খুঁজুন
                               
, ,
           

আইসিসির প্রেসিডেন্ট ও জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
আইসিসির প্রেসিডেন্ট ও জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে এবং আদালতের জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ ঘোষণা দেন।

নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগভিত্তিক আইসিসির বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের ধারাবাহিক পদক্ষেপের সর্বশেষ অংশ হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো। যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করতে ২০০২ সালে আইসিসি প্রতিষ্ঠিত হলেও যুক্তরাষ্ট্র এ আদালতের সদস্য নয়।

মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেন, যেসব দেশের সরকার আইসিসির এখতিয়ার মেনে নেয়নি, সেসব দেশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত, গ্রেপ্তার বা বিচার কার্যক্রমে আদালতের প্রচেষ্টায় সরাসরি যুক্ত থাকার কারণে আকানে ও সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত একটি নির্বাহী আদেশের আওতায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ হবে। একই সঙ্গে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে তাঁদের লেনদেনও বন্ধ হয়ে যাবে। তবে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু লেনদেন গুটিয়ে নেওয়ার জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইসিসি। আদালতটি বলেছে, বিচারিক কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের আইন প্রয়োগের কারণে হুমকির মুখে ফেলা হলে আন্তর্জাতিক আইনব্যবস্থাই ঝুঁকিতে পড়ে।

আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে গত ডিসেম্বরেও সতর্ক করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আদালটির সব ধরনের মামলা ও কার্যক্রমকে দ্রুত স্থবির করে দিতে পারে এবং এর অস্তিত্বও হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

নিষেধাজ্ঞার শিকার আবদুলায়ে সেয়ে আইসিসির সেই কৌঁসুলি দলের একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য, যারা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছিলেন। তাঁকে আইসিসির বিচারক পদে নির্বাচনের জন্যও মনোনীত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছে আইসিসির স্বাগতিক দেশ নেদারল্যান্ডস। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম বেরেন্ডসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, আন্তর্জাতিক আদালত ও ট্রাইব্যুনালগুলোকে স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করার সুযোগ দেওয়া উচিত।

তিনি আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানেকে নেদারল্যান্ডসের সমর্থনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে আইসিসির তদন্ত এবং নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকেই ওয়াশিংটন ও আইসিসির মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়েছে। এর আগে গত বছর আদালটির কয়েকজন কর্মকর্তা, কৌঁসুলি ও বিচারকের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কো রুবিওর দাবি, আইসিসি মার্কিন অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা, মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্য এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এই প্রচারণার উদ্দেশ্য নিজেকে বিচার থেকে রক্ষা করা নয়; বরং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও অন্যদের সুরক্ষা দেওয়া।

আইসিসি বলছে, কোনো সদস্যরাষ্ট্র নিজের দেশে সংঘটিত গুরুতর অপরাধের বিচার করতে ব্যর্থ বা অনিচ্ছুক হলে আদালত তার এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে। এ ছাড়া কোনো সদস্যরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে অ-সদস্য দেশের নাগরিক গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ করলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধেও আইসিসি বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

কালের আলো/এসএ

 

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের লড়াই নিয়ে যা বললেন স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে গণতন্ত্রের লড়াই নিয়ে যা বললেন স্পিকার

সংসদীয় গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে বেশ কিছু সাদৃশ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে দুই দেশের সংসদীয় ব্যবস্থা, গণতন্ত্রের বিকাশ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে সহযোগিতার বিষয় উঠে আসে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুইডেন বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। সুইডেনের সংসদ এককক্ষবিশিষ্ট এবং দেশটি সংসদীয় প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা অনুসরণ করে। সংসদীয় গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মিল রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। স্পিকারের মতে, দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন করা গেলে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা সম্প্রসারণে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের মানুষ সব সময় গণতন্ত্রপ্রিয় উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য এ দেশের মানুষ জীবন দিতেও পিছপা হননি। তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষ সেই শাসনের অবসান ঘটিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস দেশটির সংসদীয় কাঠামো সম্পর্কে স্পিকারকে অবহিত করেন। তিনি জানান, সুইডেনের পার্লামেন্টে মোট ৩৪৯টি আসন রয়েছে। সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে চার বছরের জন্য নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রদূত বলেন, সুইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হলেও দেশটির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা সংসদ ও সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ এবং ককাস গঠনের বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করে। সংসদীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

কুবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী হেফাজতে

শিক্ষা প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
কুবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী হেফাজতে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ফার্মেসি বিভাগের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফারজানা ইসলাম নামের ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বামী নাজমুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে কিছু বলতে রাজি হয়নি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সাইনবোর্ড এলাকার স্বামীর বাসা থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর স্বামী নাজমুল ইসলাম একই বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বিয়ের পর নির্যাতনের অভিযোগ পরিবারের
ফারজানার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন তাঁর স্বামী। প্রায় তিন বছর আগে একই বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। এরপর থেকে দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

ফারজানার ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, তাঁর বোনের পরিবারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, নাজমুল প্রথমদিকে বেকার থাকলেও চাকরি পাওয়ার পর অর্থের চাহিদা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে অর্থের জন্য চাপ দেওয়ার পাশাপাশি ফারজানার ওপর নির্যাতনও চলতে থাকে।

নারী নির্যাতনের মামলা করেছিলেন ফারজানা
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বরে মারধরের শিকার হয়ে ফারজানা স্বামীর বাসা ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে এ ঘটনায় তিনি নারী নির্যাতনের মামলা করেন।

পরিবারের দাবি, মামলার পর নাজমুলের পরিবারের সদস্যরা ভবিষ্যতে আর নির্যাতন করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে মামলা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। পরে দুই পরিবারের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে মামলাটি প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ফারজানার ভাই আরিফুলের অভিযোগ, ঘটনার আগের দিন বিকেলে নাজমুলের দুলাভাই তাঁকে ফোন করে মামলা প্রত্যাহার হয়েছে কি না, তা জানতে চান। জবাবে তিনি জানান, মামলা প্রত্যাহার হয়ে গেছে এবং এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রও পাওয়া গেছে বলে তিনি জানেন।

পরিবারের দাবি, মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ফারজানাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে এটি পরিবারের অভিযোগ; পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও কথা হয়েছিল ভাইয়ের সঙ্গে
আরিফুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাঁর সঙ্গে ফারজানার কথা হয়েছিল। তখন বোনের কথাবার্তায় অস্বাভাবিক কিছু বুঝতে পারেননি তিনি। রাতে খাওয়ার জন্য ফারজানা চিপস ও কোমল পানীয়ও কিনেছিলেন বলে জানান আরিফুল।

তবে রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে তাঁকে ফোন করে ফারজানার মৃত্যুর খবর জানানো হয়। হঠাৎ এমন খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী সুমন মাহতাব জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারজানাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পায়। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী নাজমুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ঘটনাটি আত্মহত্যা হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

ফারজানার মৃত্যুকে ঘিরে পরিবারের পক্ষ থেকে নির্যাতন ও পরিকল্পিত হত্যার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ/এমএএইচ

 

বিসিবির সাবেক পরিচালক মাহমুদ জামাল আর নেই

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
বিসিবির সাবেক পরিচালক মাহমুদ জামাল আর নেই

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মাহমুদ জামাল। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ৭৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মাহমুদ জামালের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বিসিবি। রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত এই সংগঠক চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের খেলাধুলার উন্নয়ন ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

চার দশকের বেশি সময় ক্রীড়াঙ্গনে অবদান
মাহমুদ জামাল দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রীড়া সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে রাজশাহী অঞ্চলে খেলাধুলার বিকাশে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি দীর্ঘ সময় রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নির্বাহী সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বিভিন্ন পর্যায়ে ক্রীড়া প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত থেকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন মাহমুদ জামাল।

দুই দফায় বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত
বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রশাসনিক কার্যক্রমেও দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত ছিলেন মাহমুদ জামাল। ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক নির্বাচিত হন তিনি। পরে ২০০৮ সালে দ্বিতীয়বারের মতো বোর্ডের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান।

বিসিবিতে দায়িত্ব পালনকালে দেশের ক্রিকেটের সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন তিনি। ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার প্রসারে তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ক্রীড়া সংগঠক মহলে পরিচিত ছিল।

মাহমুদ জামালের মৃত্যুতে বিসিবির শোক
সাবেক এই পরিচালকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। দীর্ঘদিনের ক্রীড়া সংগঠক মাহমুদ জামালের মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। সূত্র: বিসিবি

কালের আলো/এসএ/এমএসআইপি