খুঁজুন
                               
, ,
           

কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি গেইট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছে

রাংগামাটি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি গেইট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছে

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য খুলে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ে ১৬ টি গেইট

এতে করে বাঁধের ১৬টি স্পিলওয়ে দিয়ে হ্রদের ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গেইটগুলো ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান।

এতে করে বাঁধের ১৬টি স্পিলওয়ে দিয়ে হ্রদের ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। কর্ণফুলীর অববাহিকা হয়ে এই পানির শেষ গন্তব্য বঙ্গোপসাগরে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য মতে, কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট দিয়ে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এসব ইউনিট থেকে আরও ৩২ হাজার কিউসেক পানি হ্রদ থেকে কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে।

বর্তমানে আর কাপ্তাই লেকে ১০৪ দশমিক ০৯ ফুট এমএসএল (মিনসি লেভেল) পানি রয়েছে। কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ পানির ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল হলেও ১০৮ ফুটকে বিপদসীমা হিসেবে ধরা হয়।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান বলেন, কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও নিচু এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে স্পিলওয়ের গেইট দিয়ে ৬ ইঞ্চি উচ্চতায় পানি ছাড়া হয়েছে। পানির ইনফ্লো বেশি হলে স্পিলওয়ের গেইট খোলার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লেগুনা চালকদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লেগুনা চালকদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গাউছিয়া রুটে চলাচলকারী লেগুনা চালকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন চালক আহত হন এবং কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক পক্ষ অপর পক্ষের কয়েকজন চালককে আটকে মারধর করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

যাত্রাবাড়ী-গাউছিয়া রুটে চলাচলকারী লেগুনাগুলোকে বিভিন্ন স্টপেজে যাত্রী ওঠানামা করতে হয়। সম্প্রতি একদল চালক ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় যাত্রী ওঠানো-নামানো বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এরই জেরে শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী চালক সালাউদ্দিন বলেন, সকালে যাত্রাবাড়ী থেকে গাউছিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন চালক আমাকে মারধর করে এবং আমার গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে দেয়। শুধু আমার নয়, আরও কয়েকটি লেগুনার যাত্রীদেরও জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতেই আমরা তাদের আটকাই।

লেগুনাচালক সালাউদ্দিন আরও জানায়, যদি ভবিষ্যতে আমাদের সাথে এ ধরনের আচরণ করে তাহলে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতেও পারে আমরা কাউকে ছেড়ে দেবো না। সংঘর্ষের একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

দেশের পুঁজিবাজারে টানা ইতিবাচক প্রবণতার ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর বাজার মূলধন ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রধান মূল্যসূচক এবং দৈনিক গড় লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ফলে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন মোট ১৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সপ্তাহজুড়ে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৫৫টির দাম কমেছে এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৭ লাখ ১০ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৭ লাখ ৩ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে বাজার মূলধন বেড়েছে ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা।

সূচকের দিক থেকেও ছিল ইতিবাচক চিত্র। গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৯৬ দশমিক ৩০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে যায়। এর ফলে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইএক্স সূচকের মোট উত্থান হয়েছে ২৪৭ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট।

এ ছাড়া শরিয়াহভিত্তিক ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৭ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৪৯ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

লেনদেনের পরিমাণও আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৯০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।

সপ্তাহজুড়ে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লাভেলো আইসক্রিমের শেয়ারে। এর পরের অবস্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। এছাড়া শীর্ষ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, লাফার্জহোলসিম, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো ফার্মা, ইস্টার্ন হাউজিং এবং মেঘনা ইন্স্যুরেন্স।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ধারাবাহিকভাবে সূচক, বাজার মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগের প্রবণতা বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করছেন।

প্রয়োজনে এটি আরও সংবাদপত্রের রিপোর্টিং স্টাইলে বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্টের ভাষায়ও সাজিয়ে দিতে পারি।

কালের আলো/এসএ 

সমৃদ্ধির স্বার্থেই ঢাকার পাশে প্রয়োজন বেইজিংকে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
সমৃদ্ধির স্বার্থেই ঢাকার পাশে প্রয়োজন বেইজিংকে: মির্জা ফখরুল

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির স্বার্থেই চীনের প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও প্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতি’ আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন মাত্রা পেয়েছিল এবং পরে খালেদা জিয়ার শাসনামলে তা আরও সুদৃঢ় হয়।

তিনি আরও বলেন, চীন এখন এক বিশাল অর্থনৈতিক শক্তি। তাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে ম্যাজিক্যাল উন্নয়ন ঘটেছে, তার সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো।

আমাদের ২০ কোটি মানুষের এই দেশে প্রায় ৪ কোটি বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চীনের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যকার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের।

আমাদের যুবসমাজ যেভাবে চীনে পড়াশোনা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত আদান-প্রদান বাড়াচ্ছে, তা দুই দেশের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে এনার্জি খাত, কারিগরি শিক্ষা, কৃষি ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে চীন বাংলাদেশের পাশে থেকে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন