে এবং ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) শেষ হবে।

‎‎এ নির্দেশনা সরকারি ও বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজ পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের বাস্তবায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দুই কোটি ৩৫ লাখ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
দুই কোটি ৩৫ লাখ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

Oplus_131072

প্রায় ১৪ মাস পর দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ ক্যাম্পেইন আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এদিন ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ৩৫ লাখের বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তবে ১২ জেলার ৫৮ উপজেলার ২৯০টি ইউনিয়নের ৭১৪টি ওয়ার্ডে দুর্গম অঞ্চলে রাউন্ড বা ক্যাম্পেইন পরবর্তী চারদিন চাইল্ড টু চাইল্ড সার্চিং কার্যক্রম চালানো হবে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৪ জন এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২ কোটি ৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৮ জন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বলেন, আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলো ইপিআই’র নিয়মিত কেন্দ্র। এ ছাড়া আরও ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র (লঞ্চঘাট, ফেরীঘাট, রেলস্টেশন, বাসস্টেশন ইত্যাদি) স্থাপন করা হয়েছে।

ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ইতোমধ্যে আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অভিভাবকেরা কাছাকাছি কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে তাদের সন্তানদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ২৮ জুন সকালে রাজধানীতে শাহবাগস্থ আবু সাঈদ কনভেশন সেন্টারে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়াও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করবেন এবং মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হবে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা (তাদের টিমের মাধ্যমে) স্থানীয় পর্যায়ে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকেও কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে তদারকি কাজ সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের কার্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুসারে বছরে দুইবার ভিটামিন এ ক্যাপসুলের ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও ক্যাপসুল সংকটে গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে তা আর হয়নি। দীর্ঘ ১৪ মাস পর ২৮ জুন এ ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন আমরা আবার হাতে নিয়েছি। ক্যাম্পেইনটি সফল করতে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের দিন পরিবারে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের প্রচার পত্রে বলা হয়েছে, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভিটামিন ‘এ’ শুধু অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে না, বরং ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া থেকে শিশুকে সুরক্ষা দেয় এবং শিশুর মৃত্যু ঝুঁকি কমায়।

শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। তখন এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সালে কার্যক্রমটি আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় টিকাদান দিবসের সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি যুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সাল থেকে এর নাম দেওয়া হয় ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’। ২০১১ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এসএকে

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা

রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ১৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ১৩৭ কোটি টাকা) সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

চুক্তিতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স সই করেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউনিসেফের মধ্যে অনুষ্ঠিত এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। এ সহযোগিতার জন্য তিনি অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ চুক্তি মিয়ানমার ও বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের (প্রায় ৩,১৬২ কোটি টাকা) মানবিক সহায়তা প্যাকেজের অংশ।

২০১৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়া এ আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় মোট ১ দশমিক ২৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ১০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা) মানবিক সহায়তা দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া দেওয়া ১৬ মিলিয়ন ডলারের এ তহবিল রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে ব্যয় করা হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