খুঁজুন
                               
, ,
           

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ বাড়ির পাশেই মাদক বন্ধ করতে ব্যর্থ: ডা. শফিক

কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ বাড়ির পাশেই মাদক বন্ধ করতে ব্যর্থ: ডা. শফিক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তার নিজের জেলা ও বাড়ির পাশেই মাদকের চালান বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোডে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশ মাদকে ভরে গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ জেলা ও বাড়ির পাশের মাদকের চালান বন্ধ করতে পারছেন না। আমাদের যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। যুবসমাজকে বাঁচান, দেশকে বাঁচান।’

তিনি বলেন, ‘কুমিল্লাসহ সারাদেশের মানুষ গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংকটে ভুগছে। জনগণের এসব সমস্যা সমাধানের দাবিতে তারা রাস্তায় নেমেছেন।’

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘কুমিল্লা বিভাগের দাবি উঠেছিল ১৯৯৪ সালে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি। সরকারের উদ্দেশে বলছি, কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। পাশের কোনো জেলার যদি দাবি থাকে, তাদেরও দিয়ে দেন। কুমিল্লা বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করে দ্রুত বাস্তবায়ন করুন।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সরকার অনেক কথা দিয়েছিল, কিন্তু সেগুলো রাখেনি। তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। কুমিল্লায় এখনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি রয়েছে।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, জনতার বিজয় হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা সব দাবি আদায় করব, ইনশাআল্লাহ। জনতা আমাদের সঙ্গে আছে, আমরা গন্তব্যে পৌঁছাব।’

পথসভায় বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, লংমার্চে তারা অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছেন। মানুষ তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করছে। সরকার ১৮০ দিনে দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে এবং কোনো প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘সরকারের মন্ত্রীদের সন্তানরা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিতে জড়িত এবং তারা সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ঢাকায়ও লংমার্চের ডাক দেব।’

এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, ‘দেশ চাঁদাবাজি, খুন-রাহাজানিতে ভরে গিয়ে জাহান্নামে পরিণত হয়েছে।’

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সরকার জনগণের রায়কে উপেক্ষা করলে জনগণ সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করবে জনগণ।’

পথসভায় আরও বক্তব্য দেন- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের বহর চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। লংমার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। ফেনীর মহীপাল, মীরসরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

২ হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
২ হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী

বিদেশফেরত প্রবাসীদের বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে দুই পর্যায়ে দুই হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিদেশ ফেরত কর্মীদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন ঋণ কর্মসূচি চালু রেখেছে।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিদেশ প্রত্যাগত কর্মীদের পুনর্বাসনের জন্য ঋণ সহায়তা দিয়ে আসছে।
বিদেশফেরত প্রবাসীদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, শিল্প-কারখানা, সেবা ও বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে দুই পর্যায়ে মোট দুই হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে এক হাজার কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে এক হাজার কোটি টাকা ১০ বছর মেয়াদে ব্যাংক রেটে (বর্তমানে ৪ শতাংশ) প্রদান করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে এ ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ৮ শতাংশ।
এ ঋণের মাধ্যমে বিদেশগমনেচ্ছু ও বিদেশফেরত প্রবাসীদের আত্মকর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত ওই প্রাক-অর্থায়ন ঋণের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৪২ হাজার ৭৬২ জন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪২ হাজার ৩০৩ জন সুবিধাভোগী ঋণ সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের সফল বাস্তবায়নের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নও প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

গোলের পর ‘৩০৪’ উদযাপন কেন, জানালেন ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
গোলের পর ‘৩০৪’ উদযাপন কেন, জানালেন ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু

বার্সেলোনা ও স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের গোল উদযাপনে ‘৩০৪’ সংখ্যাটি এখন বেশ পরিচিত। কিন্তু এই তিন অঙ্কের পেছনে রয়েছে তার শৈশব ও বেড়ে ওঠার স্মৃতি।

ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু সোহাইব জানিয়েছেন, মাত্র ছয় বছর বয়সে রোকাফোন্ডার একটি পার্কে তাদের বন্ধুত্বের শুরু। ছোটবেলা থেকেই ইয়ামালের ফুটবল প্রতিভা ছিল স্পষ্ট। সোহাইব তাকে প্রায়ই বলতেন, একদিন চাইলে বিশ্বের সেরা ফুটবলার হতে পারবেন তিনি—তবে সেই বিশ্বাসটা নিজের ভেতর থেকেই তৈরি করতে হবে।

স্প্যানিশ টিভি অনুষ্ঠান ‘তার্দে এআরকে’-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোহাইব আরও জানান, খ্যাতির শিখরে পৌঁছেও ইয়ামালের স্বভাব খুব একটা বদলায়নি। সুযোগ পেলেই তারা এখনো একসঙ্গে সময় কাটান এবং ইয়ামালকে নিজের ভাইয়ের মতোই মনে করেন তিনি।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ইয়ামালের গোল উদযাপন। গোল ডটকমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা যায়, ‘৩০৪’ আসলে ইয়ামালের শৈশবের এলাকা রোকাফোন্ডার পোস্টাল কোডের শেষ তিন সংখ্যা।

সোহাইব জানান, যুবদলের কোপা দেল রের একটি ম্যাচের আগে রোকাফোন্ডায় থাকার সময় ইয়ামাল নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কিছু প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন। তখনই সোহাইব তাকে ‘৩০৪’ সংকেতটি উদযাপনে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এলাকাটিতে সংখ্যাটি তারা নিয়মিত ব্যবহার করতেন।

ইয়ামালের সেই ভঙ্গিটি পছন্দ হয়ে যায়। এরপর থেকে গোল করলেই দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ দেখানোকে নিজের স্বাক্ষর উদযাপনে পরিণত করেছেন বার্সেলোনার ১০ নম্বর তারকা।

শৈশবের এলাকার প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের স্মৃতিকে গোল উদযাপনের সঙ্গে এভাবে জড়িয়ে রাখা ইয়ামালের ‘৩০৪’কে দিয়েছে আলাদা অর্থ।

কালের আলো/এসএ

এবারও ফাইনালের ট্রফি তুলে দেবেন নাকভি, ভারত জিতলে কী হবে?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
এবারও ফাইনালের ট্রফি তুলে দেবেন নাকভি, ভারত জিতলে কী হবে?

চলমান নারী এশিয়া কাপে ভারত ও শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানও শেষ চারের লড়াইয়ে রয়েছে। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। সেই ম্যাচে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান ও দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভির উপস্থিতি।

জিও সুপার ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, নারী এশিয়া কাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে নাকভির। ফলে ফাইনালে ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে তাদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার দায়িত্বও তার ওপর পড়তে পারে।

আর সেখানেই তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কারণ গত বছর পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালেও ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়েছিল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে।

পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জেতার পর ট্রফি গ্রহণের সময় নাকভিকে নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় দল তার কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে ট্রফি ছাড়াই মঞ্চে শিরোপা উদযাপন করেন সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারত। পরে ট্রফিটি দুবাইয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়।

এবারও যদি ভারত ও পাকিস্তান ফাইনালে মুখোমুখি হয় এবং ভারত শিরোপা জেতে, তাহলে ট্রফি গ্রহণের সেই পুরোনো বিতর্ক নতুন করে সামনে আসতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানায়নি।

নারী এশিয়া কাপে অবশ্য এখন পর্যন্ত দারুণ ছন্দে রয়েছে ভারত। থাইল্যান্ড ও হংকংয়ের পর পাকিস্তানকেও হারিয়েছে হারমানপ্রীত কৌরের দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ভারতীয় বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয় ফাতিমা সানার দল। পরে সহজেই সাত উইকেটের জয় তুলে নেয় ভারত।

ফলে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত। এখন প্রশ্ন একটাই—ফাইনালে ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে আবারও কি ট্রফি গ্রহণ নিয়ে তৈরি হবে নতুন কোনো নাটক?

কালের আলো/এসএ