খুঁজুন
                               
, ,
           

জ্বালানি সংকটে বাড়ছে অর্থনৈতিক চাপ ঝুঁকিতে ৬ লাখ কর্মসংস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকটে বাড়ছে অর্থনৈতিক চাপ ঝুঁকিতে ৬ লাখ কর্মসংস্থান

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব ক্রমেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্পষ্ট হচ্ছে। জ্বালানি ও গ্যাস সংকট, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং পণ্যের দাম বাড়ার কারণে দেশের কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতিতে নতুন করে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সংকট দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব মোকাবিলায় প্রস্তুত করা মূল্যায়নে এসব ঝুঁকির কথা তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ বেড়েছে। চলতি বছর প্রায় ১৭ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠতে পারেন—এমন পূর্বাভাস দেওয়া হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সেই সংখ্যা কমে প্রায় ৫ লাখে নেমে আসতে পারে। অর্থাৎ প্রায় ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা হারাতে পারেন।

সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ও দাম নিয়ে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ এবং এলএনজির ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। ফলে অঞ্চলটির সংঘাত দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

এলএনজি সরবরাহেও বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, পেট্রোবাংলার ছয়টি এলএনজি সরবরাহ চুক্তির মধ্যে পাঁচটিতে সরবরাহকারী পক্ষ ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

জ্বালানির বাড়তি দাম ভোক্তাদের ওপর চাপানো হলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক। এর ফলে পরিবহন, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়বে, যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর।

গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়ছে শিল্প ও কৃষিতেও। গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির কারণে দেশের কয়েকটি ইউরিয়া সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরিয়ার দাম বাড়ায় কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

অর্থনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতেও বাড়ছে ব্যয়ের চাপ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের পরিচালন ব্যয় বেড়েছে। আমদানিনির্ভর চিকিৎসাসামগ্রী ও ওষুধের কাঁচামালের পরিবহন ব্যয় বাড়ায় স্বাস্থ্যসেবার খরচও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের এই সতর্কতার সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এরই মধ্যে কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। তার মতে, শিল্পকারখানায় নতুন গ্যাস-সংযোগ না পাওয়া, উৎপাদন বা কাজের সময় কমে যাওয়া এবং জ্বালানি সংকটে কিছু কারখানা বন্ধ হওয়ার মতো ঘটনা ইতোমধ্যে ঘটছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কারখানা বন্ধ এবং শ্রমিকদের চাকরি হারানোর ঘটনাগুলো পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরছে। বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন এসব ঝুঁকিকে আরও স্পষ্ট করেছে।

এ অবস্থায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান ধরে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসআইকে/এমএসআইপি 

হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অচলাবস্থা, শর্ত দিচ্ছে তেহরান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অচলাবস্থা, শর্ত দিচ্ছে তেহরান

ছয় মাসের সংঘাতের পর মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির সমীকরণ বদলে গেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মুখোমুখি অবস্থানের অবসান হয়নি। যুদ্ধবিরতির পর এবার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার শর্ত হিসেবে যুদ্ধের অবসান, মার্কিন চাপ প্রত্যাহার এবং ইরানের অধিকার স্বীকারের দাবি তুলেছে তেহরান।

ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীরা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে তেহরানের শর্ত জানতে চেয়েছেন। এসব শর্ত চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের অবসান।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, কূটনীতিকে আবার কার্যকর পথে ফেরানো সম্ভব। তবে এজন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চাপের পরিবর্তে আস্থা তৈরি করতে হবে, সম্মানজনক ভাষায় কথা বলতে হবে, ইরানের অধিকার স্বীকার করতে হবে এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে।

আরাগচি জানান, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানির সঙ্গে তার ‘সৃজনশীল আলোচনা’ হয়েছে। যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতে কাতার, ওমান ও পাকিস্তানও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা চলছে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ধারিত একটি নৌপথ ব্যবহার করে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা করা হতে পারে। তবে কোন পথে জাহাজ চলবে, সমুদ্রের মাইন কীভাবে সরানো হবে এবং চলাচলের জন্য কী ধরনের ফি নেওয়া হবে—এসব বিষয়ে এখনও মতপার্থক্য রয়েছে। চূড়ান্ত কোনো চুক্তিও হয়নি।

তেহরানের আরেকটি শর্ত হলো, হরমুজ নিয়ে যেকোনো ব্যবস্থাপনা ইরান ও ওমানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয়ভাবে হতে হবে এবং এতে তৃতীয় কোনো দেশকে যুক্ত করা যাবে না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অনেকটাই কঠোর। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে বলেছেন, তেহরান একটি চুক্তির জন্য আগ্রহী। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটও জানিয়েছেন, ইরান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ‘সব বিকল্পই খোলা’ রেখেছে এবং এই মুহূর্তে কোনো আলোচনা চলছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান-ওমানের সম্ভাব্য সমঝোতার সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো সম্পর্ক নেই। মার্কিন পক্ষের দাবি, হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে, সমুদ্রের মাইন সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং মার্কিন নৌ অবরোধ অব্যাহত রয়েছে।

