খুঁজুন
                               
, ,
           

অক্ষয়-শিল্পার বিয়ে প্রায় ঠিকই হয়ে গিয়েছিল: নির্মাতা সুনীল

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
অক্ষয়-শিল্পার বিয়ে প্রায় ঠিকই হয়ে গিয়েছিল: নির্মাতা সুনীল

বলিউডের নব্বইয়ের দশকের আলোচিত জুটি অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির প্রেমের সম্পর্ক বিয়ের পর্যায় পর্যন্ত গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন নির্মাতা সুনীল দর্শন। তবে ভুল–বোঝাবুঝির কারণে শেষ পর্যন্ত তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে যায় বলে জানান তিনি।

১৯৯৯ সালে অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠিকে নিয়ে ‘জানওয়ার’ নির্মাণ করেছিলেন সুনীল দর্শন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, তখন অক্ষয় ও শিল্পার সম্পর্ক ভালোই চলছিল। তাঁর মনে হয়েছিল, দুজনের বিয়ে প্রায় ঠিক হয়ে গেছে। পরে কিছু ভুল–বোঝাবুঝির কারণে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।

নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে অক্ষয় ও শিল্পার প্রেমের খবর বলিউডে ব্যাপক আলোচিত ছিল। ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়ি’, ‘ইনসাফ’ ও ‘জানওয়ার’-এর মতো সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তাঁরা।

অক্ষয়ের ক্যারিয়ারের কঠিন সময়ের কথাও স্মরণ করেন সুনীল। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে একাধিক সিনেমা ব্যর্থ হওয়ার পর ১৯৯৯ সালের ‘জানওয়ার’ তাঁর ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করে বলে মনে করেন এই নির্মাতা। সিনেমাটির সাফল্যের পর অক্ষয়ের তারকাখ্যাতি নতুন মাত্রা পায়। পরবর্তী সময়ে ‘হেরা ফেরি’ ও ‘ধড়কন’-এর মতো সিনেমাও মুক্তি পায়।

সুনীল জানান, অক্ষয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ পেশাগত সম্পর্ক রয়েছে এবং মোট সাতটি সিনেমায় তিনি এই অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেছেন।

এদিকে অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে একবার নিজেও ভুল–বোঝাবুঝিতে পড়েছিলেন সুনীল। ‘জানওয়ার’-এর পর তিনি হৃতিক রোশনকে নিয়ে সিনেমা করছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে অক্ষয় পরিচালকের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি জানতে চান। পরে ভুল যোগাযোগের বিষয়টি পরিষ্কার হয় এবং অক্ষয় মজা করে সুনীলের সঙ্গে ১০০টি সিনেমা করার প্রতিশ্রুতি নেন বলে জানান নির্মাতা।

কালের আলো/এসএ

২ হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
২ হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী

বিদেশফেরত প্রবাসীদের বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে দুই পর্যায়ে দুই হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিদেশ ফেরত কর্মীদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন ঋণ কর্মসূচি চালু রেখেছে।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিদেশ প্রত্যাগত কর্মীদের পুনর্বাসনের জন্য ঋণ সহায়তা দিয়ে আসছে।
বিদেশফেরত প্রবাসীদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, শিল্প-কারখানা, সেবা ও বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে দুই পর্যায়ে মোট দুই হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে এক হাজার কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে এক হাজার কোটি টাকা ১০ বছর মেয়াদে ব্যাংক রেটে (বর্তমানে ৪ শতাংশ) প্রদান করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে এ ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ৮ শতাংশ।
এ ঋণের মাধ্যমে বিদেশগমনেচ্ছু ও বিদেশফেরত প্রবাসীদের আত্মকর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত ওই প্রাক-অর্থায়ন ঋণের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৪২ হাজার ৭৬২ জন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪২ হাজার ৩০৩ জন সুবিধাভোগী ঋণ সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের সফল বাস্তবায়নের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নও প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

গোলের পর ‘৩০৪’ উদযাপন কেন, জানালেন ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
গোলের পর ‘৩০৪’ উদযাপন কেন, জানালেন ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু

বার্সেলোনা ও স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের গোল উদযাপনে ‘৩০৪’ সংখ্যাটি এখন বেশ পরিচিত। কিন্তু এই তিন অঙ্কের পেছনে রয়েছে তার শৈশব ও বেড়ে ওঠার স্মৃতি।

ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু সোহাইব জানিয়েছেন, মাত্র ছয় বছর বয়সে রোকাফোন্ডার একটি পার্কে তাদের বন্ধুত্বের শুরু। ছোটবেলা থেকেই ইয়ামালের ফুটবল প্রতিভা ছিল স্পষ্ট। সোহাইব তাকে প্রায়ই বলতেন, একদিন চাইলে বিশ্বের সেরা ফুটবলার হতে পারবেন তিনি—তবে সেই বিশ্বাসটা নিজের ভেতর থেকেই তৈরি করতে হবে।

স্প্যানিশ টিভি অনুষ্ঠান ‘তার্দে এআরকে’-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোহাইব আরও জানান, খ্যাতির শিখরে পৌঁছেও ইয়ামালের স্বভাব খুব একটা বদলায়নি। সুযোগ পেলেই তারা এখনো একসঙ্গে সময় কাটান এবং ইয়ামালকে নিজের ভাইয়ের মতোই মনে করেন তিনি।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ইয়ামালের গোল উদযাপন। গোল ডটকমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা যায়, ‘৩০৪’ আসলে ইয়ামালের শৈশবের এলাকা রোকাফোন্ডার পোস্টাল কোডের শেষ তিন সংখ্যা।

সোহাইব জানান, যুবদলের কোপা দেল রের একটি ম্যাচের আগে রোকাফোন্ডায় থাকার সময় ইয়ামাল নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কিছু প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন। তখনই সোহাইব তাকে ‘৩০৪’ সংকেতটি উদযাপনে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এলাকাটিতে সংখ্যাটি তারা নিয়মিত ব্যবহার করতেন।

ইয়ামালের সেই ভঙ্গিটি পছন্দ হয়ে যায়। এরপর থেকে গোল করলেই দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ দেখানোকে নিজের স্বাক্ষর উদযাপনে পরিণত করেছেন বার্সেলোনার ১০ নম্বর তারকা।

শৈশবের এলাকার প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের স্মৃতিকে গোল উদযাপনের সঙ্গে এভাবে জড়িয়ে রাখা ইয়ামালের ‘৩০৪’কে দিয়েছে আলাদা অর্থ।

কালের আলো/এসএ

এবারও ফাইনালের ট্রফি তুলে দেবেন নাকভি, ভারত জিতলে কী হবে?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
এবারও ফাইনালের ট্রফি তুলে দেবেন নাকভি, ভারত জিতলে কী হবে?

চলমান নারী এশিয়া কাপে ভারত ও শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানও শেষ চারের লড়াইয়ে রয়েছে। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। সেই ম্যাচে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান ও দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভির উপস্থিতি।

জিও সুপার ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, নারী এশিয়া কাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে নাকভির। ফলে ফাইনালে ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে তাদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার দায়িত্বও তার ওপর পড়তে পারে।

আর সেখানেই তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কারণ গত বছর পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালেও ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়েছিল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে।

পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জেতার পর ট্রফি গ্রহণের সময় নাকভিকে নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় দল তার কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে ট্রফি ছাড়াই মঞ্চে শিরোপা উদযাপন করেন সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারত। পরে ট্রফিটি দুবাইয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়।

এবারও যদি ভারত ও পাকিস্তান ফাইনালে মুখোমুখি হয় এবং ভারত শিরোপা জেতে, তাহলে ট্রফি গ্রহণের সেই পুরোনো বিতর্ক নতুন করে সামনে আসতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানায়নি।

নারী এশিয়া কাপে অবশ্য এখন পর্যন্ত দারুণ ছন্দে রয়েছে ভারত। থাইল্যান্ড ও হংকংয়ের পর পাকিস্তানকেও হারিয়েছে হারমানপ্রীত কৌরের দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ভারতীয় বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয় ফাতিমা সানার দল। পরে সহজেই সাত উইকেটের জয় তুলে নেয় ভারত।

ফলে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত। এখন প্রশ্ন একটাই—ফাইনালে ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে আবারও কি ট্রফি গ্রহণ নিয়ে তৈরি হবে নতুন কোনো নাটক?

কালের আলো/এসএ