খুঁজুন
                               
, ,
           

৫ আগস্ট সেনাবাহিনী চুপ থাকলে গৃহযুদ্ধ ঘটতে পারত: আব্দুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
৫ আগস্ট সেনাবাহিনী চুপ থাকলে গৃহযুদ্ধ ঘটতে পারত: আব্দুল হক

রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) চেয়ারম্যান কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল হক, পিএসসি (অব.) বলেছেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট সেনাবাহিনী কোনো ভূমিকা না রেখে নীরব থাকলে দেশে বৃহত্তর সংঘাত বা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারত। দেশের সেই সংকটময় সময়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ এবং রাষ্ট্র গঠনে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর রাওয়া হেলমেট হলে ‘ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম (অব.)। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।

কর্নেল আব্দুল হক বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদান সম্পর্কে জাতিকে সঠিক তথ্য জানানো সময়ের দাবি। এ বাহিনী গঠিত না হলে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের নেতৃত্ব কে দিত? মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

কর্নেল আব্দুল হক ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলার নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা থেকেই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে এই বাহিনীর সদস্যরাই ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। পাশাপাশি চেরিয়াপাড়ায় সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক, মুক্তিবাহিনী গঠন এবং প্রবাসী সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও স্বাধীনতা যুদ্ধকে সুসংগঠিত করতে সহায়তা করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সামরিক শিক্ষা, চিকিৎসা, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ দেওয়া সেনাসদস্যদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

কর্নেল আব্দুল হক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শতব্যস্ততার মধ্যেও মন্ত্রী নির্ধারিত সফর পিছিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। একই সঙ্গে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান এবং আয়োজনে কোনো ত্রুটি থেকে থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সংবাদ সম্মেলনে দাবি বিএনপির

গৌরীপুরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় বিএনপিনেতাকে জড়িয়ে অপপ্রচার মিথ্যা ও ভিত্তীহীন

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
গৌরীপুরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় বিএনপিনেতাকে জড়িয়ে অপপ্রচার মিথ্যা ও ভিত্তীহীন

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সম্প্রতি জমি সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে সংগঠিত শ্রমিক নেতা মানিক হত্যাকান্ডের ঘটনায় উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মো: হাবিবুল ইসলাম খান শহীদকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি। সরকার এবং বিএনপির ভাবমূতি ক্ষুৃন্ন করতেই একটি ষড়যন্ত্রকারী মহলের ইন্ধনে এই সংবাদ প্রকাশ করা হয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১টায় জেলার গৌরীপুর প্রেসক্লাবে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠন আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবি করেন বিএনপি নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, একটি জাতীয় প্রত্রিকার অনলাইন এবং প্রিন্ট ভার্সনে সম্প্রতি গৌরীপুরে সংগঠিত শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা মানিক হত্যাকান্ডের ঘটনায় দুইটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদের পৃথক পৃথক একটি অংশে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মো: হাবিবুল ইসলাম খান শহীদকে ঘটনার নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক বহিস্কার হয়নি বলে উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন তোলা হয়। যা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার। এটি সাধারণ মহলের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি বিএনপি এবং উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়কের রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার ঘৃন্য অপচেষ্টা।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মো: হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ অভিযোগ করে বলেন, শ্রমিক নেতার হত্যাকান্ডে ঘটনার বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হলেও সাংবাদিকতার নিয়ম মানা হয়নি, আমার কোন বক্তব্যও নেওয়া হয়নি। এতে মূলত হত্যাকান্ডের মূল ঘটনা আড়াল করতে চক্রান্তকারী মহলের ইন্ধনে অসত্য তথ্য প্রকাশ করে বর্তমান সরকারের ভাবমূতি ক্ষুন্নের পাশাপাশি বিএনপি এবং আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন বা ক্ষতিগ্রস্থ করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, যেকোন ধরনের হত্যা, নাশকতা ও অরাজকতার বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট। কিন্তু সম্প্রতি গৌরীপুরে সংগঠিত শ্রমিক নেতা মানিক হত্যাকান্ডের ঘটনায় সামাজিকভাবে ঘাপটি মেরে থাকা গুপ্ত ও ফ্যাসিস্ট চক্রের ইন্ধনে একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল এই অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি অবিলম্বে এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিতপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব আব্দুর রহমান বাবুল, পৌর বিএনপির আহবায়ক আলী আকবর আনিছ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব রমজান হোসেন খান জুয়েল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আব্দুস সোবাহান সুলতান, কামাল হোসেন, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শাহজাহান কবির হিরা, জয়নাল আবেদীন খোকনসহ বিএনপি ও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কালের আলো/এম/এএইচ

‘আমার মাথায় হেলথ নেই, উনি আছেন’, স্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাস্যরস!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
‘আমার মাথায় হেলথ নেই, উনি আছেন’, স্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাস্যরস!

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রসিকতা করে উপস্থিত সবার মুখে হাসি ফোটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে কলেজ অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।

আলোচনার একপর্যায়ে একজন অংশগ্রহণকারী প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন, ‘আমরা জানতে চাই, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে আপনার ভাবনা কী?’

জবাবে পাশে বসে থাকা তার সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী হাস্যরসের সঙ্গে বলেন, ‘আমার মাথায় হেলথ নেই, উনি আছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে পুরো অডিটোরিয়ামে হাসির রোল পড়ে যায়।

পরে প্রশ্নকারী বলেন, ‘উনি যেহেতু আপনার পাশে আছেন, তিনি যদি এ বিষয়ে উদ্যোগ নেন, তাহলে আমরা সত্যিই আরও গর্বিত হব।’

এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছে শহীদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ক্যাম্পাসে একটি বৃক্ষরোপণও করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

কালের আলো/এসএকে

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ জরুরি নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ জরুরি নির্দেশনা

দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দুর্গত এলাকায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে সাতটি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শনিবার (১১ জুলাই) অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের সব বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে একটি জরুরী ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ যুক্ত ছিলেন।

এছাড়াও সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), পরিচালক (প্রশাসন), সকল বিভাগীয় পরিচালক, সকল জেলার সিভিল সার্জন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচাল অনুমোদনক্রমে ৭টি সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়। এগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সিদ্ধান্ত সমুহ

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ফোকাল পারসন মনোয়ন প্রদান করতে হবে।

ফোকাল পারসন কন্ট্রোল রুম এবং অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় রক্ষা করবেন। প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সমন্বয়ের জন্য ফোকাল পারসনের মোবাইল নম্বর সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ব্যক্তিদের সরবরাহ করতে হবে।

বন্যা দুর্গত জনগোষ্ঠীর জরুরী স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সদস্যদের সমন্বয়ে বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলা ও জেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে।

বন্যা দুর্গতদের জরুরী স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত সকল কার্যক্রম সম্পর্কে ফোকাল পারসন নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং, প্রেস নোট প্রদানের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে অবহিত করবেন। রোববার (১২ জুলাই) তারিখে বন্যা দুর্গতদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করণের জন্য জরুরী প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করতে হবে।

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলায় জরুরী স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের জন্য সকল প্রকার জরুরি ঔষধ, ওআরএস/স্যালাইন এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এর পর্যাপ্ত মজুদ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলায় সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত অ্যান্টি-স্নেক ভেনম মজুদ রাখতে হবে। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলায় গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। প্রযোজনীয় ক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রসূতিকে হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করতে হবে।

বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলা এবং জেলায় নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য সকল স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ এবং অন্যান্য সকল কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে ছুটি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

কালের আলো/এসআর/এএএন