খুঁজুন
                               
, ,
           

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে এবার বড় দুঃসংবাদ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে এবার বড় দুঃসংবাদ!

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বর্তমানে এইচ-১বি ভিসাধারীরা চাকরি হারানোর পর নতুন চাকরি খোঁজার জন্য সর্বোচ্চ ৬০ দিন সময় পান। তবে, প্রস্তাবিত নীতি কার্যকর হলে এই সুযোগ হারাতে পারেন বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া অভিবাসীরা।

রোববার (৯ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বর্তমান ভিসানীতি বাতিল করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। নতুন প্রস্তাবটি বর্তমানে হোয়াইট হাউসের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের (ওএমবি) পর্যালোচনাধীন রয়েছে। এটি এখনও চূড়ান্ত নিয়মে পরিণত হয়নি। এছাড়া প্রস্তাবটির বিস্তারিত তথ্যও এখন পর্যন্ত পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বিধানটি চূড়ান্ত হলে নির্দিষ্ট কিছু কর্মী এবং তাদের নির্ভরশীলদের জন্য বিদ্যমান ৬০ দিনের ছাড়ের সময়সীমা বাতিল হয়ে যাবে। এ ধরনের পদক্ষেপের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মী ও তাদের নির্ভরশীলদের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, এই পরিবর্তনটি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয় প্রবাসীদের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। ভারতসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা দীর্ঘদিন ধরে এইচ-১বি দক্ষ কর্মী কর্মসূচির আওতায় বড় সুবিধা পেয়ে আসছেন।

ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের (ইউএসসিআইএস) তথ্য বলছে, ২০২৪ অর্থবছরে অনুমোদিত এইচ-১বি আবেদনগুলোর ৭১ শতাংশই ছিল ভারতে জন্মগ্রহণকারী সুবিধাভোগীদের জন্য। দেশটিতে বর্তমানে ৫২ লাখের বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বাস করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমান নিয়মটি চালু করা হয়েছিল ২০১৭ সালে। এর আওতায় চাকরি হারানো উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীরা নতুন চাকরি খোঁজার জন্য অতিরিক্ত সময় পেতেন।

নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু কর্মী চাকরি হারানোর পর একটানা সর্বোচ্চ ৬০ দিন অথবা তাদের অনুমোদিত ভিসার মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারেন। এ ক্ষেত্রে যেটি আগে ঘটবে, সেই অনুযায়ী নিয়মটি কার্যকর হবে।

এই বিধানটি ই-১, ই-২, ই-৩, এইচ-১বি, এইচ-১বি১, এল-১, ও-১ এবং টিএন-এর মতো বিভিন্ন ভিসা বিভাগের কর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাদের নির্ভরশীলরাও একই ধরনের সুবিধা পান।

কালের আলো/এসএকে

অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর!

দীর্ঘদিন পর অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের পাওনা মেটাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৫ আগস্ট থেকে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্থ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার দুই হাজার কোটি টাকার বিশেষ থোক বরাদ্দ দিচ্ছে। এর আওতায় অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী তাদের বকেয়া পাওনা সুবিধা পাবেন।

এবারই প্রথম কোনো ঝামেলা বা মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ ছাড়া সরাসরি আইবাস++ সফটওয়্যারের মাধ্যমে উপকারভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।

অবসর সুবিধা বোর্ডের অধীনে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত অবসরে যাওয়া শিক্ষকরা একজন সর্বোচ্চ প্রায় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। এ জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। চাকরিকালে মূল বেতনের ৬ শতাংশ চাঁদার ভিত্তিতে অবসর সুবিধা নির্ধারণ করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ জন্য সরকার ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ থোক বরাদ্দ দিচ্ছে। এর আওতায় অবসর সুবিধা বোর্ডের প্রায় ৭০ হাজার ১১৫ জন এবং কল্যাণ ট্রাস্টের প্রায় ৪৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী অর্থ পাবেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী এ ধাপে সুবিধা পাবেন।

কল্যাণ ট্রাস্টে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জমা হওয়া প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। মূল বেতনের ৪ শতাংশ চাঁদার ভিত্তিতে এককালীন সর্বোচ্চ প্রায় আড়াই লাখ এবং সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কল্যাণ সুবিধা পাওয়া যাবে।

বর্তমানে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট মিলিয়ে ১ লাখ ১৪ হাজারের বেশি আবেদন ঝুলে রয়েছে, যা পুরোপুরি নিষ্পত্তিতে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন।

সরকার সম্প্রতি ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় বড় একটি অংশের পাওনা মেটানো সম্ভব হলেও, সবার বকেয়া টাকা একসঙ্গে পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে আগামী ১৩ আগস্ট সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার কথা রয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর। পরবর্তীতে ১৫ আগস্ট দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে সুবিধাভোগীদের অর্থ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

