খুঁজুন
                               
, ,
           

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি

রাজধানীর সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। অধিকাংশ সবজির দাম কমে আসায় ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেলেও বেগুন ও টমেটোর দামে সেই স্বস্তিতে কিছুটা ভাটা পড়েছে। বাজারে এখন ঢেঁড়শ, পটোল, কাকরোল, ঝিঙে ও জালি ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, লাউ ও ধুন্দল ৮০ টাকা এবং পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিপরীতে বেগুন ও টমেটোর কেজি ছুঁয়েছে ১২০ টাকা।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে দেখা যায়, ঢেঁড়শ, পটোল, কাকরোল, ঝিঙে ও জালি ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। করলা ৭০ টাকা, লাউ ও ধুন্দল ৮০ টাকা এবং পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। তবে বেগুন ও টমেটো কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ১২০ টাকা করে।

দাম কমে আসায় বাজার করতে আসা অনেক ক্রেতাই কিছুটা স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। বনশ্রী এলাকায় বাজার করতে আসা কাইয়ুম বলেন, আগের তুলনায় এখন কয়েক ধরনের সবজির দাম কম। ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে অনেক সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এতে বাজারের খরচ কিছুটা সামলানো যাচ্ছে। তবে বেগুন আর টমেটো ১২০ টাকা হওয়াটা বেশি।

আরেক ক্রেতা বলেন, একটা-দুইটা সবজির দাম কমলেই তো পুরো বাজারের চাপ কমে না। তবে পটোল, ঢেঁড়শ, ঝিঙে, পেঁপে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে, এটা ভালো। বেগুন-টমেটোও যদি একটু কমত, তাহলে বাজারে আরও স্বস্তি আসত।

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বাড়ায় বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে বেগুন ও টমেটোর সরবরাহ ও ক্রয়মূল্য তুলনামূলক বেশি থাকায় এসব সবজির দামও কমছে না।

মেরাদিয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা নাদিম বলেন, কয়েক ধরনের সবজি এখন বেশি আসছে। তাই দাম কম। পটোল, ঢেঁড়শ, ঝিঙে, জালি ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি করছি। পেঁপের দাম আরও কম, ৩০ টাকা কেজি। কিন্তু বেগুন ও টমেটো আড়তেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

আরেক বিক্রেতা বলেন, সবজির বাজারে এখন মোটামুটি স্বাভাবিক অবস্থা। যেগুলোর সরবরাহ ভালো, সেগুলোর দাম কমেছে। তবে বেগুন আর টমেটোর সরবরাহ সে তুলনায় কম হওয়ায় দাম বেশি।

রাজধানীর বাজারে বেশ কিছু সবজির দাম কমে আসায় ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে বেগুন ও টমেটোর চড়া দাম এখনো বাজারের সেই স্বস্তিকে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে দিচ্ছে না।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মাতৃত্বের অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ সামান্থা, জানালেন ১১ কেজি ওজন বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
মাতৃত্বের অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ সামান্থা, জানালেন ১১ কেজি ওজন বেড়েছে

মা হতে চলেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। মাতৃত্বের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছেন তিনি। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে মাতৃত্বকালীন নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে অংশ নেন সামান্থা। সেখানে ভক্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি গর্ভাবস্থায় তার শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের কথাও জানান তিনি।

এক ভক্ত তার ওজন বাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে সামান্থা লেখেন, ‘আমিও বুঝতে পারছি। ইতোমধ্যে ১১ কেজি ওজন বেড়ে গেছে।’

অন্য এক ভক্ত এই সময়ের মানসিক অবস্থা ও মেজাজের ওঠানামা নিয়ে জানতে চান। উত্তরে সামান্থা জানান, অনেক সময় তিনি একটি কথা বলা শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত নিজেই বুঝতে পারেন না, আসলে কী বলতে চাইছেন। একই সঙ্গে সন্তান আগমনের অপেক্ষার অনুভূতিও প্রকাশ করেন তিনি।

এক নতুন মা নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, সারা দিন সন্তানকে খাওয়ানো, ঢেঁকুর তোলানো ও কোলে নিয়ে দোলানো—একই কাজের পুনরাবৃত্তিতেই সময় কেটে যাচ্ছে।

সেই অভিজ্ঞতার জবাবে সামান্থা লেখেন, ‘শুনেই মনে হচ্ছে—এটা আসলে ২৪ ঘণ্টার চাকরি!’

