খুঁজুন
                               
, ,
           

১৬ সেপ্টেম্বর বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন পূজা চেরি?

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
১৬ সেপ্টেম্বর বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন পূজা চেরি?

ঢালিউড অভিনেত্রী পূজা চেরির বিয়ে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে নানা আলোচনা। এবার সেই গুঞ্জনে যুক্ত হয়েছে নির্দিষ্ট একটি তারিখ। একাধিক সূত্রের দাবি, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হতে পারে এই অভিনেত্রীর।

তবে পূজা চেরির বিয়ের আয়োজন কোথায় হবে, পাত্র কে কিংবা অনুষ্ঠানের বিস্তারিত কী—এসব বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি অভিনেত্রী। বিষয়টি আপাতত তার ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে চলতি বছরের মার্চে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পূজা চেরি জানিয়েছিলেন, তিনি ‘এনগেজড’। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছিলেন, তার জীবনসঙ্গী মিডিয়া অঙ্গনের কেউ নন। তবে তখন বিয়ের তারিখ কিংবা হবু জীবনসঙ্গীর পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।

এরপর গত আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে পূজা চেরির বিয়ে হয়ে গেছে—এমন খবর। বিষয়টি নিয়ে পরে মুখ খোলেন অভিনেত্রী। তিনি জানান, তার এখনো বিয়ে হয়নি। পাশাপাশি বিয়ে হলে তা গোপন রাখবেন না বলেও ইঙ্গিত দেন।

এবার সেই ঘটনার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সামনে এসেছে ১৬ সেপ্টেম্বরের তারিখ। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনই পূজা চেরির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত পাত্রের পরিচয়, বিয়ের ভেন্যু কিংবা আয়োজনের ধরন নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল বাড়লেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে ভক্ত ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের।

শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করা পূজা চেরি পরবর্তীতে ‘পোড়ামন ২’, ‘দহন’, ‘শান’ ও ‘গলুই’ সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন।

সত্যিই যদি ১৬ সেপ্টেম্বর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, তাহলে ব্যক্তিজীবনে নতুন এক অধ্যায়ে পা রাখবেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তবে তারিখটি নিয়ে এখনো অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

কালের আলো/এসএ

উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী

উদ্যোক্তা তৈরি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কর্মসংস্থান ব্যাংক আয়োজিত ‘ক্ষুদ্র ব্যবসা, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ তহবিল প্রকল্প’-এর উদ্বোধন ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি ৫০ কোটি টাকার একটি পাইলট প্রকল্প। ব্যাংকে যেতে ভয় পান বা প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা মানুষদের ঋণ দেওয়ার মাধ্যমে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন এই প্রকল্প সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সৃজনশীল অর্থনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার নতুন করে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রান্তিক পর্যায়ের সৃজনশীল মানুষদের শুধু ঋণ নয়, প্রশিক্ষণ, পণ্য উন্নয়ন, ব্র্যান্ডিং ও বিপণনেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

কর্মসংস্থান ব্যাংককে এ ধরনের কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত মানুষদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে তাদের সৃষ্টিকে বাজারযোগ্য পণ্যে পরিণত করার সুযোগ রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সৃজনশীল মানুষদের অর্থনীতির মূল স্রোতে নিয়ে আসতে চায় সরকার। ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে বেশি মনোযোগ ও সহায়তা দেওয়া হলে এর ইতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

কর্মসংস্থান ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ বা এনপিএল ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ থেকে ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলে তা আরও ভালো হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংক ভালো করছে এবং লাভও করছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

তৃতীয় সন্তানের মা হয়েছেন পরীমনি?

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৯ অপরাহ্ণ
তৃতীয় সন্তানের মা হয়েছেন পরীমনি?

সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। সোমবার সকালে নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা ছবিতে তার কোলে দেখা যায় এক সদ্যজাত শিশুকে। ছবিটির সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে পরীমনি লিখেছেন, ‘তিন নাম্বার জন ডান। আলহামদুলিল্লাহ।’

এরপর থেকেই ছবিটি ঘিরে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে কি তৃতীয় সন্তানের মা হয়েছেন পরীমনি? নাকি আবারও কোনো শিশুকে দত্তক নিয়েছেন তিনি—এমন প্রশ্নই ঘুরছে সামাজিক মাধ্যমে।

শিশুদের প্রতি পরীমনির ভালোবাসার কথা ভক্তদের অনেকেরই জানা। নিজের সন্তানদের পাশাপাশি অন্য শিশুদের প্রতিও তার রয়েছে আলাদা টান। বিভিন্ন সময় একাধিক সন্তানের মা হওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এমনকি একসময় মজা করে ১০০ সন্তানের মা হওয়ার ইচ্ছার কথাও বলেছিলেন তিনি।

চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনে পরীমনির ঘরে আসে ছেলে শাহীম মোহাম্মদ পূণ্য। বিচ্ছেদের পর ছেলেকে নিজের কাছেই বড় করছেন তিনি। পরবর্তী সময়ে একটি কন্যাশিশুকে দত্তক নেন পরীমনি। তার নাম রাখা হয় সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম।

বর্তমানে এই দুই সন্তানকে নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটছে অভিনেত্রীর। অভিনয়ের পাশাপাশি সন্তানদের সময় দিতেও দেখা যায় তাকে। সামাজিক মাধ্যমেও প্রায়ই সন্তানদের সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে সোমবারের ছবিতে কোলে থাকা নবজাতকটিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য। ছবিতে গাড়ির ভেতর রোদচশমা পরা অবস্থায় দেখা যায় পরীমনিকে। শিশুটির পরিচয় না জানিয়ে শুধু ‘তিন নাম্বার জন ডান’ ক্যাপশন দেওয়ায় ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়েছে।

