খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রতারণার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, মামলা খারিজ চান সেলেনা গোমেজ

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
প্রতারণার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, মামলা খারিজ চান সেলেনা গোমেজ

মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’ ঘিরে আইনি জটিলতায় মুখ খুলেছেন হলিউড তারকা সেলেনা গোমেজ। প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকারীদের করা প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করে মামলাটি খারিজের আবেদন করেছেন তার আইনজীবীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালে মা ম্যান্ডি টিফির সঙ্গে মিলে ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’ প্রতিষ্ঠা করেন সেলেনা গোমেজ। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদার ড্যানিয়েলা পিয়ারসনও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মামলায় কয়েকজন বিনিয়োগকারী অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ও অবকাঠামো নিয়ে তাদের বছরের পর বছর ভুল তথ্য ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এসব আশ্বাসের ভিত্তিতে তারা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেন।

বিনিয়োগকারীদের মামলায় প্রতারণা, চুক্তি লঙ্ঘন এবং সিকিউরিটিজ জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় সেলেনা গোমেজ, তার মা ম্যান্ডি টিফি এবং সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদার ড্যানিয়েলা পিয়ারসনকে আসামি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন সেলেনার আইনজীবী ম্যাথিউ এস. রোজেনগার্ট। তিনি বলেন, সেলেনা কোনো ধরনের প্রতারণা বা অসদাচরণ করেছেন—এমন ধারণা অযৌক্তিক।

তিনি আরও জানান, মামলাটি খারিজের আবেদনের পাশাপাশি সেলেনাকে অন্যায়ভাবে মামলায় জড়ানোর অভিযোগে অন্যান্য আইনি প্রতিকারের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’কে মানসিক সুস্থতা নিয়ে কাজ করা একটি উচ্চাভিলাষী প্রতিষ্ঠান হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনায় ছিল একটি মোবাইল অ্যাপ, বিজ্ঞাপনভিত্তিক চুক্তি এবং তারকাদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট। সেলেনা গোমেজ প্রতিষ্ঠানটির বিপণন কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত থাকবেন বলেও বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছিল বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

তবে তাদের অভিযোগ, এসব পরিকল্পনার অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির অব্যবস্থাপনা ও গুরুতর আর্থিক সংকটের বিষয়েও বিনিয়োগকারীদের সঠিক তথ্য দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা সম্পর্কে বিনিয়োগকারীরা পরে ‘ফোর্বস’ ও ‘দ্য কাট’-এ প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানতে পারেন।

অন্যদিকে, সেলেনা গোমেজের আইনজীবীদের দাবি, মামলায় এমন কোনো নির্দিষ্ট মিথ্যা বক্তব্যের উল্লেখ নেই, যা সেলেনা ব্যক্তিগতভাবে বিনিয়োগকারীদের কাছে দিয়েছেন। আদালতে দেওয়া আবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনি ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন না।

আইনি নথি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে সেলেনা কখনো সম্মতি দেননি। এমনকি ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’-এ তার সংখ্যালঘু মালিকানাও ছিল না। তাকে মূলত পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং ‘চিফ সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অফিসার’ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

সেলেনার আইনজীবীদের আবেদনে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো অস্পষ্ট, সাধারণ ও পরস্পরবিরোধী। তাই আইনগতভাবে তাকে এই মামলা থেকে বাদ দেওয়া উচিত।

আইনি নথি অনুযায়ী, ম্যান্ডি টিফি ও ড্যানিয়েলা পিয়ারসনই প্রতিষ্ঠানটির যৌথ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’ পরিচালনা করতেন।

কালের আলো/এসএ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নতুন দায়িত্ব পেলেন ২৭ উপসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নতুন দায়িত্ব পেলেন ২৭ উপসচিব

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৭ জন উপসচিবকে দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক হিসেবে বদলি ও পদায়ন করেছে সরকার।

রোববার (৩০ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বদলি ও পদায়ন করা কর্মকর্তাদের আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে ওইদিন অপরাহ্নে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তাদের নরসিংদী, টাঙ্গাইল, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, রাজশাহী, জয়পুরহাট, পাবনা, সিলেট, হবিগঞ্জ, বরিশাল, ভোলা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও জামালপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সরকারের এ পদায়নের ফলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্ব যুক্ত হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ /এমএসআইপি

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প দক্ষভাবে পরিচালনা করায় সরকারের অপচয় কমেছে। প্রকল্পের পাইলট প্রজেক্টে ১ দশমিক ২ শতাংশ ভুল হয়েছে, যা খুবই কম। সঠিক ডিস্ট্রিবিউশন না থাকলে সেখানে লস হয়।’

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিটি কাজে পার্টনারশিপ ডেভেলপ করা হয়েছে। এটা শুধু বন্যা পুর্নবাসনের কারণে নয়, ক্রিয়েটিভ ইকোনমির নতুন মডেল চালু করা হচ্ছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সহজীকরণে অংশীদারত্ব জোরদার করবে ইউএনডিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সহজীকরণে অংশীদারত্ব জোরদার করবে ইউএনডিপি

বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, লজিস্টিকস ব্যয় হ্রাস এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ জানিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।

একই সঙ্গে রফতানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইউএনডিপি বাংলাদেশের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ স্টিফেন রড্রিকসের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে ইউএনডিপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে। এ সুযোগ কাজে লাগানোর পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসাকে শক্তিশালী করা এবং ব্যবসার পরিবেশগত ও সামাজিক মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ব্যবসার লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আগে কোনো কোনো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগলেও বর্তমানে তা দুই সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। এসব প্রক্রিয়া আরো সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বৈঠকে দেশের উচ্চ লজিস্টিকস ব্যয় কমানো এবং বন্দর ও টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পণ্য ওঠানো-নামানোর সময় ও ব্যয় কমিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এমএসএমই খাতকে দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে এ খাতে অর্থায়নের ঘাটতি চিহ্নিত করা, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাজারের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ তৈরিতে ইউএনডিপির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ইউএনডিপির রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ স্টিফেন রড্রিকস ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি রফতানিমুখী করে তোলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা জানান।

একই সঙ্গে কাস্টমস প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমানো, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা ও দর-কষাকষিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় টুলস ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে স্টিফেন রড্রিকস বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনীতির বহুমুখীকরণে সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএনডিপির সহায়তা পুনর্বিন্যাস করা হবে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (এফটিএ) মাহবুবা খাতুন মিনু, ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ আনোয়ারুল হক, ইকোনমিক অ্যাডভাইজার ওয়াইস প্যারি এবং প্রজেক্ট ম্যানেজার মারুফ আজম উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