এক অনুরাগী সরাসরি জানতে চান, মাতৃত্বের এই সময়টা তিনি উপভোগ করছেন কি না। উত্তরে সামান্থা জানান, মন থেকে পুরো বিষয়টি উপভোগ করছেন তিনি। তার ভাষায়, তিনি ভাবেননি মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তাকে এতটা শক্তিশালী অনুভূতি দেবে।

সামান্থা জানান, আগে তার ধারণা ছিল এই সময়টায় হয়তো বেশিরভাগ সময়ই প্রচণ্ড চাপে থাকবেন। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা হয়নি। বরং পুরো অভিজ্ঞতাই তার কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারেও মা হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন সামান্থা। দীর্ঘদিন ধরেই মাতৃত্বের স্বপ্ন দেখেছেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, সামান্থা রুথ প্রভু ও তার স্বামী রাজ নিদিমোরু তাদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাইযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করবে। আমরা কোনোভাবে পিছপা হবো না। তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ৭৪ পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, কেউ হয়তো বলছেন সরকার তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি অন্যভাবে বলতে চাই যে গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের সহযোগিতা ও সমর্থন আছে বলেই তাদের আকাঙ্খা পূরণে সরকার কাজ করতে পারছে। যতদিন আমাদের জনগণ ক্ষমতায় রাখবে ততদিন আশা করি এসব পরিবারের সমর্থন আমাদের সঙ্গে থাকবে। যতই সীমাবদ্ধতা থাকুক আমরা এসব পরিবারের পাশে থাকবো।

খুন-গুন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি তা হয়তো কোনোভাবে পূর্ণ করা সম্ভব নয়। তারপরও এতটুকু বলবো আমাদের অবস্থান থেকে আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি থাকবো।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রথম গান প্রকাশিত হলো হৃতিক রোশনের বড় ছেলে হৃহান রোশনের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
প্রথম গান প্রকাশিত হলো হৃতিক রোশনের বড় ছেলে হৃহান রোশনের

বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশন ও সুজান খানের বড় ছেলে হৃহান রোশন এবার আনুষ্ঠানিকভাবে পা রাখলেন সংগীতজগতে। ২০ বছর বয়সী এই তরুণ শিল্পী প্রকাশ করেছেন তার প্রথম একক গান ‘দ্য হেভেনলি প্লেস’।

ইউটিউব, স্পটিফাই ও ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি নিজেই গিটার বাজিয়েছেন হৃহান। প্রথম গান প্রকাশের পরই তার নতুন পথচলায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে পুরো রোশন পরিবার।

ছেলের গান ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে হৃতিক রোশন লিখেছেন, ‘তুমি সহজাত প্রজ্ঞা নিয়ে জন্মেছ, যা আমাকে নির্ভীক করে তোলে।’

ছেলের নতুন উদ্যোগে গর্ব প্রকাশ করেছেন মা সুজান খানও। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও হৃহানের দাদা রাকেশ রোশনও সামাজিক মাধ্যমে তার প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পরিবারের বাইরেও হৃহানের গান প্রশংসা পেয়েছে। হৃতিকের সঙ্গী সাবা আজাদ এবং সুজানের সঙ্গী আরসালান গোনি গানটির প্রশংসা করেছেন। হৃতিকের বোন সুনয়না রোশনও ভাতিজার প্রতিভা ও পরিশ্রমের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘তোমার গানটি অসাধারণের চেয়েও বেশি কিছু, তোমার কণ্ঠই অনেক কিছু বলে দেয়।’

রোশন পরিবারের সঙ্গে সংগীতের সম্পর্ক অবশ্য বহু পুরোনো। হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক রাজেশ রোশনের হাত ধরে বলিউডের সংগীতজগতে এই পরিবারের শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে।

এবার হৃহানের হাত ধরে সেই পারিবারিক ঐতিহ্যে যুক্ত হলো নতুন অধ্যায়। অভিনয়ের জগতের বদলে সংগীতকে বেছে নিয়ে নিজের আলাদা পরিচয় গড়ার পথে এগোচ্ছেন হৃতিকপুত্র।

কালের আলো/এসএ