পোস্টের পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই পরীমনিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি শিশুটির পরিচয় জানতে নানা প্রশ্নও করেছেন। কেউ ধারণা করছেন, অভিনেত্রী হয়তো নতুন করে কোনো শিশুকে দত্তক নিয়েছেন। আবার কারও মতে, শিশুটি হয়তো তার পরিচিত কারও সন্তান।

এ বিষয়ে পরীমনির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত তার কাছ থেকে সরাসরি কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে ‘তিন নাম্বার জন’ আসলে কে—তা নিয়ে রহস্যই রয়ে গেছে।

পরীমনির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এখন ভক্তদের অপেক্ষা, কবে নিজেই এই রহস্যের জট খুলবেন অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ

বাংলাদেশি রোগী কমায় কলকাতার হাসপাতালগুলোর নতুন উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশি রোগী কমায় কলকাতার হাসপাতালগুলোর নতুন উদ্যোগ

ভিসা জটিলতা, আবাসন সংকটসহ নানা কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বাংলাদেশি রোগীর যাতায়াত কমে গেছে। এতে শহরটির চিকিৎসা পর্যটন খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার বাংলাদেশি রোগীদের ফের আকৃষ্ট করতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে কলকাতার একাধিক হাসপাতাল।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতার কয়েকটি হাসপাতাল আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে প্রতিনিধি দল পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। এসব প্রতিনিধি রোগী ও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং কলকাতায় চিকিৎসার সময় নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা সম্পর্কে পরামর্শ দেবেন।

হাসপাতালগুলো রোগীদের বৈধ অনুমোদনপ্রাপ্ত ও নিরাপদ হোটেলে আগাম কক্ষ বুকিংয়ের বিষয়েও সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি হাসপাতালের আশপাশের হোটেল ও গেস্ট হাউসের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশি রোগী ও তাঁদের স্বজনদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কলকাতায় বাংলাদেশি রোগীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নতুন করে সতর্কতা জারি করেছিল বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশন। কলকাতা যাওয়ার আগে আইনসম্মত ও নিরাপদ হোটেলে কক্ষ বুকিং নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে গত ১৯ আগস্ট নিউ মার্কেটসংলগ্ন ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। ওই ঘটনায় সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জন নিহত হন।

অগ্নিকাণ্ডের পর নিউ মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় অনিয়মের অভিযোগে বেশ কয়েকটি কম খরচের হোটেল ও আবাসন বন্ধ করে দেয় পুলিশ। ফলে কলকাতায় চিকিৎসা বা ভ্রমণের জন্য যাওয়া বাংলাদেশিদের কম খরচে থাকার সুযোগ আরও সংকুচিত হয়ে পড়ে।

কলকাতার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মনে করছে, বাংলাদেশ থেকে আসা অনেক রোগীর পক্ষে উপ-হাই কমিশনের নির্দেশনা পুরোপুরি মেনে চলা কঠিন। বিশেষ করে সড়কপথে আসা রোগী ও স্বজনদের একটি বড় অংশ চিকিৎসার পাশাপাশি কম খরচে থাকার জায়গা খোঁজেন।

এ কারণে অনেকেই তুলনামূলক কম নিরাপদ হোটেল বা গেস্ট হাউসে অবস্থান করেন। নতুন পরিস্থিতিতে হাসপাতালগুলো রোগীদের নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করে দেওয়াকে চিকিৎসা সেবার অংশ হিসেবেই দেখছে।

দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরের বিপি পোদ্দার হাসপাতাল আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। একই সঙ্গে হাসপাতালটির কাছাকাছি বাংলাদেশি রোগীদের জন্য নিজস্ব আবাসিক সুবিধা তৈরির কাজও চলছে।

হাসপাতালটির গ্রুপ উপদেষ্টা সুপ্রিয় চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা সফর সহজ ও ঝামেলামুক্ত করতে হাসপাতালের কাছাকাছি থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রোগীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে হাসপাতালের পাশেই নিরাপত্তাবেষ্টিত আবাসিক সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশি রোগী কমে যাওয়ার পরিস্থিতিতে কলকাতার উডল্যান্ডস মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালও বাংলাদেশে প্রতিনিধি দল পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। হাসপাতালটি আলিপুর এলাকার একাধিক গেস্ট হাউস ও হোটেলের সঙ্গে ইতোমধ্যে চুক্তি করেছে।

হাসপাতালটির সিইও এবং অ্যাসোসিয়েশন অব হসপিটালস অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি রূপক বড়ুয়া বলেন, নিরাপদ হোটেলে থাকার বিষয়ে বাংলাদেশি রোগীদের সচেতন করা হচ্ছে। চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসার আগেই যাতে রোগীরা নিরাপদ আবাসন বুক করতে পারেন, সে জন্য হাসপাতাল থেকে গেস্ট হাউস ও হোটেলের তালিকাও পাঠানো হচ্ছে।

কলকাতার কসবা এলাকার রুবি জেনারেল হাসপাতালও বাংলাদেশি রোগীদের জন্য আলাদা সহায়তা ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে। হাসপাতালটি আগেও বাংলাদেশি রোগীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল।

এবার আগ্রহী রোগীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং আবাসন সংক্রান্ত সহায়তা দিতে বিশেষ ডেস্ক চালু করছে হাসপাতালটি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাছাকাছি নিরাপদ আবাসনগুলোর তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ থেকে আসা রোগীদের আগাম বুকিংয়ের বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে।

বাংলাদেশি রোগীরা দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি রোগী গোষ্ঠী। ভিসা ও আবাসন সংকটের কারণে সেই প্রবাহ কমে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোর এই নতুন উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

কালের আলো/এসএ