খুঁজুন
                               
, ,
           

২-১ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০২ পূর্বাহ্ণ
২-১ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা মিলেছে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিতে ৫৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোলটি করেন অ্যান্থনি গর্ডন। তবে ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। তার পর ৯০+২ মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের গোলে স্কোর ২-১ করেছে আর্জেন্টিনা।

দলীয় আক্রমণের মাধ্যমে যার সূচনা করেন হ্যারি কেইন। মাঝমাঠে নেমে মরগান রজার্সকে বল বাড়ানোর চেষ্টা করলেও দুর্দান্ত অ্যাক্রোবেটিক ক্লিয়ারেন্সে তা প্রতিহত করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। তবে বিপদ কাটাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফিরতি বল কুড়িয়ে নিয়ে ডেকলান রাইস সেটি বাড়ান রজার্সের কাছে। ইংলিশ উইঙ্গারের নিখুঁত ক্রসে বক্সে দারুণভাবে জায়গা করে নেন অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর এক ছোঁয়ায় এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জড়িয়ে দেন জালে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল করেছে ইংল্যান্ডই।

প্রথমার্ধ গোলশূন্যতে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ৪৭ মিনিটে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের লম্বা ক্লিয়ারেন্স থেকে দুর্দান্তভাবে বল নামিয়ে দেন জুলিয়ানো সিমিওনে। সেখান থেকে বল পেয়ে ডিজেড স্পেন্সকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন হুলিয়ান আলভারেজ।

তার জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। তবে বিপদ তখনও কাটেনি। ফিরতি বল আবারও পেয়ে যান আলভারেজ। কিন্তু তার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ইংল্যান্ডের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় থ্রি লায়ন্স।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

এএফ মৎস্য খামারে মাছের মৃত্যুর প্রধান কারণ বিদ্যুৎ বিভ্রাট নয় : তদন্ত প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
এএফ মৎস্য খামারে মাছের মৃত্যুর প্রধান কারণ বিদ্যুৎ বিভ্রাট নয় : তদন্ত প্রতিবেদন

যশোরের শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সোনামুখী বিলের কাছে এএফ মৎস্য খামারে মাছের ব্যাপক মৃত্যুর ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে প্রধান কারণ হিসেবে প্রচারিত বক্তব্যের তথ্যগত সমর্থন পায়নি জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। তদন্তে অতিরিক্ত মাছের মজুত ঘনত্ব, অতিরিক্ত উচ্চ আমিষসমৃদ্ধ খাদ্য প্রয়োগ, জৈব ও নাইট্রোজেনজাত বর্জ্যের চাপ, ফাইটোপ্ল্যাংকটনের অস্বাভাবিক আধিক্য এবং পানির বিভিন্ন উপাদানের অসামঞ্জস্যসহ খামারের ব্যবস্থাপনাগত বিভিন্ন দুর্বলতাকে মাছের মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত তদন্ত কমিটি গত ২৫ আগস্ট ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ড যাচাই এবং মৎস্য বিভাগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত জলাশয়ের পানির গুণাগুণ পরীক্ষা করা হয়।

তদন্তে পাওয়া প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, গত ২২ আগস্ট রাত ১টা ৪২ মিনিট থেকে ২টা ২৬ মিনিট পর্যন্ত মোট প্রায় ৪৪ মিনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। তবে এর আগে ও পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল।

এ ছাড়া খামারে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আগেই শুরু হয়েছিল। ফলে ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মাছ মারা গেছে—গণমাধ্যমে প্রচারিত এমন বক্তব্যেরও তথ্যগত সমর্থন পাওয়া যায়নি।

তদন্তে ক্ষতিগ্রস্ত জলাশয়ের পরিস্থিতি ও পানির গুণাগুণ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে মাছের মজুত ঘনত্ব ছিল অত্যধিক। একই সঙ্গে অধিক পরিমাণে উচ্চ আমিষসমৃদ্ধ খাদ্য প্রয়োগ, জৈব ও নাইট্রোজেনজাত বর্জ্যের চাপ এবং ফাইটোপ্ল্যাংকটনের অস্বাভাবিক আধিক্য ছিল। পানির pH, অ্যামোনিয়া ও দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রায়ও অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় অপর্যাপ্ত এয়ারেশন ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার অনুপস্থিতিও তদন্তে উঠে এসেছে। এসব কারণের সম্মিলিত প্রভাবেই মাছের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

তদন্ত কমিটি আরো উল্লেখ করেছে, খামার মালিকপক্ষ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিপুল পরিমাণ মাছ, বৃহৎ বিনিয়োগ ও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির কথা বলার পাশাপাশি আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় জেনারেটর স্থাপন করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে। তবে খামারপক্ষের দাবি করা বিনিয়োগ ও সম্পদের পরিমাণের তুলনায় জরুরি পরিস্থিতিতে এয়ারেশন ব্যবস্থা সচল রাখার উপযোগী বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত সামান্য।

এ কারণে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

একইভাবে, ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে খামার মালিকপক্ষের প্রচারিত বক্তব্যও বিদ্যুৎ বিভাগের সরবরাহ রেকর্ড এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মাছের মৃত্যুর প্রধান কারণ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার ত্রুটি বা ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট নয়। বরং অতিরিক্ত মাছের মজুত ঘনত্বের বিপরীতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সক্ষমতা, পর্যাপ্ত এয়ারেশন, বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও যথাযথ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না করাসহ খামারের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাই এ বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।

জনস্বার্থে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপনের লক্ষ্যে যথাযথ ফ্যাক্ট-চেকিং ও তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো বিভ্রান্তিকর, অতিরঞ্জিত বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অনুমোদন ছাড়া ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থা’ পরিচয় ব্যবহার করা যাবে না: বিসিবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
অনুমোদন ছাড়া ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থা’ পরিচয় ব্যবহার করা যাবে না: বিসিবি

দেশের বিভিন্ন জেলায় ক্রিকেটের নামে নতুন নতুন সংগঠন গড়ে ওঠা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের অনুমোদন বা স্বীকৃতি ছাড়া কোনো সংগঠন নিজেদের ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থা’ হিসেবে পরিচয় দিলে সেটিকে অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। বিসিবি জানিয়েছে, ব্যক্তি বা কোনো গোষ্ঠীর উদ্যোগে গড়ে ওঠা সংগঠন, প্রতিষ্ঠান কিংবা কমিটির সঙ্গে বোর্ডের অনুমোদন, স্বীকৃতি বা সাংগঠনিক সম্পর্ক না থাকলে সেটিকে বিসিবির স্বীকৃত জেলা ক্রিকেট সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ক্রিকেট পরিচালনার জন্য বিসিবির সংবিধানে নির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে। সংবিধানের ৬.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক ও জেলা ক্রিকেট সংস্থা গঠন বিসিবির দায়িত্বের অংশ। এসব সংস্থার স্বীকৃতি, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও বোর্ডের এখতিয়ার নির্ধারিত রয়েছে।

এ ছাড়া সংবিধানের ৬.৪ অনুচ্ছেদে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেট সংস্থাগুলোর স্বীকৃতি ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব বিসিবির ওপর দেওয়া হয়েছে। ফলে বোর্ডের নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে কোনো সংগঠন নিজেদের জেলা ক্রিকেট সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

বিসিবির সংবিধানের ৯.১(খ) অনুযায়ী, জেলা ক্রিকেট সংস্থাগুলোকে বোর্ডের অনুমোদিত নীতিমালা ও বিধিমালা অনুসরণ করে গঠিত হতে হবে। জাতীয় ক্রিকেট লিগ, জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ, বয়সভিত্তিক ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিসিবির নির্ধারিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

বিসিবি জানিয়েছে, তাদের সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী গঠিত এবং বোর্ডের অনুমোদন পাওয়া সংস্থাগুলোই কেবল ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থা’ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। এর বাইরে কোনো সংগঠন ওই পরিচয় ব্যবহার করলে তা বিসিবির সংবিধানবিরোধী ও অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ কারণে ক্রিকেটার, ক্লাব, সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুমোদনহীন কোনো উদ্যোগ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিসিবি। কোনো জেলা ক্রিকেট সংগঠন বা কমিটি বোর্ডের স্বীকৃত কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থাকলে সরাসরি বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শও দিয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

কালের আলো/এসএ

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৬, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৬, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক

নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল (হড়পা বান) ও ভূমিধসে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং শতাধিক ভারতীয় নাগরিকসহ প্রায় ৪০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তিব্বত মালভূমিতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত ও বরফ গলার কারণে দেশটির সীমান্তবর্তী পার্বত্য জেলা রাসুয়া, নুয়াকোট ও ধাদিঙ-এর একাধিক গ্রাম ভেসে গিয়ে এই প্রাণহানি ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।

নেপালি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুধবার ভোরে কোনো পূর্ব সঙ্কেত ছাড়াই বিকট শব্দে ভোতেকোশি নদীর পানি হু হু করে বাড়তে থাকে। প্রলয়ঙ্কারী এই জলস্রোত মুহূর্তের মধ্যে রাসুয়া জেলার তিমুরে এবং সায়াপ্রু বেসি এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম ও স্থানীয় বাজার ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বন্যার তীব্র স্রোতে চীন ও নেপালকে সংযোগকারী ঐতিহাসিক ‘মিতেরি সেতু’ (ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পাসাং লামু মহাসড়কের বিশাল অংশ ধসে পড়ায় রাজধানী কাঠমান্ডুর সাথে ওই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

নেপাল পর্যটন বোর্ডের প্রাথমিক তথ্যমতে, বন্যা-বিধ্বস্ত এলাকা থেকে ৩৮৪ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার পর্যটকরাও এই তালিকায় আছেন।

কাঠমান্ডু-ভিত্তিক টাচ কৈলাশ ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাশু কুমার অধিকারী বলেছেন, ৯৩ জন নেপালিসহ ৩৯০ জন তীর্থযাত্রীর বুধবার সীমান্ত পার হওয়ার কথা ছিল। দু-একজন ছাড়া বিকেল ৩টা পর্যন্ত আমরা তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারিনি।

অন্যদিকে রাসুয়া জেলায় দায়িত্ব পালনরত নেপাল পুলিশের অন্তত ২৬ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ৭ জন সদস্যের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় পুলিশের মুখপাত্র উপ-মহাপরিদর্শক অবিনারায়ণ কাফলে।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের নির্দেশে নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ এবং নেপাল পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় অনুসন্ধানের জন্য ১৪টি হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং স্নিফার ডগ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে নদীর পানির উচ্চতা ও তীব্র স্রোতের কারণে দুর্গত এলাকা যেমন—তিমুরে এবং স্যাফরুবেশিতে হেলিকপ্টার অবতরণ করতে বেগ পেতে হচ্ছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে এই আকস্মিক বন্যা নেপালের জাতীয় গ্রিডে বড় আঘাত হেনেছে। ভোতেকোশি নদীর অববাহিকায় অবস্থিত অন্তত ৬টি বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইন বন্যার তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে নেপালের জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ১২ শতাংশ বা ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখন তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি, কাঠমান্ডু পোস্ট

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