তবে জাহাজ চলাচলের তথ্য বলছে, পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। কেপলারের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র সাতটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ১৭টি। গত ১০ দিনের দৈনিক গড় ১৫টির তুলনায়ও এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

এরই মধ্যে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ইরানের বন্দর ঘিরে নৌ অবরোধ দেশটির অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করবে। ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ ও নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেছে।

অন্যদিকে আঞ্চলিক দেশগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে কাতার, ওমান ও পাকিস্তানের কর্মকর্তারা তেহরান সফর করেছেন। বিশেষ করে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ছয় মাসের যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন এনেছে। ইরান যুদ্ধের পর তৈরি হওয়া নতুন শক্তির ভারসাম্য ধরে রাখতে চাইছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র আগের কৌশলগত অবস্থান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায়। ফলে যুদ্ধবিরতি হলেও দুই দেশের মূল বিরোধের সমাধান হয়নি।

এখন হরমুজ প্রণালি শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক চাপ, অর্থনৈতিক অবরোধ এবং কূটনৈতিক দর-কষাকষির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল কতটা স্বাভাবিক হয় এবং দুই পক্ষ শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসে কি না—তার ওপরই নির্ভর করছে সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতির পরবর্তী গতি।

কালের আলো/এসএ

মাতৃত্বের অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ সামান্থা, জানালেন ১১ কেজি ওজন বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
মাতৃত্বের অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ সামান্থা, জানালেন ১১ কেজি ওজন বেড়েছে

মা হতে চলেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। মাতৃত্বের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছেন তিনি। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে মাতৃত্বকালীন নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে অংশ নেন সামান্থা। সেখানে ভক্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি গর্ভাবস্থায় তার শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের কথাও জানান তিনি।

এক ভক্ত তার ওজন বাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে সামান্থা লেখেন, ‘আমিও বুঝতে পারছি। ইতোমধ্যে ১১ কেজি ওজন বেড়ে গেছে।’

অন্য এক ভক্ত এই সময়ের মানসিক অবস্থা ও মেজাজের ওঠানামা নিয়ে জানতে চান। উত্তরে সামান্থা জানান, অনেক সময় তিনি একটি কথা বলা শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত নিজেই বুঝতে পারেন না, আসলে কী বলতে চাইছেন। একই সঙ্গে সন্তান আগমনের অপেক্ষার অনুভূতিও প্রকাশ করেন তিনি।

এক নতুন মা নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, সারা দিন সন্তানকে খাওয়ানো, ঢেঁকুর তোলানো ও কোলে নিয়ে দোলানো—একই কাজের পুনরাবৃত্তিতেই সময় কেটে যাচ্ছে।

সেই অভিজ্ঞতার জবাবে সামান্থা লেখেন, ‘শুনেই মনে হচ্ছে—এটা আসলে ২৪ ঘণ্টার চাকরি!’

এক অনুরাগী সরাসরি জানতে চান, মাতৃত্বের এই সময়টা তিনি উপভোগ করছেন কি না। উত্তরে সামান্থা জানান, মন থেকে পুরো বিষয়টি উপভোগ করছেন তিনি। তার ভাষায়, তিনি ভাবেননি মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তাকে এতটা শক্তিশালী অনুভূতি দেবে।

সামান্থা জানান, আগে তার ধারণা ছিল এই সময়টায় হয়তো বেশিরভাগ সময়ই প্রচণ্ড চাপে থাকবেন। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা হয়নি। বরং পুরো অভিজ্ঞতাই তার কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারেও মা হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন সামান্থা। দীর্ঘদিন ধরেই মাতৃত্বের স্বপ্ন দেখেছেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, সামান্থা রুথ প্রভু ও তার স্বামী রাজ নিদিমোরু তাদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ

শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাইযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করবে। আমরা কোনোভাবে পিছপা হবো না। তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ৭৪ পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, কেউ হয়তো বলছেন সরকার তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি অন্যভাবে বলতে চাই যে গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের সহযোগিতা ও সমর্থন আছে বলেই তাদের আকাঙ্খা পূরণে সরকার কাজ করতে পারছে। যতদিন আমাদের জনগণ ক্ষমতায় রাখবে ততদিন আশা করি এসব পরিবারের সমর্থন আমাদের সঙ্গে থাকবে। যতই সীমাবদ্ধতা থাকুক আমরা এসব পরিবারের পাশে থাকবো।

খুন-গুন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি তা হয়তো কোনোভাবে পূর্ণ করা সম্ভব নয়। তারপরও এতটুকু বলবো আমাদের অবস্থান থেকে আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি থাকবো।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