কালের আলো/এসএকে

বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় সুখবর, বিল-রিচার্জে মিলবে ডিজিটাল ঋণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় সুখবর, বিল-রিচার্জে মিলবে ডিজিটাল ঋণ

সংসারের ছোটখাটো জরুরি খরচ; বিশেষ করে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি কিংবা মোবাইল ফোনের বিল পরিশোধ অথবা প্রয়োজনীয় রিচার্জের জন্য ডিজিটাল ঋণ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন এই ব্যবস্থায় মোবাইল ব্যাংকিং বা ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে। ঋণ নেওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

আরও বড় সুখবর হলো, এই ঋণের ওপর কোনো সুদ আরোপ করা হবে না। তবে, ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে সেবামূল্য নেওয়ার সুযোগ থাকবে ব্যাংকগুলোর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন খসড়া নীতিমালায় এই ডিজিটাল ঋণ চালুর কথা বলা হয়েছে। জনসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়ার জন্য খসড়াটি প্রকাশ করা হয়েছে। মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা দেশের নগদবিহীন অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার ব্যবহার বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। এটি বড় অঙ্কের ভোগ্যঋণ নয়; বরং দৈনন্দিন জীবনের খুব ছোট ও তাৎক্ষণিক আর্থিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি ঋণব্যবস্থা। ফলে ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা বা ব্যাংক থেকে প্রচলিত ঋণ নেওয়ার সুযোগ না পাওয়া অনেক মানুষও এর আওতায় আসতে পারেন।

খসড়া নীতিমালায় ঋণের পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঋণের অঙ্ক যত বাড়বে, নির্ধারিত সেবামূল্যও তত বাড়বে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫ টাকা; ২৫১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১০ টাকা; ৫০১ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ১৫ টাকা; ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ২৫ টাকা; ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ৩৫ টাকা; ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০ টাকা সেবামূল্য নিতে পারবে ব্যাংকগুলো। এর বাইরে কোনো সুদ বা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

তবে, ঋণ নিলে ৩০ দিনের মধ্যে তা পরিশোধ করতে হবে গ্রাহকদেরকে।

নতুন ব্যবস্থায় ঋণ নিতে গ্রাহককে ব্যাংকের শাখায় গিয়ে কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

কাগজে স্বাক্ষরের পরিবর্তে গ্রাহকের বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই এবং ডিজিটাল সম্মতি নেওয়া হবে। অর্থাৎ গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমেই ঋণের আবেদন, অনুমোদন, অর্থ ছাড় এবং পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

অবশ্য, নতুন এই সুবিধা এখনই চালু হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে খসড়া নীতিমালা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নিচ্ছে। মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

চূড়ান্ত নীতিমালায় ঋণ দেওয়ার যোগ্যতা, গ্রাহকের সীমা, ঋণ পরিশোধের পদ্ধতি, তথ্য সংরক্ষণ, গ্রাহক সুরক্ষা এবং ঋণ খেলাপি হলে করণীয়সহ বিভিন্ন বিষয় আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সবকিছু ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ক্ষুদ্র অঙ্কের জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এক ডিজিটাল সেবা হয়ে উঠতে পারে এটি।

কালের আলো/এসএকে

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে উপকূলীয় এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকবে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমাধানের পাশাপাশি জ্বালানি ব্যবহারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর বেলস পার্ক মাঠে ১৫ দিনব্যাপী বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিনিয়ত ঘটছে। বাংলাদেশ অন্যতম ঝুঁকির মধ্যে আছে। এর মধ্যে উপকূলীয় এলাকাগুলো বেশি ঝুঁকিতে থাকবে। এই সমস্যার একটি বৈশ্বিক সমাধান করতে হবে।

তিনি বলেন, জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা যদি সচেতন না হই, আমাদের তাপমাত্রা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাবে। এই গ্রহকে মানুষের বসবাসের উপযোগী রাখতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সস্তা উন্নয়ন নিয়ে ব্যস্ত নন। এর বড় প্রমাণ হলো পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ। প্রতি বছর পাঁচ কোটি করে বৃক্ষরোপণ করা হবে। সেই লক্ষ্যেই সারাদেশে এই বৃক্ষ মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

এর আগে রোববার সকালে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী। পরে তিনি মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন নার্সারির স্টল ঘুরে দেখেন।

বরিশাল বিভাগীয় বৃক্ষ মেলায় বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ৫০টি নার্সারি অংশ নিয়েছে। মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। আগামী ১৫ দিন এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভাগীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে